ঢাকা ০২:৩৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ:
বাড়তি ভাড়া আদায় করেও কচ্ছপগতি: ‘কর্ণফুলী-১১’ লঞ্চে যাত্রীদের চরম দুর্ভোগ ও ক্ষোপ অনৈতিক শিক্ষা কখনো একটা ভাল জাতি উপহার দিতে পারেনা-অধ্যাপক মাহফুজা হান্নান এমপি ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক নির্মাণে জমি অধিগ্রহণ: ক্ষতিপূরণের টাকা উত্তোলনে হয়রানী ও বৈষম্যের প্রতিবাদে চার মৌজাবাসীর মানববন্ধন ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক নির্মাণে জমি অধিগ্রহণ: ক্ষতিপূরণের টাকা উত্তোলনে হয়রানী ও বৈষম্যের লিংক রোডে ১৪ হাজার ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারি আটক তেরখাদায় দলীয় সুবিধা বণ্টনে বৈষম্যের অভিযোগ, ক্ষোভে বিএনপির তৃণমূল নেতাকর্মীরা পীরগঞ্জে ইয়াবা-ট্যাপেন্টাডলসহ গ্রেপ্তার নির্বাহী প্রকৌশলী তানজিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ নিয়ে প্রশ্ন? ‎ মালয়েশিয়া পাচারের উদ্দেশ্যে কিশোর অপহরণ, উখিয়ায় গ্রেপ্তার ২ উলিপুরে তিস্তা নদীর তীব্র ভাঙন

কুড়িগ্রাম ভূরুঙ্গামারীতে রুবেল হত্যার মূল আসামি গ্রেফতার ২ জন।

কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে শ্বশুরবাড়ির লোকজনের নির্যাতনের শিকার হয়ে এক যুবকের মৃত্যুর ঘটনায় তার স্ত্রী ও স্ত্রীর বড় ভাইকে গ্রেফতার করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।শুক্রবার (১ মে,২৬) সকালে গ্রেফতারকৃত দুই আসামিকে কুড়িগ্রাম আদালতে পাঠানো হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন ভূরুঙ্গামারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আজিম উদ্দিন।

পুলিশ জানায়, নিহত আক্তারুজ্জামান রুবেল (২৫) উপজেলার বঙ্গ সোনাহাট ইউনিয়নের মাহিগঞ্জ চান্দুনিয়া গ্রামের বাসিন্দা এবং বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল জলিলের ছেলে। প্রায় পাঁচ বছর আগে জেসমিন খাতুন (২৩)-এর সঙ্গে তার বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই পারিবারিক নানা বিষয় নিয়ে দাম্পত্য কলহ চলছিল।

গত ১৭ এপ্রিল পারিবারিক বিরোধের জেরে জেসমিন খাতুন বাবার বাড়িতে চলে যান। পরে স্ত্রীকে আনতে গেলে পূর্বপরিকল্পিতভাবে জেসমিন, তার ভাই মিজানুর রহমান (৩৮) এবং আরও কয়েকজন মিলে রুবেলের ওপর হামলা চালায়। এ সময় তাকে বাঁশের লাঠি ও লোহার রড দিয়ে মারধর করে গুরুতর আহত করা হয়।

স্থানীয়রা উদ্ধার করে প্রথমে তাকে ভূরুঙ্গামারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। পরে অবস্থার অবনতি হলে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত ২৪ এপ্রিল রাতে তার মৃত্যু হয়।

এ ঘটনায় ২৫ এপ্রিল নিহতের বাবা বাদী হয়ে ভূরুঙ্গামারী থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার পর তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় আসামিদের অবস্থান শনাক্ত করে র‍্যাব-১৩ (রংপুর) ও র‍্যাব-১ (উত্তরা)-এর যৌথ অভিযানে ২৯ এপ্রিল গাজীপুরের বাসন থানার কলম্বিয়া রোড এলাকা থেকে প্রধান আসামি মিজানুর রহমান ও জেসমিন খাতুনকে গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতারের পর শুক্রবার সকালে তাদের ভূরুঙ্গামারী থানায় আনা হয় এবং পরে কুড়িগ্রাম আদালতে পাঠানো হয়।

Tag :
About Author Information

GOURANGA BOSE

জনপ্রিয় সংবাদ

বাড়তি ভাড়া আদায় করেও কচ্ছপগতি: ‘কর্ণফুলী-১১’ লঞ্চে যাত্রীদের চরম দুর্ভোগ ও ক্ষোপ

কুড়িগ্রাম ভূরুঙ্গামারীতে রুবেল হত্যার মূল আসামি গ্রেফতার ২ জন।

আপডেট সময় : ০৪:০০:৫৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২ মে ২০২৬

কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে শ্বশুরবাড়ির লোকজনের নির্যাতনের শিকার হয়ে এক যুবকের মৃত্যুর ঘটনায় তার স্ত্রী ও স্ত্রীর বড় ভাইকে গ্রেফতার করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।শুক্রবার (১ মে,২৬) সকালে গ্রেফতারকৃত দুই আসামিকে কুড়িগ্রাম আদালতে পাঠানো হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন ভূরুঙ্গামারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আজিম উদ্দিন।

পুলিশ জানায়, নিহত আক্তারুজ্জামান রুবেল (২৫) উপজেলার বঙ্গ সোনাহাট ইউনিয়নের মাহিগঞ্জ চান্দুনিয়া গ্রামের বাসিন্দা এবং বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল জলিলের ছেলে। প্রায় পাঁচ বছর আগে জেসমিন খাতুন (২৩)-এর সঙ্গে তার বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই পারিবারিক নানা বিষয় নিয়ে দাম্পত্য কলহ চলছিল।

গত ১৭ এপ্রিল পারিবারিক বিরোধের জেরে জেসমিন খাতুন বাবার বাড়িতে চলে যান। পরে স্ত্রীকে আনতে গেলে পূর্বপরিকল্পিতভাবে জেসমিন, তার ভাই মিজানুর রহমান (৩৮) এবং আরও কয়েকজন মিলে রুবেলের ওপর হামলা চালায়। এ সময় তাকে বাঁশের লাঠি ও লোহার রড দিয়ে মারধর করে গুরুতর আহত করা হয়।

স্থানীয়রা উদ্ধার করে প্রথমে তাকে ভূরুঙ্গামারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। পরে অবস্থার অবনতি হলে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত ২৪ এপ্রিল রাতে তার মৃত্যু হয়।

এ ঘটনায় ২৫ এপ্রিল নিহতের বাবা বাদী হয়ে ভূরুঙ্গামারী থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার পর তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় আসামিদের অবস্থান শনাক্ত করে র‍্যাব-১৩ (রংপুর) ও র‍্যাব-১ (উত্তরা)-এর যৌথ অভিযানে ২৯ এপ্রিল গাজীপুরের বাসন থানার কলম্বিয়া রোড এলাকা থেকে প্রধান আসামি মিজানুর রহমান ও জেসমিন খাতুনকে গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতারের পর শুক্রবার সকালে তাদের ভূরুঙ্গামারী থানায় আনা হয় এবং পরে কুড়িগ্রাম আদালতে পাঠানো হয়।