মহাপরিচালকের পদক্ষেপ কামনা:
চট্রগ্রাম ফায়ার সার্ভিস গিলে খাচ্ছে এডি তৌফিকুল ইসলাম ভুঁইয়া!
বিশেষ প্রতিবেদক
চট্রগ্রাম ফায়ার সাভির্সের এডি তৌফিকুল ইসলাম ভুঁইয়ার বিরুদ্ধে ১৩ দফা দুর্নীতির অভিযোগ পাওয়াগেছে। মহাক্ষমত্ধার এই এডি নানা কৌশলে হাতিয়ে নিচ্ছেন কোটি কোটি টাকা। তার দুর্নীতির ফিরিস্তি নিয়ে একাধিক পত্রিকায় নিউজ ছাপা হলেও কোন ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না। তিনি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে ম্যানেজ করে বারবার অভিযোগ থেকে মুক্তি পেয়ে যাচ্ছেন। সম্প্রতি তার বিরুদ্ধে যে সব অভিযোগ উঠেছে সেগুলো হলো:
১. ফায়ার লাইসেন্স রি-অ্যাসেসমেন্ট অনুমোদনের ক্ষেত্রে বিপুল পরিমাণ নগদ অর্থ আদায় করেছেন। ২. চট্টগ্রামে যোগদানের পর নষ্ট ও অকেজো সরকারি মালামাল নিয়ম অনুযায়ী নিলামে না তুলে খোলা বাজারে বিক্রি করে বিক্রয়লব্ধ টাকা আত্মসাত করেছেন।
৩. তার ছোট ভাই শফিকুল ইসলাম ভূঁইয়াকে গুরুত্বপূর্ণ স্থানে অতিরিক্ত দায়িত্ব দয়েছেন।
৪. চট্টগ্রাম বিভাগের ইন্সপেক্টরদের তার ভাইয়ের কাছে ‘জিম্মি’ করে রাখা হয়েছে।
৫. সিলেটে দায়িত্ব পালনকালে মে-জুন ২০২৬ সময়ে ইন্সপেক্টরদের চাপ প্রয়োগ করে আর্থিক সুবিধা নিয়েছেন। সে ক্ষেত্রে আপনি অগ্নি নিরাপত্তা কথা না ভেবে অতিরিক্ত অর্থ আদায় এবং মাত্রাতিরিক্ত তাড়াহুড়ো করে ৪৫২টি লাইসেন্স দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। এই ৪৫২টি লাইসেন্সের প্রতিটির যথাযথভাবে যাচাই-বাছাই করা হয়নি।
৬. চট্টগ্রামে পোস্টিং নিতে সাবেক ডিজির ষ্টাফ অফিসার (ডিডি) আরমানকে মোটা অংকের টাকা দিয়েছেন ।
৭. চট্টগ্রামে ইজিপি টেন্ডারের রেশনের নিম্ন মানের ডাল ইউ ডি হাসেমের মাধ্যমে চাকতাই হতে ক্রয় করে শহরের বাহিরে বিভিন্ন ষ্টেশনে সরবরাহ করেছেন। এতে কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা প্রতিক্রিয়া জানালে আপনি তাদেরকে বদলির ভয় দেখান। এ খবর সাংবাদিকরা আপনার কাছে জানতে চাইলে সাংবাদিকদের ম্যানেজ করেন এবং ষ্টাফদের প্রতি কেজি বাবদ ৪০ টাকা করে পরিশোধ করেন।
৮. বদলির সুপারিশের ক্ষেত্রে আপনার স্বাক্ষর ও সুপারিশ পেতে অর্থ দিতে হয়। টাকা না দিলে আপনি বদলির সুপারিশ করেন না।
৯.আপনি বিগত ২০২৫-২০২৬অর্থ বছরের চট্টগ্রাম বিভাগের ১০৫ ফায়ার ষ্টেশনের বিভাগীয় কারিগরি কারখানায় বিভিন্ন গাড়ি পাম্পের কাজের বকেয়া বিল পরিশোধ না করে নিজের ইচ্ছে মতো নতুন বিল পরিশোধ করেন। বাবুল সহ ৩টি প্রতিষ্টানের লোকজন আপনার সাথে দেখা করলে আপনি বলেন আমাকে অগ্রীম ১৫% দিতে হবে, কারণ আমাকে ঢাকা অধিদপ্তরে টাকা দিতে হবে।টাকা না দিলে তোমাদের বিল পাবে না।
১০.কক্সবাজার মেরিন ড্রাইভ ইনানী টুপ টুপ রিসোর্টে এ শনিবার ভোরবেলা আগুন লাগার পূবে উক্ত
প্রতিষ্টােেনর প্রতিনিধি আপনার সাথে লাইসেন্স বিষয়ে (রহিম ও কামাল) দেখা করেন এবং আপনাকে ফায়ার সেফ্টি বিষয়ে পরামর্শ চান। ঐ প্রতিষ্টানে আপনি খাওয়া দাওয়া করেছেন। তাদের সাথে আপনার রানারকে কথা বলতে বলেন। রানার লাইসেন্স এর জন্য ৫০ হাজার টাকা দাবি করেন যার কারণে প্রতিষ্ঠানটি লাইসেন্স করতে আগ্রহ হারায়। আপনার অবহেলার কারণে ১০টি তাজা প্রাণ অকালে মৃত্যু বরণ করে।
১১. কুমিল্লা থাকাকালীন তৎকালীন স্থানীয় সরকার মন্ত্রী তাজুল ইসলাম এর এ পি এস কামাল তার বন্ধু ছিল। তার সাথে ভাগাভাগিতে মনোহরগঞ্জ নতুন ফায়ার ষ্টেশনে নিম্নমানের মালামাল দিয়ে ষ্টেশন নির্মাণ করেছেন। কুমিল্লা ফায়ার ষ্টেশন মসজিদ নির্মান কালে বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্টান হতে নগদ টাকা, রড, সিমেন্ট, বালি, ফ্যান, টাইলস সংগ্রহ করেছেন। ঐ খান হতে আপনি অর্থ সহ বিভিন্ন মালামাল আপনার বাড়িতে নিয়ে গিয়েছেন।
এ বিষয়ে কথা বলার জন্য এডি মো: তৌফিকুল ইসলামের মোবাইলে কয়েকবার কল দিলও তিনি কল রিসিভ করেন নি। এমন কি ক্ষুদেবার্তা পাঠালেও তিনি কোন উত্তর দেন নি।
চট্রগ্রাম ফায়ার সার্ভিসের দেশ প্রেমিক কর্মকর্তা ও কর্মচারিরা এ ক্ষেত্রে ফায়ার সার্ভিন ও সিভিল ডিফেন্স এর নবাগত মহাপরিচালকের পদক্ষেপ কামনা করেছেন।
সারাক্ষণ ডেস্ক 























