ঢাকা ১২:৩৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ:
মাগুরায় শালিখা উপজেলা নির্বাহী অফিসার বনি আমিন সহ ৪ জনের নামে সাংবাদিকের মামলা দায়ের! অসীম ক্ষমতাধর মাসুদুল ইসলাম একসাথে পাঁচ পদের দায়িত্বে।  বিআইডব্লিউটিএ’ র বিতর্কিত কর্মকাণ্ড। দেশের জ্বালানী ও অর্থনীতি সংকটেও বিআইডব্লিউটিএতে বিলাসী বনভোজনের নামে অর্থ ও জ্বালানি অপচয়ে মনোরঞ্জন।  বর্ণাঢ্য আয়োজনে শ্রীপুর সাংবাদিক সমিতির ফ্যামিলি ডে ও বাংলা নববর্ষ উদযাপন। “যোগ্যদের স্বীকৃতি দিতে পেরে গর্বিত”—মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন স্বাধীনতা পদক–২০২৬ ও সাহিত্য সম্মাননা প্রদান। চট্টগ্রাম নগরীর বাকলিয়া রসুলবাগ ‘চাক্তাই ডাইভারশন খালটি’ সংস্কার জরুরী। আমতলীতে জ্বালানি সংকট তীব্র আকারে, বিপাকে ভাড়ায় চালিত মোটরসাইকেল চালকরা। বাংলাদেশ সনাতন ধর্ম সুরক্ষা পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক বর্ধিত সভা অনুষ্টিত। অবসর নিতে চান মির্জা ফখরুল, মহাসচিব পদে ‘পরিবর্তনের’ ইঙ্গিত। ফ্যাস্টিট হাসিনা সরকারের দোসর আবু সাঈদ মোল্লা এখন পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের উপসচিব হলেন কিভাবে? কর্মকর্তাদের মধ্যে চাঁপা ক্ষোভ।

রাজউকে ‘অদৃশ্য ক্ষমতার দুর্গ’—গুলশান এস্টেট ও ভূমি-৩ শাখায় লিটন সরকারের অপ্রতিরোধ্য দাপট ! দেখার কেউ নেই?

  • সারাক্ষণ ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৮:১৪:২৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬
  • ২১৪ জন সংবাদটি পড়েছেন

রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক)—রাষ্ট্রের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নগর উন্নয়ন সংস্থা। কিন্তু এই প্রতিষ্ঠানের গুলশান এস্টেট ও ভূমি-৩ শাখা এখন যেন পরিণত হয়েছে এক অদৃশ্য ক্ষমতার দুর্গে। সেই দুর্গের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন উপ-পরিচালক মোঃ লিটন সরকার (আইডি: ১৭১৪৯)—যাঁর বিরুদ্ধে অনিয়ম, দুর্নীতি ও স্বেচ্ছাচারিতার অভিযোগ দিন দিন ভয়াবহ আকার ধারণ করছে।

রাজউকের অভ্যন্তরীণ একাধিক সূত্র ও মাঠপর্যায়ের অনুসন্ধানে উঠে এসেছে—লিটন সরকার দীর্ঘদিন ধরে ক্ষমতার অপব্যবহার করে একটি প্রভাবশালী সুবিধাভোগী নেটওয়ার্ক গড়ে তুলেছেন, যা রাজউকের স্বচ্ছতা, শৃঙ্খলা এবং সুনামকে মারাত্মকভাবে প্রশ্নবিদ্ধ করছে।জমি বরাদ্দে ‘কন্ট্রাক্ট সিন্ডিকেট’—রাজউকের অলিখিত নিয়ম!

সূত্র জানায়, লিটন সরকার তার দপ্তরে একক কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা করে ভূমি বরাদ্দ, ইজারা, নিলাম ও হস্তান্তর প্রক্রিয়া কার্যত নিয়ন্ত্রণ করছেন।

অভিযোগ রয়েছে—ঘনিষ্ঠ ঠিকাদার, রাজনৈতিক প্রভাবশালী ব্যক্তি ও সুবিধাভোগী ব্যবসায়ীদের নিয়ে তিনি গড়ে তুলেছেন একটি অঘোষিত ‘কন্ট্রাক্ট সিন্ডিকেট’।রাজউকের ভেতরে এখন প্রকাশ্যেই শোনা যায়—

“রাজউকে জমি পেতে হলে আগে লিটনের ঘর চিনতে হয়।” এই বাক্যই নাকি আজ রাজউকের বাস্তব চিত্র।

