ঢাকা ০১:১৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ১৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ:
যমুনা অয়েলে ব্যাপক রদবদল, বদলী হয়েও চেম্বার দখলে রেখেছে ক্ষমতাধর মাসুদুল ইসলাম। অনৈতিক কর্মকাণ্ডের জন্য মোহনা টিভির সিনিয়র নিউজ প্রেজেন্টার ও ন্যাশনাল ডেস্ক ইনচার্জ মুহাম্মদ ওয়ালিউল্লাহ চাকুরীচ্যুত! ব্র্যাক সীডের আয়োজনে কাহারোলে হাইব্রিড ধানের অধিক ফলন নিশ্চিতকরণে কর্মশালা অনুষ্ঠিত। দিনাজপুরে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস-২০২৬’ এর বাছাই পর্ব অনুষ্ঠিত। ইতালি প্রবাসী বাড়িতে ভয়াবহ ডাকাতি, ১৫ ভরি স্বর্নালংকার, নগদ সারে চার লাখ টাকা ও স্মার্ট ফোন লুট।  মে দিবস উদযাপন উপলক্ষে চট্টগ্রাম বিভাগীয় শ্রমিক দলের প্রস্তুতি সভায় নাজিমুর রহমান শ্রমিক শ্রেণির অধিকার আদায়ের ঐক্যের প্রতীক মে দিবস। অনলাইন জুয়ায় অর্থ সংকটে আপন দাদীকে হত্যা, অবশেষে স্বর্ণালঙ্কার সহ পুলিশের জালে আটক তিনজন। নোয়াখালীতে প্রধান শিক্ষিকার বিরুদ্ধে দুর্নীতির বিরুদ্ধে এলাকাবাসীর অভিযোগ। বালিয়াকান্দিতে নবযোগদানকৃত জেলা প্রশাসকের সাথে পরিচিতি ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত। কালবৈশাখী ঝড়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি, টাওয়ার ভেঙে যোগাযোগ ব্যাহত।

প্রেম ও দ্রোহের কবি রোস্তম মল্লিক ও তার সমকালীন সৃষ্টি।

  • সারাক্ষণ ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৭:৫৯:৩১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬
  • ১১৭ জন সংবাদটি পড়েছেন

 

কবিরা সমাজ ও রাষ্ট্রের সুচিন্তক। তাদের চিন্তাশক্তি এতটাই প্রখর যে তারা চোখ বন্ধ করে গোটা পৃথিবী দেখতে পান। তাদের রচনায় সময়ের ছবি চিত্রিত হয়। এক সময় সেটি ইতিহাসকে সমৃদ্ধ করে।কবি তার লেখনিতে রাষ্ট্র ও সমাজকে পথ দেখান।

কখনো শাসন করেন। আবার ভালোবাসার ফুল ফসলে ভরিয়ে দেন। কবির জীবনে ভোগ বিলাসীতা থাকে না।

তারা অনেকটা নিজের খেয়ে বনের মেষ তাড়ান। কবিরা সকল লোভ লালসার উর্ধ্বে আহরণ করে সমাজ ও রাষ্ট্রের দিকনির্দেশনা দেন।

তাইতো মানব সমাজে কবিরা পথপ্রদর্শক হিসেবে স্বীকৃত। কথায় আছে কবির কলম মারণাস্ত্রের চেয়েও শক্তিশালী। একথা মোটেও অবান্তর নয়। কবি কখনো শান্ত শীতল। কখনো বিপ্লব। কখনো মিছিল। কখনো আগ্নেয়গিরি। কখনো বিশ্ব প্রেমিক। কখনো আলোর মশাল।

কবিরা সব সময় প্রকৃতি ও মানব কল্যাণে ব্রত থাকেন।

তাদের ক্ষুরধার লেখা বদলে দিতে পারে দেশ ও জাতিকে।

কবির কোন সীমানা নেই। তারা বিশ্ববরেণ্য। ইতিহাসের এক আলোকিত অধ্যায়ে অবস্থান তাদের। তাইতো কবির স্বাধীনতায় কেউ হস্তক্ষেপ করেন না। তারা শব্দের ছন্দে জীবনের সাঁকো তৈরি করেন।

আজ তেমন একজন কবির কথা আলোচনা করবো। তিনি কেবল একজন কবি নন। তার বহুমাত্রিক প্রতিভা আমাকে মুগ্ধ করে। কখনো কখনো আমি তার লেখা পড়ে ভাবুক হয়ে পড়ি। তিনি একাধারে কবি,ছড়াকার,গল্পকার,উপন্যাসিক,নাট্যকার,গীতিকার ও প্রাবন্ধিক। বাংলা সাহিত্যের প্রতিটি শাখায় তিনি দৃঢ়তার সাথে বিচারণ করছেন। মাত্র তিন দশকের সাহিত্য চর্চায় তিনি সময়কে অতিক্রম করেছেন।

স্থান করে নিয়েছেন ইতিহাসের পাতায়। এই বহুমাত্রিক প্রতিভার নাম, রোস্তম মল্লিক। সাংবাদিকতা তার পেশা হলেও শিল্প,সাহিত্য ও সংস্কৃতি নিয়েই ব্যস্ত থাকেন।

তাকে বলা হয় প্রেম ও দ্রোহের কবি। তার গান ও কবিতায় দেশপ্রেম, মানব প্রেম,প্রকৃতি প্রেম অনবদ্য সমীকরণে পরিস্ফুটিত হয়। তার প্রেমের কবিতাগুলো পড়লে জীবনে বসন্ত নেমে আসে।

সকল প্রকার অশুভ শক্তির এমন কি স্বৈরাচার শাসকের রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে তিনি তীব্র আক্রমণোত্তক কবিতা লিখে সবাইকে চমকে দিয়েছেন।

আর তার লেখা গানগুলো সকল শ্রেণির শ্রোতাদের হৃদয় ছুঁয়ে যায়। প্রায় পাঁচ হাজার গান লিখে তিনি সংস্কৃতিঙ্গনে আলোড়ন সৃষ্টি করেছেন।

ইউটিউবে তার নাম লিখে সার্চ দিলেই অসংখ্য গান চলে আসে। এ সব গানে লক্ষ লক্ষ ভিউ দেখা যায়। কিম্বা গুগলে সার্চ দিলেই তার সৃষ্টিকর্মের স্বীকৃতি পাওয়া যায়।

রোস্তম মল্লিক সময়কে অতিক্রম করে শীর্ষে পৌঁছে গেছেন। তিনি বাংলা সাহিত্যে অমর হয়ে থাকবেন একথা সূর্য ছুঁয়ে বলা যায়। তার অতুলনীয় সৃষ্টিগুলো আমাদের জাতীয় জীবনে পথ ও পাথেয় হয়ে থাকবে বলে আমি মনে করি।

Tag :
About Author Information

GOURANGA BOSE

জনপ্রিয় সংবাদ

যমুনা অয়েলে ব্যাপক রদবদল, বদলী হয়েও চেম্বার দখলে রেখেছে ক্ষমতাধর মাসুদুল ইসলাম।

প্রেম ও দ্রোহের কবি রোস্তম মল্লিক ও তার সমকালীন সৃষ্টি।

আপডেট সময় : ০৭:৫৯:৩১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬

 

কবিরা সমাজ ও রাষ্ট্রের সুচিন্তক। তাদের চিন্তাশক্তি এতটাই প্রখর যে তারা চোখ বন্ধ করে গোটা পৃথিবী দেখতে পান। তাদের রচনায় সময়ের ছবি চিত্রিত হয়। এক সময় সেটি ইতিহাসকে সমৃদ্ধ করে।কবি তার লেখনিতে রাষ্ট্র ও সমাজকে পথ দেখান।

কখনো শাসন করেন। আবার ভালোবাসার ফুল ফসলে ভরিয়ে দেন। কবির জীবনে ভোগ বিলাসীতা থাকে না।

