ঢাকা ০২:৩১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬, ২ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ:
ফকিরহাটে কৃষক দল নেতা খুনের মামলায় গ্রেপ্তার-২। সাতক্ষীরা জেলা ক্রীড়া অফিসারের অপসারণ দাবিতে নারী খেলোয়াড়দের মানববন্ধন। প্রেমের টানে সুদূর চীন থেকে নবীনগরে যুবক, এলাকায় কৌতূহল ও সতর্কবার্তা। কয়রায় জামায়াত কর্মীকে ‘এমপির এপিএস’ বলে অপপ্রচার, ভিত্তিহীন তথ্যে এলাকা জুড়ে তীব্র ক্ষোভ সাব রেজিস্টার মাইকেল মহিউদ্দিন আব্দুল্লাহর অবৈধ সম্পদের পাহাড় ! প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের দুপুরের খাবারের মেনুতে নেই কোন রাজকীয়তার ভাব। রাষ্ট্রীয় সততার অনন্য নজির। নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করেই বিআইএমে আউটসোর্সিংয়ের নোয়া প্রদান। প্রাণিসম্পদের প্রকল্প পরিচালক ডা.আব্দুর রহিমের হাতে কর্মকর্তারা জিম্মি ! আওয়ামী ঠিকাদারের নিকট থেকে ৩ কোটি টাকার উৎকোচ গ্রহনের অভিযোগ, মন্ত্রণালয়ের শোকজ। ফুলবাড়ী ২৯ বর্ডার গার্ড ব্যাটালিয়নের বিজিবি কর্তৃক বিপুল পরিমানে নেশাজাতীয় ট্যাবলেড ও যৌন উত্তেজক সিরাপ উদ্ধার। নেটওয়ার্কের খোঁজে আমগাছের ডালে প্রধান শিক্ষক, অনলাইন হাজিরা দিতে জীবনের ঝুঁকি।

জেলা রেজিস্ট্রার ও চার উপজেলা সাব রেজিস্ট্রার তার পকেটে,  প্রায় একযুগ একই কর্মস্থলে স্বৈরাচারের দোসর সঞ্জিত দত্ত।

মাগুরা জেলা রেজিস্ট্রার অফিসের অফিস সহকারী তিনি। বেতন পান ৯ হাজার ৩ শত টাকার স্কেলে। সেই টাকায় গাড়ি বাড়িতো দুরে থাক,সংসার চালানোই দায় হবার কথা। কিন্তু এই অফিস সহকারীর ক্ষেত্রে ঘটেছে তার উল্টোটি।

তিনি একজন চতুর্থ শ্রেণির সরকারী কর্মচারী হলেও পোষাক আষাক ও চাল চলন দেখলে মনে হয় তিনি বুঝি একজন প্রথম শ্রেণির সরকারী কর্মকর্তা। তার রাজকীয় লাইফ স্টাইল দেখে জেলার মানুষ বিস্মিত।

অভিযোগ উঠেছে যে,তিনি বিগত আওয়ামীলীগ সরকার আমলে স্থানীয় এমপি এডভোকেট সাইফুজ্জামান শিখরের পা চেটে অসীম ক্ষমতার অধিকারী বনে যান। জেলার চার উপজেলার সাব রেজিস্ট্রার ও জেলা রেজিস্ট্রারকে রাজনৈতিক চাপ প্রয়োগ করে তার কথামত কাজ করতে বাধ্য করেন।

এ সময় প্রতিমাসে তার অবৈধ আয় ছিলো ১০ লাখ টাকা।আর এই টাকা দিয়ে মাগুরায় বহুতলা বাড়ি নির্মাণ করেন।তার খুঁটির জোর এতটাই বেশি যে সয়ং নিবন্ধন অধিদপ্তরের মহাপরিচালকও তাকে অন্য জেলায় বদলী করতে পারেন না।

মিহির সেন, (অফিস সহকারী) অঞ্জলী রানী দত্ত, (২য় মোহরার) মাগুরা সদর সাব রেজিস্ট্রি অফিসে দুইজনই কর্মরত আছেন। দুই বছর পূর্ণ হওয়ায় তাদের ১৪ মে বদলি হওয়ার কথা ছিল কিন্তু সন্জিত তার ক্ষমতা বলে মাগুরা সাব-রেজিষ্ট্রার অফিসে রেখে দিয়েছেন।

তিনি গোপনে আওয়ামী লীগের নেতা কর্মীদের টাকা পয়সা দেন বলে গুন্জন রয়েছে।এই সঞ্জিতকে নিয়ে এর আগেও অনেক সংবাদ ছাপা হয়েছে,তারপরও তিনি নিজ কারিশিমায় মাগুরা জেলা রেজিস্ট্রার অফিসে রয়ে গেছেন।

