ঢাকা ১২:২৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ:
স্বৈরাচারের দোসরেরা ভোট বানচালের চেষ্টা করবে, তবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী প্রস্তুত: প্রধান উপদেষ্টা প্রতি বছর বিলম্বে পাঠ্যবই ছাপার নেপথ্যে  ৫ হাজার কোটি টাকার গাইড বাণিজ্য ! নিরপরাধ আ. লীগ নেতাকর্মীদের গ্রেপ্তার করা হলে থানা ঘেরাওয়ের হুঁশিয়ারি বিএনপি নেতা হারুনের। মুক্তচিন্তা, মুক্তিযুদ্ধ ও অসাম্প্রদায়িক চেতনার ঘোর বিরোধী দাপুটে তিন বুদ্ধিজীবী। ইয়াবাসহ সুমন নামে এক মাদক কারবারি ডিবির হাতে গ্রেফতার। সনাতন ধর্মাবলম্বী নেতৃবৃন্দের সাথে মাদারীপুর জেলা প্রশাসকের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত। খুলনা গণপূর্তে দুর্নীতির অদৃশ্য সাম্রাজ্য : উপসহকারী প্রকৌশলী মিজানুরের সাত বছরের অপ্রতিরোধ্য সিন্ডিকেট ! তিনিই স্বঘোষিত সম্রাট! শিক্ষার্থীদের মাঝে দেশ ফাউন্ডেশনের শিক্ষা প্রণোদনা বিতরণ। জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ–২০২৬ উপলক্ষে উপজেলা পর্যায়ের প্রতিযোগিতায় ১৫টি বিভাগে প্রথম স্থান অধিকার করে সবার শীর্ষে শহীদ সরদার সাজাহান গার্লস স্কুল এন্ড কলেজ। মহামানব গণেশ পাগল সেবাশ্রম কমিটির আগামীদিনের কর্ম পরিকল্পনা ঘোষণা।

নারায়ণগঞ্জ গণপূর্তের নির্বাহী প্রকৌশলী হারুন অর রশিদের নামে মিথ্যা সংবাদ প্রকাশ করে হয়রানি।

  • সারাক্ষণ ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৬:০৩:৩৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ১৩৪ জন সংবাদটি পড়েছেন
7

