ঢাকা ১২:৪৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ:
মাগুরায় শালিখা উপজেলা নির্বাহী অফিসার বনি আমিন সহ ৪ জনের নামে সাংবাদিকের মামলা দায়ের! অসীম ক্ষমতাধর মাসুদুল ইসলাম একসাথে পাঁচ পদের দায়িত্বে।  বিআইডব্লিউটিএ’ র বিতর্কিত কর্মকাণ্ড। দেশের জ্বালানী ও অর্থনীতি সংকটেও বিআইডব্লিউটিএতে বিলাসী বনভোজনের নামে অর্থ ও জ্বালানি অপচয়ে মনোরঞ্জন।  বর্ণাঢ্য আয়োজনে শ্রীপুর সাংবাদিক সমিতির ফ্যামিলি ডে ও বাংলা নববর্ষ উদযাপন। “যোগ্যদের স্বীকৃতি দিতে পেরে গর্বিত”—মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন স্বাধীনতা পদক–২০২৬ ও সাহিত্য সম্মাননা প্রদান। চট্টগ্রাম নগরীর বাকলিয়া রসুলবাগ ‘চাক্তাই ডাইভারশন খালটি’ সংস্কার জরুরী। আমতলীতে জ্বালানি সংকট তীব্র আকারে, বিপাকে ভাড়ায় চালিত মোটরসাইকেল চালকরা। বাংলাদেশ সনাতন ধর্ম সুরক্ষা পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক বর্ধিত সভা অনুষ্টিত। অবসর নিতে চান মির্জা ফখরুল, মহাসচিব পদে ‘পরিবর্তনের’ ইঙ্গিত। ফ্যাস্টিট হাসিনা সরকারের দোসর আবু সাঈদ মোল্লা এখন পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের উপসচিব হলেন কিভাবে? কর্মকর্তাদের মধ্যে চাঁপা ক্ষোভ।

সংসদে ‘সাউন্ড কেলেঙ্কারি’—নতুন মোড় : একই ঠিকাদার, একই সিন্ডিকেট, একের পর এক কোটি কোটি টাকার প্রকল্প দখল।

  • নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ১০:১৫:২৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল ২০২৬
  • ১৮১ জন সংবাদটি পড়েছেন

জাতীয় সংসদের ত্রয়োদশ অধিবেশনের প্রথম দিনেই ঘটে যাওয়া সাউন্ড সিস্টেম বিপর্যয় এখন আর কোনো বিচ্ছিন্ন ‘যান্ত্রিক ত্রুটি’ নয়—এটি ক্রমেই উন্মোচিত হচ্ছে একটি সুসংগঠিত, বহুমাত্রিক আর্থিক কেলেঙ্কারির অংশ হিসেবে।

এর সঙ্গে এবার যুক্ত হলো আরও বিস্ফোরক তথ্য—একই ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান আমানত এন্টারপ্রাইজ এবং সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলী সিন্ডিকেট দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন মেগা প্রকল্পে একই কৌশলে কাজ বাগিয়ে নিয়ে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ।

সংসদ কেলেঙ্কারি থেকে মুগদা হাসপাতাল—একই চক্র ! সংসদের সাউন্ড সিস্টেম বিপর্যয়ের পেছনে যে আমানত এন্টারপ্রাইজের নাম উঠে এসেছে, সেই একই প্রতিষ্ঠান মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল প্রকল্পেও বিতর্কিতভাবে দুটি বড় কাজ দখল করে— ফায়ার ডিটেকশন ও প্রোটেকশন সিস্টেম — প্রায় ৮ কোটি টাকা, এয়ার কুলিং সিস্টেম — প্রায় ১৬ কোটি টাকা। মোট ২৪ কোটি টাকার এই দুই প্রকল্প ই/এম-৬ ডিভিশনের অধীনে দেওয়া হলেও অভিযোগ রয়েছে— টেন্ডার হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই ‘উচ্চ পর্যায়ের আঁতাতে’ কাজ বাগিয়ে নেয় আমানত এন্টারপ্রাইজ।

দুই বছর পেরিয়ে গেলেও কাজ শুরুই হয়নি ! প্রশ্ন উঠছে— কাজ শুরু না করেই কেন টেন্ডার দেওয়া হলো ? কার স্বার্থে এই দীর্ঘসূত্রতা ? সরকারি অর্থ কি পরিকল্পিতভাবে আটকে রেখে অন্যত্র ব্যবহার করা হচ্ছে ?

