ঢাকা ১২:৪৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬, ৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ:
এমডি’র অব্যবস্থাপনায় ডুবছে অগ্রণী ব্যাংক! ভাঙ্গুড়ায় শহীদ মিনারের জায়গা অবৈধ দখলমুক্ত করলেন বিএনপি নেতৃবৃন্দ। আলীগের সাবেক এমপি শাহীন চাকলাদারসহ ৮ জনের বিরুদ্ধে যশোরে হত্যাচেষ্টা মামলা। শিশু খাদ্যে ভেজালে পুলেরহাটে তানসীপ ট্রেডার্সকে লক্ষ টাকা জরিমানা। কুমিল্লা বুড়িচং প্রেস ক্লাবের নির্বাচনে খোরশেদ সভাপতি, বাবু সম্পাদক, সাংগঠনিক সম্পাদক জাকির। গণপূর্তের ‘উজির’: ক্ষমতার বলয়, টেন্ডার সিন্ডিকেট ও বিপুল সম্পদের অভিযোগ। গণপূর্তে ‘কায়কোবাদ বলয়’ : কমিশন বাণিজ্য, বদলি-পদায়ন ও বিপুল সম্পদের অভিযোগ—নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি। কাহারোল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ১০১ শয্যায় উন্নীত: আনন্দ-উচ্ছ্বাসে কাহারোলবাসী। রাষ্ট্রপতির একান্ত সচিব পদে ঠাকুরগাঁওয়ের আউয়াল আহমেদ। প্রধান বিদ্যুৎ পরিদর্শকের দপ্তরে ৫৭১ কোটি টাকার অতিরিক্ত অর্থ আদায় ও নানা অনিয়মের অভিযোগ। 

মাগুরা ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালের রেকর্ডকিপার তরিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে চাকুরী দেওয়ার নামে এক যুবকের ২ লাখ টাকা আত্মসাৎ এর অভিযোগ!

  • সারাক্ষণ ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৭:৪৯:৫১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৯ জানুয়ারী ২০২৬
  • ১৯৮ জন সংবাদটি পড়েছেন

মাগুরা প্রতিনিধি

ভুয়া সরকারি পরিচয়পত্র ও চাকরির কার্ড তৈরি করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের নামে এক যুবককে চাকরি দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে দুই লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে মাগুরা ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট সদর হাসপাতালের রেকর্ডকিপার তরিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে।
ভুক্তভোগী পরিবার ও হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, অভিযুক্ত তরিকুল ইসলাম একটি ভুয়া “অস্থায়ী পরিচয়পত্র” দেখিয়ে নিজেকে সরকারি প্রভাবশালী মহলের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট দাবি করেন। সেই পরিচয়পত্রে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের নাম, ভুয়া পরিচয়পত্র নম্বর, ইস্যু তারিখ এমনকি যুগ্ম সচিবের স্বাক্ষরের উল্লেখ থাকলেও সেটি সম্পূর্ণ জাল বলে দাবি করছেন ভুক্তভোগীরা।
স্ত্রীর স্বর্ণ বিক্রি করে টাকা দেন বাবা। ভুক্তভোগী যুবকের পিতা আলিম বলেন, “আমার ছেলেকে সরকারি চাকরি দেওয়ার কথা বলে তরিকুল ইসলাম দুই লাখ টাকা নেয়। সেই টাকা জোগাড় করতে আমার স্ত্রীর স্বর্ণ পর্যন্ত বিক্রি করতে হয়েছে। এখন সে টাকা ফেরত দিচ্ছে না, নানা অজুহাত দেখাচ্ছে।”
তিনি আরও বলেন, চাকরির প্রমাণ হিসেবে তার ছেলেকে একটি ভুয়া আইডি কার্ড দেওয়া হয়। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে ছেলেকে হাসপাতালে কাজে যেতে দেওয়া হচ্ছে না, এমনকি অভিযুক্ত রেকর্ডকিপার নিজেও এখন হাসপাতালে নিয়মিত আসছেন না।
এ বিষয়ে মাগুরা ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডাক্তার মো. মহসিন ফকির বলেন, “রেকর্ডকিপার তরিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে একাধিক অনিয়ম ও দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে। তিনি ঠিকমতো ডিউটি করেন না, ফোন রিসিভ করেন না। ভুক্তভোগীদের লিখিত অভিযোগ দিতে বলা হয়েছে। অভিযোগ পেলে আমরা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেব।”
অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত রেকর্ডকিপার তরিকুল ইসলাম বলেন, “আমি টাকা নিয়েছি, এটা ঠিক। তবে আমি প্রতারণা করিনি। টাকা ফেরত দিয়ে দেবো, কয়েকদিন সময় লাগবে।” তবে তিনি ভুয়া পরিচয়পত্র ও চাকরির কার্ড তৈরির বিষয়ে স্পষ্ট কোনো ব্যাখ্যা দিতে পারেননি।
ভুক্তভোগীদের হাতে থাকা পরিচয়পত্রে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের নাম ব্যবহার করা হলেও সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কোনো আনুষ্ঠানিক রেকর্ড বা অনুমোদনের প্রমাণ পাওয়া যায়নি।
সরকারি দপ্তরের নাম ব্যবহার করে প্রতারণার গুরুতর অপরাধ বলে

