ঢাকা ০৫:৫১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ:
গণপূর্ত অধিদপ্তরে ই/এম প্রকৌশলী পদে পদায়নের লটারি নিয়ে বৈষম্যের অভিযোগ, স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন যুবলীগ নিখিলের পার্টনার রাশেদ আহসান: এবার বাগিয়ে নিচ্ছেন চারশত কোটির আজিমপুর প্রকল্প কালিয়াকৈরে দেশি বিদেশি বিভিন্ন ফলের দাম অস্বাভাবিক বেড়ে চরম ভোগান্তিতে নিম্নবিত্ত পরিবার সরকারি চাল জব্দের ঘটনায় ১৬ দিনেও ব্যবস্থা নেই আর কত গণমাধ্যম কর্মীদের প্রাণ এভাবে অকালে ঝরে যাবে, কোথায় আছে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা আওয়ামী লীগ নেতার সন্তান প্রকৌশলী রেজা তৈমূর মালিক গণপূর্তের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে রাজনীতির ঊর্ধ্বে সম্প্রীতির বন্ধন: মহামানব গণেশ পাগল সেবাশ্রমে নতুন কমিটি, নতুন প্রত্যাশা। ফতুল্লা ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডে ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহ শুরু, সহযোগিতার আহ্বান রুহুল আমিন শিকদারের সাবেক বিতর্কিত ফ্যাসিস্ট প্রতিমন্ত্রী গণপূর্তের শরিফ আহমেদের আস্থাভাজন রাশেদ আহমেদ এখন গুরুত্বপূর্ণ দপ্তর আজিমপুর ডিভিশনে নবীনগরে পুকুরে ডুবে আড়াই বছরের শিশুর মৃত্যু

ভারতে মসজিদ ভাঙচুর ও মুসলিম নিপীড়ন বন্ধের আহ্বান: ধর্মীয় স্বাধীনতা ও মানবাধিকার রক্ষার দাবি ইয়ারুল ইসলামের।

ঢাকা, ২৪ জুন: ভারতে মসজিদ ভাঙচুর, মুসলিম জনগোষ্ঠীর ওপর নিপীড়ন এবং ধর্মীয় স্বাধীনতা খর্ব করার অভিযোগ নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশ কংগ্রেসের মহাসচিব এ্যাডভোকেট মোঃ ইয়ারুল ইসলাম। এক বিবৃতিতে তিনি ভারতের প্রতি এসব কর্মকাণ্ড অবিলম্বে বন্ধ করার আহ্বান জানান।

বিবৃতিতে তিনি বলেন, বিশ্বের বৃহত্তম গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র হিসেবে ভারতের একটি দীর্ঘদিনের আন্তর্জাতিক সুনাম রয়েছে। কিন্তু ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের ওপর বৈষম্য, মসজিদ ভাঙচুর এবং ধর্মীয় অধিকার ক্ষুণ্ন হওয়ার ঘটনাগুলো সেই সুনামকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে। একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে সকল ধর্ম ও সম্প্রদায়ের মানুষের সমান অধিকার নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের সাংবিধানিক ও নৈতিক দায়িত্ব।

ইয়ারুল ইসলাম বলেন, ধর্মীয় স্বাধীনতা ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা শুধু একটি দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয় হিসেবে সীমাবদ্ধ থাকে না; এর নেতিবাচক প্রভাব প্রতিবেশী দেশগুলোর সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও সামাজিক স্থিতিশীলতার ওপরও পড়তে পারে। দক্ষিণ এশিয়ায় শান্তি, সহাবস্থান ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ বজায় রাখতে হলে সকল ধর্মীয় সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা জরুরি।

তিনি আরও বলেন, ভারত বহু শতাব্দী ধরে ধর্মীয় সহাবস্থান, সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য এবং বহুত্ববাদের ঐতিহ্য ধারণ করে এসেছে। সেই ঐতিহ্যকে অক্ষুণ্ণ রাখা এবং সকল ধর্মাবলম্বীর উপাসনালয় ও ধর্মীয় অধিকারের সুরক্ষা দেওয়া ভারতের রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব।

বাংলাদেশ কংগ্রেসের মহাসচিব সতর্ক করে বলেন, যখন কোনো জনগোষ্ঠী নিজেদের বঞ্চিত, নির্যাতিত বা নিরাপত্তাহীন মনে করে, তখন উগ্রবাদ ও সহিংসতার ঝুঁকি বৃদ্ধি পায়। ফলে চরমপন্থী ও সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলো এমন পরিস্থিতিকে কাজে লাগানোর সুযোগ পেতে পারে, যা আঞ্চলিক শান্তি ও নিরাপত্তার জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।

