ঢাকা ০৭:১২ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৯ মে ২০২৬, ২৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ:
সাহিত্যের মোহনায় গুণীজন মিলনমেলা, ‘বাকসাপ’-এর ৫ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদ্‌যাপন। টেকনাফে নিখোঁজ স্কুলছাত্র রাশেল, সন্ধান চায় পরিবার। নড়াইলে শিশুকে যৌন হয়রানির অভিযোগে মসজিদের ইমাম গ্রেফতার। বাঁশখালী উপজেলার শিলকূপ ইউনিয়নে বঙ্গবন্ধু স্কুলের দক্ষিণ পাশে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। ‎ গণ সংবর্ধনাসহ ফুলেল শুভেচ্ছায় সিক্ত হলেন নব নির্বাচিত এমপি হেলেন জেরিন খান। সাব- রেজিস্টার শহিদুল ইসলামের দুর্নীতির অভিযোগ। চট্টগ্রামে নারীদের সুরক্ষায় সিএমপি’র ‘সাইবার সাপোর্ট ডেস্ক’ পরিকল্পনা। বাজিতপুরে হারভেস্টার মেশিনে ধান কাটাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ,আহত-১। রাউজানের যুবককে বায়েজিদে গুলি করে হত্যা, ১ শিশু আহত। প্রশ্নের মুখে শিক্ষা মন্ত্রী এহসানুল হক মিলন।

সাব- রেজিস্টার শহিদুল ইসলামের দুর্নীতির অভিযোগ।

 

 

মাগুরা জেলার শালিখাা উপজেলার প্রান কেন্দ্রে অবস্থিত সাব রেজিস্ট্রার অফিসের সাব-রেজিস্টার শহিদুল ইসলামের রমরমা ঘুষ বাণিজ্য চলছে।

ঘুষের পরিমানঃদলিল প্রতি ১০০০/ টাকা, বাস্ত জমি হলে ১৫০০০ হাজার টাকা।নামের বানান ভুল থাকলে ১০,০০০ হাজার টাকা।

হিন্দুদের স্বামীর সত্ব বিক্রয় করলে ১০,০০০ হাজার টাকা।দোকান বা বাণিজ্যিক জমি হলে ৫০,০০০থেকে ৭০,০০০টাকা ঘুষ  দিতে হয়।

সপ্তাহের বুধ ও বৃহস্পতিবার জমি রেজিষ্ট্রেশন করলেও ত্রুটিপূর্ণ দলিল গুলি অফিস সহকারীর ও মহুরী তরিকুল এর মাধ্যমে মঙ্গলবারে এসে স্বাক্খর করেন এবং তার ব্যক্তিগত ডাইরিতে লিখে রাখেন। ওপেন ডেক্সে বসে জমি রেজিষ্ট্রেশন না করে তার রেস্ট রুমে বসে ঘুষের টাকা গ্রহন ও রেজিস্ট্রশন করেন।

SDF নামক এনজিও থেকে জমির দলিল আটকে রেখে ১,০০,০০০/_টাকা, পাওয়ার দলিলে ১৫,০০০/_টাকা গ্রহন করেন।

আরও প্রকাশ থাকে যে, এই দুর্নীতিপরায়ন সাব রেজিস্ট্রার শহিদুল ইসলাম দুই বছর শালিখা উপজেলা ভূমি অফিসে থাকা কালীন মাগুরা পুলিশ লাইনের সম্মুখে জমি ক্রয় করে ১০ তলা ডুপ্লেক্স বাড়ি, এসি ও লিফট সহ কমপ্লিট করেছেন।

এছাড়াও মহুরী সিন্ডিকেটের টাকা দিয়ে দলিল করে মানুষের মাঝে তীব্র ক্ষোভের মাত্রা দিন দিন বেড়েই চলেছে ।

কোন দলিল লেখক এই ঘুষ দিতে না চাইলে তার লাইসেন্স বাতিলের হুমকি দেন।

তার দলিল সাময়িক ভাবে বন্ধ করা হয়, এমনকি অফিসের বাইরে কথা বলা যাবে না। কৌশলে তরিকুল মহুরীকে হাত করে তার মাধ্যমে ঘুষের টাকা কন্টাক্ট ও কালেক্ট করেন। এক গোপন সংবাদের ভিত্তিতে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, শহিদুল ইসলাম এর স্ত্রী পুলিশের এডিশনাল এসপি হিসাবে কর্মরত বিধায় তার বিরুদ্ধে ভয়ে সাধারন জনগণ কেউ মুখ খুলতে চায় না এবং স্ত্রীর পুলিশে কর্মরত বিধায় পুলিশের স্টিকার যুক্ত গাড়িতে চলাচল করেন। সন্ধ্যার সময় রেজিষ্ট্রি শেষে ঘুষের টাকা পুলিশ লেখা সামনে দিয়ে প্রাইভেটকারে বহন করে নিয়ে যান।

শশুর আকরাম হোসেন বীর মুক্তিযোদ্ধা হওয়ার সুবাদে বিগত ফ্যাসিবাদ সরকারের আমলেও নিয়েছেন নানা রকম সুযোগ-সুবিধা। তার নামে-বে -নামে গড়ে তুলেছেন সম্পদের পাহাড়।

