ঢাকা ১০:৫৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬, ২৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ:
বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ, প্রধান শিক্ষক স্বর্গীয় প্রেমচাঁদ বাকচীর স্মরণ সভা ও স্বজাতি ভোজনে হাজারো গূণী ও বরেণ্য ব্যক্তিদের উপস্থিতি। রেশন কার্ডের খালি ৪০০ বস্তাসহ ব্যাপারী আটক, বাদিয়াখালীতে। সাংবাদিক রোমানাকে প্রাণনাশের হুমকি: দক্ষিণখান থানায় জিডি। চৌদ্দগ্রাম থানার শ্রেষ্ঠ এসআই আবুল কালাম আজাদ। মানবিকতা ও নেতৃত্বে অনন্য লায়ন শাহাদাত হোসেন : সমাজসেবায় আলোকিত এক অনুপ্রেরণার নাম। প্রায় ৫ কোটি টাকার সাউন্ড সিস্টেম অচল, সংসদে হেডফোন কেলেঙ্কারি : গণপূর্তের পাঁচ প্রকৌশলীর গাফিলতিতে অধিবেশন বন্ধ, তবু ‘প্রশিক্ষণ’ নামে বিদেশ সফরের তোড়জোড়। প্রেম ও দ্রোহের কবি রোস্তম মল্লিক ও তার সমকালীন সৃষ্টি। জ্বালানি সংকটে মোংলা বন্দরে লাইটার জাহাজে পণ্য খালাস ব্যাহত।  ‎ প্রান্তিক জনগোষ্ঠী থেকে উঠে আসা গৃহবধূ নেতৃত্বের গল্প শোনাতে তানজানিয়া যাচ্ছেন শ্যামনগরের অপর্ণা মল্লিক। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনেই হট্টগোল, বিরোধীদলের ওয়াক আউট।

প্রেম ও দ্রোহের কবি রোস্তম মল্লিক ও তার সমকালীন সৃষ্টি।

  • সারাক্ষণ ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৭:৫৯:৩১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬
  • ৩১ জন সংবাদটি পড়েছেন

 

কবিরা সমাজ ও রাষ্ট্রের সুচিন্তক। তাদের চিন্তাশক্তি এতটাই প্রখর যে তারা চোখ বন্ধ করে গোটা পৃথিবী দেখতে পান। তাদের রচনায় সময়ের ছবি চিত্রিত হয়। এক সময় সেটি ইতিহাসকে সমৃদ্ধ করে।কবি তার লেখনিতে রাষ্ট্র ও সমাজকে পথ দেখান।

কখনো শাসন করেন। আবার ভালোবাসার ফুল ফসলে ভরিয়ে দেন। কবির জীবনে ভোগ বিলাসীতা থাকে না।

তারা অনেকটা নিজের খেয়ে বনের মেষ তাড়ান। কবিরা সকল লোভ লালসার উর্ধ্বে আহরণ করে সমাজ ও রাষ্ট্রের দিকনির্দেশনা দেন।

তাইতো মানব সমাজে কবিরা পথপ্রদর্শক হিসেবে স্বীকৃত। কথায় আছে কবির কলম মারণাস্ত্রের চেয়েও শক্তিশালী। একথা মোটেও অবান্তর নয়। কবি কখনো শান্ত শীতল। কখনো বিপ্লব। কখনো মিছিল। কখনো আগ্নেয়গিরি। কখনো বিশ্ব প্রেমিক। কখনো আলোর মশাল।

কবিরা সব সময় প্রকৃতি ও মানব কল্যাণে ব্রত থাকেন।

তাদের ক্ষুরধার লেখা বদলে দিতে পারে দেশ ও জাতিকে।

কবির কোন সীমানা নেই। তারা বিশ্ববরেণ্য। ইতিহাসের এক আলোকিত অধ্যায়ে অবস্থান তাদের। তাইতো কবির স্বাধীনতায় কেউ হস্তক্ষেপ করেন না। তারা শব্দের ছন্দে জীবনের সাঁকো তৈরি করেন।

