ঢাকা ০১:৫৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬, ২৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ:
প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে অভিযোগ: ফ্যাসিবাদের দোসর মোঃ শহীদ আতাহার হোসেন এর গ্রাসে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তর! গোয়েন্দা সংস্থার পদক্ষেপ জরুরী, সরকারকে বেকায়দায় ফেলতে আমলা ও গুপ্ত সিন্ডিকেটের নানামুখি চক্রান্ত! মাকে কাঁধে করে ছেলের ভিক্ষাবৃত্তি। কুমিল্লার লাকসামের সোহান হত্যা মামলায় মিজানুর রহমানের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড। গাজীপুরের কালিয়াকৈরে পার্কিং করা গাড়িতে আগুন। সরকারি রাস্তা দখল করে পাকা ভবন নির্মাণের অভিযোগ, এলাকাবাসীর ক্ষোভ। উচ্ছেদ নয়, আগে পুনর্বাসন: মিটফোর্ড সুইপার কলোনির সংকট রাষ্ট্রের মানবিকতা, ন্যায়বিচার ও সংবিধানের পরীক্ষা। রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলার ক্ষুদে সংগীতশিল্পী অনুশ্রী রায়ের স্বপ্ন পূরণ করলেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। রাজস্ব ঘাটতি ৮৮ হাজার কোটি টাকা:  এনবিআর এর ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আহসান হাবিবের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে অভিযোগ। সরকারের বিরুদ্ধে ভয়ংকর ষড়যন্ত্র:  মন্ত্রিসভা থেকে বাদ পড়তে পারেন বিতর্কিত স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ও চুক্তিভিত্তিক সচিব!

মাগুরা ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালের রেকর্ডকিপার তরিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে চাকুরী দেওয়ার নামে এক যুবকের ২ লাখ টাকা আত্মসাৎ এর অভিযোগ!

  • সারাক্ষণ ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৭:৪৯:৫১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৯ জানুয়ারী ২০২৬
  • ১৯০ জন সংবাদটি পড়েছেন

মাগুরা প্রতিনিধি

ভুয়া সরকারি পরিচয়পত্র ও চাকরির কার্ড তৈরি করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের নামে এক যুবককে চাকরি দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে দুই লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে মাগুরা ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট সদর হাসপাতালের রেকর্ডকিপার তরিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে।
ভুক্তভোগী পরিবার ও হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, অভিযুক্ত তরিকুল ইসলাম একটি ভুয়া “অস্থায়ী পরিচয়পত্র” দেখিয়ে নিজেকে সরকারি প্রভাবশালী মহলের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট দাবি করেন। সেই পরিচয়পত্রে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের নাম, ভুয়া পরিচয়পত্র নম্বর, ইস্যু তারিখ এমনকি যুগ্ম সচিবের স্বাক্ষরের উল্লেখ থাকলেও সেটি সম্পূর্ণ জাল বলে দাবি করছেন ভুক্তভোগীরা।
স্ত্রীর স্বর্ণ বিক্রি করে টাকা দেন বাবা। ভুক্তভোগী যুবকের পিতা আলিম বলেন, “আমার ছেলেকে সরকারি চাকরি দেওয়ার কথা বলে তরিকুল ইসলাম দুই লাখ টাকা নেয়। সেই টাকা জোগাড় করতে আমার স্ত্রীর স্বর্ণ পর্যন্ত বিক্রি করতে হয়েছে। এখন সে টাকা ফেরত দিচ্ছে না, নানা অজুহাত দেখাচ্ছে।”
তিনি আরও বলেন, চাকরির প্রমাণ হিসেবে তার ছেলেকে একটি ভুয়া আইডি কার্ড দেওয়া হয়। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে ছেলেকে হাসপাতালে কাজে যেতে দেওয়া হচ্ছে না, এমনকি অভিযুক্ত রেকর্ডকিপার নিজেও এখন হাসপাতালে নিয়মিত আসছেন না।
এ বিষয়ে মাগুরা ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডাক্তার মো. মহসিন ফকির বলেন, “রেকর্ডকিপার তরিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে একাধিক অনিয়ম ও দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে। তিনি ঠিকমতো ডিউটি করেন না, ফোন রিসিভ করেন না। ভুক্তভোগীদের লিখিত অভিযোগ দিতে বলা হয়েছে। অভিযোগ পেলে আমরা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেব।”
অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত রেকর্ডকিপার তরিকুল ইসলাম বলেন, “আমি টাকা নিয়েছি, এটা ঠিক। তবে আমি প্রতারণা করিনি। টাকা ফেরত দিয়ে দেবো, কয়েকদিন সময় লাগবে।” তবে তিনি ভুয়া পরিচয়পত্র ও চাকরির কার্ড তৈরির বিষয়ে স্পষ্ট কোনো ব্যাখ্যা দিতে পারেননি।
ভুক্তভোগীদের হাতে থাকা পরিচয়পত্রে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের নাম ব্যবহার করা হলেও সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কোনো আনুষ্ঠানিক রেকর্ড বা অনুমোদনের প্রমাণ পাওয়া যায়নি।
সরকারি দপ্তরের নাম ব্যবহার করে প্রতারণার গুরুতর অপরাধ বলে

