ঢাকা ১১:২২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ১০ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ:
বিআরটিসিতে ‘প্রাইজ পোস্টিং’ সিন্ডিকেটের অভিযোগ। সাবেক প্রভাবশালী বলয়ের সদস্য জামিল হোসেনের উত্থান, বদলি-বাণিজ্য ও ঠিকাদার নির্যাতনের অভিযোগে নতুন প্রশ্ন ?  ওসমানীনগরে ডিবির বিশেষ অভিযানে গাঁজা ও ইয়াবাসহ নারী মাদক ব্যবসায়ী আটক। ডুমুরিয়ায় বিদ্যুৎস্পৃষ্টে চিংড়ি ঘের শ্রমিকের মর্মান্তিক মৃত্যু। শারজাহ আমিরাত জুড়ে ড্রোন খাত নিয়ন্ত্রণের জন্য একটি নতুন আইন চালু করেছে। কালীগঞ্জে নিষিদ্ধ আ.লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালনের চেষ্টা: সাবেক মেয়র বিজুকে আটকের পর পুলিশের কাছ থেকে ছিনিয়ে নিল পরিবারের মহিলা ও নেতাকর্মীরা। সংবাদ প্রকাশ করেছি, অপরাধ করিনি, অপপ্রচারের বিরুদ্ধে সাংবাদিকের প্রতিবাদ। ভারতে মসজিদ ভাঙচুর ও মুসলিম নিপীড়ন বন্ধের আহ্বান: ধর্মীয় স্বাধীনতা ও মানবাধিকার রক্ষার দাবি ইয়ারুল ইসলামের। টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে নবম শ্রেণির শিক্ষার্থীর হাতে শিক্ষিকা লাঞ্ছিত। নারায়ণগঞ্জ জেলা গোয়েন্দা পুলিশ কর্তৃক নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনের ১ জন সক্রিয় সদস্য গ্রেফতার। খাদ্যশৃঙ্খলে বিষাক্ত ছোবল : প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরে পুরোনো সিন্ডিকেটের নতুন মুখ, নিম্নমানের পশুখাদ্যে জনস্বাস্থ্য ঝুঁকির আশঙ্কা।

মাগুরার হাজরাপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ও পলাতক যুবলীগ নেতা কবির হোসেনের জঘণ্য নারী কেলেংকারী ফাঁস! 

  • সারাক্ষণ ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ১২:০৯:০৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৭ নভেম্বর ২০২৫
  • ২৬৫ জন সংবাদটি পড়েছেন

 

মানুষ যে এতো নিকৃষ্ট এবং জঘণ্য হতে পারে তা এই কাহিনী না পড়লে বোঝা যাবে না। আওয়ামী লীগের প্রায় অধিকাংশ নেতাই এইরূপ চরিত্রের অধিকারী। ক্ষমতাবলে তারা দেশটাকে নরকে পরিণত করেছিল। তাদের হাতে কতো যে নারী এমন জঘন্য ঘটনার শিকার হয়েছে তার কোন ইয়ত্তা নেই।

মাগুরা সদর উপজেলার হাজরাপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মোঃ কবির হোসেন তেমনই এক মানুষ নামের শয়তান। সে ছিল দেশ মাফিয়া সাইফুজ্জামান শিখরের ডান হাত ও নারী সাপ্লায়ার। আজ এই লুচ্চার এমন এক কাহিনী ফাঁস করবো যা শুনে বা পড়ে সবাই বিস্মিত হবেন।

তার আগে এক হতভাগ্য স্বামী ও পিতার হৃদয় আর্তনাদ শুনে নিই।

ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ আমলে আমার স্ত্রীর ওয়ারকিং স্টেশন ছিল হাজরাপুর,মাগুরা।তখন সেখানকার রানিং চেয়ারম্যান মোঃ কবির হোসেন। এই কবিরের কুদৃষ্টি পড়ে আমার স্ত্রীর ওপর।

আমার স্ত্রী ইউনিয়ন অফিসের একজন সরকারি কর্মকর্তা । আর কবির প্রভাবশালী চেয়ারম্যান ও এমপি সাইফুজ্জামান শিখরের কাছের লোক।সে বিভিন্ন ভাবে লোভ দেখিয়ে আমার স্ত্রীকে ফাঁদে ফেলার চেষ্টা করে।

