ঢাকা ০৩:০৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬, ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ:
তারাকান্দায় প্রবাসীর স্ত্রীকে পিটিয়ে আহত, স্বর্ণের চেইন ছিনতাইয়ের অভিযোগ। ঘুসকান্ডে চুড়ান্তভাবে চাকরী থেকে বরখাস্ত হলেন নৌপরিবহন অধিদপ্তরের। প্রতিবাদও কি ‘ম্যানেজড’? গণপূর্তের কায়কোবাদকে ঘিরে নতুন প্রশ্ন : এক পত্রিকার অনুসন্ধানী প্রতিবেদনের জবাব অন্য মাধ্যমে—‘গৃহপালিত সাংবাদিকতা’র অভিযোগ, মন্ত্রণালয়ের নীরবতা নিয়ে প্রশ্ন ?   ৩ লাখ টাকা নিয়ে প্রতারণার অভিযোগ, কোটালীপাড়ায় আদালতে মামলা। এমডি’র অব্যবস্থাপনায় ডুবছে অগ্রণী ব্যাংক! ভাঙ্গুড়ায় শহীদ মিনারের জায়গা অবৈধ দখলমুক্ত করলেন বিএনপি নেতৃবৃন্দ। আলীগের সাবেক এমপি শাহীন চাকলাদারসহ ৮ জনের বিরুদ্ধে যশোরে হত্যাচেষ্টা মামলা। শিশু খাদ্যে ভেজালে পুলেরহাটে তানসীপ ট্রেডার্সকে লক্ষ টাকা জরিমানা। কুমিল্লা বুড়িচং প্রেস ক্লাবের নির্বাচনে খোরশেদ সভাপতি, বাবু সম্পাদক, সাংগঠনিক সম্পাদক জাকির। গণপূর্তের ‘উজির’: ক্ষমতার বলয়, টেন্ডার সিন্ডিকেট ও বিপুল সম্পদের অভিযোগ।

জেলা রেজিস্ট্রার ও চার উপজেলা সাব রেজিস্ট্রার তার পকেটে,  প্রায় একযুগ একই কর্মস্থলে স্বৈরাচারের দোসর সঞ্জিত দত্ত।

মাগুরা জেলা রেজিস্ট্রার অফিসের অফিস সহকারী তিনি। বেতন পান ৯ হাজার ৩ শত টাকার স্কেলে। সেই টাকায় গাড়ি বাড়িতো দুরে থাক,সংসার চালানোই দায় হবার কথা। কিন্তু এই অফিস সহকারীর ক্ষেত্রে ঘটেছে তার উল্টোটি।

তিনি একজন চতুর্থ শ্রেণির সরকারী কর্মচারী হলেও পোষাক আষাক ও চাল চলন দেখলে মনে হয় তিনি বুঝি একজন প্রথম শ্রেণির সরকারী কর্মকর্তা। তার রাজকীয় লাইফ স্টাইল দেখে জেলার মানুষ বিস্মিত।

অভিযোগ উঠেছে যে,তিনি বিগত আওয়ামীলীগ সরকার আমলে স্থানীয় এমপি এডভোকেট সাইফুজ্জামান শিখরের পা চেটে অসীম ক্ষমতার অধিকারী বনে যান। জেলার চার উপজেলার সাব রেজিস্ট্রার ও জেলা রেজিস্ট্রারকে রাজনৈতিক চাপ প্রয়োগ করে তার কথামত কাজ করতে বাধ্য করেন।

এ সময় প্রতিমাসে তার অবৈধ আয় ছিলো ১০ লাখ টাকা।আর এই টাকা দিয়ে মাগুরায় বহুতলা বাড়ি নির্মাণ করেন।তার খুঁটির জোর এতটাই বেশি যে সয়ং নিবন্ধন অধিদপ্তরের মহাপরিচালকও তাকে অন্য জেলায় বদলী করতে পারেন না।

মিহির সেন, (অফিস সহকারী) অঞ্জলী রানী দত্ত, (২য় মোহরার) মাগুরা সদর সাব রেজিস্ট্রি অফিসে দুইজনই কর্মরত আছেন। দুই বছর পূর্ণ হওয়ায় তাদের ১৪ মে বদলি হওয়ার কথা ছিল কিন্তু সন্জিত তার ক্ষমতা বলে মাগুরা সাব-রেজিষ্ট্রার অফিসে রেখে দিয়েছেন।

তিনি গোপনে আওয়ামী লীগের নেতা কর্মীদের টাকা পয়সা দেন বলে গুন্জন রয়েছে।এই সঞ্জিতকে নিয়ে এর আগেও অনেক সংবাদ ছাপা হয়েছে,তারপরও তিনি নিজ কারিশিমায় মাগুরা জেলা রেজিস্ট্রার অফিসে রয়ে গেছেন।