সম্প্রতি নারায়ণগঞ্জ গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী হারুন অর রশিদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে যে তথ্য প্রকাশিত হয়েছে, তা সম্পূর্ণ ভুল, মিথ্যা এবং ভিত্তিহীন। এসব সংবাদে তাকে টেন্ডারবাজি, সিন্ডিকেট গঠন, অনিয়ম এবং রাজনৈতিক কারণে পদায়নের অভিযোগ দেওয়া হয়েছে। তবে বাস্তবতা সম্পূর্ণ ভিন্ন। সংবাদে উল্লেখিত অভিযোগগুলো ভিত্তি নেই। সংবাদে বলা হয়েছে, তিনি আতিকুল ইসলামের স্ত্রী বা অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে কোটি কোটি টাকার সরকারি প্রকল্পে অনিয়ম করছেন। কিন্তু সত্য হলো, পিপিআর মেনে কোনো প্রতিষ্ঠান যদি দরপত্রের সকল শর্ত পূরণ এবং সর্বনিম্ন দরপত্র দাতা হয় তবে সেই প্রতিষ্ঠান কে বাদ দেওয়ার সুযোগ নেই।উল্লেখ্য যে নারায়ণগঞ্জ গণপূর্ত বিভাগের বর্নিত সময়ের সকল দরপত্র পিপিআর নির্ধারিত সময় সীমা ১৪/২১/২৮ দিন মেনে e-GP প্রক্রিয়ায় যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমোদন সাপেক্ষে সম্পূর্ণ করা হয়েছে । তথাপি কতিপয় অসাধু সাংবাদিক নামধারী মিথ্যা তথ্য ছাপিয়ে জনমনে ভুল ধারণা তৈরি করা হয়েছে, যা স্পষ্টভাবে হয়রানি। সংবাদে তার রাজনৈতিক পরিচয় ও ছাত্রলীগের সঙ্গে সম্পর্ক তুলে ধরা হয়েছে তারও কোন দালিলিক প্রমান নেই। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের কিছু এআই ছবি ও পোস্টকে প্রমাণ হিসেবে দেখানো হয়েছে, যা পেশাগত দায়িত্বের সঙ্গে সম্পর্কহীন এবং বিভ্রান্তিকর। এর মাধ্যমে জনমনে মনে হচ্ছে তিনি সরকারের প্রকল্পগুলোতে অনিয়ম করছেন। বাস্তবে, এমন কোনো প্রমাণ নেই। সংবাদে যেসব তথ্য দেওয়া হয়েছে, তা শুধুমাত্র উস্কানিমূলক এবং বিভ্রান্তিকর। এতে তার পেশাগত ও ব্যক্তিগত সুনাম ক্ষুণ্ণ হয়েছে। একজন সরকারি কর্মকর্তা হিসেবে হারুন অর রশিদের প্রতি মিথ্যা অভিযোগের মাধ্যমে হয়রানি ঘটানো হয়েছে। নির্বাহী প্রকৌশলী হিসেবে তার উপর মিথ্যা অভিযোগ আরোপের পেছনে প্রতিষ্ঠানভিত্তিক দ্বন্দ্ব বা রাজনৈতিক প্রভাব থাকার আশঙ্কা । এতে স্পষ্ট হয়ে যাচ্ছে, সাংবাদিক ও মিডিয়া কিছু বিষয় যাচাই না করে ভুল তথ্য প্রকাশ করেছে, যা দায়িত্বজ্ঞানহীনতা। সংবাদে উল্লেখিত সময়সীমা, প্রকল্পের সংখ্যা বা আর্থিক পরিমাণের তথ্যও ভুল এবং বিভ্রান্তিকরভাবে উপস্থাপিত হয়েছে। এটি জনমনে ভুল ধারণা সৃষ্টি করছে এবং হারুন অর রশিদের পেশাগত জীবনের জন্য সুনামের ক্ষতি ঘটাচ্ছে। মহামান্য প্রধান প্রকৌশলী ও অন্যান্য কর্মকর্তাদের নাম উল্লেখ করে সংবাদে যে সিন্ডিকেট বা অনিয়মের চিত্র আঁকা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। সরকারের কোন অফিসিয়াল নথিতে হারুন অর রশিদকে এই অভিযোগে যুক্ত করা হয়নি। কোনো প্রশাসনিক বা আইনগত প্রক্রিয়া শুরু হয়নি। সংবাদ প্রকাশের ফলে জনগণের মধ্যে ভ্রান্ত ধারণা তৈরি হয়েছে, যা একজন সরকারি কর্মকর্তার পেশাগত জীবনকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে। এটি স্পষ্টভাবে মিথ্যা অভিযোগের মাধ্যমে হয়রানি। এই ধরনের উস্কানিমূলক সংবাদ প্রকাশের ফলে সরকারি কর্মকর্তাদের উপর অযাচিত চাপ ও সমালোচনা সৃষ্টি হচ্ছে। হারুন অর রশিদের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, তিনি সংবাদ প্রকাশকারী সংস্থা ও সংশ্লিষ্ট সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। কারণ এই সংবাদ প্রকাশের মাধ্যমে তার পেশাগত ও ব্যক্তিগত সুনাম ক্ষুণ্ণ হয়েছে। সংবাদে যে রাজনৈতিক সম্পৃক্ততার উল্লেখ করা হয়েছে, তা বিভ্রান্তিকর এবং ভিত্তিহীন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের কিছু পোস্ট বা ছবি নিয়ে জনমনে ভুল ধারণা তৈরি করা হয়েছে, যা একেবারেই অপ্রমাণিত। এই ধরনের তথ্য প্রচার করা আইনি ও নৈতিকভাবে দোষারোপযোগ্য। সংবাদ প্রকাশের পদ্ধতিও প্রশ্নবিদ্ধ। কোনো তথ্য যাচাই বা সত্যতা যাচাই ছাড়াই উস্কানিমূলক ও মিথ্যা তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে। এটি সংবাদপত্র ও মিডিয়ার দায়িত্বশীলতার পরিপন্থী। জনগণের মধ্যে ভুল তথ্য প্রচারের ফলে একজন সরকারি কর্মকর্তা হয়রানির শিকার হচ্ছেন। হারুন অর রশিদের বিরুদ্ধে যে অভিযোগ এসেছে, তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য: সরকারি প্রকল্পে অনিয়ম ও টেন্ডারবাজি, নির্দিষ্ট ঠিকাদারকে সুবিধা দেওয়া, রাজনৈতিক প্রভাবের কারণে পদায়ন—সবই ভিত্তিহীন। কোনো সরকারি নথি বা তদন্ত নেই যা এগুলো প্রমাণ করে। ফলে স্পষ্ট হচ্ছে, সংবাদটি হয়রানি ও ভুল তথ্যের ভিত্তিতে তৈরি। সংবাদ প্রকাশের ফলে যে ক্ষতি হয়েছে তা শুধুমাত্র ব্যক্তিগত নয়, বরং সরকারি কর্মকর্তাদের প্রতি ভুল ধারণা ও অবিশ্বাস তৈরি করেছে। সাংবাদিকরা দায়িত্বশীলভাবে কাজ না করলে এটি নিয়মিত পেশাগত হতাশা ও মানহানির কারণ হতে পারে। সংবাদে উল্লেখিত আর্থিক তথ্য, প্রকল্পের সংখ্যা ও সময়সীমা বিভ্রান্তিকরভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে। এসব তথ্য যাচাই করার কোনো প্রচেষ্টা হয়নি। এর ফলে জনমনে হারুন অর রশিদের পেশাগত দক্ষতা ও সততার প্রতি ভুল ধারণা তৈরি হচ্ছে। নাগরিক ও পাঠকের প্রতি জানানো হচ্ছে, সংবাদে উল্লিখিত অভিযোগ ভুল এবং ভিত্তিহীন। এটি কোনো বাস্তব প্রমাণ বা সরকারি নথি দ্বারা সমর্থিত নয়। ফলে এটি স্পষ্টভাবে হয়রানি এবং মিথ্যা তথ্যের ভিত্তিতে করা অভিযোগ। হারুন অর রশিদ সংবাদ প্রকাশের কারণে যে মানসিক ও পেশাগত চাপের সম্মুখীন হচ্ছেন, তা অগ্রাহ্য করা যাবে না। একজন সরকারি কর্মকর্তা হিসেবে তার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগের মাধ্যমে হয়রানি করা গুরুতর নৈতিক ও আইনগত বিষয়। সংবাদ প্রকাশক ও সাংবাদিকদের প্রতি আহ্বান: যাচাই না করা তথ্য প্রকাশ করবেন না, কোনো সরকারি কর্মকর্তাকে ভিত্তিহীন অভিযোগের মাধ্যমে হয়রানি করবেন না এবং সাংবাদিকতার নৈতিকতা ও দায়িত্ববোধ মেনে কাজ করুন। এই প্রতিবাদ প্রকাশের মাধ্যমে স্পষ্ট করা হচ্ছে যে, হারুন অর রশিদকে ভিত্তিহীন, মিথ্যা এবং উস্কানিমূলক তথ্যের মাধ্যমে হয়রানি করা হচ্ছে, যা শুধুমাত্র তার ব্যক্তিগত সুনাম নয়, বরং সরকারি কর্মকর্তাদের প্রতি জনগণের বিশ্বাসকেও ক্ষুণ্ণ করছে।

