ঢাকা ১২:৫৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ:
কুমিল্লায় জামায়াতের দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, গাড়ি ভাঙচুর-ককটেল বিস্ফোরণ খুলনায় মাদক ও সাজাপ্রাপ্ত আসামিসহ গ্রেপ্তার ৯ মোহনা টিভির অনলাইন শাখায় পুনর্বিন্যাস: আটজনকে অব্যাহতি; বিভিন্ন নম্বর থেকে হুমকির অভিযোগ আহত পুলিশ পরিদর্শক শাহ আলমকে দেখতে হাসপাতালে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সচিবালয় (মন্ত্রণালয়) স্থানান্তরের গল্প: ঢাকার বাস্তবতা….. কালিয়াকৈরে অবৈধ আবাসিক হোটেলে অভিযান চালিয়ে নারী পুরুষ কর্তৃপক্ষ সহ ৩৯ জনকে আটক করেছে পুলিশ প্রয়াত নন-পুলিশ সদস্যের পরিবারের পাশে কেএমপি, দুর্গাপূজার উপহার দিলেন পুলিশ কমিশনার গণপূর্ত অধিদপ্তরে ১১৬ প্রকৌশলীর  ‎বদলি ও পদায়নে কোটি কোটি টাকা বাণিজ্যের অভিযোগ!  ‎ প্রধানমন্ত্রীর খুলনা সফর: জেলা স্টেডিয়াম পরিদর্শনে হুইপ বকুল পঞ্চগড়ে সদরে একই পরিবারের একাধিক ব্যক্তির নামে সার ডিলার নিয়োগের আদেশ বাতিল করে : ছোলায়মান আলীকে সার ডিলার নিয়োগের দাবী এলাকাবাসীর

ডাকুয়া খাল থেকে প্রকাশ্যে অবৈধ বালু উত্তোলন, রাস্তা ঝুঁকিতে। 

  • নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ০৬:৩২:৩৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬
  • ১০৯ জন সংবাদটি পড়েছেন

পটুয়াখালী জেলা গলাচিপা উপজেলা ডাকুয়া ইউনিয়ন বুড়ো গৌরাঙ্গ নদীর তীরে একটি খাল বয়ে যায় ডাকুয়া ইউনিয়ন থেকে রাবনাবাদ নদীর তীরে, ঐ খাল টি ডাকুয়া সুলিজ খাল নামে পরিচিত, ডাকুয়া খাল থেকে উলানিয়া বন্দর এক জন ব্যক্তি মোঃ ইমরান হুজুর নামে পরিচিত, বিভিন্ন পয়েন্টে দীর্ঘদিন ধরে প্রকাশ্যে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের অভিযোগ উঠেছে। গলাচিপা উপজেলা ছোট চত্রা তীরবর্তী ডাকুয়া ইউনিয়নের হিন্দু সম্প্রদায়ের পাড়া কবিরাজ বাড়ি সংলগ্ন এলাকা এবং ডাকুয়া খাল থেকে বিভিন্ন অংশে প্রভাবশালী একটি চক্র ড্রেজার মেশিন ব্যবহার করে দিনে ও রাতে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করছে।

স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, অবাধে বালু উত্তোলনের কারণে খালের স্বাভাবিক প্রবাহ ব্যাহত হচ্ছে। এতে খালভাঙনের ঝুঁকি বাড়ার পাশাপাশি কবিরাজ বাড়ি রাস্তাসহ আশপাশের বিভিন্ন স্থাপনা ও কৃষিজমি হুমকির মুখে পড়ছে। পরিবেশেরও মারাত্মক ক্ষতি হচ্ছে বলে তারা আশঙ্কা প্রকাশ করেন।

নাম প্রকাশে একাধিক স্থানীয় ব্যক্তি জানান, দীর্ঘদিন ধরে প্রকাশ্যেই বালু উত্তোলন চললেও সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের দৃশ্যমান কোনো অভিযান বা কার্যকর ব্যবস্থা দেখা যাচ্ছে না। ফলে অবৈধ বালু উত্তোলনকারীরা আরও বেপরোয়া হয়ে উঠেছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, নদীর ও খাল রক্ষা ও পরিবেশ সংরক্ষণে দায়িত্বপ্রাপ্ত সংস্থাগুলোর কার্যকর নজরদারির অভাব এবং প্রশাসনের দীর্ঘ নীরবতায় সাধারণ মানুষের মধ্যে নানা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। তারা অবিলম্বে অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধে কঠোর অভিযান পরিচালনা এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোঃ আবুজর ইজাজুল হক

