ঢাকা ০৯:৫৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ:
খুলনায় মাদক ও সাজাপ্রাপ্ত আসামিসহ গ্রেপ্তার ৯ মোহনা টিভির অনলাইন শাখায় পুনর্বিন্যাস: আটজনকে অব্যাহতি; বিভিন্ন নম্বর থেকে হুমকির অভিযোগ আহত পুলিশ পরিদর্শক শাহ আলমকে দেখতে হাসপাতালে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সচিবালয় (মন্ত্রণালয়) স্থানান্তরের গল্প: ঢাকার বাস্তবতা….. কালিয়াকৈরে অবৈধ আবাসিক হোটেলে অভিযান চালিয়ে নারী পুরুষ কর্তৃপক্ষ সহ ৩৯ জনকে আটক করেছে পুলিশ প্রয়াত নন-পুলিশ সদস্যের পরিবারের পাশে কেএমপি, দুর্গাপূজার উপহার দিলেন পুলিশ কমিশনার গণপূর্ত অধিদপ্তরে ১১৬ প্রকৌশলীর  ‎বদলি ও পদায়নে কোটি কোটি টাকা বাণিজ্যের অভিযোগ!  ‎ প্রধানমন্ত্রীর খুলনা সফর: জেলা স্টেডিয়াম পরিদর্শনে হুইপ বকুল পঞ্চগড়ে সদরে একই পরিবারের একাধিক ব্যক্তির নামে সার ডিলার নিয়োগের আদেশ বাতিল করে : ছোলায়মান আলীকে সার ডিলার নিয়োগের দাবী এলাকাবাসীর জাতীয়তাবাদী ব্যাটারী চালিত থ্রি-হুইলারযান শ্রমিক দলের কেন্দ্রীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক হলেন আবুল হাসান খান

জেলা রেজিস্ট্রার ও চার উপজেলা সাব রেজিস্ট্রার তার পকেটে,  প্রায় একযুগ একই কর্মস্থলে স্বৈরাচারের দোসর সঞ্জিত দত্ত।

মাগুরা জেলা রেজিস্ট্রার অফিসের অফিস সহকারী তিনি। বেতন পান ৯ হাজার ৩ শত টাকার স্কেলে। সেই টাকায় গাড়ি বাড়িতো দুরে থাক,সংসার চালানোই দায় হবার কথা। কিন্তু এই অফিস সহকারীর ক্ষেত্রে ঘটেছে তার উল্টোটি।

তিনি একজন চতুর্থ শ্রেণির সরকারী কর্মচারী হলেও পোষাক আষাক ও চাল চলন দেখলে মনে হয় তিনি বুঝি একজন প্রথম শ্রেণির সরকারী কর্মকর্তা। তার রাজকীয় লাইফ স্টাইল দেখে জেলার মানুষ বিস্মিত।

অভিযোগ উঠেছে যে,তিনি বিগত আওয়ামীলীগ সরকার আমলে স্থানীয় এমপি এডভোকেট সাইফুজ্জামান শিখরের পা চেটে অসীম ক্ষমতার অধিকারী বনে যান। জেলার চার উপজেলার সাব রেজিস্ট্রার ও জেলা রেজিস্ট্রারকে রাজনৈতিক চাপ প্রয়োগ করে তার কথামত কাজ করতে বাধ্য করেন।

এ সময় প্রতিমাসে তার অবৈধ আয় ছিলো ১০ লাখ টাকা।আর এই টাকা দিয়ে মাগুরায় বহুতলা বাড়ি নির্মাণ করেন।তার খুঁটির জোর এতটাই বেশি যে সয়ং নিবন্ধন অধিদপ্তরের মহাপরিচালকও তাকে অন্য জেলায় বদলী করতে পারেন না।

মিহির সেন, (অফিস সহকারী) অঞ্জলী রানী দত্ত, (২য় মোহরার) মাগুরা সদর সাব রেজিস্ট্রি অফিসে দুইজনই কর্মরত আছেন। দুই বছর পূর্ণ হওয়ায় তাদের ১৪ মে বদলি হওয়ার কথা ছিল কিন্তু সন্জিত তার ক্ষমতা বলে মাগুরা সাব-রেজিষ্ট্রার অফিসে রেখে দিয়েছেন।

তিনি গোপনে আওয়ামী লীগের নেতা কর্মীদের টাকা পয়সা দেন বলে গুন্জন রয়েছে।এই সঞ্জিতকে নিয়ে এর আগেও অনেক সংবাদ ছাপা হয়েছে,তারপরও তিনি নিজ কারিশিমায় মাগুরা জেলা রেজিস্ট্রার অফিসে রয়ে গেছেন।

