ঢাকা ০২:২৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬, ২৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ:
প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে অভিযোগ: ফ্যাসিবাদের দোসর মোঃ শহীদ আতাহার হোসেন এর গ্রাসে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তর! গোয়েন্দা সংস্থার পদক্ষেপ জরুরী, সরকারকে বেকায়দায় ফেলতে আমলা ও গুপ্ত সিন্ডিকেটের নানামুখি চক্রান্ত! মাকে কাঁধে করে ছেলের ভিক্ষাবৃত্তি। কুমিল্লার লাকসামের সোহান হত্যা মামলায় মিজানুর রহমানের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড। গাজীপুরের কালিয়াকৈরে পার্কিং করা গাড়িতে আগুন। সরকারি রাস্তা দখল করে পাকা ভবন নির্মাণের অভিযোগ, এলাকাবাসীর ক্ষোভ। উচ্ছেদ নয়, আগে পুনর্বাসন: মিটফোর্ড সুইপার কলোনির সংকট রাষ্ট্রের মানবিকতা, ন্যায়বিচার ও সংবিধানের পরীক্ষা। রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলার ক্ষুদে সংগীতশিল্পী অনুশ্রী রায়ের স্বপ্ন পূরণ করলেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। রাজস্ব ঘাটতি ৮৮ হাজার কোটি টাকা:  এনবিআর এর ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আহসান হাবিবের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে অভিযোগ। সরকারের বিরুদ্ধে ভয়ংকর ষড়যন্ত্র:  মন্ত্রিসভা থেকে বাদ পড়তে পারেন বিতর্কিত স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ও চুক্তিভিত্তিক সচিব!

মাগুরা ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে গোপন টেন্ডারে ৫০ লাখ টাকা আত্মসাৎ ।

মাগুরা ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডাঃ মোহসিন উদ্দিন ফকিরের অনিয়ম দুর্নীতি লিখে শেষ করা যাচ্ছে না। প্রতিদিনই কোন না কোন দুর্নীতির নতুন তথ্য পাওয়া যাচ্ছে।

অভিযোগ উঠেছে যে, তিনি ২০২৪ সালের জুন মাসে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় থেকে বর্জ ব্যবস্থাপনার উন্নয়ন ও অপসারণ খাতে ৫০ লাখ টাকা বরাদ্দ পান। সেই টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয় ড্রাম ও পলিথিন ক্রয় করার জন্য। কিন্তু তিনি ঐ টাকা আত্মসাৎ করার জন্য পত্রিকায় ঘুপচি বিজ্ঞাপন প্রকাশ করে অতি গোপনে ফরিদপুরের একজন ঠিকাদারকে কার্যাদেশ প্রদান করেন। ঐ ঠিকাদার নাকি তার নিকট আত্মীয়। এই টেন্ডারের বিষয়টি মাগুরার কোন ঠিকাদার জানতে পারেন নি।

গোপনে খাতা কলমে পেপার ওয়ার্ক ঠিক রেখে তিনি সামান্য ৫/১০ লাখ টাকার ড্রাম ও পলিথিন কিনে বাকি ৪০ লাখ টাকা আত্মসাৎ করেন। বিষয়টি কেউ জানতে না পারলেও একজন ঠিকাদার এজি অফিস সুত্রে জানতে পারেন যে, সুপার ডাঃ মোহসিন উদ্দিন ফকির এই খাতে বরাদ্দকৃত ৫০ লাখ টাকা তুলে নিয়েছেন। পরবর্তীতে স্টার কীপার গৌতম কুমারের কাছে জানতে চাইলে তিনি এ বিষয়ে কিছু জানেন না বলে মন্তব্য করেন।

অভিযোগকারীদের মতে ২০২৪ সালের জুন মাসে যদি ৫০ লাখ টাকার ড্রাম ও পলিথিন ক্রয় করা হয় তবে তা এখনো স্টোরে জমা থাকার কথা। কিন্তু সেটাতো খাতা পত্রে ছাড়া বাস্তবে পাওয়া যাচ্ছে না। তাহলে সেগুলো গেল কোথায়?

এ বিষয়টি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও দুদকের তদন্তের দাবী জানানো হয়েছে।

Tag :
About Author Information

GOURANGA BOSE

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে অভিযোগ: ফ্যাসিবাদের দোসর মোঃ শহীদ আতাহার হোসেন এর গ্রাসে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তর!

মাগুরা ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে গোপন টেন্ডারে ৫০ লাখ টাকা আত্মসাৎ ।

আপডেট সময় : ১০:২৫:১৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ নভেম্বর ২০২৫

মাগুরা ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডাঃ মোহসিন উদ্দিন ফকিরের অনিয়ম দুর্নীতি লিখে শেষ করা যাচ্ছে না। প্রতিদিনই কোন না কোন দুর্নীতির নতুন তথ্য পাওয়া যাচ্ছে।

অভিযোগ উঠেছে যে, তিনি ২০২৪ সালের জুন মাসে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় থেকে বর্জ ব্যবস্থাপনার উন্নয়ন ও অপসারণ খাতে ৫০ লাখ টাকা বরাদ্দ পান। সেই টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয় ড্রাম ও পলিথিন ক্রয় করার জন্য। কিন্তু তিনি ঐ টাকা আত্মসাৎ করার জন্য পত্রিকায় ঘুপচি বিজ্ঞাপন প্রকাশ করে অতি গোপনে ফরিদপুরের একজন ঠিকাদারকে কার্যাদেশ প্রদান করেন। ঐ ঠিকাদার নাকি তার নিকট আত্মীয়। এই টেন্ডারের বিষয়টি মাগুরার কোন ঠিকাদার জানতে পারেন নি।

গোপনে খাতা কলমে পেপার ওয়ার্ক ঠিক রেখে তিনি সামান্য ৫/১০ লাখ টাকার ড্রাম ও পলিথিন কিনে বাকি ৪০ লাখ টাকা আত্মসাৎ করেন। বিষয়টি কেউ জানতে না পারলেও একজন ঠিকাদার এজি অফিস সুত্রে জানতে পারেন যে, সুপার ডাঃ মোহসিন উদ্দিন ফকির এই খাতে বরাদ্দকৃত ৫০ লাখ টাকা তুলে নিয়েছেন। পরবর্তীতে স্টার কীপার গৌতম কুমারের কাছে জানতে চাইলে তিনি এ বিষয়ে কিছু জানেন না বলে মন্তব্য করেন।

অভিযোগকারীদের মতে ২০২৪ সালের জুন মাসে যদি ৫০ লাখ টাকার ড্রাম ও পলিথিন ক্রয় করা হয় তবে তা এখনো স্টোরে জমা থাকার কথা। কিন্তু সেটাতো খাতা পত্রে ছাড়া বাস্তবে পাওয়া যাচ্ছে না। তাহলে সেগুলো গেল কোথায়?

এ বিষয়টি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও দুদকের তদন্তের দাবী জানানো হয়েছে।