রাজনৈতিক ছত্রচ্ছায়ায় অবৈধ লেনদেন—কোটি কোটি টাকার ফাইল ‘ম্যানেজ’ : অনুসন্ধানে জানা গেছে, সাবেক ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের বিতর্কিত নেতাকর্মী ও তাদের ব্যবসায়ী অংশীদারদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ বজায় রেখে লিটন সরকার তার প্রভাববলয় বিস্তার করেছেন।

অভিযোগ রয়েছে—রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় রাজউকের মালিকানাধীন জমি ও পরিত্যক্ত ভবন নিয়ে গোপন রেজিস্ট্রেশন, দখল বৈধকরণ এবং ফাইল ‘ম্যানেজ’ করে কোটি কোটি টাকার অবৈধ লেনদেন সংঘটিত হয়েছে। বিনিময়ে রাজনৈতিক আশ্রয়-প্রশ্রয় নিশ্চিত করাই ছিল তার প্রধান কৌশল—এমন দাবি সংশ্লিষ্টদের।

অফিসে ‘ব্যক্তি বন্দনা’ সংস্কৃতি—প্রতিবাদ করলেই শাস্তি : গুলশান এস্টেট শাখায় এখন নাকি চালু হয়েছে ‘ব্যক্তি বন্দনা’ সংস্কৃতি। সাধারণ নাগরিকদের ফাইল মাসের পর মাস আটকে রাখা, অযৌক্তিক হয়রানি, মনগড়া নোটিং এবং বিধিবহির্ভূত ক্ষমতা প্রয়োগ নিত্যদিনের চিত্র।

আরও গুরুতর অভিযোগ—যেসব কর্মকর্তা-কর্মচারী এসব অনিয়মের বিরুদ্ধে মুখ খুলতে চেয়েছেন, তাদের বদলি, শাস্তিমূলক ব্যবস্থা কিংবা উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে দুর্নাম ছড়িয়ে চুপ করিয়ে দেওয়া হয়েছে।

বিতর্কিত প্লট ও রহস্যজনক ফাইল জট—গুলশানের মূল্যবান সম্পত্তি কার দখলে ?

মাঠপর্যায়ের অনুসন্ধানে গুলশান এলাকার একাধিক মূল্যবান প্লট ও পরিত্যক্ত বাড়ি নিয়ে গুরুতর অস্পষ্টতার তথ্য মিলেছে। মালিকানা, ইজারা ও ব্যবস্থাপনায় অস্বাভাবিক ফাইল জট সৃষ্টি করে নিয়ন্ত্রিত সুবিধাভোগীদের হাতে সম্পত্তি তুলে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এতে রাজউকের মতো একটি রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের ওপর জনআস্থায় বড় ধরনের ফাটল তৈরি হচ্ছে।

অফিস চলাকালীন মাদক সেবনের অভিযোগ—প্রশাসনিক শৃঙ্খলায় চরম অবক্ষয় : রাজউকের অভ্যন্তরীণ একাধিক সূত্র দাবি করেছে—উপ-পরিচালক লিটন সরকারের বিরুদ্ধে অফিস চলাকালীন ফেনসিডিল সেবনের অভিযোগ রয়েছে। কয়েকজন কর্মচারী নির্দিষ্টভাবে এ অভিযোগ তুলেছেন। যদিও এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক তদন্ত দৃশ্যমান নয়, তবুও বিষয়টি রাজউকের প্রশাসনিক মর্যাদা ও শৃঙ্খলার ওপর গভীর প্রশ্ন তুলছে।

‘আমার কিছু হবে না’—উর্ধ্বতন মহলে বিশেষ সখ্যতার দাবি :

এইসব অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানতে চাইলে লিটন সরকার আঁশফলন দেখিয়ে বলেন— “এসব রিপোর্টে আমার কিছুই হবে না। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান, সচিব নজরুল ইসলামসহ রাজউকের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমার বিশেষ সখ্যতা আছে।”

এই বক্তব্যেই স্পষ্ট—অভিযোগের চেয়েও ভয়ংকর হয়ে উঠছে প্রশাসনিক দায়মুক্তির সংস্কৃতি।প্রশ্নের মুখে রাজউকের জবাবদিহিতা : দীর্ঘদিন ধরে এমন গুরুতর অভিযোগ ওঠার পরও কার্যকর ব্যবস্থা না নেওয়ায় প্রশ্ন উঠেছে—রাজউকের অভ্যন্তরীণ নজরদারি ব্যবস্থা কি আদৌ সক্রিয় ? নাকি প্রভাবশালী নেটওয়ার্কের কাছে প্রতিষ্ঠানটি জিম্মি ?

সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, অবিলম্বে স্বাধীন তদন্ত কমিশন, দুদক অনুসন্ধান এবং প্রশাসনিক পদক্ষেপ না নিলে রাজউকের মতো গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের ওপর জনগণের আস্থা ভয়াবহভাবে ক্ষয়ে পড়বে। প্রতিবেদনের পর সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কী পদক্ষেপ নেয় —-সেদিকেই এখন নজর নগরবাসীর।

কারণ প্রশ্ন একটাই—রাজউক জনগণের প্রতিষ্ঠান, নাকি কিছু প্রভাবশালীর ব্যক্তিগত সম্পত্তি ?

Tag :
About Author Information

GOURANGA BOSE

জনপ্রিয় সংবাদ

মাগুরায় শালিখা উপজেলা নির্বাহী অফিসার বনি আমিন সহ ৪ জনের নামে সাংবাদিকের মামলা দায়ের!

রাজউকে ‘অদৃশ্য ক্ষমতার দুর্গ’—গুলশান এস্টেট ও ভূমি-৩ শাখায় লিটন সরকারের অপ্রতিরোধ্য দাপট ! দেখার কেউ নেই?

আপডেট সময় : ০৮:১৪:২৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬

রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক)—রাষ্ট্রের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নগর উন্নয়ন সংস্থা। কিন্তু এই প্রতিষ্ঠানের গুলশান এস্টেট ও ভূমি-৩ শাখা এখন যেন পরিণত হয়েছে এক অদৃশ্য ক্ষমতার দুর্গে। সেই দুর্গের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন উপ-পরিচালক মোঃ লিটন সরকার (আইডি: ১৭১৪৯)—যাঁর বিরুদ্ধে অনিয়ম, দুর্নীতি ও স্বেচ্ছাচারিতার অভিযোগ দিন দিন ভয়াবহ আকার ধারণ করছে।

রাজউকের অভ্যন্তরীণ একাধিক সূত্র ও মাঠপর্যায়ের অনুসন্ধানে উঠে এসেছে—লিটন সরকার দীর্ঘদিন ধরে ক্ষমতার অপব্যবহার করে একটি প্রভাবশালী সুবিধাভোগী নেটওয়ার্ক গড়ে তুলেছেন, যা রাজউকের স্বচ্ছতা, শৃঙ্খলা এবং সুনামকে মারাত্মকভাবে প্রশ্নবিদ্ধ করছে।জমি বরাদ্দে ‘কন্ট্রাক্ট সিন্ডিকেট’—রাজউকের অলিখিত নিয়ম!

সূত্র জানায়, লিটন সরকার তার দপ্তরে একক কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা করে ভূমি বরাদ্দ, ইজারা, নিলাম ও হস্তান্তর প্রক্রিয়া কার্যত নিয়ন্ত্রণ করছেন।

অভিযোগ রয়েছে—ঘনিষ্ঠ ঠিকাদার, রাজনৈতিক প্রভাবশালী ব্যক্তি ও সুবিধাভোগী ব্যবসায়ীদের নিয়ে তিনি গড়ে তুলেছেন একটি অঘোষিত ‘কন্ট্রাক্ট সিন্ডিকেট’।রাজউকের ভেতরে এখন প্রকাশ্যেই শোনা যায়—

“রাজউকে জমি পেতে হলে আগে লিটনের ঘর চিনতে হয়।” এই বাক্যই নাকি আজ রাজউকের বাস্তব চিত্র।

রাজনৈতিক ছত্রচ্ছায়ায় অবৈধ লেনদেন—কোটি কোটি টাকার ফাইল ‘ম্যানেজ’ : অনুসন্ধানে জানা গেছে, সাবেক ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের বিতর্কিত নেতাকর্মী ও তাদের ব্যবসায়ী অংশীদারদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ বজায় রেখে লিটন সরকার তার প্রভাববলয় বিস্তার করেছেন।

অভিযোগ রয়েছে—রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় রাজউকের মালিকানাধীন জমি ও পরিত্যক্ত ভবন নিয়ে গোপন রেজিস্ট্রেশন, দখল বৈধকরণ এবং ফাইল ‘ম্যানেজ’ করে কোটি কোটি টাকার অবৈধ লেনদেন সংঘটিত হয়েছে। বিনিময়ে রাজনৈতিক আশ্রয়-প্রশ্রয় নিশ্চিত করাই ছিল তার প্রধান কৌশল—এমন দাবি সংশ্লিষ্টদের।

