সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ভাইরাল বিআইডব্লিউটিএ তে শ্রমিক লীগের নেতা নব্য বিএনপি মাজাহার- আক্তার -শফিক গং সংগঠনের নামে বরাদ্দকৃত নীচতলা কার্যালয় টি দখল করে তৈরি করেছেন কর্মচারীদের নির্যাতনের টর্চার সেল।আজ ১৩/০৪/২০২৬ ইং তারিখে সকাল ১০( দশ) ঘটিকায় ভবনের নিচ তলায় লিফট অপারেটর মিজান নামে এক কর্মচারীকে দলবল নিয়ে টর্চার সেলে অমানবিক নির্যাতন করে আহত মিজানের চিৎকার চেঁচামিচিতে অন্যান্য কর্মচারীরা এসে তাকে উদ্ধার করে, এর আগেও বহু কর্মচারী আজিজুল ইসলাম, মজিবুর রহমান, নুরুল আলম, আক্কাস হোসেন সহ অনেক কে বেধড়ক মারধর এবং নির্যাতন করে, এই মাজহার গং সর্বপ্রথম বিআইডব্লিউটিএতে ২০১৬ সালে শ্রমিকলী প্রতিষ্ঠা করে একটি স্বতন্ত্র প্রতিষ্ঠানকে দলীয়করণ সৃষ্টি করে লুটপাট ও রাজত্বের ত্রাস তৈরি করে।
বর্তমানে অর্থের প্রভাব খাটিয়ে এলাকার কিছু নেতাকর্মী নিয়ে শ্রমিক দলের একটি কমিটি এনে আবার পুনরায় ত্রাসের রাজত্ব শুরু করে। মাজারের আরেক সহযোগী আক্তার হোসেন আওয়ামী লীগ ও শ্রমিকলীগের সভা সমাবেশের সামনের শাড়ির নেতৃত্ব দেন শ্রমিক লীগের ব্যানার ফেস্টুন খুললেই দেখা যায় আক্তারের ছবি সরকার পরিবর্তন হলেও পরিবর্তন হয়নি আক্তারের দপ্তর একই চেয়ারে আজও ১২ বছর অঢেল সম্পদ ও আধিপত্য বিস্তার করে এখনো রয়েছে বহাল তবিয়তে দখলে রেখেছেন শ্রমিক লীগের আধিপত্য বিস্তার। মাজারের ডান হাত হিসেবে পরিচিত শফিক ছবিতে দেখা যায় শ্রমিক লীগের কাউন্সিলের ডেলিগেট হিসেবে ভোট দিচ্ছেন এরা ২০১৬ সাল থেকেই শ্রমিক লীগের প্রথম সারির নেতা বর্তমানে ৫ই আগস্ট ২০২৪এর পর বোল পাল্টে অর্থের জোরে নব্ব্র শ্রমিক দল হয়ে নতুন কমিটি নিয়ে পূর্বের চরিত্রকে ব্যাপক বেপরোয়া হয়ে উঠেছে এই টর্চার সেলের ক্ষমতার মূল হোতা নাকি খোদ কর্তৃপক্ষের প্রভাবশালী কিছু কর্মকর্তা যাহারা স্বৈরাচারের দোসর হিসেবে ব্যাপক পরিচিত। এখন প্রশ্ন হচ্ছে সরকারি প্রতিষ্ঠানে কিভাবে টর্চার সেল তৈরি করে কর্মচারী নির্যাতন করা হয় কেনই বা কর্তৃপক্ষ নীরব ভূমিকা পালন করছে। এ বিষয়ে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কিছু কর্মচারী বলেন গত স্বৈরাচারের আমলে অডেল টাকার মালিক হওয়ায় উচ্চ মহলের অর্থের প্রভাব দেখিয়ে আজও রয়েছে বহাল তবিয়তে যদিও মাজারের বর্তমান কর্মস্থল বরিশালে কিন্তু প্রভাব বিস্তার করে সে প্রতিদিন মতিঝিল অফিস করেন শোনা যায় সুপ্রিম কোর্টের রায়কে অবমাননা করে গোপনে নাকি মতিঝিল ভবনে হাজিরা দেয়। মাজাহার, আক্তার, শফিক অফিসে বলে বেড়ায় খোদ বিএনপি সরকারি আওয়ামী লীগকে ছত্রছায়া দিয়ে রেখেছে সে ক্ষেত্রে আমরা তো বিএনপি থেকে কমিটি নিয়ে এসেছি যতদিন আমার চাকরি থাকবে এভাবেই চলবে। তোমরা পারলে কিছু করে দেখাইও। মাজারের সেকেন্ড হ্যান্ড শফিকুল ইসলাম এর কর্মস্থল হলো নারায়ণগঞ্জে কিন্তু সেখানে কোন কাজ না করে প্রতিদিনই মতিঝিল অফিসে এসে মাজারের সাথে টেন্ডার বাণিজ্য বদলি বাণিজ্য নিয়োগ বাণিজ্য দখলদারিত্ব কর্মচারী টর্চার করেই চলছে। কাজ কাম না করে এভাবেই প্রতি মাসে বেতন নিচ্ছে। টর্চার সেলের ভয়ে কেউই মুখ খুলতে রাজি না কিন্তু কর্মচারীদের দাবি বিআইডব্লিউটিএ ও শ্রমিক দল এ বিষয়ে কি কোন ব্যবস্থা আদো নেবে।
নিজস্ব প্রতিবেদক 






















