মাগুরা জেলা রেজিস্ট্রার অফিসের অফিস সহকারী তিনি। বেতন পান ৯ হাজার ৩ শত টাকার স্কেলে। সেই টাকায় গাড়ি বাড়িতো দুরে থাক,সংসার চালানোই দায় হবার কথা। কিন্তু এই অফিস সহকারীর ক্ষেত্রে ঘটেছে তার উল্টোটি।
তিনি একজন চতুর্থ শ্রেণির সরকারী কর্মচারী হলেও পোষাক আষাক ও চাল চলন দেখলে মনে হয় তিনি বুঝি একজন প্রথম শ্রেণির সরকারী কর্মকর্তা। তার রাজকীয় লাইফ স্টাইল দেখে জেলার মানুষ বিস্মিত।
অভিযোগ উঠেছে যে,তিনি বিগত আওয়ামীলীগ সরকার আমলে স্থানীয় এমপি এডভোকেট সাইফুজ্জামান শিখরের পা চেটে অসীম ক্ষমতার অধিকারী বনে যান। জেলার চার উপজেলার সাব রেজিস্ট্রার ও জেলা রেজিস্ট্রারকে রাজনৈতিক চাপ প্রয়োগ করে তার কথামত কাজ করতে বাধ্য করেন।
এ সময় প্রতিমাসে তার অবৈধ আয় ছিলো ১০ লাখ টাকা।আর এই টাকা দিয়ে মাগুরায় বহুতলা বাড়ি নির্মাণ করেন।তার খুঁটির জোর এতটাই বেশি যে সয়ং নিবন্ধন অধিদপ্তরের মহাপরিচালকও তাকে অন্য জেলায় বদলী করতে পারেন না।
মিহির সেন, (অফিস সহকারী) অঞ্জলী রানী দত্ত, (২য় মোহরার) মাগুরা সদর সাব রেজিস্ট্রি অফিসে দুইজনই কর্মরত আছেন। দুই বছর পূর্ণ হওয়ায় তাদের ১৪ মে বদলি হওয়ার কথা ছিল কিন্তু সন্জিত তার ক্ষমতা বলে মাগুরা সাব-রেজিষ্ট্রার অফিসে রেখে দিয়েছেন।
তিনি গোপনে আওয়ামী লীগের নেতা কর্মীদের টাকা পয়সা দেন বলে গুন্জন রয়েছে।এই সঞ্জিতকে নিয়ে এর আগেও অনেক সংবাদ ছাপা হয়েছে,তারপরও তিনি নিজ কারিশিমায় মাগুরা জেলা রেজিস্ট্রার অফিসে রয়ে গেছেন।
এখন মাগুরা জেলা রেজিস্ট্রার অফিস ও সাব রেজিস্ট্রার অফিস গুলোতে তার কথাই শেষ কথা।এ বিষয়ে জানার জন্য মাগুরার জেলা রেজিস্ট্রারকে ফোন কল দিলেও তিনি কল রিসিভ করেন নি।
মাগুরা জেলাবাসীর প্রশ্ন-ফ্যাসিবাদের দোসর অফিস সহকারী সঞ্জিত আর কতোদিন একই কর্মস্থলে থাকবেন?তার বাড়ি নির্মাণের টাকার আয়ের উৎস কি? আর কতোদিন তার হাতে জিম্মি থাকবে মাগুরা জেলা রেজিস্ট্রার ও সাব রেজিস্ট্রার অফিসগুলো?
মাদারীপুর জেলা প্রতিনিধি: 





















