ঢাকা ১০:৫৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ:
স্বৈরাচারের দোসরেরা ভোট বানচালের চেষ্টা করবে, তবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী প্রস্তুত: প্রধান উপদেষ্টা প্রতি বছর বিলম্বে পাঠ্যবই ছাপার নেপথ্যে  ৫ হাজার কোটি টাকার গাইড বাণিজ্য ! নিরপরাধ আ. লীগ নেতাকর্মীদের গ্রেপ্তার করা হলে থানা ঘেরাওয়ের হুঁশিয়ারি বিএনপি নেতা হারুনের। মুক্তচিন্তা, মুক্তিযুদ্ধ ও অসাম্প্রদায়িক চেতনার ঘোর বিরোধী দাপুটে তিন বুদ্ধিজীবী। ইয়াবাসহ সুমন নামে এক মাদক কারবারি ডিবির হাতে গ্রেফতার। সনাতন ধর্মাবলম্বী নেতৃবৃন্দের সাথে মাদারীপুর জেলা প্রশাসকের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত। খুলনা গণপূর্তে দুর্নীতির অদৃশ্য সাম্রাজ্য : উপসহকারী প্রকৌশলী মিজানুরের সাত বছরের অপ্রতিরোধ্য সিন্ডিকেট ! তিনিই স্বঘোষিত সম্রাট! শিক্ষার্থীদের মাঝে দেশ ফাউন্ডেশনের শিক্ষা প্রণোদনা বিতরণ। জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ–২০২৬ উপলক্ষে উপজেলা পর্যায়ের প্রতিযোগিতায় ১৫টি বিভাগে প্রথম স্থান অধিকার করে সবার শীর্ষে শহীদ সরদার সাজাহান গার্লস স্কুল এন্ড কলেজ। মহামানব গণেশ পাগল সেবাশ্রম কমিটির আগামীদিনের কর্ম পরিকল্পনা ঘোষণা।

মাগুরার হাজরাপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ও পলাতক যুবলীগ নেতা কবির হোসেনের জঘণ্য নারী কেলেংকারী ফাঁস! 

  • সারাক্ষণ ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ১২:০৯:০৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৭ নভেম্বর ২০২৫
  • ১৪৪ জন সংবাদটি পড়েছেন
6

 

মানুষ যে এতো নিকৃষ্ট এবং জঘণ্য হতে পারে তা এই কাহিনী না পড়লে বোঝা যাবে না। আওয়ামী লীগের প্রায় অধিকাংশ নেতাই এইরূপ চরিত্রের অধিকারী। ক্ষমতাবলে তারা দেশটাকে নরকে পরিণত করেছিল। তাদের হাতে কতো যে নারী এমন জঘন্য ঘটনার শিকার হয়েছে তার কোন ইয়ত্তা নেই।

মাগুরা সদর উপজেলার হাজরাপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মোঃ কবির হোসেন তেমনই এক মানুষ নামের শয়তান। সে ছিল দেশ মাফিয়া সাইফুজ্জামান শিখরের ডান হাত ও নারী সাপ্লায়ার। আজ এই লুচ্চার এমন এক কাহিনী ফাঁস করবো যা শুনে বা পড়ে সবাই বিস্মিত হবেন।

তার আগে এক হতভাগ্য স্বামী ও পিতার হৃদয় আর্তনাদ শুনে নিই।

ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ আমলে আমার স্ত্রীর ওয়ারকিং স্টেশন ছিল হাজরাপুর,মাগুরা।তখন সেখানকার রানিং চেয়ারম্যান মোঃ কবির হোসেন। এই কবিরের কুদৃষ্টি পড়ে আমার স্ত্রীর ওপর।

আমার স্ত্রী ইউনিয়ন অফিসের একজন সরকারি কর্মকর্তা । আর কবির প্রভাবশালী চেয়ারম্যান ও এমপি সাইফুজ্জামান শিখরের কাছের লোক।সে বিভিন্ন ভাবে লোভ দেখিয়ে আমার স্ত্রীকে ফাঁদে ফেলার চেষ্টা করে।

