ঢাকা ১০:২৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ১০ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ:
বিআরটিসিতে ‘প্রাইজ পোস্টিং’ সিন্ডিকেটের অভিযোগ। সাবেক প্রভাবশালী বলয়ের সদস্য জামিল হোসেনের উত্থান, বদলি-বাণিজ্য ও ঠিকাদার নির্যাতনের অভিযোগে নতুন প্রশ্ন ?  ওসমানীনগরে ডিবির বিশেষ অভিযানে গাঁজা ও ইয়াবাসহ নারী মাদক ব্যবসায়ী আটক। ডুমুরিয়ায় বিদ্যুৎস্পৃষ্টে চিংড়ি ঘের শ্রমিকের মর্মান্তিক মৃত্যু। শারজাহ আমিরাত জুড়ে ড্রোন খাত নিয়ন্ত্রণের জন্য একটি নতুন আইন চালু করেছে। কালীগঞ্জে নিষিদ্ধ আ.লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালনের চেষ্টা: সাবেক মেয়র বিজুকে আটকের পর পুলিশের কাছ থেকে ছিনিয়ে নিল পরিবারের মহিলা ও নেতাকর্মীরা। সংবাদ প্রকাশ করেছি, অপরাধ করিনি, অপপ্রচারের বিরুদ্ধে সাংবাদিকের প্রতিবাদ। ভারতে মসজিদ ভাঙচুর ও মুসলিম নিপীড়ন বন্ধের আহ্বান: ধর্মীয় স্বাধীনতা ও মানবাধিকার রক্ষার দাবি ইয়ারুল ইসলামের। টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে নবম শ্রেণির শিক্ষার্থীর হাতে শিক্ষিকা লাঞ্ছিত। নারায়ণগঞ্জ জেলা গোয়েন্দা পুলিশ কর্তৃক নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনের ১ জন সক্রিয় সদস্য গ্রেফতার। খাদ্যশৃঙ্খলে বিষাক্ত ছোবল : প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরে পুরোনো সিন্ডিকেটের নতুন মুখ, নিম্নমানের পশুখাদ্যে জনস্বাস্থ্য ঝুঁকির আশঙ্কা।

ইডেন মহিলা কলেজ অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে  ভর্তি ও নিয়োগ পরীক্ষার সম্মানী বন্টনে আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ।  

  • নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ০৬:৩৬:২৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • ৭১৬ জন সংবাদটি পড়েছেন

 

ইডেন মহিলা কলেজের পাবলিক এবং বিভিন্ন ভর্তি ও নিয়োগ পরীক্ষার নীতিমালায় স্পষ্টত: অনিয়ম রয়েছে। এ কারণে শিক্ষকদের এই সকল পরীক্ষা পরিচালনার জন্য একটি ‘সুষ্ঠ নীতিমালা’ প্রণয়়নের দাবি করে আসছেন। বিগত সময়ে়র অধ্যক্ষরা তাদের রাজনৈতিক খুঁটির জোরে এবং অফিসের সহায়তায়় নিজেদের ইচ্ছেমতো পরীক্ষাগুলো পরিচালনা করেছেন সরকারি পরিপত্রের তোয়াক্কা না করে। সে সময় সংশ্লিষ্ট কমিটির সদস্যরা একটি সুষ্ঠ নীতিমালা প্রণয়়নে ব্যর্থ হয়ে়ছেন।

 

জুলাই অভ্যুত্থানের পরে অর্ন্তবর্তীকালীন সংস্কারপন্থী সরকারের সময় বর্তমান অধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. শামসুন্নাহার দায়িত্বপ্রাপ্ত হবার পর সকল শিক্ষক আশান্বিত হয়েছিলেন যে, এবার হয়তো ‘সুষ্ঠ নীতিমালা’ প্রণয়়ন হবে। কিন্তু অধ্যক্ষের দায়ি়ত্ব নেবার পর দেখা যায়় যে বিভিন্ন বিষয়ে় তিনি একাডেমিক কাউন্সিলকে পাশ কাটিয়ে একক সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন ।