অফিসে ‘ব্যক্তি বন্দনা’ সংস্কৃতি—প্রতিবাদ করলেই শাস্তি : গুলশান এস্টেট শাখায় এখন নাকি চালু হয়েছে ‘ব্যক্তি বন্দনা’ সংস্কৃতি। সাধারণ নাগরিকদের ফাইল মাসের পর মাস আটকে রাখা, অযৌক্তিক হয়রানি, মনগড়া নোটিং এবং বিধিবহির্ভূত ক্ষমতা প্রয়োগ নিত্যদিনের চিত্র।

আরও গুরুতর অভিযোগ—যেসব কর্মকর্তা-কর্মচারী এসব অনিয়মের বিরুদ্ধে মুখ খুলতে চেয়েছেন, তাদের বদলি, শাস্তিমূলক ব্যবস্থা কিংবা উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে দুর্নাম ছড়িয়ে চুপ করিয়ে দেওয়া হয়েছে।

বিতর্কিত প্লট ও রহস্যজনক ফাইল জট—গুলশানের মূল্যবান সম্পত্তি কার দখলে ?

মাঠপর্যায়ের অনুসন্ধানে গুলশান এলাকার একাধিক মূল্যবান প্লট ও পরিত্যক্ত বাড়ি নিয়ে গুরুতর অস্পষ্টতার তথ্য মিলেছে। মালিকানা, ইজারা ও ব্যবস্থাপনায় অস্বাভাবিক ফাইল জট সৃষ্টি করে নিয়ন্ত্রিত সুবিধাভোগীদের হাতে সম্পত্তি তুলে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এতে রাজউকের মতো একটি রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের ওপর জনআস্থায় বড় ধরনের ফাটল তৈরি হচ্ছে।

অফিস চলাকালীন মাদক সেবনের অভিযোগ—প্রশাসনিক শৃঙ্খলায় চরম অবক্ষয় : রাজউকের অভ্যন্তরীণ একাধিক সূত্র দাবি করেছে—উপ-পরিচালক লিটন সরকারের বিরুদ্ধে অফিস চলাকালীন ফেনসিডিল সেবনের অভিযোগ রয়েছে। কয়েকজন কর্মচারী নির্দিষ্টভাবে এ অভিযোগ তুলেছেন। যদিও এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক তদন্ত দৃশ্যমান নয়, তবুও বিষয়টি রাজউকের প্রশাসনিক মর্যাদা ও শৃঙ্খলার ওপর গভীর প্রশ্ন তুলছে।

‘আমার কিছু হবে না’—উর্ধ্বতন মহলে বিশেষ সখ্যতার দাবি :

এইসব অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানতে চাইলে লিটন সরকার আঁশফলন দেখিয়ে বলেন— “এসব রিপোর্টে আমার কিছুই হবে না। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান, সচিব নজরুল ইসলামসহ রাজউকের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমার বিশেষ সখ্যতা আছে।”

এই বক্তব্যেই স্পষ্ট—অভিযোগের চেয়েও ভয়ংকর হয়ে উঠছে প্রশাসনিক দায়মুক্তির সংস্কৃতি।প্রশ্নের মুখে রাজউকের জবাবদিহিতা : দীর্ঘদিন ধরে এমন গুরুতর অভিযোগ ওঠার পরও কার্যকর ব্যবস্থা না নেওয়ায় প্রশ্ন উঠেছে—রাজউকের অভ্যন্তরীণ নজরদারি ব্যবস্থা কি আদৌ সক্রিয় ? নাকি প্রভাবশালী নেটওয়ার্কের কাছে প্রতিষ্ঠানটি জিম্মি ?

সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, অবিলম্বে স্বাধীন তদন্ত কমিশন, দুদক অনুসন্ধান এবং প্রশাসনিক পদক্ষেপ না নিলে রাজউকের মতো গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের ওপর জনগণের আস্থা ভয়াবহভাবে ক্ষয়ে পড়বে। প্রতিবেদনের পর সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কী পদক্ষেপ নেয় —-সেদিকেই এখন নজর নগরবাসীর।

কারণ প্রশ্ন একটাই—রাজউক জনগণের প্রতিষ্ঠান, নাকি কিছু প্রভাবশালীর ব্যক্তিগত সম্পত্তি ?