তখন ২০২১ সাল। আওয়ামী লীগের স্বর্ণ যুগ চলতেছিল। আমরা যারা ভিন্নমতের মানুষ তারাও ভেবে নিয়েছিলাম এই ফ্যাসিস্ট সরকারের পতন অসম্ভব। তাই এই কবির চেয়ারম্যানের শক্তি আর টাকার লোভে আমার স্ত্রী তার ফাঁদে পা দেয়। আর কবিরের ফাঁদে পা দেওয়ার পরেই কবির তাকে একদা বন্দি করে নির্যাতন করে অশ্লীল ভিডিও ধারন করে।এর পর থেকে শুরু হয় ক্রমাগত ব্লাকমেইল।

এই ব্লাকমেইল করে কবির চেয়ারম্যান আমার স্ত্রীকে দিয়ে বিভিন্ন অনৈতিক কাজ করানো শুরু করে।

আমার স্ত্রী তখন তার হাতের পুতুলে পরিণত হয়।

সে এর ভেতরে অনেকবারই ফিরে আসতে চেয়েছিলো আমার কাছে। কিন্তু এই কবিরের ব্লাকমেইল আর তার গ্যাং দিয়ে ভয় দেখিয়ে তার আসার পথ বন্ধ করে দেয়।

শেষে ২০২৫ এর মে মাসে আবারও আমার স্ত্রী আমার কাছে ফিরে আসতে চায়।

কিন্তু কবির চেয়ারম্যান তার ফেইসবুকে হুমকি দিয়ে ব্লাকমেইল এর পোস্ট দেয়।

এতে করে আমার স্ত্রী ভালো ভাবেই আটকে যায় তার ফাঁদে।

কবির চেয়ারম্যান এতোটা নিকৃষ্ট যে, আমার ৪ বছরের ছোট্ট বাচ্চাটাকেও আমার সাথে কথা বলতে দেয় না।

অথচ এই বাচ্চাটার একমাত্র ভালোবাসার মানুষ ছিলাম আমি।আমার বাচ্চাটা আমাকে ছাড়া কিছুই বুঝতো না।

এই বাচ্চাটাকে কবির চেয়ারম্যান তার বাবার আদর,সোহাগ,ভালোবাসা থেকে বঞ্চিত করে।

আমার সাথে দেখা করানো তো দুরের কথা আমি ২০২২ থেকে আমার বাচ্চাটার সাথে কথাও বলতে পারি নাই।

এটা এমন একটা বিষয় আমার জন্য যে, আমাকে একা একা প্রতিনিয়ত চোখের পানি ফেলতে হয়।

এটা আসলে মান সম্মান এর বিষয়। সে এমন একটা পরিস্থিতি সৃষ্টি করছে যেখানে আমাকে প্রতিদিন বিষ খাইয়ে মারা হচ্ছে। আমি তীব্র যন্ত্রণায় প্রতিদিন মারা যাচ্ছি কিন্তু বলতে পারছি না।

(চলবে)

Tag :
About Author Information

GOURANGA BOSE

জনপ্রিয় সংবাদ

স্বৈরাচারের দোসরেরা ভোট বানচালের চেষ্টা করবে, তবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী প্রস্তুত: প্রধান উপদেষ্টা

মাগুরার হাজরাপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ও পলাতক যুবলীগ নেতা কবির হোসেনের জঘণ্য নারী কেলেংকারী ফাঁস! 

আপডেট সময় : ১২:০৯:০৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৭ নভেম্বর ২০২৫
6

 

মানুষ যে এতো নিকৃষ্ট এবং জঘণ্য হতে পারে তা এই কাহিনী না পড়লে বোঝা যাবে না। আওয়ামী লীগের প্রায় অধিকাংশ নেতাই এইরূপ চরিত্রের অধিকারী। ক্ষমতাবলে তারা দেশটাকে নরকে পরিণত করেছিল। তাদের হাতে কতো যে নারী এমন জঘন্য ঘটনার শিকার হয়েছে তার কোন ইয়ত্তা নেই।

