ঢাকা ০৫:১৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬, ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ:
সারাক্ষণ বার্তায় প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ লিপি। তারাকান্দায় প্রবাসীর স্ত্রীকে পিটিয়ে আহত, স্বর্ণের চেইন ছিনতাইয়ের অভিযোগ। ঘুসকান্ডে চুড়ান্তভাবে চাকরী থেকে বরখাস্ত হলেন নৌপরিবহন অধিদপ্তরের। প্রতিবাদও কি ‘ম্যানেজড’? গণপূর্তের কায়কোবাদকে ঘিরে নতুন প্রশ্ন : এক পত্রিকার অনুসন্ধানী প্রতিবেদনের জবাব অন্য মাধ্যমে—‘গৃহপালিত সাংবাদিকতা’র অভিযোগ, মন্ত্রণালয়ের নীরবতা নিয়ে প্রশ্ন ?   ৩ লাখ টাকা নিয়ে প্রতারণার অভিযোগ, কোটালীপাড়ায় আদালতে মামলা। এমডি’র অব্যবস্থাপনায় ডুবছে অগ্রণী ব্যাংক! ভাঙ্গুড়ায় শহীদ মিনারের জায়গা অবৈধ দখলমুক্ত করলেন বিএনপি নেতৃবৃন্দ। আলীগের সাবেক এমপি শাহীন চাকলাদারসহ ৮ জনের বিরুদ্ধে যশোরে হত্যাচেষ্টা মামলা। শিশু খাদ্যে ভেজালে পুলেরহাটে তানসীপ ট্রেডার্সকে লক্ষ টাকা জরিমানা। কুমিল্লা বুড়িচং প্রেস ক্লাবের নির্বাচনে খোরশেদ সভাপতি, বাবু সম্পাদক, সাংগঠনিক সম্পাদক জাকির।

চীন দেশী যুবকের সাথে টিকটকে পরিচয়ের সুবাদে প্রেম অতঃপর বিয়ে

  • মোঃ আলী শেখ
  • আপডেট সময় : ১১:৪৯:৪৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৩০ জুলাই ২০২৫
  • ৩৯৮ জন সংবাদটি পড়েছেন

ভাষা, সংস্কৃতি আর হাজার মাইল দূরের ব্যবধান-সবকিছুকেই হার মানিয়েছে ভালোবাসা। ধর্ম, জাতি কিংবা জাতীয়তার পার্থক্যও থামাতে পারেনি দুজন মানুষের হৃদয়ের টান। এমনই এক ব্যতিক্রমী প্রেমের গল্প রচিত হয়েছে মাদারীপুর সদর উপজেলার পাচখোলা ইউনিয়নের মহিষেরচর এলাকায়।

সুদূর চীন থেকে বাংলাদেশে ছুটে আসা শিতিয়ানজি নামের এক চীনা যুবকের সঙ্গে সম্প্রতি মাদারীপুরের মেয়ে সুমাইয়া আক্তারের সঙ্গে মুসলিম রীতিতে বিয়ে হয়।

প্রেমের টানে সুদূর চীন থেকে বাংলাদেশে ছুটে এসেছেন শিতিয়ানজি নামের এক চীনা যুবক। মাদারীপুরের সুমাইয়া আক্তারের সঙ্গে মুসলিম রীতিতে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন তিনি।

জানা গেছে, চার মাস আগে টিকটকের মাধ্যমে পরিচয় হয় সুমাইয়া ও শিতিয়ানজির, পরে তারা নিয়মিত যোগাযোগ রাখতে শুরু করেন উইচ্যাটে। বন্ধুত্ব থেকে সম্পর্ক গড়ায় প্রেমে। অবশেষে ২৪ জুলাই বাংলাদেশে আসে শিতিয়ানজি, পরে (২৭ জুলাই) আদালতে নোটারি পাবলিকের মাধ্যমে বিয়ের রেজিস্ট্রি সম্পন্ন করে এবং মুসলিম শরিয়াত অনুযায়ী সুমাইয়াকে বিয়ে করেন শিতিয়ানজি। সুমাইয়া আক্তার মাদারীপুর সরকারি মহিলা কলেজের অনার্স প্রথম বর্ষের ছাত্রী এবং উপজেলার মহিষেরচর গ্রামের সাইদুর রহমানের মেয়ে।

সুমাইয়া আক্তার বলেন, শিতিয়ানজি আমাকে প্রচন্ড ভালোবাসেন। সেই ভালোবাসার টানেই তিনি চীন থেকে বাংলাদেশে এসেছেন। সুমাইয়া জানান, ভালোবাসার টানে তিনি চীনা ভাষাও শিখেছেন। ভবিষ্যতে স্বামীর সঙ্গে চীনে যাওয়ার ইচ্ছাও প্রকাশ করেন তিনি। বিয়ে নিয়ে স্থানীয়দের মাঝেও দেখা গেছে ব্যাপক কৌতূহল ও উৎসাহ।

