ঢাকা ০২:৫৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ:
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে মহিলা সংরক্ষিত আসনে এমপি মনোনীত হলেন হেলেন জেরিন খান। মাগুরায় শালিখা উপজেলা নির্বাহী অফিসার বনি আমিন সহ ৪ জনের নামে সাংবাদিকের মামলা দায়ের! অসীম ক্ষমতাধর মাসুদুল ইসলাম একসাথে পাঁচ পদের দায়িত্বে।  বিআইডব্লিউটিএ’ র বিতর্কিত কর্মকাণ্ড। দেশের জ্বালানী ও অর্থনীতি সংকটেও বিআইডব্লিউটিএতে বিলাসী বনভোজনের নামে অর্থ ও জ্বালানি অপচয়ে মনোরঞ্জন।  বর্ণাঢ্য আয়োজনে শ্রীপুর সাংবাদিক সমিতির ফ্যামিলি ডে ও বাংলা নববর্ষ উদযাপন। “যোগ্যদের স্বীকৃতি দিতে পেরে গর্বিত”—মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন স্বাধীনতা পদক–২০২৬ ও সাহিত্য সম্মাননা প্রদান। চট্টগ্রাম নগরীর বাকলিয়া রসুলবাগ ‘চাক্তাই ডাইভারশন খালটি’ সংস্কার জরুরী। আমতলীতে জ্বালানি সংকট তীব্র আকারে, বিপাকে ভাড়ায় চালিত মোটরসাইকেল চালকরা। বাংলাদেশ সনাতন ধর্ম সুরক্ষা পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক বর্ধিত সভা অনুষ্টিত। অবসর নিতে চান মির্জা ফখরুল, মহাসচিব পদে ‘পরিবর্তনের’ ইঙ্গিত।

যেসব অভ্যাস শিশুদের সারাদিন উৎফুল্ল রাখবে

শিশুরা অত্যন্ত অনুকরণপ্রিয় হয়। তাই শিশুদের কিছু শেখাতে চাইলে ছোট থেকেই অভ্যাস তৈরি করার চেষ্টা করুন। চেষ্টা করবেন শিশুদের এমন অভ্যাস তৈরি করতে যেন ব্যক্তিজীবনের পাশাপাশি বাইরে গেলে বা স্কুলেও সাহায্য করবে। সকালে শিশুদের এই অভ্যাসগুলো তৈরি করলে তারা বিদ্যালয়েও মনোযোগী হতে পারবে। জেনে নিন এমন কিছু অভ্যাস-

১, সকালে উঠে পানি পান করলে শরীর পানিশূন্যতা দূর হয়, মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বাড়ে এবং সতর্কতা বাড়ায়। এতে সারাদিন স্কুলে থাকলেও শিশুরা উৎফুল্ল থাকে। তাই, সকালে উঠেই শিশুদের পানি পান করার অভ্যাস করুন।

২. সকালে উঠে স্কুলে যাওয়ার আগে স্কুলের পড়া রিভিশন করে নেওয়া উচিত। এতে স্মৃতিশক্তি ঝালাই করে নেওয়া হয়। বিদ্যালয়ের পাঠ শিশু আরও ভালোভাবে মনে রাখতে পারে।

৩. বর্তমান সময়ে শিশুরাও মোবাইল, কম্পিউটার, টিভিসহ নানান ডিভাইসের সান্নিধে্য আসে। তাদের একেবারে দূরে রাখা প্রায় অসম্ভব। তবে খুব কম সময় তাদের এইসব ডিভাইস ব্যবহার করতে দিন। বেশি সময় এইসব যন্ত্র ব্যবহার করলে শিশুদের মস্তিষ্ক ক্ষতিগ্রস্থ হয়। পরিষ্কার, মনোযোগী এবং শান্ত স্বভার তৈরি করতে চাইলে শিশুদের নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা করুন।

৪. ভোরে ঘুম থেকে ওঠা যেকোনো বয়সের মানুষের জন্য ই অত্যন্ত সুফলদায়ক। এতে তাদের সময়ের কাজ সময়ে করার অভ্যাসও তৈরি হয়। খাওয়া এবং স্কুলে যাওয়ার সময়ও তাড়াহুড়া করতে হয়না।

