ঢাকা ১১:৪০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬, ৪ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ:
নারায়ণগঞ্জকে আধুনিক, পরিবেশবান্ধব ও আন্তর্জাতিক মানের মেগাসিটি হিসেবে গড়ে তুলতে বৈশ্বিক অবকাঠামো নির্মাণ প্রতিষ্ঠান” চায়না হারবার ইঞ্জিনিয়ারিং” কোম্পানির সঙ্গে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত। সিলেটে নেমে এমপিদের কেন সংসদে যেতে বললেন প্রধানমন্ত্রী । মানুষ এখন স্থিতিশীলতা চায়, শান্তি ও কর্মসংস্থান চায়: মৌলভীবাজারে প্রধানমন্ত্রী। চট্টগ্রামে শিশু আয়াত হত্যা মামলায় আবীরের মৃত্যুদণ্ড, বাকলিয়ার শিশু ধর্ষন মামলার রায়ও আজ। দিনাজপুর বীরগঞ্জে প্রায় ৫ কেজি গাজা ও ৬০০ পিস ইয়াবাসহ কুখ্যাত মাদক বিক্রতা হাশেম গ্রেফতার. বগুড়ার ‘ফেন্সী রিমন’ এখন সাংবাদিক পরিচয়ে করছে নানা অপকর্ম। ষড়যন্ত্রমূলক মামলায় আসামিদের জামিন পুলিশের প্রশ্নবিদ্ধ তদন্ত । উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রায় বদলে যাচ্ছে ঝালকাঠি-১ আসন সহিংসতা ও নাশকতার মামলায় আওয়ামীলীগ নেতা আফজাল গ্রেপ্তার। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট ও ধর্মীয় নিপীড়নের প্রতিবাদে বাংলাদেশ পূজা উদযাপন ফ্রন্ট কেন্দ্রীয় কমিটির পক্ষ থেকে সংবাদ সম্মেলন।

রাজশাহীতে হত্যা মামলার আসামি উকিল গ্রেফতার।

 

রাজশাহী মহানগরীর মতিহার থানাধীন ডাঁসমারি এলাকার দিনমজুর গোলাম মোস্তফাকে গুলি করে হত্যার ঘটনায় দায়েরকৃত মামলার ২ নং এজাহারনামীয় আসামি মোঃ উকিলকে (৫২) গ্রেফতার করেছে র‍্যাব-৫। শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত ১২:০৫ ঘটিকায় রাজশাহী জেলার চারঘাট থানার ধর্মহাটা পটিয়াকান্দি এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

 

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, নিহত গোলাম মোস্তফা (৫২) পেশায় একজন দিনমজুর ছিলেন। গত ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখ রাত আনুমানিক ৮:১০ ঘটিকায় তিনি এশার নামাজ পড়তে মসজিদে যাওয়ার সময় খোঁজাপুর শাহী জামে মসজিদের অদূরে জনৈক হেলালের বাড়ির সামনে পৌঁছালে পূর্ব শত্রুতার জেরে হামলার শিকার হন। প্রধান আসামি হাসিবুল মোল্লা ও তার সহযোগীরা পরস্পর যোগসাজশে তাকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। এতে তার ডান পায়ের হাঁটুর উপরে গুরুতর জখম হয়।

পরবর্তীতে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ ২৮ ফেব্রুয়ারি রাত ৯:০০ ঘটিকার সময় কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

 

এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় নিহতের স্ত্রী নাজেরা বেগম বাদী হয়ে মতিহার থানায় ৩ জনের নাম উল্লেখ করে একটি হত্যা মামলা (মামলা নং-০৫) দায়ের করেন। মামলাটি দণ্ডবিধির ৩০২/৩৪ ধারা এবং ১৮৭৮ সালের অস্ত্র আইনের ১৯-এ ধারায় রুজু করা হয়।

