ঢাকা ১২:৪৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ:
মাগুরায় শালিখা উপজেলা নির্বাহী অফিসার বনি আমিন সহ ৪ জনের নামে সাংবাদিকের মামলা দায়ের! অসীম ক্ষমতাধর মাসুদুল ইসলাম একসাথে পাঁচ পদের দায়িত্বে।  বিআইডব্লিউটিএ’ র বিতর্কিত কর্মকাণ্ড। দেশের জ্বালানী ও অর্থনীতি সংকটেও বিআইডব্লিউটিএতে বিলাসী বনভোজনের নামে অর্থ ও জ্বালানি অপচয়ে মনোরঞ্জন।  বর্ণাঢ্য আয়োজনে শ্রীপুর সাংবাদিক সমিতির ফ্যামিলি ডে ও বাংলা নববর্ষ উদযাপন। “যোগ্যদের স্বীকৃতি দিতে পেরে গর্বিত”—মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন স্বাধীনতা পদক–২০২৬ ও সাহিত্য সম্মাননা প্রদান। চট্টগ্রাম নগরীর বাকলিয়া রসুলবাগ ‘চাক্তাই ডাইভারশন খালটি’ সংস্কার জরুরী। আমতলীতে জ্বালানি সংকট তীব্র আকারে, বিপাকে ভাড়ায় চালিত মোটরসাইকেল চালকরা। বাংলাদেশ সনাতন ধর্ম সুরক্ষা পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক বর্ধিত সভা অনুষ্টিত। অবসর নিতে চান মির্জা ফখরুল, মহাসচিব পদে ‘পরিবর্তনের’ ইঙ্গিত। ফ্যাস্টিট হাসিনা সরকারের দোসর আবু সাঈদ মোল্লা এখন পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের উপসচিব হলেন কিভাবে? কর্মকর্তাদের মধ্যে চাঁপা ক্ষোভ।

চট্টগ্রামে অকটেন সংকট চরমে, রেশনিংয়ে চলছে জ্বালানি বিক্রি।

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান অস্থিরতার প্রভাবে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা দেখা দেওয়ায় চট্টগ্রামজুড়ে জ্বালানি তেল নিয়ে জনভোগান্তি চরম আকার ধারণ করেছে। চট্টগ্রামে হঠাৎ করে অকটেন সংকট দেখা দেওয়ায় নগর ও উপজেলার বিভিন্ন পেট্রোল পাম্পে ভোগান্তিতে পড়েছেন যানবাহন চালকরা। অনেক পাম্পে দীর্ঘ লাইনে অপেক্ষা করেও কাঙ্ক্ষিত পরিমাণ অকটেন পাচ্ছেন না গ্রাহকরা। কোথাও আবার ‘অকটেন নেই’ সাইনবোর্ড টাঙিয়ে বিক্রি বন্ধ রাখা হয়েছে।

পাম্প মালিকরা জানান, চাহিদা অনুযায়ী ডিপো থেকে অকটেন সরবরাহ না পাওয়ায় সীমিত আকারে বিক্রি করতে হচ্ছে। ফলে অনেক জায়গায় রেশনিং পদ্ধতিতে অকটেন দেওয়া হচ্ছে। হঠাৎ করে চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে বলে দাবি তাদের।

পেট্রল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন চট্টগ্রাম বিভাগের নেতারা জানিয়েছেন, ডিজেলের তেমন সংকট না থাকলেও অকটেনের সরবরাহ তুলনামূলক কম হওয়ায় এই সমস্যা তৈরি হয়েছে।

এদিকে প্রশাসনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, দেশে জ্বালানির প্রকৃত কোনো ঘাটতি নেই। সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে তেলবাহী জাহাজ থেকে নিয়মিত জ্বালানি খালাস করা হচ্ছে এবং বাজারে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টির অভিযোগ পেলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সরবরাহে চাপের পাশাপাশি কিছু অসাধু ব্যবসায়ীর বেপরোয়া মজুদদারির কারণেও পরিস্থিতি জটিল হয়ে উঠেছে। অনেক ভোক্তার অভিযোগ, কিছু পাম্পে তেল থাকা সত্ত্বেও ‘সংকট’ দেখিয়ে বিক্রি সীমিত করা হচ্ছে। কোথাও নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি দাম নেওয়ার অভিযোগও উঠেছে।

