ঢাকা ০১:২৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৩ মে ২০২৬, ২৯ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ:
সুন্দরগঞ্জে ৩.৫০ গ্রাম হেরোইনসহ ভাই-বোন গ্রেফতার। প্রকৌশলী শাহরিন ইসলাম তুহিনকে মন্ত্রিসভায় দেখতে চায় প্রকৌশলী সমাজ। আমতলীতে পরোয়ানাভুক্ত ছিনতাইকারী ও মাদকসেবী বেল্লাল সর্দার গ্রেফতার। নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে বেইজ স্কুলের ‘ও’ লেভেলের মেধাবী ছাত্র ইয়াছিন (১৭) হত্যার রহস্য উদঘাটন; ০৯ মাস পর গ্রেফতার ৩। এক জনের আদালতে স্বীকারোক্তি। ইংল্যান্ডে হবিগঞ্জের তরুণ বার্ডফুড এ কাউন্সিলর নির্বাচিত। আমতলীতে অবৈধ জমি দখলের দায়ে নারীর ১৫ দিনের কারাদণ্ড, উচ্ছেদ করে মালিককে দখল ফিরিয়ে দিলেন আদালত। এক হাত নাই তো তাতে কি হয়েছে? প্লে গ্রুপের ছাত্র মোঃ মোস্তাকিম এখন সেনবাগের বিস্ময়। বালিয়াডাঙ্গী প্রেসক্লাব নির্বাচনে সভাপতি হারুন অর রশিদ ও সম্পাদক মশিউর রহমান নির্বাচিত। ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে সরকারের বিশেষ নির্দেশনা: সড়কের পাশে বসবে না পশুর হাট। এখন এদেশে মনে হয় কোনো আওয়ামীলীগ নেই- সাকিব।

মাগুরা জেলার শালিখায় সাব- রেজিস্ট্রার শহিদুল ইসলামের মাসিক অবৈধ আয় ১০ লাখ টাকা!

মাগুরা জেলার শালিখাা উপজেলার প্রান কেন্দ্রে অবস্থিত সাব রেজিস্ট্রার অফিসের সাব-রেজিস্টার শহিদুল ইসলামের রমরমা ঘুষ বাণিজ্য চলছে।ঘুষের পরিমান দলিল প্রতি ১০০০/ টাকা, বাস্ত জমি হলে ১৫০০০ হাজার টাকা।

নামের বানান ভুল থাকলে ১০,০০০ হাজার টাকা।

হিন্দুদের স্বামীর সত্ব বিক্রয় করলে ১০,০০০ হাজার টাকা।দোকান বা বাণিজ্যিক জমি হলে ৫০,০০০ থেকে ৭০,০০০ টাকা ঘুষ  দিতে হয়।

সপ্তাহের বুধ ও বৃহস্পতিবার জমি রেজিষ্ট্রেশন করলেও ত্রুটিপূর্ণ দলিল গুলি অফিস সহকারীর ও মহুরী তরিকুল এর মাধ্যমে মঙ্গলবারে এসে স্বাক্খর করেন এবং তার ব্যক্তিগত ডাইরিতে লিখে রাখেন। ওপেন ডেক্সে বসে জমি রেজিষ্ট্রেশন না করে তার রেস্ট রুমে বসে ঘুষের টাকা গ্রহন ও রেজিস্ট্রশন করেন।

SDF নামক এনজিও থেকে জমির দলিল আটকে রেখে ১,০০,০০০/_টাকা, পাওয়ার দলিলে ১৫,০০০/_টাকা গ্রহন করেন।

আরও প্রকাশ থাকে যে, এই দুর্নীতিপরায়ন সাব রেজিস্ট্রার শহিদুল ইসলাম দুই বছর শালিখা উপজেলা ভূমি অফিসে থাকা কালীন মাগুরা পুলিশ লাইনের সম্মুখে জমি ক্রয় করে ১০ তলা ডুপ্লেক্স বাড়ি, এসি ও লিফট সহ কমপ্লিট করেছেন।

এছাড়াও মহুরী সিন্ডিকেটের টাকা দিয়ে দলিল করে মানুষের মাঝে তীব্র ক্ষোভের মাত্রা দিন দিন বেড়েই চলেছে ।

কোন দলিল লেখক এই ঘুষ দিতে না চাইলে তার লাইসেন্স বাতিলের হুমকি দেন।

তার দলিল সাময়িক ভাবে বন্ধ করা হয়, এমনকি অফিসের বাইরে কথা বলা যাবে না। কৌশলে তরিকুল মহুরীকে হাত করে তার মাধ্যমে ঘুষের টাকা কন্টাক্ট ও কালেক্ট করেন। এক গোপন সংবাদের ভিত্তিতে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, শহিদুল ইসলাম এর স্ত্রী পুলিশের এডিশনাল এসপি হিসাবে কর্মরত বিধায় তার বিরুদ্ধে ভয়ে সাধারন জনগণ কেউ মুখ খুলতে চায় না এবং স্ত্রীর পুলিশে কর্মরত বিধায় পুলিশের স্টিকার যুক্ত গাড়িতে চলাচল করেন। সন্ধ্যার সময় রেজিষ্ট্রি শেষে ঘুষের টাকা পুলিশ লেখা সামনে দিয়ে প্রাইভেটকারে বহন করে নিয়ে যান।

শশুর আকরাম হোসেন বীর মুক্তিযোদ্ধা হওয়ার সুবাদে বিগত ফ্যাসিবাদ সরকারের আমলেও নিয়েছেন নানা রকম সুযোগ-সুবিধা। তার নামে-বে -নামে গড়ে তুলেছেন সম্পদের পাহাড়।