এখন মাগুরা জেলা রেজিস্ট্রার অফিস ও সাব রেজিস্ট্রার অফিস গুলোতে তার কথাই শেষ কথা।এ বিষয়ে জানার জন্য মাগুরার জেলা রেজিস্ট্রারকে ফোন কল দিলেও তিনি কল রিসিভ করেন নি।

মাগুরা জেলাবাসীর প্রশ্ন-ফ্যাসিবাদের দোসর অফিস সহকারী সঞ্জিত আর কতোদিন একই কর্মস্থলে থাকবেন?তার বাড়ি নির্মাণের টাকার আয়ের উৎস কি? আর কতোদিন তার হাতে জিম্মি থাকবে মাগুরা জেলা রেজিস্ট্রার ও সাব রেজিস্ট্রার অফিসগুলো?

Tag :
About Author Information

GOURANGA BOSE

জনপ্রিয় সংবাদ

তারাকান্দায় প্রবাসীর স্ত্রীকে পিটিয়ে আহত, স্বর্ণের চেইন ছিনতাইয়ের অভিযোগ।

জেলা রেজিস্ট্রার ও চার উপজেলা সাব রেজিস্ট্রার তার পকেটে,  প্রায় একযুগ একই কর্মস্থলে স্বৈরাচারের দোসর সঞ্জিত দত্ত।

আপডেট সময় : ০৬:২৩:১৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬

মাগুরা জেলা রেজিস্ট্রার অফিসের অফিস সহকারী তিনি। বেতন পান ৯ হাজার ৩ শত টাকার স্কেলে। সেই টাকায় গাড়ি বাড়িতো দুরে থাক,সংসার চালানোই দায় হবার কথা। কিন্তু এই অফিস সহকারীর ক্ষেত্রে ঘটেছে তার উল্টোটি।

তিনি একজন চতুর্থ শ্রেণির সরকারী কর্মচারী হলেও পোষাক আষাক ও চাল চলন দেখলে মনে হয় তিনি বুঝি একজন প্রথম শ্রেণির সরকারী কর্মকর্তা। তার রাজকীয় লাইফ স্টাইল দেখে জেলার মানুষ বিস্মিত।

অভিযোগ উঠেছে যে,তিনি বিগত আওয়ামীলীগ সরকার আমলে স্থানীয় এমপি এডভোকেট সাইফুজ্জামান শিখরের পা চেটে অসীম ক্ষমতার অধিকারী বনে যান। জেলার চার উপজেলার সাব রেজিস্ট্রার ও জেলা রেজিস্ট্রারকে রাজনৈতিক চাপ প্রয়োগ করে তার কথামত কাজ করতে বাধ্য করেন।

এ সময় প্রতিমাসে তার অবৈধ আয় ছিলো ১০ লাখ টাকা।আর এই টাকা দিয়ে মাগুরায় বহুতলা বাড়ি নির্মাণ করেন।তার খুঁটির জোর এতটাই বেশি যে সয়ং নিবন্ধন অধিদপ্তরের মহাপরিচালকও তাকে অন্য জেলায় বদলী করতে পারেন না।

মিহির সেন, (অফিস সহকারী) অঞ্জলী রানী দত্ত, (২য় মোহরার) মাগুরা সদর সাব রেজিস্ট্রি অফিসে দুইজনই কর্মরত আছেন। দুই বছর পূর্ণ হওয়ায় তাদের ১৪ মে বদলি হওয়ার কথা ছিল কিন্তু সন্জিত তার ক্ষমতা বলে মাগুরা সাব-রেজিষ্ট্রার অফিসে রেখে দিয়েছেন।

তিনি গোপনে আওয়ামী লীগের নেতা কর্মীদের টাকা পয়সা দেন বলে গুন্জন রয়েছে।এই সঞ্জিতকে নিয়ে এর আগেও অনেক সংবাদ ছাপা হয়েছে,তারপরও তিনি নিজ কারিশিমায় মাগুরা জেলা রেজিস্ট্রার অফিসে রয়ে গেছেন।

এখন মাগুরা জেলা রেজিস্ট্রার অফিস ও সাব রেজিস্ট্রার অফিস গুলোতে তার কথাই শেষ কথা।এ বিষয়ে জানার জন্য মাগুরার জেলা রেজিস্ট্রারকে ফোন কল দিলেও তিনি কল রিসিভ করেন নি।

মাগুরা জেলাবাসীর প্রশ্ন-ফ্যাসিবাদের দোসর অফিস সহকারী সঞ্জিত আর কতোদিন একই কর্মস্থলে থাকবেন?তার বাড়ি নির্মাণের টাকার আয়ের উৎস কি? আর কতোদিন তার হাতে জিম্মি থাকবে মাগুরা জেলা রেজিস্ট্রার ও সাব রেজিস্ট্রার অফিসগুলো?