ফিলিং স্টেশন মালিকদের দাবি, চাহিদার তুলনায় ডিপো থেকে অর্ধেক জ্বালানিও পাওয়া যাচ্ছে না। এ কারণে অনেক পাম্পে রেশনিং পদ্ধতিতে তেল বিক্রি করতে হচ্ছে। ঈদের ছুটির কারণে ব্যাংকিং কার্যক্রম বন্ধ থাকায় অনেক ডিলার সময়মতো পে-অর্ডার করতে পারেননি, ফলে ডিপো থেকে তেল উত্তোলনেও বাধা সৃষ্টি হয়েছে।

বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) সূত্রে জানা যায়, চট্টগ্রাম বিভাগে পেট্রোল পাম্প রয়েছে ৩৮৩টি। এজেন্ট ডিস্ট্রিবিউটর আছেন ৭৯৯ জন এবং প্যাকড পয়েন্ট ডিলার আছেন ২৫৫ জন। এর মধ্যে চট্টগ্রাম নগরীতে পেট্রোল পাম্প রয়েছে ৪৬টি। সংকটের কারণে এসব পাম্পের অনেকগুলোতেই স্বাভাবিক বিক্রি ব্যাহত হচ্ছে।

পেট্রল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন চট্টগ্রাম বিভাগের সদস্যসচিব মোহাম্মদ মাইনুদ্দিন বলেন, ‘চট্টগ্রামে ডিজেলের বড় কোনো সংকট নেই। তবে অকটেনের সংকট রয়েছে। বর্তমানে পাম্পগুলো চাহিদা অনুযায়ী অকটেন পাচ্ছে না। তেল নিয়ে আতঙ্ক তৈরি হওয়ার পর হঠাৎ চাহিদা বেড়ে গেছে, কিন্তু সরবরাহ আগের মতোই রয়েছে।’

এদিকে জ্বালানি সংকটের প্রভাব পড়েছে মৎস্য খাতেও। চাহিদা অনুযায়ী ডিজেল না পাওয়ায় অনেক ট্রলার সাগরে যেতে পারছে না। ফলে ভরা মৌসুমেও ঘাটে অলস সময় পার করছেন হাজারো জেলে। রেশনিং পদ্ধতিতে যে পরিমাণ ডিজেল দেওয়া হচ্ছে, তাতে মাঝ সাগরে গিয়ে আবার ফিরে আসার মতো পরিস্থিতি থাকছে না বলে জানিয়েছেন ট্রলার মালিকরা।

জানা গেছে, চট্টগ্রামে কয়েক হাজার ফিশিং ট্রলার থাকলেও নিয়মিত মাছ ধরতে সাগরে যায় কয়েকশ ট্রলার। প্রায় দুই লাখ জেলে এই খাতের সঙ্গে জড়িত। সমুদ্রগামী একটি ট্রলারের ইঞ্জিনের আকার অনুযায়ী এক হাজার থেকে দুই হাজার লিটার পর্যন্ত ডিজেল ধারণক্ষমতা রয়েছে।

জলদাশ নামে এক ট্রলার মালিক জানান, তার সাতটি ট্রলার রয়েছে। জ্বালানি সংকটের কারণে চারটি ট্রলার বর্তমানে ঘাটে বসে আছে। অন্য তিনটি এক সপ্তাহ আগে সাগরে গেছে। তবে সেগুলো ফিরে এসে আবার সাগরে যেতে পারবে কি না তা নিয়ে শঙ্কা রয়েছে।

চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, জ্বালানি খাতে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে নিয়মিত ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হচ্ছে। এ পর্যন্ত জেলায় ৯৮টি অভিযান চালিয়ে প্রায় চার থেকে সাড়ে চার লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে এবং প্রায় ২০টি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা জানিয়েছেন, দেশে জ্বালানির প্রকৃত কোনো ঘাটতি নেই। ইতোমধ্যে প্রায় ১০টি তেলবাহী জাহাজ দেশে পৌঁছেছে এবং সিঙ্গাপুর থেকে প্রায় ৩০ হাজার টন ডিজেল নিয়ে আরও একটি জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছে। সেটি মঙ্গলবার বন্দরে নোঙর করার কথা রয়েছে। গত দুই দিনেও আরও দুটি জাহাজ থেকে তেল খালাস হয়েছে।