গত প্রায় দুই বছরেই শুধু শালিখার আড়পাড়া সাব রেজিস্ট্রার অফিস থেকেই কয়েক কোটি টাকা অনিয়ম-দুর্নীতি বা ঘুষের মাধ্যমে ইনকাম করেছেন এই

সাবরেজিস্ট্রার শহিদুল ইসলাম।তাই এই দুর্নীতিগ্রস্ত, ঘুষখোর সাব রেজিস্টার শহিদুল ইসলামের সকল কর্মকান্ড তদন্ত করে তাকে প্রত্যাহার করার দাবি তুলেছেন শালিখাবাসী।

Tag :
About Author Information

GOURANGA BOSE

জনপ্রিয় সংবাদ

সুন্দরগঞ্জে ৩.৫০ গ্রাম হেরোইনসহ ভাই-বোন গ্রেফতার।

মাগুরা জেলার শালিখায় সাব- রেজিস্ট্রার শহিদুল ইসলামের মাসিক অবৈধ আয় ১০ লাখ টাকা!

আপডেট সময় : ০৪:৫৮:৪৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ মে ২০২৬

মাগুরা জেলার শালিখাা উপজেলার প্রান কেন্দ্রে অবস্থিত সাব রেজিস্ট্রার অফিসের সাব-রেজিস্টার শহিদুল ইসলামের রমরমা ঘুষ বাণিজ্য চলছে।ঘুষের পরিমান দলিল প্রতি ১০০০/ টাকা, বাস্ত জমি হলে ১৫০০০ হাজার টাকা।

নামের বানান ভুল থাকলে ১০,০০০ হাজার টাকা।

হিন্দুদের স্বামীর সত্ব বিক্রয় করলে ১০,০০০ হাজার টাকা।দোকান বা বাণিজ্যিক জমি হলে ৫০,০০০ থেকে ৭০,০০০ টাকা ঘুষ  দিতে হয়।

সপ্তাহের বুধ ও বৃহস্পতিবার জমি রেজিষ্ট্রেশন করলেও ত্রুটিপূর্ণ দলিল গুলি অফিস সহকারীর ও মহুরী তরিকুল এর মাধ্যমে মঙ্গলবারে এসে স্বাক্খর করেন এবং তার ব্যক্তিগত ডাইরিতে লিখে রাখেন। ওপেন ডেক্সে বসে জমি রেজিষ্ট্রেশন না করে তার রেস্ট রুমে বসে ঘুষের টাকা গ্রহন ও রেজিস্ট্রশন করেন।

SDF নামক এনজিও থেকে জমির দলিল আটকে রেখে ১,০০,০০০/_টাকা, পাওয়ার দলিলে ১৫,০০০/_টাকা গ্রহন করেন।

আরও প্রকাশ থাকে যে, এই দুর্নীতিপরায়ন সাব রেজিস্ট্রার শহিদুল ইসলাম দুই বছর শালিখা উপজেলা ভূমি অফিসে থাকা কালীন মাগুরা পুলিশ লাইনের সম্মুখে জমি ক্রয় করে ১০ তলা ডুপ্লেক্স বাড়ি, এসি ও লিফট সহ কমপ্লিট করেছেন।

এছাড়াও মহুরী সিন্ডিকেটের টাকা দিয়ে দলিল করে মানুষের মাঝে তীব্র ক্ষোভের মাত্রা দিন দিন বেড়েই চলেছে ।

কোন দলিল লেখক এই ঘুষ দিতে না চাইলে তার লাইসেন্স বাতিলের হুমকি দেন।

তার দলিল সাময়িক ভাবে বন্ধ করা হয়, এমনকি অফিসের বাইরে কথা বলা যাবে না। কৌশলে তরিকুল মহুরীকে হাত করে তার মাধ্যমে ঘুষের টাকা কন্টাক্ট ও কালেক্ট করেন। এক গোপন সংবাদের ভিত্তিতে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, শহিদুল ইসলাম এর স্ত্রী পুলিশের এডিশনাল এসপি হিসাবে কর্মরত বিধায় তার বিরুদ্ধে ভয়ে সাধারন জনগণ কেউ মুখ খুলতে চায় না এবং স্ত্রীর পুলিশে কর্মরত বিধায় পুলিশের স্টিকার যুক্ত গাড়িতে চলাচল করেন। সন্ধ্যার সময় রেজিষ্ট্রি শেষে ঘুষের টাকা পুলিশ লেখা সামনে দিয়ে প্রাইভেটকারে বহন করে নিয়ে যান।

শশুর আকরাম হোসেন বীর মুক্তিযোদ্ধা হওয়ার সুবাদে বিগত ফ্যাসিবাদ সরকারের আমলেও নিয়েছেন নানা রকম সুযোগ-সুবিধা। তার নামে-বে -নামে গড়ে তুলেছেন সম্পদের পাহাড়।

গত প্রায় দুই বছরেই শুধু শালিখার আড়পাড়া সাব রেজিস্ট্রার অফিস থেকেই কয়েক কোটি টাকা অনিয়ম-দুর্নীতি বা ঘুষের মাধ্যমে ইনকাম করেছেন এই

সাবরেজিস্ট্রার শহিদুল ইসলাম।তাই এই দুর্নীতিগ্রস্ত, ঘুষখোর সাব রেজিস্টার শহিদুল ইসলামের সকল কর্মকান্ড তদন্ত করে তাকে প্রত্যাহার করার দাবি তুলেছেন শালিখাবাসী।