তখন ২০২১ সাল। আওয়ামী লীগের স্বর্ণ যুগ চলতেছিল। আমরা যারা ভিন্নমতের মানুষ তারাও ভেবে নিয়েছিলাম এই ফ্যাসিস্ট সরকারের পতন অসম্ভব। তাই এই কবির চেয়ারম্যানের শক্তি আর টাকার লোভে আমার স্ত্রী তার ফাঁদে পা দেয়। আর কবিরের ফাঁদে পা দেওয়ার পরেই কবির তাকে একদা বন্দি করে নির্যাতন করে অশ্লীল ভিডিও ধারন করে।এর পর থেকে শুরু হয় ক্রমাগত ব্লাকমেইল।

এই ব্লাকমেইল করে কবির চেয়ারম্যান আমার স্ত্রীকে দিয়ে বিভিন্ন অনৈতিক কাজ করানো শুরু করে।

আমার স্ত্রী তখন তার হাতের পুতুলে পরিণত হয়।

সে এর ভেতরে অনেকবারই ফিরে আসতে চেয়েছিলো আমার কাছে। কিন্তু এই কবিরের ব্লাকমেইল আর তার গ্যাং দিয়ে ভয় দেখিয়ে তার আসার পথ বন্ধ করে দেয়।

শেষে ২০২৫ এর মে মাসে আবারও আমার স্ত্রী আমার কাছে ফিরে আসতে চায়।

কিন্তু কবির চেয়ারম্যান তার ফেইসবুকে হুমকি দিয়ে ব্লাকমেইল এর পোস্ট দেয়।

এতে করে আমার স্ত্রী ভালো ভাবেই আটকে যায় তার ফাঁদে।

কবির চেয়ারম্যান এতোটা নিকৃষ্ট যে, আমার ৪ বছরের ছোট্ট বাচ্চাটাকেও আমার সাথে কথা বলতে দেয় না।

অথচ এই বাচ্চাটার একমাত্র ভালোবাসার মানুষ ছিলাম আমি।আমার বাচ্চাটা আমাকে ছাড়া কিছুই বুঝতো না।

এই বাচ্চাটাকে কবির চেয়ারম্যান তার বাবার আদর,সোহাগ,ভালোবাসা থেকে বঞ্চিত করে।

আমার সাথে দেখা করানো তো দুরের কথা আমি ২০২২ থেকে আমার বাচ্চাটার সাথে কথাও বলতে পারি নাই।

এটা এমন একটা বিষয় আমার জন্য যে, আমাকে একা একা প্রতিনিয়ত চোখের পানি ফেলতে হয়।

এটা আসলে মান সম্মান এর বিষয়। সে এমন একটা পরিস্থিতি সৃষ্টি করছে যেখানে আমাকে প্রতিদিন বিষ খাইয়ে মারা হচ্ছে। আমি তীব্র যন্ত্রণায় প্রতিদিন মারা যাচ্ছি কিন্তু বলতে পারছি না।

(চলবে)

Tag :
About Author Information

GOURANGA BOSE

জনপ্রিয় সংবাদ

বিআরটিসিতে ‘প্রাইজ পোস্টিং’ সিন্ডিকেটের অভিযোগ। সাবেক প্রভাবশালী বলয়ের সদস্য জামিল হোসেনের উত্থান, বদলি-বাণিজ্য ও ঠিকাদার নির্যাতনের অভিযোগে নতুন প্রশ্ন ? 

মাগুরার হাজরাপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ও পলাতক যুবলীগ নেতা কবির হোসেনের জঘণ্য নারী কেলেংকারী ফাঁস! 