তিনি বলেন, ‘দেশে পর্যাপ্ত পরিমাণে অকটেন, পেট্রল ও ডিজেল মজুত রয়েছে। আতঙ্কিত হয়ে অতিরিক্ত তেল সংগ্রহ করার প্রয়োজন নেই। স্বাভাবিকভাবে জ্বালানি সংগ্রহ করলে পরিস্থিতি দ্রুত স্বাভাবিক হয়ে যাবে।’

জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারাও জানিয়েছেন, বাজারে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টিকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অতিরিক্ত মজুদ বা কালোবাজারির প্রমাণ পাওয়া গেলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে প্রশাসনের পাশাপাশি জ্বালানি সরবরাহকারী সংস্থাগুলোও সরবরাহ বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

Tag :
About Author Information

GOURANGA BOSE

জনপ্রিয় সংবাদ

মাগুরায় শালিখা উপজেলা নির্বাহী অফিসার বনি আমিন সহ ৪ জনের নামে সাংবাদিকের মামলা দায়ের!

চট্টগ্রামে অকটেন সংকট চরমে, রেশনিংয়ে চলছে জ্বালানি বিক্রি।

আপডেট সময় : ০৯:৪৯:১১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ এপ্রিল ২০২৬

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান অস্থিরতার প্রভাবে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা দেখা দেওয়ায় চট্টগ্রামজুড়ে জ্বালানি তেল নিয়ে জনভোগান্তি চরম আকার ধারণ করেছে। চট্টগ্রামে হঠাৎ করে অকটেন সংকট দেখা দেওয়ায় নগর ও উপজেলার বিভিন্ন পেট্রোল পাম্পে ভোগান্তিতে পড়েছেন যানবাহন চালকরা। অনেক পাম্পে দীর্ঘ লাইনে অপেক্ষা করেও কাঙ্ক্ষিত পরিমাণ অকটেন পাচ্ছেন না গ্রাহকরা। কোথাও আবার ‘অকটেন নেই’ সাইনবোর্ড টাঙিয়ে বিক্রি বন্ধ রাখা হয়েছে।

পাম্প মালিকরা জানান, চাহিদা অনুযায়ী ডিপো থেকে অকটেন সরবরাহ না পাওয়ায় সীমিত আকারে বিক্রি করতে হচ্ছে। ফলে অনেক জায়গায় রেশনিং পদ্ধতিতে অকটেন দেওয়া হচ্ছে। হঠাৎ করে চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে বলে দাবি তাদের।

পেট্রল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন চট্টগ্রাম বিভাগের নেতারা জানিয়েছেন, ডিজেলের তেমন সংকট না থাকলেও অকটেনের সরবরাহ তুলনামূলক কম হওয়ায় এই সমস্যা তৈরি হয়েছে।

এদিকে প্রশাসনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, দেশে জ্বালানির প্রকৃত কোনো ঘাটতি নেই। সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে তেলবাহী জাহাজ থেকে নিয়মিত জ্বালানি খালাস করা হচ্ছে এবং বাজারে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টির অভিযোগ পেলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সরবরাহে চাপের পাশাপাশি কিছু অসাধু ব্যবসায়ীর বেপরোয়া মজুদদারির কারণেও পরিস্থিতি জটিল হয়ে উঠেছে। অনেক ভোক্তার অভিযোগ, কিছু পাম্পে তেল থাকা সত্ত্বেও ‘সংকট’ দেখিয়ে বিক্রি সীমিত করা হচ্ছে। কোথাও নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি দাম নেওয়ার অভিযোগও উঠেছে।