তার বিরুদ্ধে আর্থিক অনিয়মেরও অভিযোগ রয়েছে, তিনি সরকারি পরিপত্রের তোয়াক্কা না করে, নিজের ইচ্ছে মতো বিশেষ করে একদিনের নিয়োগ পরীক্ষা ও ভর্তি পরীক্ষার কমিটি গঠন, ভিজিলেন্স এর দায়িত্ব বন্টন করছেন। সম্মানী বন্টনে ব্যপক আর্থিক অনিয়ম ও স্বেচ্ছাচারিতার অভিযোগ উঠেছে। এখানে উল্লেখ্য ইডেন মহিলা কলেজ ব্যতীত বাকি সরকারি প্রায় ছয় কলেজেই একই রকম নীতিমালায়় বিভিন্ন নিয়োগ ও ভর্তি পরীক্ষা পরিচালিত হয়। ঢাকার আশেপাশের কলেজগুলোতে একই বন্টন নীতিমালায়় সম্মানী বন্টিত হয়। শুধুমাত্র ইডেন মহিলা কলেজে এই নীতিমালা প্রণয়়ন করা যায়়নি।

অভিযোগ রয়েছে, যেখানে একজন কক্ষ প্রত্যবেক্ষক এক ঘন্টা এবং দেড় ঘন্টার পরীক্ষায়় ১৬০০/-টাকা এবং ১৮০০/-টাকা সম্মানী পান। সেক্ষেত্রে কোন কোন ক্ষেত্রে অধ্যক্ষ এবং উপাধ্যক্ষ লক্ষাধিক এবং তার কাছাকাছি টাকা নিয়ে় থাকেন । কলেজের হেড ক্লার্ক এবং হিসাব রক্ষকও একজন কক্ষ প্রত্যবেক্ষকের চেয়ে ১০গুন থেকে ১২গুণ টাকা বেশি পেয়ে় থাকেন। ফলে শিক্ষকদের মধ্যে মারাত্মক ক্ষোভ ও হতাশার সৃষ্টি হয়ে়ছে। অতি সম্প্রতি অধ্যক্ষ নিয়োগ পরীক্ষার বন্টন নীতির পরিবর্তন এনেছেন কিন্তু একাডেমিক কাউন্সিলের অনুমোদনের প্রয়োজন বোধ করেননি । প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, এটা তার একান্ত নিজের সিদ্ধান্ত, তিনি ইচ্ছা করলে একাডেমিক কাউন্সিলের অনুমোদন নাও নিতে পারেন। এ কারণে শিক্ষকদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ বিরাজ করছে। শিক্ষকরা এ বিষয়ে দ্রুত সমাধান চান।

Tag :
About Author Information

GOURANGA BOSE

জনপ্রিয় সংবাদ

বিআরটিসিতে ‘প্রাইজ পোস্টিং’ সিন্ডিকেটের অভিযোগ। সাবেক প্রভাবশালী বলয়ের সদস্য জামিল হোসেনের উত্থান, বদলি-বাণিজ্য ও ঠিকাদার নির্যাতনের অভিযোগে নতুন প্রশ্ন ? 

ইডেন মহিলা কলেজ অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে  ভর্তি ও নিয়োগ পরীক্ষার সম্মানী বন্টনে আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ।  

আপডেট সময় : ০৬:৩৬:২৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫

 