তারা অনেকটা নিজের খেয়ে বনের মেষ তাড়ান। কবিরা সকল লোভ লালসার উর্ধ্বে আহরণ করে সমাজ ও রাষ্ট্রের দিকনির্দেশনা দেন।

তাইতো মানব সমাজে কবিরা পথপ্রদর্শক হিসেবে স্বীকৃত। কথায় আছে কবির কলম মারণাস্ত্রের চেয়েও শক্তিশালী। একথা মোটেও অবান্তর নয়। কবি কখনো শান্ত শীতল। কখনো বিপ্লব। কখনো মিছিল। কখনো আগ্নেয়গিরি। কখনো বিশ্ব প্রেমিক। কখনো আলোর মশাল।

কবিরা সব সময় প্রকৃতি ও মানব কল্যাণে ব্রত থাকেন।

তাদের ক্ষুরধার লেখা বদলে দিতে পারে দেশ ও জাতিকে।

কবির কোন সীমানা নেই। তারা বিশ্ববরেণ্য। ইতিহাসের এক আলোকিত অধ্যায়ে অবস্থান তাদের। তাইতো কবির স্বাধীনতায় কেউ হস্তক্ষেপ করেন না। তারা শব্দের ছন্দে জীবনের সাঁকো তৈরি করেন।

আজ তেমন একজন কবির কথা আলোচনা করবো। তিনি কেবল একজন কবি নন। তার বহুমাত্রিক প্রতিভা আমাকে মুগ্ধ করে। কখনো কখনো আমি তার লেখা পড়ে ভাবুক হয়ে পড়ি। তিনি একাধারে কবি,ছড়াকার,গল্পকার,উপন্যাসিক,নাট্যকার,গীতিকার ও প্রাবন্ধিক। বাংলা সাহিত্যের প্রতিটি শাখায় তিনি দৃঢ়তার সাথে বিচারণ করছেন। মাত্র তিন দশকের সাহিত্য চর্চায় তিনি সময়কে অতিক্রম করেছেন।

স্থান করে নিয়েছেন ইতিহাসের পাতায়। এই বহুমাত্রিক প্রতিভার নাম, রোস্তম মল্লিক। সাংবাদিকতা তার পেশা হলেও শিল্প,সাহিত্য ও সংস্কৃতি নিয়েই ব্যস্ত থাকেন।

তাকে বলা হয় প্রেম ও দ্রোহের কবি। তার গান ও কবিতায় দেশপ্রেম, মানব প্রেম,প্রকৃতি প্রেম অনবদ্য সমীকরণে পরিস্ফুটিত হয়। তার প্রেমের কবিতাগুলো পড়লে জীবনে বসন্ত নেমে আসে।

সকল প্রকার অশুভ শক্তির এমন কি স্বৈরাচার শাসকের রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে তিনি তীব্র আক্রমণোত্তক কবিতা লিখে সবাইকে চমকে দিয়েছেন।

আর তার লেখা গানগুলো সকল শ্রেণির শ্রোতাদের হৃদয় ছুঁয়ে যায়। প্রায় পাঁচ হাজার গান লিখে তিনি সংস্কৃতিঙ্গনে আলোড়ন সৃষ্টি করেছেন।

ইউটিউবে তার নাম লিখে সার্চ দিলেই অসংখ্য গান চলে আসে। এ সব গানে লক্ষ লক্ষ ভিউ দেখা যায়। কিম্বা গুগলে সার্চ দিলেই তার সৃষ্টিকর্মের স্বীকৃতি পাওয়া যায়।

রোস্তম মল্লিক সময়কে অতিক্রম করে শীর্ষে পৌঁছে গেছেন। তিনি বাংলা সাহিত্যে অমর হয়ে থাকবেন একথা সূর্য ছুঁয়ে বলা যায়। তার অতুলনীয় সৃষ্টিগুলো আমাদের জাতীয় জীবনে পথ ও পাথেয় হয়ে থাকবে বলে আমি মনে করি।