এখন মাগুরা জেলা রেজিস্ট্রার অফিস ও সাব রেজিস্ট্রার অফিস গুলোতে তার কথাই শেষ কথা।এ বিষয়ে জানার জন্য মাগুরার জেলা রেজিস্ট্রারকে ফোন কল দিলেও তিনি কল রিসিভ করেন নি।

মাগুরা জেলাবাসীর প্রশ্ন-ফ্যাসিবাদের দোসর অফিস সহকারী সঞ্জিত আর কতোদিন একই কর্মস্থলে থাকবেন?তার বাড়ি নির্মাণের টাকার আয়ের উৎস কি? আর কতোদিন তার হাতে জিম্মি থাকবে মাগুরা জেলা রেজিস্ট্রার ও সাব রেজিস্ট্রার অফিসগুলো?

Tag :
About Author Information

GOURANGA BOSE

জনপ্রিয় সংবাদ

ফকিরহাটে কৃষক দল নেতা খুনের মামলায় গ্রেপ্তার-২।

জেলা রেজিস্ট্রার ও চার উপজেলা সাব রেজিস্ট্রার তার পকেটে,  প্রায় একযুগ একই কর্মস্থলে স্বৈরাচারের দোসর সঞ্জিত দত্ত।

আপডেট সময় : ০৬:২৩:১৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬

মাগুরা জেলা রেজিস্ট্রার অফিসের অফিস সহকারী তিনি। বেতন পান ৯ হাজার ৩ শত টাকার স্কেলে। সেই টাকায় গাড়ি বাড়িতো দুরে থাক,সংসার চালানোই দায় হবার কথা। কিন্তু এই অফিস সহকারীর ক্ষেত্রে ঘটেছে তার উল্টোটি।

তিনি একজন চতুর্থ শ্রেণির সরকারী কর্মচারী হলেও পোষাক আষাক ও চাল চলন দেখলে মনে হয় তিনি বুঝি একজন প্রথম শ্রেণির সরকারী কর্মকর্তা। তার রাজকীয় লাইফ স্টাইল দেখে জেলার মানুষ বিস্মিত।

অভিযোগ উঠেছে যে,তিনি বিগত আওয়ামীলীগ সরকার আমলে স্থানীয় এমপি এডভোকেট সাইফুজ্জামান শিখরের পা চেটে অসীম ক্ষমতার অধিকারী বনে যান। জেলার চার উপজেলার সাব রেজিস্ট্রার ও জেলা রেজিস্ট্রারকে রাজনৈতিক চাপ প্রয়োগ করে তার কথামত কাজ করতে বাধ্য করেন।

এ সময় প্রতিমাসে তার অবৈধ আয় ছিলো ১০ লাখ টাকা।আর এই টাকা দিয়ে মাগুরায় বহুতলা বাড়ি নির্মাণ করেন।তার খুঁটির জোর এতটাই বেশি যে সয়ং নিবন্ধন অধিদপ্তরের মহাপরিচালকও তাকে অন্য জেলায় বদলী করতে পারেন না।

মিহির সেন, (অফিস সহকারী) অঞ্জলী রানী দত্ত, (২য় মোহরার) মাগুরা সদর সাব রেজিস্ট্রি অফিসে দুইজনই কর্মরত আছেন। দুই বছর পূর্ণ হওয়ায় তাদের ১৪ মে বদলি হওয়ার কথা ছিল কিন্তু সন্জিত তার ক্ষমতা বলে মাগুরা সাব-রেজিষ্ট্রার অফিসে রেখে দিয়েছেন।

তিনি গোপনে আওয়ামী লীগের নেতা কর্মীদের টাকা পয়সা দেন বলে গুন্জন রয়েছে।এই সঞ্জিতকে নিয়ে এর আগেও অনেক সংবাদ ছাপা হয়েছে,তারপরও তিনি নিজ কারিশিমায় মাগুরা জেলা রেজিস্ট্রার অফিসে রয়ে গেছেন।

এখন মাগুরা জেলা রেজিস্ট্রার অফিস ও সাব রেজিস্ট্রার অফিস গুলোতে তার কথাই শেষ কথা।এ বিষয়ে জানার জন্য মাগুরার জেলা রেজিস্ট্রারকে ফোন কল দিলেও তিনি কল রিসিভ করেন নি।

মাগুরা জেলাবাসীর প্রশ্ন-ফ্যাসিবাদের দোসর অফিস সহকারী সঞ্জিত আর কতোদিন একই কর্মস্থলে থাকবেন?তার বাড়ি নির্মাণের টাকার আয়ের উৎস কি? আর কতোদিন তার হাতে জিম্মি থাকবে মাগুরা জেলা রেজিস্ট্রার ও সাব রেজিস্ট্রার অফিসগুলো?