বলেন “অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের কোনো সুযোগ নেই। এ ধরনের কার্যক্রমের বিরুদ্ধে প্রশাসনের নজরদারি অব্যাহত রয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।অবৈধভাবে বালু উত্তোলনে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।”

এদিকে সচেতন মহল মনে করছে, অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধে নিয়মিত ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা, কঠোর নজরদারি এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে ভবিষ্যতে নদী ও খাল ভাঙ্গনে অবকাঠামোর ক্ষতি এবং পরিবেশগত বিপর্যয় আরও ভয়াবহ রূপ নিতে পারে। তাই নদী ও খাল জনস্বার্থ রক্ষায় দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

Tag :
About Author Information

GOURANGA BOSE

জনপ্রিয় সংবাদ

কুমিল্লায় জামায়াতের দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, গাড়ি ভাঙচুর-ককটেল বিস্ফোরণ

ডাকুয়া খাল থেকে প্রকাশ্যে অবৈধ বালু উত্তোলন, রাস্তা ঝুঁকিতে। 

আপডেট সময় : ০৬:৩২:৩৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬

পটুয়াখালী জেলা গলাচিপা উপজেলা ডাকুয়া ইউনিয়ন বুড়ো গৌরাঙ্গ নদীর তীরে একটি খাল বয়ে যায় ডাকুয়া ইউনিয়ন থেকে রাবনাবাদ নদীর তীরে, ঐ খাল টি ডাকুয়া সুলিজ খাল নামে পরিচিত, ডাকুয়া খাল থেকে উলানিয়া বন্দর এক জন ব্যক্তি মোঃ ইমরান হুজুর নামে পরিচিত, বিভিন্ন পয়েন্টে দীর্ঘদিন ধরে প্রকাশ্যে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের অভিযোগ উঠেছে। গলাচিপা উপজেলা ছোট চত্রা তীরবর্তী ডাকুয়া ইউনিয়নের হিন্দু সম্প্রদায়ের পাড়া কবিরাজ বাড়ি সংলগ্ন এলাকা এবং ডাকুয়া খাল থেকে বিভিন্ন অংশে প্রভাবশালী একটি চক্র ড্রেজার মেশিন ব্যবহার করে দিনে ও রাতে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করছে।

স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, অবাধে বালু উত্তোলনের কারণে খালের স্বাভাবিক প্রবাহ ব্যাহত হচ্ছে। এতে খালভাঙনের ঝুঁকি বাড়ার পাশাপাশি কবিরাজ বাড়ি রাস্তাসহ আশপাশের বিভিন্ন স্থাপনা ও কৃষিজমি হুমকির মুখে পড়ছে। পরিবেশেরও মারাত্মক ক্ষতি হচ্ছে বলে তারা আশঙ্কা প্রকাশ করেন।

নাম প্রকাশে একাধিক স্থানীয় ব্যক্তি জানান, দীর্ঘদিন ধরে প্রকাশ্যেই বালু উত্তোলন চললেও সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের দৃশ্যমান কোনো অভিযান বা কার্যকর ব্যবস্থা দেখা যাচ্ছে না। ফলে অবৈধ বালু উত্তোলনকারীরা আরও বেপরোয়া হয়ে উঠেছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, নদীর ও খাল রক্ষা ও পরিবেশ সংরক্ষণে দায়িত্বপ্রাপ্ত সংস্থাগুলোর কার্যকর নজরদারির অভাব এবং প্রশাসনের দীর্ঘ নীরবতায় সাধারণ মানুষের মধ্যে নানা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। তারা অবিলম্বে অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধে কঠোর অভিযান পরিচালনা এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোঃ আবুজর ইজাজুল হক

বলেন “অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের কোনো সুযোগ নেই। এ ধরনের কার্যক্রমের বিরুদ্ধে প্রশাসনের নজরদারি অব্যাহত রয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।অবৈধভাবে বালু উত্তোলনে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।”

এদিকে সচেতন মহল মনে করছে, অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধে নিয়মিত ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা, কঠোর নজরদারি এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে ভবিষ্যতে নদী ও খাল ভাঙ্গনে অবকাঠামোর ক্ষতি এবং পরিবেশগত বিপর্যয় আরও ভয়াবহ রূপ নিতে পারে। তাই নদী ও খাল জনস্বার্থ রক্ষায় দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।