আজ তেমন একজন কবির কথা আলোচনা করবো। তিনি কেবল একজন কবি নন। তার বহুমাত্রিক প্রতিভা আমাকে মুগ্ধ করে। কখনো কখনো আমি তার লেখা পড়ে ভাবুক হয়ে পড়ি। তিনি একাধারে কবি,ছড়াকার,গল্পকার,উপন্যাসিক,নাট্যকার,গীতিকার ও প্রাবন্ধিক। বাংলা সাহিত্যের প্রতিটি শাখায় তিনি দৃঢ়তার সাথে বিচারণ করছেন। মাত্র তিন দশকের সাহিত্য চর্চায় তিনি সময়কে অতিক্রম করেছেন।

স্থান করে নিয়েছেন ইতিহাসের পাতায়। এই বহুমাত্রিক প্রতিভার নাম, রোস্তম মল্লিক। সাংবাদিকতা তার পেশা হলেও শিল্প,সাহিত্য ও সংস্কৃতি নিয়েই ব্যস্ত থাকেন।

তাকে বলা হয় প্রেম ও দ্রোহের কবি। তার গান ও কবিতায় দেশপ্রেম, মানব প্রেম,প্রকৃতি প্রেম অনবদ্য সমীকরণে পরিস্ফুটিত হয়। তার প্রেমের কবিতাগুলো পড়লে জীবনে বসন্ত নেমে আসে।

সকল প্রকার অশুভ শক্তির এমন কি স্বৈরাচার শাসকের রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে তিনি তীব্র আক্রমণোত্তক কবিতা লিখে সবাইকে চমকে দিয়েছেন।

আর তার লেখা গানগুলো সকল শ্রেণির শ্রোতাদের হৃদয় ছুঁয়ে যায়। প্রায় পাঁচ হাজার গান লিখে তিনি সংস্কৃতিঙ্গনে আলোড়ন সৃষ্টি করেছেন।

ইউটিউবে তার নাম লিখে সার্চ দিলেই অসংখ্য গান চলে আসে। এ সব গানে লক্ষ লক্ষ ভিউ দেখা যায়। কিম্বা গুগলে সার্চ দিলেই তার সৃষ্টিকর্মের স্বীকৃতি পাওয়া যায়।

রোস্তম মল্লিক সময়কে অতিক্রম করে শীর্ষে পৌঁছে গেছেন। তিনি বাংলা সাহিত্যে অমর হয়ে থাকবেন একথা সূর্য ছুঁয়ে বলা যায়। তার অতুলনীয় সৃষ্টিগুলো আমাদের জাতীয় জীবনে পথ ও পাথেয় হয়ে থাকবে বলে আমি মনে করি।

Tag :
About Author Information

GOURANGA BOSE

জনপ্রিয় সংবাদ

বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ, প্রধান শিক্ষক স্বর্গীয় প্রেমচাঁদ বাকচীর স্মরণ সভা ও স্বজাতি ভোজনে হাজারো গূণী ও বরেণ্য ব্যক্তিদের উপস্থিতি।

প্রেম ও দ্রোহের কবি রোস্তম মল্লিক ও তার সমকালীন সৃষ্টি।

আপডেট সময় : ০৭:৫৯:৩১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬

 

কবিরা সমাজ ও রাষ্ট্রের সুচিন্তক। তাদের চিন্তাশক্তি এতটাই প্রখর যে তারা চোখ বন্ধ করে গোটা পৃথিবী দেখতে পান। তাদের রচনায় সময়ের ছবি চিত্রিত হয়। এক সময় সেটি ইতিহাসকে সমৃদ্ধ করে।কবি তার লেখনিতে রাষ্ট্র ও সমাজকে পথ দেখান।

কখনো শাসন করেন। আবার ভালোবাসার ফুল ফসলে ভরিয়ে দেন। কবির জীবনে ভোগ বিলাসীতা থাকে না।