৫. সকালে যে খাবার খাওয়া হয় সেটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সারাদিন উৎফুল্ল থাকতে চাইলে অবশ্যই তাজা এবং পুষ্টিকর খাবার খেতে হবে। যেমন আমিষ, ফাইবার এবং উপকারী চর্বি।

৬. ব্যায়াম করা শরীর ভালো রাখার সবচেয়ে অত্যাবশ্যকীয় উপায়। সকালে উঠে একটু শরীর নড়াচড়া করলে রক্ত সঞ্চালন বাড়ে। এতে মস্তিষ্কে অক্সিজেনের সরবরাহ বাড়ে এবং শরীর ও মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা বাড়ে। সারাদিন শিশু নতুন সব শিক্ষার জন্যও প্রস্তুত থাকতে পারে।

তথ্যসূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া

Tag :
About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে মহিলা সংরক্ষিত আসনে এমপি মনোনীত হলেন হেলেন জেরিন খান।

যেসব অভ্যাস শিশুদের সারাদিন উৎফুল্ল রাখবে

আপডেট সময় : ০৭:৫০:০৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ জুন ২০২৫

শিশুরা অত্যন্ত অনুকরণপ্রিয় হয়। তাই শিশুদের কিছু শেখাতে চাইলে ছোট থেকেই অভ্যাস তৈরি করার চেষ্টা করুন। চেষ্টা করবেন শিশুদের এমন অভ্যাস তৈরি করতে যেন ব্যক্তিজীবনের পাশাপাশি বাইরে গেলে বা স্কুলেও সাহায্য করবে। সকালে শিশুদের এই অভ্যাসগুলো তৈরি করলে তারা বিদ্যালয়েও মনোযোগী হতে পারবে। জেনে নিন এমন কিছু অভ্যাস-

১, সকালে উঠে পানি পান করলে শরীর পানিশূন্যতা দূর হয়, মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বাড়ে এবং সতর্কতা বাড়ায়। এতে সারাদিন স্কুলে থাকলেও শিশুরা উৎফুল্ল থাকে। তাই, সকালে উঠেই শিশুদের পানি পান করার অভ্যাস করুন।

২. সকালে উঠে স্কুলে যাওয়ার আগে স্কুলের পড়া রিভিশন করে নেওয়া উচিত। এতে স্মৃতিশক্তি ঝালাই করে নেওয়া হয়। বিদ্যালয়ের পাঠ শিশু আরও ভালোভাবে মনে রাখতে পারে।

৩. বর্তমান সময়ে শিশুরাও মোবাইল, কম্পিউটার, টিভিসহ নানান ডিভাইসের সান্নিধে্য আসে। তাদের একেবারে দূরে রাখা প্রায় অসম্ভব। তবে খুব কম সময় তাদের এইসব ডিভাইস ব্যবহার করতে দিন। বেশি সময় এইসব যন্ত্র ব্যবহার করলে শিশুদের মস্তিষ্ক ক্ষতিগ্রস্থ হয়। পরিষ্কার, মনোযোগী এবং শান্ত স্বভার তৈরি করতে চাইলে শিশুদের নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা করুন।

৪. ভোরে ঘুম থেকে ওঠা যেকোনো বয়সের মানুষের জন্য ই অত্যন্ত সুফলদায়ক। এতে তাদের সময়ের কাজ সময়ে করার অভ্যাসও তৈরি হয়। খাওয়া এবং স্কুলে যাওয়ার সময়ও তাড়াহুড়া করতে হয়না।

৫. সকালে যে খাবার খাওয়া হয় সেটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সারাদিন উৎফুল্ল থাকতে চাইলে অবশ্যই তাজা এবং পুষ্টিকর খাবার খেতে হবে। যেমন আমিষ, ফাইবার এবং উপকারী চর্বি।

৬. ব্যায়াম করা শরীর ভালো রাখার সবচেয়ে অত্যাবশ্যকীয় উপায়। সকালে উঠে একটু শরীর নড়াচড়া করলে রক্ত সঞ্চালন বাড়ে। এতে মস্তিষ্কে অক্সিজেনের সরবরাহ বাড়ে এবং শরীর ও মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা বাড়ে। সারাদিন শিশু নতুন সব শিক্ষার জন্যও প্রস্তুত থাকতে পারে।

তথ্যসূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া