গত প্রায় দুই বছরেই শুধু শালিখার আড়পাড়া সাব রেজিস্ট্রার অফিস থেকেই কয়েক কোটি টাকা অনিয়ম-দুর্নীতি বা ঘুষের মাধ্যমে ইনকাম করেছেন এই সাবরেজিস্ট্রার শহিদুল ইসলাম।

তাই এই দুর্নীতিগ্রস্ত, ঘুষখোর সাব রেজিস্টার শহিদুল ইসলামের সকল কর্মকান্ড তদন্ত করে তাকে প্রত্যাহার করার দাবি তুলেছেন শালিখাবাসী।

Tag :
About Author Information

GOURANGA BOSE

জনপ্রিয় সংবাদ

সাহিত্যের মোহনায় গুণীজন মিলনমেলা, ‘বাকসাপ’-এর ৫ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদ্‌যাপন।

সাব- রেজিস্টার শহিদুল ইসলামের দুর্নীতির অভিযোগ।

আপডেট সময় : ১১:৩৯:০৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৮ মে ২০২৬

 

 

মাগুরা জেলার শালিখাা উপজেলার প্রান কেন্দ্রে অবস্থিত সাব রেজিস্ট্রার অফিসের সাব-রেজিস্টার শহিদুল ইসলামের রমরমা ঘুষ বাণিজ্য চলছে।

ঘুষের পরিমানঃদলিল প্রতি ১০০০/ টাকা, বাস্ত জমি হলে ১৫০০০ হাজার টাকা।নামের বানান ভুল থাকলে ১০,০০০ হাজার টাকা।

হিন্দুদের স্বামীর সত্ব বিক্রয় করলে ১০,০০০ হাজার টাকা।দোকান বা বাণিজ্যিক জমি হলে ৫০,০০০থেকে ৭০,০০০টাকা ঘুষ  দিতে হয়।

সপ্তাহের বুধ ও বৃহস্পতিবার জমি রেজিষ্ট্রেশন করলেও ত্রুটিপূর্ণ দলিল গুলি অফিস সহকারীর ও মহুরী তরিকুল এর মাধ্যমে মঙ্গলবারে এসে স্বাক্খর করেন এবং তার ব্যক্তিগত ডাইরিতে লিখে রাখেন। ওপেন ডেক্সে বসে জমি রেজিষ্ট্রেশন না করে তার রেস্ট রুমে বসে ঘুষের টাকা গ্রহন ও রেজিস্ট্রশন করেন।

SDF নামক এনজিও থেকে জমির দলিল আটকে রেখে ১,০০,০০০/_টাকা, পাওয়ার দলিলে ১৫,০০০/_টাকা গ্রহন করেন।

আরও প্রকাশ থাকে যে, এই দুর্নীতিপরায়ন সাব রেজিস্ট্রার শহিদুল ইসলাম দুই বছর শালিখা উপজেলা ভূমি অফিসে থাকা কালীন মাগুরা পুলিশ লাইনের সম্মুখে জমি ক্রয় করে ১০ তলা ডুপ্লেক্স বাড়ি, এসি ও লিফট সহ কমপ্লিট করেছেন।

এছাড়াও মহুরী সিন্ডিকেটের টাকা দিয়ে দলিল করে মানুষের মাঝে তীব্র ক্ষোভের মাত্রা দিন দিন বেড়েই চলেছে ।

কোন দলিল লেখক এই ঘুষ দিতে না চাইলে তার লাইসেন্স বাতিলের হুমকি দেন।

তার দলিল সাময়িক ভাবে বন্ধ করা হয়, এমনকি অফিসের বাইরে কথা বলা যাবে না। কৌশলে তরিকুল মহুরীকে হাত করে তার মাধ্যমে ঘুষের টাকা কন্টাক্ট ও কালেক্ট করেন। এক গোপন সংবাদের ভিত্তিতে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, শহিদুল ইসলাম এর স্ত্রী পুলিশের এডিশনাল এসপি হিসাবে কর্মরত বিধায় তার বিরুদ্ধে ভয়ে সাধারন জনগণ কেউ মুখ খুলতে চায় না এবং স্ত্রীর পুলিশে কর্মরত বিধায় পুলিশের স্টিকার যুক্ত গাড়িতে চলাচল করেন। সন্ধ্যার সময় রেজিষ্ট্রি শেষে ঘুষের টাকা পুলিশ লেখা সামনে দিয়ে প্রাইভেটকারে বহন করে নিয়ে যান।

শশুর আকরাম হোসেন বীর মুক্তিযোদ্ধা হওয়ার সুবাদে বিগত ফ্যাসিবাদ সরকারের আমলেও নিয়েছেন নানা রকম সুযোগ-সুবিধা। তার নামে-বে -নামে গড়ে তুলেছেন সম্পদের পাহাড়।

গত প্রায় দুই বছরেই শুধু শালিখার আড়পাড়া সাব রেজিস্ট্রার অফিস থেকেই কয়েক কোটি টাকা অনিয়ম-দুর্নীতি বা ঘুষের মাধ্যমে ইনকাম করেছেন এই সাবরেজিস্ট্রার শহিদুল ইসলাম।

তাই এই দুর্নীতিগ্রস্ত, ঘুষখোর সাব রেজিস্টার শহিদুল ইসলামের সকল কর্মকান্ড তদন্ত করে তাকে প্রত্যাহার করার দাবি তুলেছেন শালিখাবাসী।