চীনা নাগরীক শিতিয়ানজি বলেন, আমি সুমাইয়াকে ভালবেসে চীন থেকে এসেছি, সুমাইয়া অনেক ভাল মেয়ে। বাংলাদেশের পরিবেশ আমার খুব ভাল লেগেছে, তবে এদেশে গরম অনেক বেশি। আর ভবিষ্যতে সুমাইয়াকে আমি চীনে নিয়ে যাবো।

  1. নেটিজেনরা অনেকেই এ বিয়েকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন।এখন দেখার পালা ভিনদেশী কপোত কপোতীর দাম্পত্য জীবন কেমন কাটে! এ নিয়ে নেটিজেনরা করেছেন অবিমিশ্র মন্তব্য ।তবে আমাদের আশা নব দম্পতির আগামীর জীবন কাটুক রঙ তুলির আঁচড়ে আঁকা স্বপ্নময় রঙিন দুনিয়ার মতো।
Tag :
About Author Information

GOURANGA BOSE

জনপ্রিয় সংবাদ

সারাক্ষণ বার্তায় প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ লিপি।

চীন দেশী যুবকের সাথে টিকটকে পরিচয়ের সুবাদে প্রেম অতঃপর বিয়ে

আপডেট সময় : ১১:৪৯:৪৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৩০ জুলাই ২০২৫

ভাষা, সংস্কৃতি আর হাজার মাইল দূরের ব্যবধান-সবকিছুকেই হার মানিয়েছে ভালোবাসা। ধর্ম, জাতি কিংবা জাতীয়তার পার্থক্যও থামাতে পারেনি দুজন মানুষের হৃদয়ের টান। এমনই এক ব্যতিক্রমী প্রেমের গল্প রচিত হয়েছে মাদারীপুর সদর উপজেলার পাচখোলা ইউনিয়নের মহিষেরচর এলাকায়।

সুদূর চীন থেকে বাংলাদেশে ছুটে আসা শিতিয়ানজি নামের এক চীনা যুবকের সঙ্গে সম্প্রতি মাদারীপুরের মেয়ে সুমাইয়া আক্তারের সঙ্গে মুসলিম রীতিতে বিয়ে হয়।

প্রেমের টানে সুদূর চীন থেকে বাংলাদেশে ছুটে এসেছেন শিতিয়ানজি নামের এক চীনা যুবক। মাদারীপুরের সুমাইয়া আক্তারের সঙ্গে মুসলিম রীতিতে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন তিনি।

জানা গেছে, চার মাস আগে টিকটকের মাধ্যমে পরিচয় হয় সুমাইয়া ও শিতিয়ানজির, পরে তারা নিয়মিত যোগাযোগ রাখতে শুরু করেন উইচ্যাটে। বন্ধুত্ব থেকে সম্পর্ক গড়ায় প্রেমে। অবশেষে ২৪ জুলাই বাংলাদেশে আসে শিতিয়ানজি, পরে (২৭ জুলাই) আদালতে নোটারি পাবলিকের মাধ্যমে বিয়ের রেজিস্ট্রি সম্পন্ন করে এবং মুসলিম শরিয়াত অনুযায়ী সুমাইয়াকে বিয়ে করেন শিতিয়ানজি। সুমাইয়া আক্তার মাদারীপুর সরকারি মহিলা কলেজের অনার্স প্রথম বর্ষের ছাত্রী এবং উপজেলার মহিষেরচর গ্রামের সাইদুর রহমানের মেয়ে।

সুমাইয়া আক্তার বলেন, শিতিয়ানজি আমাকে প্রচন্ড ভালোবাসেন। সেই ভালোবাসার টানেই তিনি চীন থেকে বাংলাদেশে এসেছেন। সুমাইয়া জানান, ভালোবাসার টানে তিনি চীনা ভাষাও শিখেছেন। ভবিষ্যতে স্বামীর সঙ্গে চীনে যাওয়ার ইচ্ছাও প্রকাশ করেন তিনি। বিয়ে নিয়ে স্থানীয়দের মাঝেও দেখা গেছে ব্যাপক কৌতূহল ও উৎসাহ।

চীনা নাগরীক শিতিয়ানজি বলেন, আমি সুমাইয়াকে ভালবেসে চীন থেকে এসেছি, সুমাইয়া অনেক ভাল মেয়ে। বাংলাদেশের পরিবেশ আমার খুব ভাল লেগেছে, তবে এদেশে গরম অনেক বেশি। আর ভবিষ্যতে সুমাইয়াকে আমি চীনে নিয়ে যাবো।

  1. নেটিজেনরা অনেকেই এ বিয়েকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন।এখন দেখার পালা ভিনদেশী কপোত কপোতীর দাম্পত্য জীবন কেমন কাটে! এ নিয়ে নেটিজেনরা করেছেন অবিমিশ্র মন্তব্য ।তবে আমাদের আশা নব দম্পতির আগামীর জীবন কাটুক রঙ তুলির আঁচড়ে আঁকা স্বপ্নময় রঙিন দুনিয়ার মতো।