ঢাকা ০৮:১০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২৬, ১২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ:
মাদারীপুরের রাজৈরে ভুল চিকিৎসার অভিযোগে ডাক্তারের বিরুদ্ধে মামলা। ১৫০০ কোটিতে “নগদ” বিক্রি, ক্রেতা আবুল খায়ের। কক্সবাজার আয়কর অফিসের সাবেক প্রধান সহকারী মোঃ ছাবের আহমদের দাফন সম্পন্ন। শেখ হাসিনার প্রত্যাবর্তন ও আমু’র মুক্তির দাবিতে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের ধানসিঁড়ি ইউনিয়নে পোস্টারিং। প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিল থেকে অসহায় পরিবারকে ১০ লাখ টাকা আর্থিক সহায়তা প্রদান।। পঞ্চগড়ের কৃতী সন্তান খুকৃবি শিক্ষার্থী মারুফের বিস্ময়কর উদ্ভাবন : CGPA Tracker App  বিআইডব্লিউটিএর আরিফ উদ্দিনের অবৈধ সিন্ডিকেট, হাজার কোটি টাকার লুটপাটের মহোৎসব। অবৈধ দখল-বাণিজ্য ও ক্ষমতার অপব্যবহারের ভয়াবহ চিত্র। আদিতমারীতে নারীকে গণধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ, এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য। আমতলীতে এতিম মাদরাসা শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ, পাষণ্ড খালু গ্রেপ্তার। বাস ও অ্যাম্বুলেন্সের মুখোমুখি সংঘর্ষে পাঁচজন নিহত। নিহতের চারজন একই পরিবারের।

মাগুরা জেলার শালিখায় সাব- রেজিস্ট্রার শহিদুল ইসলামের মাসিক অবৈধ আয় ১০ লাখ টাকা!

মাগুরা জেলার শালিখাা উপজেলার প্রান কেন্দ্রে অবস্থিত সাব রেজিস্ট্রার অফিসের সাব-রেজিস্টার শহিদুল ইসলামের রমরমা ঘুষ বাণিজ্য চলছে।ঘুষের পরিমান দলিল প্রতি ১০০০/ টাকা, বাস্ত জমি হলে ১৫০০০ হাজার টাকা।

নামের বানান ভুল থাকলে ১০,০০০ হাজার টাকা।

হিন্দুদের স্বামীর সত্ব বিক্রয় করলে ১০,০০০ হাজার টাকা।দোকান বা বাণিজ্যিক জমি হলে ৫০,০০০ থেকে ৭০,০০০ টাকা ঘুষ  দিতে হয়।

সপ্তাহের বুধ ও বৃহস্পতিবার জমি রেজিষ্ট্রেশন করলেও ত্রুটিপূর্ণ দলিল গুলি অফিস সহকারীর ও মহুরী তরিকুল এর মাধ্যমে মঙ্গলবারে এসে স্বাক্খর করেন এবং তার ব্যক্তিগত ডাইরিতে লিখে রাখেন। ওপেন ডেক্সে বসে জমি রেজিষ্ট্রেশন না করে তার রেস্ট রুমে বসে ঘুষের টাকা গ্রহন ও রেজিস্ট্রশন করেন।

SDF নামক এনজিও থেকে জমির দলিল আটকে রেখে ১,০০,০০০/_টাকা, পাওয়ার দলিলে ১৫,০০০/_টাকা গ্রহন করেন।

আরও প্রকাশ থাকে যে, এই দুর্নীতিপরায়ন সাব রেজিস্ট্রার শহিদুল ইসলাম দুই বছর শালিখা উপজেলা ভূমি অফিসে থাকা কালীন মাগুরা পুলিশ লাইনের সম্মুখে জমি ক্রয় করে ১০ তলা ডুপ্লেক্স বাড়ি, এসি ও লিফট সহ কমপ্লিট করেছেন।

এছাড়াও মহুরী সিন্ডিকেটের টাকা দিয়ে দলিল করে মানুষের মাঝে তীব্র ক্ষোভের মাত্রা দিন দিন বেড়েই চলেছে ।

কোন দলিল লেখক এই ঘুষ দিতে না চাইলে তার লাইসেন্স বাতিলের হুমকি দেন।

তার দলিল সাময়িক ভাবে বন্ধ করা হয়, এমনকি অফিসের বাইরে কথা বলা যাবে না। কৌশলে তরিকুল মহুরীকে হাত করে তার মাধ্যমে ঘুষের টাকা কন্টাক্ট ও কালেক্ট করেন। এক গোপন সংবাদের ভিত্তিতে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, শহিদুল ইসলাম এর স্ত্রী পুলিশের এডিশনাল এসপি হিসাবে কর্মরত বিধায় তার বিরুদ্ধে ভয়ে সাধারন জনগণ কেউ মুখ খুলতে চায় না এবং স্ত্রীর পুলিশে কর্মরত বিধায় পুলিশের স্টিকার যুক্ত গাড়িতে চলাচল করেন। সন্ধ্যার সময় রেজিষ্ট্রি শেষে ঘুষের টাকা পুলিশ লেখা সামনে দিয়ে প্রাইভেটকারে বহন করে নিয়ে যান।

শশুর আকরাম হোসেন বীর মুক্তিযোদ্ধা হওয়ার সুবাদে বিগত ফ্যাসিবাদ সরকারের আমলেও নিয়েছেন নানা রকম সুযোগ-সুবিধা। তার নামে-বে -নামে গড়ে তুলেছেন সম্পদের পাহাড়।