তিনি ভারত সরকারকে সংবিধান, আইনের শাসন এবং আন্তর্জাতিক মানবাধিকার নীতিমালার আলোকে সকল নাগরিকের ধর্মীয় স্বাধীনতা নিশ্চিত করার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে তিনি দক্ষিণ এশিয়ায় সম্প্রীতি, সহনশীলতা এবং শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান বজায় রাখতে সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান।

Tag :
About Author Information

GOURANGA BOSE

জনপ্রিয় সংবাদ

গণপূর্ত অধিদপ্তরে ই/এম প্রকৌশলী পদে পদায়নের লটারি নিয়ে বৈষম্যের অভিযোগ, স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন

ভারতে মসজিদ ভাঙচুর ও মুসলিম নিপীড়ন বন্ধের আহ্বান: ধর্মীয় স্বাধীনতা ও মানবাধিকার রক্ষার দাবি ইয়ারুল ইসলামের।

আপডেট সময় : ১০:৪৫:১২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬

ঢাকা, ২৪ জুন: ভারতে মসজিদ ভাঙচুর, মুসলিম জনগোষ্ঠীর ওপর নিপীড়ন এবং ধর্মীয় স্বাধীনতা খর্ব করার অভিযোগ নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশ কংগ্রেসের মহাসচিব এ্যাডভোকেট মোঃ ইয়ারুল ইসলাম। এক বিবৃতিতে তিনি ভারতের প্রতি এসব কর্মকাণ্ড অবিলম্বে বন্ধ করার আহ্বান জানান।

বিবৃতিতে তিনি বলেন, বিশ্বের বৃহত্তম গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র হিসেবে ভারতের একটি দীর্ঘদিনের আন্তর্জাতিক সুনাম রয়েছে। কিন্তু ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের ওপর বৈষম্য, মসজিদ ভাঙচুর এবং ধর্মীয় অধিকার ক্ষুণ্ন হওয়ার ঘটনাগুলো সেই সুনামকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে। একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে সকল ধর্ম ও সম্প্রদায়ের মানুষের সমান অধিকার নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের সাংবিধানিক ও নৈতিক দায়িত্ব।

ইয়ারুল ইসলাম বলেন, ধর্মীয় স্বাধীনতা ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা শুধু একটি দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয় হিসেবে সীমাবদ্ধ থাকে না; এর নেতিবাচক প্রভাব প্রতিবেশী দেশগুলোর সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও সামাজিক স্থিতিশীলতার ওপরও পড়তে পারে। দক্ষিণ এশিয়ায় শান্তি, সহাবস্থান ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ বজায় রাখতে হলে সকল ধর্মীয় সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা জরুরি।

তিনি আরও বলেন, ভারত বহু শতাব্দী ধরে ধর্মীয় সহাবস্থান, সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য এবং বহুত্ববাদের ঐতিহ্য ধারণ করে এসেছে। সেই ঐতিহ্যকে অক্ষুণ্ণ রাখা এবং সকল ধর্মাবলম্বীর উপাসনালয় ও ধর্মীয় অধিকারের সুরক্ষা দেওয়া ভারতের রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব।

বাংলাদেশ কংগ্রেসের মহাসচিব সতর্ক করে বলেন, যখন কোনো জনগোষ্ঠী নিজেদের বঞ্চিত, নির্যাতিত বা নিরাপত্তাহীন মনে করে, তখন উগ্রবাদ ও সহিংসতার ঝুঁকি বৃদ্ধি পায়। ফলে চরমপন্থী ও সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলো এমন পরিস্থিতিকে কাজে লাগানোর সুযোগ পেতে পারে, যা আঞ্চলিক শান্তি ও নিরাপত্তার জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।

তিনি ভারত সরকারকে সংবিধান, আইনের শাসন এবং আন্তর্জাতিক মানবাধিকার নীতিমালার আলোকে সকল নাগরিকের ধর্মীয় স্বাধীনতা নিশ্চিত করার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে তিনি দক্ষিণ এশিয়ায় সম্প্রীতি, সহনশীলতা এবং শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান বজায় রাখতে সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান।