ঢাকা ০২:৪৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬, ১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ:
এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের নির্বাচনী অধিকার: নীতিমালার ব্যাখ্যা, বৈষম্যের প্রশ্ন ও সমাধানের পথ। সিলেটের এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে ধর্ষণ : ১জনের ফাঁসি ৩ জনের যাবজ্জীবন সাজা, ৪জন খালাস সাড়ে ৪ লাখ টাকা পাবেন সেই গৃহবধূ। নিয়ম নীতির তোয়াক্কা না করে সরকারি বই ও খাতা বিক্রির অভিযোগ প্রধান শিক্ষক এর বিরুদ্ধে। ধামরাইয়ে অবৈধ টায়ার পোড়ানোর কারখানা: বিষাক্ত কালো ধোঁয়ায় বিপর্যস্ত জনজীবন। কচুয়ায় গাছ কাটতে গিয়ে ১২ বছরের শিশুর মৃত্যু, বিচার দাবি পরিবারের। নেত্রকোণায় জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান সাবেক রাষ্ট্রপতি হোসাইন মোহাম্মদ এরশাদের ৭তম ‎মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা,দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত।  ঘাঘটের ভাঙনে ঝুঁকিতে শহররক্ষা বাঁধ: পরিদর্শনে জেলা প্রশাসক, পানি উন্নয়ন বোর্ড ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ। শিক্ষা নিয়ে রাজনীতি নয়, জবাবদিহির সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠা হোক। হুথি ও সৌদি আরবের মধ্যে যুদ্ধবিরতি আজ থেকে ভেঙে গেল। ইরানি বিমানকে আটকাতে ইয়েমেনের রাজধানী সানা বিমানবন্দরে বিমান হামলা। কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের সামনে এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের অবস্থান কর্মসূচি।

যুব উন্নয়নে এক প্রকল্পেই ২৯৭ কোটি টাকার হরিলুট !

  • সারাক্ষণ ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৭:৩৯:৪৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ অক্টোবর ২০২৫
  • ২৫৯ জন সংবাদটি পড়েছেন

যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের ফ্রিল্যান্সার প্রশিক্ষণ প্রকল্পে ২৯৭ কোটি টাকার অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। এই প্রকল্পে মূল ভূমিকা পালন করেছেন সাবেক যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেলের ঘনিষ্ঠ এম এ আখের (পরিচালক প্রশাসন) ও যুব কাউন্সিলের সভাপতি মাসুদ আলম।
এম এ আখের, যিনি আওয়ামী লীগ সরকারের সময় পরিচালক (প্রশাসন) হিসেবে দায়িত্বে ছিলেন, এখনো এক সমন্বয়কের নাম ব্যবহার করে বহাল তবিয়তে রয়েছেন। তার ঘনিষ্ঠ ব্যবসায়িক সহযোগী মাসুদ আলম ছিলেন ফ্যাসিবাদ আওয়ামী লীগের উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী এবং ই-লার্নিং অ্যান্ড আর্নিং লিমিটেড নামের একটি প্রতিষ্ঠানের মালিক। বর্তমানে এই প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) তদন্ত চলছে।
সূত্রমতে, এম এ আখের ও মাসুদ আলমের মধ্যে রয়েছে গভীর ঘনিষ্ঠতা ও ব্যবসায়িক সম্পর্ক। তারা যৌথভাবে ২৯৭ কোটি টাকার ফ্রিল্যান্সার প্রশিক্ষণ প্রকল্পের কাজ নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেয়। সারাক্ষণ বার্তার অনুসন্ধানে জানা গেছে, প্রকল্পের দরপত্রটি মাসুদ আলমের প্রতিষ্ঠান ই-লার্নিং অ্যান্ড আর্নিং লিমিটেড-এর অনুকূলে সাজানো হয়। টেন্ডার প্রক্রিয়ার পুরো নিয়ন্ত্রণ ছিল এম এ আখেরের হাতে।
এম এ আখেরের বিরুদ্ধে রয়েছে অর্থপাচার, ভুয়া সার্টিফিকেট ব্যবহার ও ডিজিটাল প্রতারণার একাধিক অভিযোগ। অন্যদিকে মাসুদ আলমের টেন্ডার যোগ্যতা নিয়েও নানা প্রশ্ন উঠেছিল। তবুও আওয়ামী লীগ সরকারের সময় থেকেই তার প্রতিষ্ঠান এই বিশাল প্রকল্পের দায়িত্ব পেয়ে আসছে, এবং শেখ হাসিনার পতনের পর বর্তমান জুলাই চেতনার সরকারের আমলেও সেই প্রতিষ্ঠানই প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে।
অভ্যন্তরীণ সূত্রের দাবি, এম এ আখেরের অনুমতি ছাড়া যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরে কোনো সিদ্ধান্তই কার্যকর হয় না। তার প্রভাব ও মাসুদ আলমের ঘনিষ্ঠতার জোরে তারা বিপুল পরিমাণ অর্থ বিদেশে পাচার করেছে বলে অভিযোগ রয়েছে। অনুসন্ধান শুরু হলে এই সিন্ডিকেটের বহু অজানা দুর্নীতির তথ্য প্রকাশ পাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।এ বিষয়ে ধারাবাহিক প্রতিবেদন প্রকাশের কাজ চলমান রয়েছে।

