ঢাকা ০৬:১৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ০২ মে ২০২৬, ১৯ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ:
গণপূর্তে ‘একচ্ছত্র সম্রাট’ বদরুল ! অভিযোগে বিস্ফোরণ, ভেতরে ক্ষোভের আগুন ! চিলমারীতে অবশেষে “চাঞ্চল্যকর শিশু আয়শা সিদ্দিকা” হত্যার মুল আসামি গ্রফতার। কুড়িগ্রাম ভূরুঙ্গামারীতে রুবেল হত্যার মূল আসামি গ্রেফতার ২ জন। র‍্যাব-বিজিবির পৃথক অভিযানে ১ লাখ ১২ হাজার ইয়াবা উদ্ধার, আটক ৫। রূপগঞ্জে মাদক বিক্রির ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল৷  চিলমারীতে “আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক মিটিং” অনুষ্ঠিত। কটিয়াদী উপজেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত। দায়িত্বে অবহেলার কারণে কালকিনিতে চারজন শিক্ষককে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দিলেন প্রশাসন। যমুনা অয়েলে ব্যাপক রদবদল, বদলী হয়েও চেম্বার দখলে রেখেছে ক্ষমতাধর মাসুদুল ইসলাম। অনৈতিক কর্মকাণ্ডের জন্য মোহনা টিভির সিনিয়র নিউজ প্রেজেন্টার ও ন্যাশনাল ডেস্ক ইনচার্জ মুহাম্মদ ওয়ালিউল্লাহ চাকুরীচ্যুত!

কুড়িগ্রাম ভূরুঙ্গামারীতে রুবেল হত্যার মূল আসামি গ্রেফতার ২ জন।

কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে শ্বশুরবাড়ির লোকজনের নির্যাতনের শিকার হয়ে এক যুবকের মৃত্যুর ঘটনায় তার স্ত্রী ও স্ত্রীর বড় ভাইকে গ্রেফতার করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।শুক্রবার (১ মে,২৬) সকালে গ্রেফতারকৃত দুই আসামিকে কুড়িগ্রাম আদালতে পাঠানো হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন ভূরুঙ্গামারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আজিম উদ্দিন।

পুলিশ জানায়, নিহত আক্তারুজ্জামান রুবেল (২৫) উপজেলার বঙ্গ সোনাহাট ইউনিয়নের মাহিগঞ্জ চান্দুনিয়া গ্রামের বাসিন্দা এবং বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল জলিলের ছেলে। প্রায় পাঁচ বছর আগে জেসমিন খাতুন (২৩)-এর সঙ্গে তার বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই পারিবারিক নানা বিষয় নিয়ে দাম্পত্য কলহ চলছিল।

গত ১৭ এপ্রিল পারিবারিক বিরোধের জেরে জেসমিন খাতুন বাবার বাড়িতে চলে যান। পরে স্ত্রীকে আনতে গেলে পূর্বপরিকল্পিতভাবে জেসমিন, তার ভাই মিজানুর রহমান (৩৮) এবং আরও কয়েকজন মিলে রুবেলের ওপর হামলা চালায়। এ সময় তাকে বাঁশের লাঠি ও লোহার রড দিয়ে মারধর করে গুরুতর আহত করা হয়।

স্থানীয়রা উদ্ধার করে প্রথমে তাকে ভূরুঙ্গামারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। পরে অবস্থার অবনতি হলে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত ২৪ এপ্রিল রাতে তার মৃত্যু হয়।

এ ঘটনায় ২৫ এপ্রিল নিহতের বাবা বাদী হয়ে ভূরুঙ্গামারী থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার পর তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় আসামিদের অবস্থান শনাক্ত করে র‍্যাব-১৩ (রংপুর) ও র‍্যাব-১ (উত্তরা)-এর যৌথ অভিযানে ২৯ এপ্রিল গাজীপুরের বাসন থানার কলম্বিয়া রোড এলাকা থেকে প্রধান আসামি মিজানুর রহমান ও জেসমিন খাতুনকে গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতারের পর শুক্রবার সকালে তাদের ভূরুঙ্গামারী থানায় আনা হয় এবং পরে কুড়িগ্রাম আদালতে পাঠানো হয়।

Tag :
About Author Information

GOURANGA BOSE

গণপূর্তে ‘একচ্ছত্র সম্রাট’ বদরুল ! অভিযোগে বিস্ফোরণ, ভেতরে ক্ষোভের আগুন !

কুড়িগ্রাম ভূরুঙ্গামারীতে রুবেল হত্যার মূল আসামি গ্রেফতার ২ জন।

আপডেট সময় : ০৪:০০:৫৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২ মে ২০২৬

কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে শ্বশুরবাড়ির লোকজনের নির্যাতনের শিকার হয়ে এক যুবকের মৃত্যুর ঘটনায় তার স্ত্রী ও স্ত্রীর বড় ভাইকে গ্রেফতার করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।শুক্রবার (১ মে,২৬) সকালে গ্রেফতারকৃত দুই আসামিকে কুড়িগ্রাম আদালতে পাঠানো হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন ভূরুঙ্গামারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আজিম উদ্দিন।

পুলিশ জানায়, নিহত আক্তারুজ্জামান রুবেল (২৫) উপজেলার বঙ্গ সোনাহাট ইউনিয়নের মাহিগঞ্জ চান্দুনিয়া গ্রামের বাসিন্দা এবং বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল জলিলের ছেলে। প্রায় পাঁচ বছর আগে জেসমিন খাতুন (২৩)-এর সঙ্গে তার বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই পারিবারিক নানা বিষয় নিয়ে দাম্পত্য কলহ চলছিল।

গত ১৭ এপ্রিল পারিবারিক বিরোধের জেরে জেসমিন খাতুন বাবার বাড়িতে চলে যান। পরে স্ত্রীকে আনতে গেলে পূর্বপরিকল্পিতভাবে জেসমিন, তার ভাই মিজানুর রহমান (৩৮) এবং আরও কয়েকজন মিলে রুবেলের ওপর হামলা চালায়। এ সময় তাকে বাঁশের লাঠি ও লোহার রড দিয়ে মারধর করে গুরুতর আহত করা হয়।

স্থানীয়রা উদ্ধার করে প্রথমে তাকে ভূরুঙ্গামারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। পরে অবস্থার অবনতি হলে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত ২৪ এপ্রিল রাতে তার মৃত্যু হয়।

এ ঘটনায় ২৫ এপ্রিল নিহতের বাবা বাদী হয়ে ভূরুঙ্গামারী থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার পর তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় আসামিদের অবস্থান শনাক্ত করে র‍্যাব-১৩ (রংপুর) ও র‍্যাব-১ (উত্তরা)-এর যৌথ অভিযানে ২৯ এপ্রিল গাজীপুরের বাসন থানার কলম্বিয়া রোড এলাকা থেকে প্রধান আসামি মিজানুর রহমান ও জেসমিন খাতুনকে গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতারের পর শুক্রবার সকালে তাদের ভূরুঙ্গামারী থানায় আনা হয় এবং পরে কুড়িগ্রাম আদালতে পাঠানো হয়।