Tag :
About Author Information

GOURANGA BOSE

জনপ্রিয় সংবাদ

স্বৈরাচারের দোসরেরা ভোট বানচালের চেষ্টা করবে, তবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী প্রস্তুত: প্রধান উপদেষ্টা

নারায়ণগঞ্জ গণপূর্তের নির্বাহী প্রকৌশলী হারুন অর রশিদের নামে মিথ্যা সংবাদ প্রকাশ করে হয়রানি।

আপডেট সময় : ০৬:০৩:৩৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ ডিসেম্বর ২০২৫
7

সম্প্রতি নারায়ণগঞ্জ গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী হারুন অর রশিদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে যে তথ্য প্রকাশিত হয়েছে, তা সম্পূর্ণ ভুল, মিথ্যা এবং ভিত্তিহীন। এসব সংবাদে তাকে টেন্ডারবাজি, সিন্ডিকেট গঠন, অনিয়ম এবং রাজনৈতিক কারণে পদায়নের অভিযোগ দেওয়া হয়েছে। তবে বাস্তবতা সম্পূর্ণ ভিন্ন। সংবাদে উল্লেখিত অভিযোগগুলো ভিত্তি নেই। সংবাদে বলা হয়েছে, তিনি আতিকুল ইসলামের স্ত্রী বা অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে কোটি কোটি টাকার সরকারি প্রকল্পে অনিয়ম করছেন। কিন্তু সত্য হলো, পিপিআর মেনে কোনো প্রতিষ্ঠান যদি দরপত্রের সকল শর্ত পূরণ এবং সর্বনিম্ন দরপত্র দাতা হয় তবে সেই প্রতিষ্ঠান কে বাদ দেওয়ার সুযোগ নেই।উল্লেখ্য যে নারায়ণগঞ্জ গণপূর্ত বিভাগের বর্নিত সময়ের সকল দরপত্র পিপিআর নির্ধারিত সময় সীমা ১৪/২১/২৮ দিন মেনে e-GP প্রক্রিয়ায় যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমোদন সাপেক্ষে সম্পূর্ণ করা হয়েছে । তথাপি কতিপয় অসাধু সাংবাদিক নামধারী মিথ্যা তথ্য ছাপিয়ে জনমনে ভুল ধারণা তৈরি করা হয়েছে, যা স্পষ্টভাবে হয়রানি। সংবাদে তার রাজনৈতিক পরিচয় ও ছাত্রলীগের সঙ্গে সম্পর্ক তুলে ধরা হয়েছে তারও কোন দালিলিক প্রমান নেই। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের কিছু এআই ছবি ও পোস্টকে প্রমাণ হিসেবে দেখানো হয়েছে, যা পেশাগত দায়িত্বের সঙ্গে সম্পর্কহীন এবং বিভ্রান্তিকর। এর মাধ্যমে জনমনে মনে হচ্ছে তিনি সরকারের প্রকল্পগুলোতে অনিয়ম করছেন। বাস্তবে, এমন কোনো প্রমাণ নেই। সংবাদে যেসব তথ্য দেওয়া হয়েছে, তা শুধুমাত্র উস্কানিমূলক এবং বিভ্রান্তিকর। এতে তার পেশাগত ও ব্যক্তিগত সুনাম ক্ষুণ্ণ হয়েছে। একজন সরকারি কর্মকর্তা হিসেবে হারুন অর রশিদের প্রতি মিথ্যা অভিযোগের মাধ্যমে হয়রানি ঘটানো হয়েছে। নির্বাহী প্রকৌশলী হিসেবে তার উপর মিথ্যা অভিযোগ আরোপের পেছনে প্রতিষ্ঠানভিত্তিক দ্বন্দ্ব বা রাজনৈতিক প্রভাব থাকার আশঙ্কা । এতে স্পষ্ট হয়ে যাচ্ছে, সাংবাদিক ও মিডিয়া কিছু বিষয় যাচাই না করে ভুল তথ্য প্রকাশ করেছে, যা দায়িত্বজ্ঞানহীনতা। সংবাদে উল্লেখিত সময়সীমা, প্রকল্পের সংখ্যা বা আর্থিক পরিমাণের তথ্যও ভুল এবং বিভ্রান্তিকরভাবে উপস্থাপিত হয়েছে। এটি জনমনে ভুল ধারণা সৃষ্টি করছে এবং হারুন অর রশিদের পেশাগত জীবনের জন্য সুনামের ক্ষতি ঘটাচ্ছে। মহামান্য প্রধান প্রকৌশলী ও অন্যান্য কর্মকর্তাদের নাম উল্লেখ করে সংবাদে যে সিন্ডিকেট বা অনিয়মের চিত্র আঁকা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। সরকারের কোন অফিসিয়াল নথিতে হারুন অর রশিদকে এই অভিযোগে যুক্ত করা হয়নি। কোনো প্রশাসনিক বা আইনগত প্রক্রিয়া শুরু হয়নি। সংবাদ প্রকাশের ফলে জনগণের মধ্যে ভ্রান্ত