Tag :
About Author Information

GOURANGA BOSE

জনপ্রিয় সংবাদ

এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের নির্বাচনী অধিকার: নীতিমালার ব্যাখ্যা, বৈষম্যের প্রশ্ন ও সমাধানের পথ।

যুব উন্নয়নে এক প্রকল্পেই ২৯৭ কোটি টাকার হরিলুট !

আপডেট সময় : ০৭:৩৯:৪৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ অক্টোবর ২০২৫

যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের ফ্রিল্যান্সার প্রশিক্ষণ প্রকল্পে ২৯৭ কোটি টাকার অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। এই প্রকল্পে মূল ভূমিকা পালন করেছেন সাবেক যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেলের ঘনিষ্ঠ এম এ আখের (পরিচালক প্রশাসন) ও যুব কাউন্সিলের সভাপতি মাসুদ আলম।
এম এ আখের, যিনি আওয়ামী লীগ সরকারের সময় পরিচালক (প্রশাসন) হিসেবে দায়িত্বে ছিলেন, এখনো এক সমন্বয়কের নাম ব্যবহার করে বহাল তবিয়তে রয়েছেন। তার ঘনিষ্ঠ ব্যবসায়িক সহযোগী মাসুদ আলম ছিলেন ফ্যাসিবাদ আওয়ামী লীগের উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী এবং ই-লার্নিং অ্যান্ড আর্নিং লিমিটেড নামের একটি প্রতিষ্ঠানের মালিক। বর্তমানে এই প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) তদন্ত চলছে।
সূত্রমতে, এম এ আখের ও মাসুদ আলমের মধ্যে রয়েছে গভীর ঘনিষ্ঠতা ও ব্যবসায়িক সম্পর্ক। তারা যৌথভাবে ২৯৭ কোটি টাকার ফ্রিল্যান্সার প্রশিক্ষণ প্রকল্পের কাজ নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেয়। সারাক্ষণ বার্তার অনুসন্ধানে জানা গেছে, প্রকল্পের দরপত্রটি মাসুদ আলমের প্রতিষ্ঠান ই-লার্নিং অ্যান্ড আর্নিং লিমিটেড-এর অনুকূলে সাজানো হয়। টেন্ডার প্রক্রিয়ার পুরো নিয়ন্ত্রণ ছিল এম এ আখেরের হাতে।
এম এ আখেরের বিরুদ্ধে রয়েছে অর্থপাচার, ভুয়া সার্টিফিকেট ব্যবহার ও ডিজিটাল প্রতারণার একাধিক অভিযোগ। অন্যদিকে মাসুদ আলমের টেন্ডার যোগ্যতা নিয়েও নানা প্রশ্ন উঠেছিল। তবুও আওয়ামী লীগ সরকারের সময় থেকেই তার প্রতিষ্ঠান এই বিশাল প্রকল্পের দায়িত্ব পেয়ে আসছে, এবং শেখ হাসিনার পতনের পর বর্তমান জুলাই চেতনার সরকারের আমলেও সেই প্রতিষ্ঠানই প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে।
অভ্যন্তরীণ সূত্রের দাবি, এম এ আখেরের অনুমতি ছাড়া যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরে কোনো সিদ্ধান্তই কার্যকর হয় না। তার প্রভাব ও মাসুদ আলমের ঘনিষ্ঠতার জোরে তারা বিপুল পরিমাণ অর্থ বিদেশে পাচার করেছে বলে অভিযোগ রয়েছে। অনুসন্ধান শুরু হলে এই সিন্ডিকেটের বহু অজানা দুর্নীতির তথ্য প্রকাশ পাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।এ বিষয়ে ধারাবাহিক প্রতিবেদন প্রকাশের কাজ চলমান রয়েছে।