“টেন্ডার ক্যাপাসিটি নেই, তবুও সব কাজ একাই !” অনুসন্ধানে উঠে এসেছে আরও উদ্বেগজনক তথ্য— ই/এম ডিভিশন-৪ এর অধীনে প্রায় ৩০ কোটি টাকার একটি ইলেকট্রিক্যাল কাজও একইভাবে ‘ম্যানেজ’ করে নেয় এই প্রতিষ্ঠান

অথচ অভিযোগ— প্রতিষ্ঠানটির প্রকৃত টেন্ডার ক্যাপাসিটি নেই, তবুও এককভাবে বিভিন্ন ডিভিশনে কাজ পাচ্ছে, এতে স্পষ্ট প্রশ্ন— এটি কি শুধুই প্রশাসনিক ব্যর্থতা, নাকি পরিকল্পিতভাবে ‘একক আধিপত্য’ প্রতিষ্ঠার খেলা?

হঠাৎ বদলি—চাপের মুখে ‘ড্যামেজ কন্ট্রোল’ ? এই ঘটনার মধ্যেই সামনে এসেছে একটি গুরুত্বপূর্ণ অফিস আদেশ— স্মারক নং:- ২৫.৩৬.০০০০.২১১.১২.১০৩.১৭-৪৫২, তারিখ: ০১ এপ্রিল ২০২৬, কার্যালয়: প্রধান প্রকৌশলী, গণপূর্ত অধিদপ্তর, সেগুনবাগিচা, ঢাকা।

প্রজ্ঞাপনের মূল বিষয় : জনস্বার্থে দুই নির্বাহী প্রকৌশলীকে তাৎক্ষণিক বদলি— মোঃ আনোয়ার হোসেন → ই/এম বিভাগ-৭ থেকে বিভাগ-১২, রিসালাত বারি → বিভাগ-১২ থেকে বিভাগ-৭, সময় বেঁধে দেওয়া হয়েছে: ২ এপ্রিলের মধ্যে যোগদান না করলে ৫ এপ্রিল থেকে “তাৎক্ষণিক অবমুক্ত” বলে গণ্য করা হবে।

প্রশ্ন উঠছে—এই বদলি কি ‘শাস্তি’, নাকি ‘আড়াল’ ? বিশেষজ্ঞদের মতে—বড় কেলেঙ্কারি ফাঁস হলে অনেক সময় সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বদলি করে বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করা হয় এবং এতে তদন্তের গতিপথ ভিন্নদিকে ঘুরে যায়। বিশেষ করে যখন— একই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে আগে থেকেই দুর্নীতির অভিযোগ থাকে

এবং একই ঠিকাদার বারবার বড় প্রকল্প পায় তখন এই ধরনের বদলি আদেশকে অনেকেই দেখছেন “ড্যামেজ কন্ট্রোল অপারেশন” হিসেবে।

সংসদ কেলেঙ্কারি—শুধু শুরু ?

সংসদের সাউন্ড সিস্টেমে—

নিম্নমানের কেবল জোড়া দেওয়া তার, পরীক্ষাবিহীন ইনস্টলেশন, অতিরিক্ত দামে যন্ত্রাংশ কেনা এবং তার সঙ্গে— একই ঠিকাদারের একাধিক প্রকল্প দখল, কাজ না করেই কোটি টাকা আটকে রাখা এবং টেন্ডার প্রক্রিয়ায় অনিয়ম। সব মিলিয়ে এটি এখন আর কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়— বরং একটি গভীরভাবে প্রোথিত দুর্নীতির নেটওয়ার্কের ইঙ্গিত।

“মিডিয়া ম্যানেজ” থেকে “প্রকল্প দখল”—সব এক সুতোয় গাঁথা ?

আগেই অভিযোগ উঠেছে—প্রায় ২ কোটি টাকা খরচ করে মিডিয়া ম্যানেজ করা হয়েছে, অনেক অনলাইন পোর্টাল থেকে সংবাদ গায়েব।

এখন দেখা যাচ্ছে—একই সময়েই প্রকল্প বণ্টন, টেন্ডার নিয়ন্ত্রণ এবং কাজ আটকে রাখা—সবই চলছে সমান্তরাল

রাষ্ট্রের অর্থ, কার হাতে ?

জাতীয় সংসদ থেকে হাসপাতাল—রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো প্রকল্পগুলো যদি একই সিন্ডিকেটের নিয়ন্ত্রণে চলে যায়, তাহলে প্রশ্ন একটাই—রাষ্ট্রের অর্থ কি উন্নয়নে ব্যয় হচ্ছে, নাকি পরিকল্পিতভাবে লুট হচ্ছে?