Tag :
About Author Information

Sanjib Das

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে অভিযোগ: ফ্যাসিবাদের দোসর মোঃ শহীদ আতাহার হোসেন এর গ্রাসে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তর!

মাগুরা ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালের রেকর্ডকিপার তরিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে চাকুরী দেওয়ার নামে এক যুবকের ২ লাখ টাকা আত্মসাৎ এর অভিযোগ!

আপডেট সময় : ০৭:৪৯:৫১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৯ জানুয়ারী ২০২৬

মাগুরা প্রতিনিধি

ভুয়া সরকারি পরিচয়পত্র ও চাকরির কার্ড তৈরি করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের নামে এক যুবককে চাকরি দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে দুই লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে মাগুরা ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট সদর হাসপাতালের রেকর্ডকিপার তরিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে।
ভুক্তভোগী পরিবার ও হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, অভিযুক্ত তরিকুল ইসলাম একটি ভুয়া “অস্থায়ী পরিচয়পত্র” দেখিয়ে নিজেকে সরকারি প্রভাবশালী মহলের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট দাবি করেন। সেই পরিচয়পত্রে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের নাম, ভুয়া পরিচয়পত্র নম্বর, ইস্যু তারিখ এমনকি যুগ্ম সচিবের স্বাক্ষরের উল্লেখ থাকলেও সেটি সম্পূর্ণ জাল বলে দাবি করছেন ভুক্তভোগীরা।
স্ত্রীর স্বর্ণ বিক্রি করে টাকা দেন বাবা। ভুক্তভোগী যুবকের পিতা আলিম বলেন, “আমার ছেলেকে সরকারি চাকরি দেওয়ার কথা বলে তরিকুল ইসলাম দুই লাখ টাকা নেয়। সেই টাকা জোগাড় করতে আমার স্ত্রীর স্বর্ণ পর্যন্ত বিক্রি করতে হয়েছে। এখন সে টাকা ফেরত দিচ্ছে না, নানা অজুহাত দেখাচ্ছে।”
তিনি আরও বলেন, চাকরির প্রমাণ হিসেবে তার ছেলেকে একটি ভুয়া আইডি কার্ড দেওয়া হয়। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে ছেলেকে হাসপাতালে কাজে যেতে দেওয়া হচ্ছে না, এমনকি অভিযুক্ত রেকর্ডকিপার নিজেও এখন হাসপাতালে নিয়মিত আসছেন না।
এ বিষয়ে মাগুরা ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডাক্তার মো. মহসিন ফকির বলেন, “রেকর্ডকিপার তরিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে একাধিক অনিয়ম ও দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে। তিনি ঠিকমতো ডিউটি করেন না, ফোন রিসিভ করেন না। ভুক্তভোগীদের লিখিত অভিযোগ দিতে বলা হয়েছে। অভিযোগ পেলে আমরা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেব।”
অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত রেকর্ডকিপার তরিকুল ইসলাম বলেন, “আমি টাকা নিয়েছি, এটা ঠিক। তবে আমি প্রতারণা করিনি। টাকা ফেরত দিয়ে দেবো, কয়েকদিন সময় লাগবে।” তবে তিনি ভুয়া পরিচয়পত্র ও চাকরির কার্ড তৈরির বিষয়ে স্পষ্ট কোনো ব্যাখ্যা দিতে পারেননি।
ভুক্তভোগীদের হাতে থাকা পরিচয়পত্রে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের নাম ব্যবহার করা হলেও সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কোনো আনুষ্ঠানিক রেকর্ড বা অনুমোদনের প্রমাণ পাওয়া যায়নি।
সরকারি দপ্তরের নাম ব্যবহার করে প্রতারণার গুরুতর অপরাধ বলে