ইডেন মহিলা কলেজের পাবলিক এবং বিভিন্ন ভর্তি ও নিয়োগ পরীক্ষার নীতিমালায় স্পষ্টত: অনিয়ম রয়েছে। এ কারণে শিক্ষকদের এই সকল পরীক্ষা পরিচালনার জন্য একটি ‘সুষ্ঠ নীতিমালা’ প্রণয়়নের দাবি করে আসছেন। বিগত সময়ে়র অধ্যক্ষরা তাদের রাজনৈতিক খুঁটির জোরে এবং অফিসের সহায়তায়় নিজেদের ইচ্ছেমতো পরীক্ষাগুলো পরিচালনা করেছেন সরকারি পরিপত্রের তোয়াক্কা না করে। সে সময় সংশ্লিষ্ট কমিটির সদস্যরা একটি সুষ্ঠ নীতিমালা প্রণয়়নে ব্যর্থ হয়ে়ছেন।

 

জুলাই অভ্যুত্থানের পরে অর্ন্তবর্তীকালীন সংস্কারপন্থী সরকারের সময় বর্তমান অধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. শামসুন্নাহার দায়িত্বপ্রাপ্ত হবার পর সকল শিক্ষক আশান্বিত হয়েছিলেন যে, এবার হয়তো ‘সুষ্ঠ নীতিমালা’ প্রণয়়ন হবে। কিন্তু অধ্যক্ষের দায়ি়ত্ব নেবার পর দেখা যায়় যে বিভিন্ন বিষয়ে় তিনি একাডেমিক কাউন্সিলকে পাশ কাটিয়ে একক সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন ।

তার বিরুদ্ধে আর্থিক অনিয়মেরও অভিযোগ রয়েছে, তিনি সরকারি পরিপত্রের তোয়াক্কা না করে, নিজের ইচ্ছে মতো বিশেষ করে একদিনের নিয়োগ পরীক্ষা ও ভর্তি পরীক্ষার কমিটি গঠন, ভিজিলেন্স এর দায়িত্ব বন্টন করছেন। সম্মানী বন্টনে ব্যপক আর্থিক অনিয়ম ও স্বেচ্ছাচারিতার অভিযোগ উঠেছে। এখানে উল্লেখ্য ইডেন মহিলা কলেজ ব্যতীত বাকি সরকারি প্রায় ছয় কলেজেই একই রকম নীতিমালায়় বিভিন্ন নিয়োগ ও ভর্তি পরীক্ষা পরিচালিত হয়। ঢাকার আশেপাশের কলেজগুলোতে একই বন্টন নীতিমালায়় সম্মানী বন্টিত হয়। শুধুমাত্র ইডেন মহিলা কলেজে এই নীতিমালা প্রণয়়ন করা যায়়নি।

অভিযোগ রয়েছে, যেখানে একজন কক্ষ প্রত্যবেক্ষক এক ঘন্টা এবং দেড় ঘন্টার পরীক্ষায়় ১৬০০/-টাকা এবং ১৮০০/-টাকা সম্মানী পান। সেক্ষেত্রে কোন কোন ক্ষেত্রে অধ্যক্ষ এবং উপাধ্যক্ষ লক্ষাধিক এবং তার কাছাকাছি টাকা নিয়ে় থাকেন । কলেজের হেড ক্লার্ক এবং হিসাব রক্ষকও একজন কক্ষ প্রত্যবেক্ষকের চেয়ে ১০গুন থেকে ১২গুণ টাকা বেশি পেয়ে় থাকেন। ফলে শিক্ষকদের মধ্যে মারাত্মক ক্ষোভ ও হতাশার সৃষ্টি হয়ে়ছে। অতি সম্প্রতি অধ্যক্ষ নিয়োগ পরীক্ষার বন্টন নীতির পরিবর্তন এনেছেন কিন্তু একাডেমিক কাউন্সিলের অনুমোদনের প্রয়োজন বোধ করেননি । প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, এটা তার একান্ত নিজের সিদ্ধান্ত, তিনি ইচ্ছা করলে একাডেমিক কাউন্সিলের অনুমোদন নাও নিতে পারেন। এ কারণে শিক্ষকদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ বিরাজ করছে। শিক্ষকরা এ বিষয়ে দ্রুত সমাধান চান।