সংসদ ও মুগদা প্রকল্পসহ সংশ্লিষ্ট সব কাজের স্বাধীন ফরেনসিক অডিট, আমানত এন্টারপ্রাইজের সব প্রকল্প তাৎক্ষণিক তদন্তের আওতায় আনা, টেন্ডার প্রক্রিয়ায় জড়িত কর্মকর্তাদের সম্পদের হিসাব যাচাই এবং বদলি নয়—দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা।

এই কেলেঙ্কারি এখন শুধু একটি প্রকল্পের নয়—এটি রাষ্ট্রীয় সুশাসনের পরীক্ষার প্রশ্ন।

এখন দেখার—সত্য প্রকাশ পায়, নাকি আবারও কোটি টাকার অনিয়ম চাপা পড়ে যায়।

Tag :
About Author Information

GOURANGA BOSE

জনপ্রিয় সংবাদ

মাগুরায় শালিখা উপজেলা নির্বাহী অফিসার বনি আমিন সহ ৪ জনের নামে সাংবাদিকের মামলা দায়ের!

সংসদে ‘সাউন্ড কেলেঙ্কারি’—নতুন মোড় : একই ঠিকাদার, একই সিন্ডিকেট, একের পর এক কোটি কোটি টাকার প্রকল্প দখল।

আপডেট সময় : ১০:১৫:২৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল ২০২৬

জাতীয় সংসদের ত্রয়োদশ অধিবেশনের প্রথম দিনেই ঘটে যাওয়া সাউন্ড সিস্টেম বিপর্যয় এখন আর কোনো বিচ্ছিন্ন ‘যান্ত্রিক ত্রুটি’ নয়—এটি ক্রমেই উন্মোচিত হচ্ছে একটি সুসংগঠিত, বহুমাত্রিক আর্থিক কেলেঙ্কারির অংশ হিসেবে।

এর সঙ্গে এবার যুক্ত হলো আরও বিস্ফোরক তথ্য—একই ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান আমানত এন্টারপ্রাইজ এবং সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলী সিন্ডিকেট দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন মেগা প্রকল্পে একই কৌশলে কাজ বাগিয়ে নিয়ে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ।

সংসদ কেলেঙ্কারি থেকে মুগদা হাসপাতাল—একই চক্র ! সংসদের সাউন্ড সিস্টেম বিপর্যয়ের পেছনে যে আমানত এন্টারপ্রাইজের নাম উঠে এসেছে, সেই একই প্রতিষ্ঠান মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল প্রকল্পেও বিতর্কিতভাবে দুটি বড় কাজ দখল করে— ফায়ার ডিটেকশন ও প্রোটেকশন সিস্টেম — প্রায় ৮ কোটি টাকা, এয়ার কুলিং সিস্টেম — প্রায় ১৬ কোটি টাকা। মোট ২৪ কোটি টাকার এই দুই প্রকল্প ই/এম-৬ ডিভিশনের অধীনে দেওয়া হলেও অভিযোগ রয়েছে— টেন্ডার হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই ‘উচ্চ পর্যায়ের আঁতাতে’ কাজ বাগিয়ে নেয় আমানত এন্টারপ্রাইজ।

দুই বছর পেরিয়ে গেলেও কাজ শুরুই হয়নি ! প্রশ্ন উঠছে— কাজ শুরু না করেই কেন টেন্ডার দেওয়া হলো ? কার স্বার্থে এই দীর্ঘসূত্রতা ? সরকারি অর্থ কি পরিকল্পিতভাবে আটকে রেখে অন্যত্র ব্যবহার করা হচ্ছে ?

“টেন্ডার ক্যাপাসিটি নেই, তবুও সব কাজ একাই !” অনুসন্ধানে উঠে এসেছে আরও উদ্বেগজনক তথ্য— ই/এম ডিভিশন-৪ এর অধীনে প্রায় ৩০ কোটি টাকার একটি ইলেকট্রিক্যাল কাজও একইভাবে ‘ম্যানেজ’ করে নেয় এই প্রতিষ্ঠান

অথচ অভিযোগ— প্রতিষ্ঠানটির প্রকৃত টেন্ডার ক্যাপাসিটি নেই, তবুও এককভাবে বিভিন্ন ডিভিশনে কাজ পাচ্ছে, এতে স্পষ্ট প্রশ্ন— এটি কি শুধুই প্রশাসনিক ব্যর্থতা, নাকি পরিকল্পিতভাবে ‘একক আধিপত্য’ প্রতিষ্ঠার খেলা?