এখন মাগুরা জেলা রেজিস্ট্রার অফিস ও সাব রেজিস্ট্রার অফিস গুলোতে তার কথাই শেষ কথা।এ বিষয়ে জানার জন্য মাগুরার জেলা রেজিস্ট্রারকে ফোন কল দিলেও তিনি কল রিসিভ করেন নি।

মাগুরা জেলাবাসীর প্রশ্ন-ফ্যাসিবাদের দোসর অফিস সহকারী সঞ্জিত আর কতোদিন একই কর্মস্থলে থাকবেন?তার বাড়ি নির্মাণের টাকার আয়ের উৎস কি? আর কতোদিন তার হাতে জিম্মি থাকবে মাগুরা জেলা রেজিস্ট্রার ও সাব রেজিস্ট্রার অফিসগুলো?

Tag :
About Author Information

GOURANGA BOSE

জনপ্রিয় সংবাদ

খুলনায় মাদক ও সাজাপ্রাপ্ত আসামিসহ গ্রেপ্তার ৯

জেলা রেজিস্ট্রার ও চার উপজেলা সাব রেজিস্ট্রার তার পকেটে,  প্রায় একযুগ একই কর্মস্থলে স্বৈরাচারের দোসর সঞ্জিত দত্ত।

আপডেট সময় : ০৬:২৩:১৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬

মাগুরা জেলা রেজিস্ট্রার অফিসের অফিস সহকারী তিনি। বেতন পান ৯ হাজার ৩ শত টাকার স্কেলে। সেই টাকায় গাড়ি বাড়িতো দুরে থাক,সংসার চালানোই দায় হবার কথা। কিন্তু এই অফিস সহকারীর ক্ষেত্রে ঘটেছে তার উল্টোটি।

তিনি একজন চতুর্থ শ্রেণির সরকারী কর্মচারী হলেও পোষাক আষাক ও চাল চলন দেখলে মনে হয় তিনি বুঝি একজন প্রথম শ্রেণির সরকারী কর্মকর্তা। তার রাজকীয় লাইফ স্টাইল দেখে জেলার মানুষ বিস্মিত।

অভিযোগ উঠেছে যে,তিনি বিগত আওয়ামীলীগ সরকার আমলে স্থানীয় এমপি এডভোকেট সাইফুজ্জামান শিখরের পা চেটে অসীম ক্ষমতার অধিকারী বনে যান। জেলার চার উপজেলার সাব রেজিস্ট্রার ও জেলা রেজিস্ট্রারকে রাজনৈতিক চাপ প্রয়োগ করে তার কথামত কাজ করতে বাধ্য করেন।

এ সময় প্রতিমাসে তার অবৈধ আয় ছিলো ১০ লাখ টাকা।আর এই টাকা দিয়ে মাগুরায় বহুতলা বাড়ি নির্মাণ করেন।তার খুঁটির জোর এতটাই বেশি যে সয়ং নিবন্ধন অধিদপ্তরের মহাপরিচালকও তাকে অন্য জেলায় বদলী করতে পারেন না।

মিহির সেন, (অফিস সহকারী) অঞ্জলী রানী দত্ত, (২য় মোহরার) মাগুরা সদর সাব রেজিস্ট্রি অফিসে দুইজনই কর্মরত আছেন। দুই বছর পূর্ণ হওয়ায় তাদের ১৪ মে বদলি হওয়ার কথা ছিল কিন্তু সন্জিত তার ক্ষমতা বলে মাগুরা সাব-রেজিষ্ট্রার অফিসে রেখে দিয়েছেন।

তিনি গোপনে আওয়ামী লীগের নেতা কর্মীদের টাকা পয়সা দেন বলে গুন্জন রয়েছে।এই সঞ্জিতকে নিয়ে এর আগেও অনেক সংবাদ ছাপা হয়েছে,তারপরও তিনি নিজ কারিশিমায় মাগুরা জেলা রেজিস্ট্রার অফিসে রয়ে গেছেন।

এখন মাগুরা জেলা রেজিস্ট্রার অফিস ও সাব রেজিস্ট্রার অফিস গুলোতে তার কথাই শেষ কথা।এ বিষয়ে জানার জন্য মাগুরার জেলা রেজিস্ট্রারকে ফোন কল দিলেও তিনি কল রিসিভ করেন নি।

মাগুরা জেলাবাসীর প্রশ্ন-ফ্যাসিবাদের দোসর অফিস সহকারী সঞ্জিত আর কতোদিন একই কর্মস্থলে থাকবেন?তার বাড়ি নির্মাণের টাকার আয়ের উৎস কি? আর কতোদিন তার হাতে জিম্মি থাকবে মাগুরা জেলা রেজিস্ট্রার ও সাব রেজিস্ট্রার অফিসগুলো?