Tag :
About Author Information

Sanjib Das

জনপ্রিয় সংবাদ

এমডি’র অব্যবস্থাপনায় ডুবছে অগ্রণী ব্যাংক!

মাগুরা ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালের রেকর্ডকিপার তরিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে চাকুরী দেওয়ার নামে এক যুবকের ২ লাখ টাকা আত্মসাৎ এর অভিযোগ!

আপডেট সময় : ০৭:৪৯:৫১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৯ জানুয়ারী ২০২৬

মাগুরা প্রতিনিধি

ভুয়া সরকারি পরিচয়পত্র ও চাকরির কার্ড তৈরি করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের নামে এক যুবককে চাকরি দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে দুই লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে মাগুরা ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট সদর হাসপাতালের রেকর্ডকিপার তরিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে।
ভুক্তভোগী পরিবার ও হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, অভিযুক্ত তরিকুল ইসলাম একটি ভুয়া “অস্থায়ী পরিচয়পত্র” দেখিয়ে নিজেকে সরকারি প্রভাবশালী মহলের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট দাবি করেন। সেই পরিচয়পত্রে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের নাম, ভুয়া পরিচয়পত্র নম্বর, ইস্যু তারিখ এমনকি যুগ্ম সচিবের স্বাক্ষরের উল্লেখ থাকলেও সেটি সম্পূর্ণ জাল বলে দাবি করছেন ভুক্তভোগীরা।
স্ত্রীর স্বর্ণ বিক্রি করে টাকা দেন বাবা। ভুক্তভোগী যুবকের পিতা আলিম বলেন, “আমার ছেলেকে সরকারি চাকরি দেওয়ার কথা বলে তরিকুল ইসলাম দুই লাখ টাকা নেয়। সেই টাকা জোগাড় করতে আমার স্ত্রীর স্বর্ণ পর্যন্ত বিক্রি করতে হয়েছে। এখন সে টাকা ফেরত দিচ্ছে না, নানা অজুহাত দেখাচ্ছে।”
তিনি আরও বলেন, চাকরির প্রমাণ হিসেবে তার ছেলেকে একটি ভুয়া আইডি কার্ড দেওয়া হয়। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে ছেলেকে হাসপাতালে কাজে যেতে দেওয়া হচ্ছে না, এমনকি অভিযুক্ত রেকর্ডকিপার নিজেও এখন হাসপাতালে নিয়মিত আসছেন না।
এ বিষয়ে মাগুরা ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডাক্তার মো. মহসিন ফকির বলেন, “রেকর্ডকিপার তরিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে একাধিক অনিয়ম ও দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে। তিনি ঠিকমতো ডিউটি করেন না, ফোন রিসিভ করেন না। ভুক্তভোগীদের লিখিত অভিযোগ দিতে বলা হয়েছে। অভিযোগ পেলে আমরা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেব।”
অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত রেকর্ডকিপার তরিকুল ইসলাম বলেন, “আমি টাকা নিয়েছি, এটা ঠিক। তবে আমি প্রতারণা করিনি। টাকা ফেরত দিয়ে দেবো, কয়েকদিন সময় লাগবে।” তবে তিনি ভুয়া পরিচয়পত্র ও চাকরির কার্ড তৈরির বিষয়ে স্পষ্ট কোনো ব্যাখ্যা দিতে পারেননি।
ভুক্তভোগীদের হাতে থাকা পরিচয়পত্রে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের নাম ব্যবহার করা হলেও সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কোনো আনুষ্ঠানিক রেকর্ড বা অনুমোদনের প্রমাণ পাওয়া যায়নি।
সরকারি দপ্তরের নাম ব্যবহার করে প্রতারণার গুরুতর অপরাধ বলে