মাগুরা সদর উপজেলার হাজরাপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মোঃ কবির হোসেন তেমনই এক মানুষ নামের শয়তান। সে ছিল দেশ মাফিয়া সাইফুজ্জামান শিখরের ডান হাত ও নারী সাপ্লায়ার। আজ এই লুচ্চার এমন এক কাহিনী ফাঁস করবো যা শুনে বা পড়ে সবাই বিস্মিত হবেন।

তার আগে এক হতভাগ্য স্বামী ও পিতার হৃদয় আর্তনাদ শুনে নিই।

ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ আমলে আমার স্ত্রীর ওয়ারকিং স্টেশন ছিল হাজরাপুর,মাগুরা।তখন সেখানকার রানিং চেয়ারম্যান মোঃ কবির হোসেন। এই কবিরের কুদৃষ্টি পড়ে আমার স্ত্রীর ওপর।

আমার স্ত্রী ইউনিয়ন অফিসের একজন সরকারি কর্মকর্তা । আর কবির প্রভাবশালী চেয়ারম্যান ও এমপি সাইফুজ্জামান শিখরের কাছের লোক।সে বিভিন্ন ভাবে লোভ দেখিয়ে আমার স্ত্রীকে ফাঁদে ফেলার চেষ্টা করে।

তখন ২০২১ সাল। আওয়ামী লীগের স্বর্ণ যুগ চলতেছিল। আমরা যারা ভিন্নমতের মানুষ তারাও ভেবে নিয়েছিলাম এই ফ্যাসিস্ট সরকারের পতন অসম্ভব। তাই এই কবির চেয়ারম্যানের শক্তি আর টাকার লোভে আমার স্ত্রী তার ফাঁদে পা দেয়। আর কবিরের ফাঁদে পা দেওয়ার পরেই কবির তাকে একদা বন্দি করে নির্যাতন করে অশ্লীল ভিডিও ধারন করে।এর পর থেকে শুরু হয় ক্রমাগত ব্লাকমেইল।

এই ব্লাকমেইল করে কবির চেয়ারম্যান আমার স্ত্রীকে দিয়ে বিভিন্ন অনৈতিক কাজ করানো শুরু করে।

আমার স্ত্রী তখন তার হাতের পুতুলে পরিণত হয়।

সে এর ভেতরে অনেকবারই ফিরে আসতে চেয়েছিলো আমার কাছে। কিন্তু এই কবিরের ব্লাকমেইল আর তার গ্যাং দিয়ে ভয় দেখিয়ে তার আসার পথ বন্ধ করে দেয়।

শেষে ২০২৫ এর মে মাসে আবারও আমার স্ত্রী আমার কাছে ফিরে আসতে চায়।

কিন্তু কবির চেয়ারম্যান তার ফেইসবুকে হুমকি দিয়ে ব্লাকমেইল এর পোস্ট দেয়।

এতে করে আমার স্ত্রী ভালো ভাবেই আটকে যায় তার ফাঁদে।

কবির চেয়ারম্যান এতোটা নিকৃষ্ট যে, আমার ৪ বছরের ছোট্ট বাচ্চাটাকেও আমার সাথে কথা বলতে দেয় না।

অথচ এই বাচ্চাটার একমাত্র ভালোবাসার মানুষ ছিলাম আমি।আমার বাচ্চাটা আমাকে ছাড়া কিছুই বুঝতো না।

এই বাচ্চাটাকে কবির চেয়ারম্যান তার বাবার আদর,সোহাগ,ভালোবাসা থেকে বঞ্চিত করে।

আমার সাথে দেখা করানো তো দুরের কথা আমি ২০২২ থেকে আমার বাচ্চাটার সাথে কথাও বলতে পারি নাই।

এটা এমন একটা বিষয় আমার জন্য যে, আমাকে একা একা প্রতিনিয়ত চোখের পানি ফেলতে হয়।

এটা আসলে মান সম্মান এর বিষয়। সে এমন একটা পরিস্থিতি সৃষ্টি করছে যেখানে আমাকে প্রতিদিন বিষ খাইয়ে মারা হচ্ছে। আমি তীব্র যন্ত্রণায় প্রতিদিন মারা যাচ্ছি কিন্তু বলতে পারছি না।

(চলবে)