শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ম্যানেজমেন্টে (বিআইএম) বিরুদ্ধে নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করেই আউটসোর্সিংয়ে জনবল নিয়োগ দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। ইনস্টিটিউট অব ম্যানেজমেন্টে (বিআইএম) বিরুদ্ধে বিধি ভেঙে দরপত্র দেওয়ার এমন অভিযোগ তুলেছে দরপত্রে অংশগ্রহণ করা একটি প্রতিষ্ঠান লিখিতভাবে তা জানানো হয়েছে।
সম্প্রতি ইনস্টিটিউট অব ম্যানেজমেন্টে (বিআইএম) থেকে আহ্বান করা দরপত্রে অংশ নেয় বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠান। সরকারি কেনাকাটার পাবলিক প্রকিউরমেন্ট বিধিমালার (পিপিআর) ‘আইটিটি ক্লজ ৪১(বি)’ অনুযায়ী, সব দরদাতাকে মূল্যায়ন করা হয় ১০০ পয়েন্টে। এর মধ্যে শিক্ষাগত যোগ্যতায় ৫৪.৫৫ শতাংশ এবং মৌখিক পরীক্ষায় বরাদ্দ ৪৫.৪৫ শতাংশ নম্বর।
সরকারি ক্রয় বিধির (পিপিআর) তোয়াক্কা করেনি ইনস্টিটিউট অব ম্যানেজমেন্টে (বিআইএম) কোনো ধরনের মৌখিক পরীক্ষা ছাড়াই “বিনিময় সিকিউরিটি সার্ভিসেস লি.” নামের একটি প্রতিষ্ঠানকে কাজের প্রাথমিক স্বীকৃতি বা নোয়া প্রদান করা হয়েছে।
আউটসোর্সিংয়ের মাধ্যমে জনবল নিয়োগের জন্য প্রস্তাবিত ১২ জনবলের জীবন বৃতান্ত ও অভিজ্ঞতার সনদপত্র, নাগরিক ও চারিত্রিক সনদপত্র পুণরায় যাচাই ও দাখিলকৃত ১২ জন বিভিন্ন ক্যাটাগরী জনবল সশরীরে হাজির করে এবং অভিজ্ঞতা সনদপত্র যাচাইয়ের দাবি করেছে অভিযোগকারী ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানটি।
অভিযোগ উঠেছে, কারিগরি মূল্যায়ন টিডিএসের ৪১.৬ ধারা অনুযায়ী কারিগরি মূল্যায়নে পাস নম্বর ৭০ শতাংশ নির্ধারিত ছিল। কিন্তু নোয়া প্রাপ্ত ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের সরবরাহকৃত জনবলের কোন যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতা (ন্যূনতম ৩ বছর) নেই। এছাড়াও বিনিময় সিকিউরিটি সার্ভিসেস লি. অভিজ্ঞতার সনদ ও আর্থিক সক্ষমতার শর্তাবলী যথাযথভাবে পূরণ না করারও অভিযোগ উঠেছে।
ইনস্টিটিউট অব ম্যানেজমেন্টের (বিআইএম) এই কর্মকাণ্ডকে সরকারি ক্রয় আইনের স্বচ্ছতা ও সমতার নীতির পরিপন্থী বলে মনে করছেন অনেকেই। এ খাত সংশ্লিষ্টদের দাবি সরকারি ক্রয় বিধি (পিপিআর) ২০০৬ ও ২০০৮ অনুযায়ী সরকারি ক্রয় কার্যক্রমে অবশ্যই স্বচ্ছতা, ন্যায়সংগত আচরণ, সমান সুযোগ ও প্রতিযোগিতা নিশ্চিত করতে হবে।
সূত্র জানায়, বিভিন্ন দরপত্র মূল্যায়ন কমিটিতে বিআইএমের পরিচালক (অর্থ) মেহেবুব হাসান কল্লোল কমিটির অন্য সদস্যের নিয়ে কখনোই কোন মিটিং করেন না। মিটিং ছাড়াই সন্মানি পাঠিয়ে ফাইলে সই করে মূল্যায়নের কাজ শেষ করেন। এর ফলে সুবিধাবাদী মহলকে তিনি অনিয়ম করতে সুযোগ তৈরি করছেন।
ইনস্টিটিউট অব ম্যানেজমেন্টের পরিচালক (অর্থ) মেহেবুব হাসান কল্লোল বলেন, সরকারি ক্রয় বিধি ২০২৫ অনুযায়ী দরপত্রের সকল নিয়ম মেনে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে নোয়া প্রদান করা হয়েছে।
নিজস্ব প্রতিবেদক 





