আপডেট সময় : ১২:০৯:০৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৭ নভেম্বর ২০২৫

 

মানুষ যে এতো নিকৃষ্ট এবং জঘণ্য হতে পারে তা এই কাহিনী না পড়লে বোঝা যাবে না। আওয়ামী লীগের প্রায় অধিকাংশ নেতাই এইরূপ চরিত্রের অধিকারী। ক্ষমতাবলে তারা দেশটাকে নরকে পরিণত করেছিল। তাদের হাতে কতো যে নারী এমন জঘন্য ঘটনার শিকার হয়েছে তার কোন ইয়ত্তা নেই।

মাগুরা সদর উপজেলার হাজরাপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মোঃ কবির হোসেন তেমনই এক মানুষ নামের শয়তান। সে ছিল দেশ মাফিয়া সাইফুজ্জামান শিখরের ডান হাত ও নারী সাপ্লায়ার। আজ এই লুচ্চার এমন এক কাহিনী ফাঁস করবো যা শুনে বা পড়ে সবাই বিস্মিত হবেন।

তার আগে এক হতভাগ্য স্বামী ও পিতার হৃদয় আর্তনাদ শুনে নিই।

ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ আমলে আমার স্ত্রীর ওয়ারকিং স্টেশন ছিল হাজরাপুর,মাগুরা।তখন সেখানকার রানিং চেয়ারম্যান মোঃ কবির হোসেন। এই কবিরের কুদৃষ্টি পড়ে আমার স্ত্রীর ওপর।

আমার স্ত্রী ইউনিয়ন অফিসের একজন সরকারি কর্মকর্তা । আর কবির প্রভাবশালী চেয়ারম্যান ও এমপি সাইফুজ্জামান শিখরের কাছের লোক।সে বিভিন্ন ভাবে লোভ দেখিয়ে আমার স্ত্রীকে ফাঁদে ফেলার চেষ্টা করে।

তখন ২০২১ সাল। আওয়ামী লীগের স্বর্ণ যুগ চলতেছিল। আমরা যারা ভিন্নমতের মানুষ তারাও ভেবে নিয়েছিলাম এই ফ্যাসিস্ট সরকারের পতন অসম্ভব। তাই এই কবির চেয়ারম্যানের শক্তি আর টাকার লোভে আমার স্ত্রী তার ফাঁদে পা দেয়। আর কবিরের ফাঁদে পা দেওয়ার পরেই কবির তাকে একদা বন্দি করে নির্যাতন করে অশ্লীল ভিডিও ধারন করে।এর পর থেকে শুরু হয় ক্রমাগত ব্লাকমেইল।

এই ব্লাকমেইল করে কবির চেয়ারম্যান আমার স্ত্রীকে দিয়ে বিভিন্ন অনৈতিক কাজ করানো শুরু করে।

আমার স্ত্রী তখন তার হাতের পুতুলে পরিণত হয়।

সে এর ভেতরে অনেকবারই ফিরে আসতে চেয়েছিলো আমার কাছে। কিন্তু এই কবিরের ব্লাকমেইল আর তার গ্যাং দিয়ে ভয় দেখিয়ে তার আসার পথ বন্ধ করে দেয়।

শেষে ২০২৫ এর মে মাসে আবারও আমার স্ত্রী আমার কাছে ফিরে আসতে চায়।

কিন্তু কবির চেয়ারম্যান তার ফেইসবুকে হুমকি দিয়ে ব্লাকমেইল এর পোস্ট দেয়।

এতে করে আমার স্ত্রী ভালো ভাবেই আটকে যায় তার ফাঁদে।

কবির চেয়ারম্যান এতোটা নিকৃষ্ট যে, আমার ৪ বছরের ছোট্ট বাচ্চাটাকেও আমার সাথে কথা বলতে দেয় না।

অথচ এই বাচ্চাটার একমাত্র ভালোবাসার মানুষ ছিলাম আমি।আমার বাচ্চাটা আমাকে ছাড়া কিছুই বুঝতো না।

এই বাচ্চাটাকে কবির চেয়ারম্যান তার বাবার আদর,সোহাগ,ভালোবাসা থেকে বঞ্চিত করে।

আমার সাথে দেখা করানো তো দুরের কথা আমি ২০২২ থেকে আমার বাচ্চাটার সাথে কথাও বলতে পারি নাই।

এটা এমন একটা বিষয় আমার জন্য যে, আমাকে একা একা প্রতিনিয়ত চোখের পানি ফেলতে হয়।

এটা আসলে মান সম্মান এর বিষয়। সে এমন একটা পরিস্থিতি সৃষ্টি করছে যেখানে আমাকে প্রতিদিন বিষ খাইয়ে মারা হচ্ছে। আমি তীব্র যন্ত্রণায় প্রতিদিন মারা যাচ্ছি কিন্তু বলতে পারছি না।

(চলবে)