মেন্যুতে কোনো রাজকীয় আয়োজন নেই; এই মেন্যু তে ছিলো ডিম, লাউ, ভাত আর এক বাটি ডাল—যেই ডাল আবার দুজন খেয়েছিল ! না এটা কোন সাধারণ জায়গার খাবার না এটা আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর অফিসের দুপুরের খাবার।
সাধারণত রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে কোনো অতিথি আপ্যায়নে, ভিআইপি প্রোটোকলে বা বড় কোনো কর্পোরেট মিটিংয়ে জনপ্রতি হাজার হাজার টাকা খরচ করা হয় থাকে দামি রেস্তোরাঁর খাবার, বুফে, বা বিশেষ ক্যাটারিং। সেই বিলাসবহুল বাজেটের বিপরীতে মাত্র কয়েক টাকার একটি মেন্যু দিয়ে অতিথি আপ্যায়ন করার বিষয়টি অভাবনীয়।
রাষ্ট্রীয় অর্থের অপচয় রোধে এভাবেই প্রতিটি জায়গায় মিতব্যয়ী হওয়ার সর্বোচ্চ চেষ্টা করছেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। জনগণের ট্যাক্সের টাকার যেন কোনোভাবেই অপচয় না হয়, সেই জায়গা থেকেই তাঁর এই অসাধারণ উদ্যোগ।
এখান থেকেই দেশের মন্ত্রী, এমপি, কর্পোরেট কর্মকর্তা থেকে শুরু করে আমাদের সবার একটি বড় বার্তা নেওয়ার আছে। প্রধানমন্ত্রী যদি দেশের কথা ভেবে এতটা সাদামাটা হতে পারেন, তবে আমরা কেন নয়?
আমাদের শেখার অনেক আছে। এসির খরচ বাঁচানোর জন্য আমাদের প্রধানমন্ত্রী নরমাল ড্রেস পরিধান করেন। অথচ আমাদের অনেক এমপি মন্ত্রী রয়েছেন তারা এখনো কোট টাই পরে নিয়মিত অফিস করছেন। তারা কি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে অনুসরণ করেন না?
আসুন, বিলাসিতা পরিহার করি। নিজের জায়গা থেকে মিতব্যয়ী হয়ে দেশের জন্য কাজ করি। এভাবেই এগিয়ে যাবে আমাদের প্রিয় বাংলাদেশ!
নিজস্ব প্রতিবেদক 
