হঠাৎ বদলি—চাপের মুখে ‘ড্যামেজ কন্ট্রোল’ ? এই ঘটনার মধ্যেই সামনে এসেছে একটি গুরুত্বপূর্ণ অফিস আদেশ— স্মারক নং:- ২৫.৩৬.০০০০.২১১.১২.১০৩.১৭-৪৫২, তারিখ: ০১ এপ্রিল ২০২৬, কার্যালয়: প্রধান প্রকৌশলী, গণপূর্ত অধিদপ্তর, সেগুনবাগিচা, ঢাকা।

প্রজ্ঞাপনের মূল বিষয় : জনস্বার্থে দুই নির্বাহী প্রকৌশলীকে তাৎক্ষণিক বদলি— মোঃ আনোয়ার হোসেন → ই/এম বিভাগ-৭ থেকে বিভাগ-১২, রিসালাত বারি → বিভাগ-১২ থেকে বিভাগ-৭, সময় বেঁধে দেওয়া হয়েছে: ২ এপ্রিলের মধ্যে যোগদান না করলে ৫ এপ্রিল থেকে “তাৎক্ষণিক অবমুক্ত” বলে গণ্য করা হবে।

প্রশ্ন উঠছে—এই বদলি কি ‘শাস্তি’, নাকি ‘আড়াল’ ? বিশেষজ্ঞদের মতে—বড় কেলেঙ্কারি ফাঁস হলে অনেক সময় সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বদলি করে বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করা হয় এবং এতে তদন্তের গতিপথ ভিন্নদিকে ঘুরে যায়। বিশেষ করে যখন— একই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে আগে থেকেই দুর্নীতির অভিযোগ থাকে

এবং একই ঠিকাদার বারবার বড় প্রকল্প পায় তখন এই ধরনের বদলি আদেশকে অনেকেই দেখছেন “ড্যামেজ কন্ট্রোল অপারেশন” হিসেবে।

সংসদ কেলেঙ্কারি—শুধু শুরু ?

সংসদের সাউন্ড সিস্টেমে—

নিম্নমানের কেবল জোড়া দেওয়া তার, পরীক্ষাবিহীন ইনস্টলেশন, অতিরিক্ত দামে যন্ত্রাংশ কেনা এবং তার সঙ্গে— একই ঠিকাদারের একাধিক প্রকল্প দখল, কাজ না করেই কোটি টাকা আটকে রাখা এবং টেন্ডার প্রক্রিয়ায় অনিয়ম। সব মিলিয়ে এটি এখন আর কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়— বরং একটি গভীরভাবে প্রোথিত দুর্নীতির নেটওয়ার্কের ইঙ্গিত।

“মিডিয়া ম্যানেজ” থেকে “প্রকল্প দখল”—সব এক সুতোয় গাঁথা ?

আগেই অভিযোগ উঠেছে—প্রায় ২ কোটি টাকা খরচ করে মিডিয়া ম্যানেজ করা হয়েছে, অনেক অনলাইন পোর্টাল থেকে সংবাদ গায়েব।

এখন দেখা যাচ্ছে—একই সময়েই প্রকল্প বণ্টন, টেন্ডার নিয়ন্ত্রণ এবং কাজ আটকে রাখা—সবই চলছে সমান্তরাল

রাষ্ট্রের অর্থ, কার হাতে ?

জাতীয় সংসদ থেকে হাসপাতাল—রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো প্রকল্পগুলো যদি একই সিন্ডিকেটের নিয়ন্ত্রণে চলে যায়, তাহলে প্রশ্ন একটাই—রাষ্ট্রের অর্থ কি উন্নয়নে ব্যয় হচ্ছে, নাকি পরিকল্পিতভাবে লুট হচ্ছে?

সংসদ ও মুগদা প্রকল্পসহ সংশ্লিষ্ট সব কাজের স্বাধীন ফরেনসিক অডিট, আমানত এন্টারপ্রাইজের সব প্রকল্প তাৎক্ষণিক তদন্তের আওতায় আনা, টেন্ডার প্রক্রিয়ায় জড়িত কর্মকর্তাদের সম্পদের হিসাব যাচাই এবং বদলি নয়—দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা।

এই কেলেঙ্কারি এখন শুধু একটি প্রকল্পের নয়—এটি রাষ্ট্রীয় সুশাসনের পরীক্ষার প্রশ্ন।

এখন দেখার—সত্য প্রকাশ পায়, নাকি আবারও কোটি টাকার অনিয়ম চাপা পড়ে যায়।