ঘটনাটি জানাজানি হলে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয় এবং গণমাধ্যমে গুরুত্বের সাথে প্রচারিত হয়। এরই প্রেক্ষিতে র‍্যাব-৫ ছায়া তদন্ত শুরু করে। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় র‍্যাব-৫ এর একটি আভিযানিক দল চারঘাট এলাকায় অভিযান চালিয়ে মামলার ২ নং আসামি মোঃ উকিলকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। সে মতিহার থানার খোঁজাপুর এলাকার মৃত নহির উদ্দিনের ছেলে।

 

র‍্যাব-৫ এর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃত আসামি হত্যাকাণ্ডের সাথে তার সরাসরি সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেছে। আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের লক্ষ্যে তাকে সংশ্লিষ্ট মতিহার থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। অপরাধীদের গ্রেফতারে র‍্যাবের এই কঠোর অবস্থান অব্যাহত থাকবে বলেও জানানো

Tag :
About Author Information

GOURANGA BOSE

জনপ্রিয় সংবাদ

নারায়ণগঞ্জকে আধুনিক, পরিবেশবান্ধব ও আন্তর্জাতিক মানের মেগাসিটি হিসেবে গড়ে তুলতে বৈশ্বিক অবকাঠামো নির্মাণ প্রতিষ্ঠান” চায়না হারবার ইঞ্জিনিয়ারিং” কোম্পানির সঙ্গে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত।

রাজশাহীতে হত্যা মামলার আসামি উকিল গ্রেফতার।

আপডেট সময় : ১২:০৫:৩৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

 

রাজশাহী মহানগরীর মতিহার থানাধীন ডাঁসমারি এলাকার দিনমজুর গোলাম মোস্তফাকে গুলি করে হত্যার ঘটনায় দায়েরকৃত মামলার ২ নং এজাহারনামীয় আসামি মোঃ উকিলকে (৫২) গ্রেফতার করেছে র‍্যাব-৫। শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত ১২:০৫ ঘটিকায় রাজশাহী জেলার চারঘাট থানার ধর্মহাটা পটিয়াকান্দি এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

 

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, নিহত গোলাম মোস্তফা (৫২) পেশায় একজন দিনমজুর ছিলেন। গত ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখ রাত আনুমানিক ৮:১০ ঘটিকায় তিনি এশার নামাজ পড়তে মসজিদে যাওয়ার সময় খোঁজাপুর শাহী জামে মসজিদের অদূরে জনৈক হেলালের বাড়ির সামনে পৌঁছালে পূর্ব শত্রুতার জেরে হামলার শিকার হন। প্রধান আসামি হাসিবুল মোল্লা ও তার সহযোগীরা পরস্পর যোগসাজশে তাকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। এতে তার ডান পায়ের হাঁটুর উপরে গুরুতর জখম হয়।

পরবর্তীতে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ ২৮ ফেব্রুয়ারি রাত ৯:০০ ঘটিকার সময় কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

 

এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় নিহতের স্ত্রী নাজেরা বেগম বাদী হয়ে মতিহার থানায় ৩ জনের নাম উল্লেখ করে একটি হত্যা মামলা (মামলা নং-০৫) দায়ের করেন। মামলাটি দণ্ডবিধির ৩০২/৩৪ ধারা এবং ১৮৭৮ সালের অস্ত্র আইনের ১৯-এ ধারায় রুজু করা হয়।

ঘটনাটি জানাজানি হলে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয় এবং গণমাধ্যমে গুরুত্বের সাথে প্রচারিত হয়। এরই প্রেক্ষিতে র‍্যাব-৫ ছায়া তদন্ত শুরু করে। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় র‍্যাব-৫ এর একটি আভিযানিক দল চারঘাট এলাকায় অভিযান চালিয়ে মামলার ২ নং আসামি মোঃ উকিলকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। সে মতিহার থানার খোঁজাপুর এলাকার মৃত নহির উদ্দিনের ছেলে।

 

র‍্যাব-৫ এর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃত আসামি হত্যাকাণ্ডের সাথে তার সরাসরি সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেছে। আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের লক্ষ্যে তাকে সংশ্লিষ্ট মতিহার থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। অপরাধীদের গ্রেফতারে র‍্যাবের এই কঠোর অবস্থান অব্যাহত থাকবে বলেও জানানো