ধারণা তৈরি হয়েছে, যা একজন সরকারি কর্মকর্তার পেশাগত জীবনকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে। এটি স্পষ্টভাবে মিথ্যা অভিযোগের মাধ্যমে হয়রানি। এই ধরনের উস্কানিমূলক সংবাদ প্রকাশের ফলে সরকারি কর্মকর্তাদের উপর অযাচিত চাপ ও সমালোচনা সৃষ্টি হচ্ছে। হারুন অর রশিদের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, তিনি সংবাদ প্রকাশকারী সংস্থা ও সংশ্লিষ্ট সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। কারণ এই সংবাদ প্রকাশের মাধ্যমে তার পেশাগত ও ব্যক্তিগত সুনাম ক্ষুণ্ণ হয়েছে। সংবাদে যে রাজনৈতিক সম্পৃক্ততার উল্লেখ করা হয়েছে, তা বিভ্রান্তিকর এবং ভিত্তিহীন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের কিছু পোস্ট বা ছবি নিয়ে জনমনে ভুল ধারণা তৈরি করা হয়েছে, যা একেবারেই অপ্রমাণিত। এই ধরনের তথ্য প্রচার করা আইনি ও নৈতিকভাবে দোষারোপযোগ্য। সংবাদ প্রকাশের পদ্ধতিও প্রশ্নবিদ্ধ। কোনো তথ্য যাচাই বা সত্যতা যাচাই ছাড়াই উস্কানিমূলক ও মিথ্যা তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে। এটি সংবাদপত্র ও মিডিয়ার দায়িত্বশীলতার পরিপন্থী। জনগণের মধ্যে ভুল তথ্য প্রচারের ফলে একজন সরকারি কর্মকর্তা হয়রানির শিকার হচ্ছেন। হারুন অর রশিদের বিরুদ্ধে যে অভিযোগ এসেছে, তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য: সরকারি প্রকল্পে অনিয়ম ও টেন্ডারবাজি, নির্দিষ্ট ঠিকাদারকে সুবিধা দেওয়া, রাজনৈতিক প্রভাবের কারণে পদায়ন—সবই ভিত্তিহীন। কোনো সরকারি নথি বা তদন্ত নেই যা এগুলো প্রমাণ করে। ফলে স্পষ্ট হচ্ছে, সংবাদটি হয়রানি ও ভুল তথ্যের ভিত্তিতে তৈরি। সংবাদ প্রকাশের ফলে যে ক্ষতি হয়েছে তা শুধুমাত্র ব্যক্তিগত নয়, বরং সরকারি কর্মকর্তাদের প্রতি ভুল ধারণা ও অবিশ্বাস তৈরি করেছে। সাংবাদিকরা দায়িত্বশীলভাবে কাজ না করলে এটি নিয়মিত পেশাগত হতাশা ও মানহানির কারণ হতে পারে। সংবাদে উল্লেখিত আর্থিক তথ্য, প্রকল্পের সংখ্যা ও সময়সীমা বিভ্রান্তিকরভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে। এসব তথ্য যাচাই করার কোনো প্রচেষ্টা হয়নি। এর ফলে জনমনে হারুন অর রশিদের পেশাগত দক্ষতা ও সততার প্রতি ভুল ধারণা তৈরি হচ্ছে। নাগরিক ও পাঠকের প্রতি জানানো হচ্ছে, সংবাদে উল্লিখিত অভিযোগ ভুল এবং ভিত্তিহীন। এটি কোনো বাস্তব প্রমাণ বা সরকারি নথি দ্বারা সমর্থিত নয়। ফলে এটি স্পষ্টভাবে হয়রানি এবং মিথ্যা তথ্যের ভিত্তিতে করা অভিযোগ। হারুন অর রশিদ সংবাদ প্রকাশের কারণে যে মানসিক ও পেশাগত চাপের সম্মুখীন হচ্ছেন, তা অগ্রাহ্য করা যাবে না। একজন সরকারি কর্মকর্তা হিসেবে তার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগের মাধ্যমে হয়রানি করা গুরুতর নৈতিক ও আইনগত বিষয়। সংবাদ প্রকাশক ও সাংবাদিকদের প্রতি আহ্বান: যাচাই না করা তথ্য প্রকাশ করবেন না, কোনো সরকারি কর্মকর্তাকে ভিত্তিহীন অভিযোগের মাধ্যমে হয়রানি করবেন না এবং সাংবাদিকতার নৈতিকতা ও দায়িত্ববোধ মেনে কাজ করুন। এই প্রতিবাদ প্রকাশের মাধ্যমে স্পষ্ট করা হচ্ছে যে, হারুন অর রশিদকে ভিত্তিহীন, মিথ্যা এবং উস্কানিমূলক তথ্যের মাধ্যমে হয়রানি করা হচ্ছে, যা শুধুমাত্র তার ব্যক্তিগত সুনাম নয়, বরং সরকারি কর্মকর্তাদের প্রতি জনগণের বিশ্বাসকেও ক্ষুণ্ণ করছে।