গত প্রায় দুই বছরেই শুধু শালিখার আড়পাড়া সাব রেজিস্ট্রার অফিস থেকেই কয়েক কোটি টাকা অনিয়ম-দুর্নীতি বা ঘুষের মাধ্যমে ইনকাম করেছেন এই

সাবরেজিস্ট্রার শহিদুল ইসলাম।তাই এই দুর্নীতিগ্রস্ত, ঘুষখোর সাব রেজিস্টার শহিদুল ইসলামের সকল কর্মকান্ড তদন্ত করে তাকে প্রত্যাহার করার দাবি তুলেছেন শালিখাবাসী।

Tag :
About Author Information

GOURANGA BOSE

জনপ্রিয় সংবাদ

মাদারীপুরের রাজৈরে ভুল চিকিৎসার অভিযোগে ডাক্তারের বিরুদ্ধে মামলা।

মাগুরা জেলার শালিখায় সাব- রেজিস্ট্রার শহিদুল ইসলামের মাসিক অবৈধ আয় ১০ লাখ টাকা!

আপডেট সময় : ০৪:৫৮:৪৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ মে ২০২৬

মাগুরা জেলার শালিখাা উপজেলার প্রান কেন্দ্রে অবস্থিত সাব রেজিস্ট্রার অফিসের সাব-রেজিস্টার শহিদুল ইসলামের রমরমা ঘুষ বাণিজ্য চলছে।ঘুষের পরিমান দলিল প্রতি ১০০০/ টাকা, বাস্ত জমি হলে ১৫০০০ হাজার টাকা।

নামের বানান ভুল থাকলে ১০,০০০ হাজার টাকা।

হিন্দুদের স্বামীর সত্ব বিক্রয় করলে ১০,০০০ হাজার টাকা।দোকান বা বাণিজ্যিক জমি হলে ৫০,০০০ থেকে ৭০,০০০ টাকা ঘুষ  দিতে হয়।

সপ্তাহের বুধ ও বৃহস্পতিবার জমি রেজিষ্ট্রেশন করলেও ত্রুটিপূর্ণ দলিল গুলি অফিস সহকারীর ও মহুরী তরিকুল এর মাধ্যমে মঙ্গলবারে এসে স্বাক্খর করেন এবং তার ব্যক্তিগত ডাইরিতে লিখে রাখেন। ওপেন ডেক্সে বসে জমি রেজিষ্ট্রেশন না করে তার রেস্ট রুমে বসে ঘুষের টাকা গ্রহন ও রেজিস্ট্রশন করেন।

SDF নামক এনজিও থেকে জমির দলিল আটকে রেখে ১,০০,০০০/_টাকা, পাওয়ার দলিলে ১৫,০০০/_টাকা গ্রহন করেন।

আরও প্রকাশ থাকে যে, এই দুর্নীতিপরায়ন সাব রেজিস্ট্রার শহিদুল ইসলাম দুই বছর শালিখা উপজেলা ভূমি অফিসে থাকা কালীন মাগুরা পুলিশ লাইনের সম্মুখে জমি ক্রয় করে ১০ তলা ডুপ্লেক্স বাড়ি, এসি ও লিফট সহ কমপ্লিট করেছেন।

এছাড়াও মহুরী সিন্ডিকেটের টাকা দিয়ে দলিল করে মানুষের মাঝে তীব্র ক্ষোভের মাত্রা দিন দিন বেড়েই চলেছে ।

কোন দলিল লেখক এই ঘুষ দিতে না চাইলে তার লাইসেন্স বাতিলের হুমকি দেন।

তার দলিল সাময়িক ভাবে বন্ধ করা হয়, এমনকি অফিসের বাইরে কথা বলা যাবে না। কৌশলে তরিকুল মহুরীকে হাত করে তার মাধ্যমে ঘুষের টাকা কন্টাক্ট ও কালেক্ট করেন। এক গোপন সংবাদের ভিত্তিতে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, শহিদুল ইসলাম এর স্ত্রী পুলিশের এডিশনাল এসপি হিসাবে কর্মরত বিধায় তার বিরুদ্ধে ভয়ে সাধারন জনগণ কেউ মুখ খুলতে চায় না এবং স্ত্রীর পুলিশে কর্মরত বিধায় পুলিশের স্টিকার যুক্ত গাড়িতে চলাচল করেন। সন্ধ্যার সময় রেজিষ্ট্রি শেষে ঘুষের টাকা পুলিশ লেখা সামনে দিয়ে প্রাইভেটকারে বহন করে নিয়ে যান।

শশুর আকরাম হোসেন বীর মুক্তিযোদ্ধা হওয়ার সুবাদে বিগত ফ্যাসিবাদ সরকারের আমলেও নিয়েছেন নানা রকম সুযোগ-সুবিধা। তার নামে-বে -নামে গড়ে তুলেছেন সম্পদের পাহাড়।

গত প্রায় দুই বছরেই শুধু শালিখার আড়পাড়া সাব রেজিস্ট্রার অফিস থেকেই কয়েক কোটি টাকা অনিয়ম-দুর্নীতি বা ঘুষের মাধ্যমে ইনকাম করেছেন এই

সাবরেজিস্ট্রার শহিদুল ইসলাম।তাই এই দুর্নীতিগ্রস্ত, ঘুষখোর সাব রেজিস্টার শহিদুল ইসলামের সকল কর্মকান্ড তদন্ত করে তাকে প্রত্যাহার করার দাবি তুলেছেন শালিখাবাসী।