তারা অনেকটা নিজের খেয়ে বনের মেষ তাড়ান। কবিরা সকল লোভ লালসার উর্ধ্বে আহরণ করে সমাজ ও রাষ্ট্রের দিকনির্দেশনা দেন।

তাইতো মানব সমাজে কবিরা পথপ্রদর্শক হিসেবে স্বীকৃত। কথায় আছে কবির কলম মারণাস্ত্রের চেয়েও শক্তিশালী। একথা মোটেও অবান্তর নয়। কবি কখনো শান্ত শীতল। কখনো বিপ্লব। কখনো মিছিল। কখনো আগ্নেয়গিরি। কখনো বিশ্ব প্রেমিক। কখনো আলোর মশাল।

কবিরা সব সময় প্রকৃতি ও মানব কল্যাণে ব্রত থাকেন।

তাদের ক্ষুরধার লেখা বদলে দিতে পারে দেশ ও জাতিকে।

কবির কোন সীমানা নেই। তারা বিশ্ববরেণ্য। ইতিহাসের এক আলোকিত অধ্যায়ে অবস্থান তাদের। তাইতো কবির স্বাধীনতায় কেউ হস্তক্ষেপ করেন না। তারা শব্দের ছন্দে জীবনের সাঁকো তৈরি করেন।

আজ তেমন একজন কবির কথা আলোচনা করবো। তিনি কেবল একজন কবি নন। তার বহুমাত্রিক প্রতিভা আমাকে মুগ্ধ করে। কখনো কখনো আমি তার লেখা পড়ে ভাবুক হয়ে পড়ি। তিনি একাধারে কবি,ছড়াকার,গল্পকার,উপন্যাসিক,নাট্যকার,গীতিকার ও প্রাবন্ধিক। বাংলা সাহিত্যের প্রতিটি শাখায় তিনি দৃঢ়তার সাথে বিচারণ করছেন। মাত্র তিন দশকের সাহিত্য চর্চায় তিনি সময়কে অতিক্রম করেছেন।

স্থান করে নিয়েছেন ইতিহাসের পাতায়। এই বহুমাত্রিক প্রতিভার নাম, রোস্তম মল্লিক। সাংবাদিকতা তার পেশা হলেও শিল্প,সাহিত্য ও সংস্কৃতি নিয়েই ব্যস্ত থাকেন।

তাকে বলা হয় প্রেম ও দ্রোহের কবি। তার গান ও কবিতায় দেশপ্রেম, মানব প্রেম,প্রকৃতি প্রেম অনবদ্য সমীকরণে পরিস্ফুটিত হয়। তার প্রেমের কবিতাগুলো পড়লে জীবনে বসন্ত নেমে আসে।

সকল প্রকার অশুভ শক্তির এমন কি স্বৈরাচার শাসকের রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে তিনি তীব্র আক্রমণোত্তক কবিতা লিখে সবাইকে চমকে দিয়েছেন।

আর তার লেখা গানগুলো সকল শ্রেণির শ্রোতাদের হৃদয় ছুঁয়ে যায়। প্রায় পাঁচ হাজার গান লিখে তিনি সংস্কৃতিঙ্গনে আলোড়ন সৃষ্টি করেছেন।

ইউটিউবে তার নাম লিখে সার্চ দিলেই অসংখ্য গান চলে আসে। এ সব গানে লক্ষ লক্ষ ভিউ দেখা যায়। কিম্বা গুগলে সার্চ দিলেই তার সৃষ্টিকর্মের স্বীকৃতি পাওয়া যায়।

রোস্তম মল্লিক সময়কে অতিক্রম করে শীর্ষে পৌঁছে গেছেন। তিনি বাংলা সাহিত্যে অমর হয়ে থাকবেন একথা সূর্য ছুঁয়ে বলা যায়। তার অতুলনীয় সৃষ্টিগুলো আমাদের জাতীয় জীবনে পথ ও পাথেয় হয়ে থাকবে বলে আমি মনে করি।