ফিলিং স্টেশন মালিকদের দাবি, চাহিদার তুলনায় ডিপো থেকে অর্ধেক জ্বালানিও পাওয়া যাচ্ছে না। এ কারণে অনেক পাম্পে রেশনিং পদ্ধতিতে তেল বিক্রি করতে হচ্ছে। ঈদের ছুটির কারণে ব্যাংকিং কার্যক্রম বন্ধ থাকায় অনেক ডিলার সময়মতো পে-অর্ডার করতে পারেননি, ফলে ডিপো থেকে তেল উত্তোলনেও বাধা সৃষ্টি হয়েছে।

বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) সূত্রে জানা যায়, চট্টগ্রাম বিভাগে পেট্রোল পাম্প রয়েছে ৩৮৩টি। এজেন্ট ডিস্ট্রিবিউটর আছেন ৭৯৯ জন এবং প্যাকড পয়েন্ট ডিলার আছেন ২৫৫ জন। এর মধ্যে চট্টগ্রাম নগরীতে পেট্রোল পাম্প রয়েছে ৪৬টি। সংকটের কারণে এসব পাম্পের অনেকগুলোতেই স্বাভাবিক বিক্রি ব্যাহত হচ্ছে।

পেট্রল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন চট্টগ্রাম বিভাগের সদস্যসচিব মোহাম্মদ মাইনুদ্দিন বলেন, ‘চট্টগ্রামে ডিজেলের বড় কোনো সংকট নেই। তবে অকটেনের সংকট রয়েছে। বর্তমানে পাম্পগুলো চাহিদা অনুযায়ী অকটেন পাচ্ছে না। তেল নিয়ে আতঙ্ক তৈরি হওয়ার পর হঠাৎ চাহিদা বেড়ে গেছে, কিন্তু সরবরাহ আগের মতোই রয়েছে।’

এদিকে জ্বালানি সংকটের প্রভাব পড়েছে মৎস্য খাতেও। চাহিদা অনুযায়ী ডিজেল না পাওয়ায় অনেক ট্রলার সাগরে যেতে পারছে না। ফলে ভরা মৌসুমেও ঘাটে অলস সময় পার করছেন হাজারো জেলে। রেশনিং পদ্ধতিতে যে পরিমাণ ডিজেল দেওয়া হচ্ছে, তাতে মাঝ সাগরে গিয়ে আবার ফিরে আসার মতো পরিস্থিতি থাকছে না বলে জানিয়েছেন ট্রলার মালিকরা।

জানা গেছে, চট্টগ্রামে কয়েক হাজার ফিশিং ট্রলার থাকলেও নিয়মিত মাছ ধরতে সাগরে যায় কয়েকশ ট্রলার। প্রায় দুই লাখ জেলে এই খাতের সঙ্গে জড়িত। সমুদ্রগামী একটি ট্রলারের ইঞ্জিনের আকার অনুযায়ী এক হাজার থেকে দুই হাজার লিটার পর্যন্ত ডিজেল ধারণক্ষমতা রয়েছে।

জলদাশ নামে এক ট্রলার মালিক জানান, তার সাতটি ট্রলার রয়েছে। জ্বালানি সংকটের কারণে চারটি ট্রলার বর্তমানে ঘাটে বসে আছে। অন্য তিনটি এক সপ্তাহ আগে সাগরে গেছে। তবে সেগুলো ফিরে এসে আবার সাগরে যেতে পারবে কি না তা নিয়ে শঙ্কা রয়েছে।

চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, জ্বালানি খাতে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে নিয়মিত ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হচ্ছে। এ পর্যন্ত জেলায় ৯৮টি অভিযান চালিয়ে প্রায় চার থেকে সাড়ে চার লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে এবং প্রায় ২০টি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা জানিয়েছেন, দেশে জ্বালানির প্রকৃত কোনো ঘাটতি নেই। ইতোমধ্যে প্রায় ১০টি তেলবাহী জাহাজ দেশে পৌঁছেছে এবং সিঙ্গাপুর থেকে প্রায় ৩০ হাজার টন ডিজেল নিয়ে আরও একটি জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছে। সেটি মঙ্গলবার বন্দরে নোঙর করার কথা রয়েছে। গত দুই দিনেও আরও দুটি জাহাজ থেকে তেল খালাস হয়েছে।

তিনি বলেন, ‘দেশে পর্যাপ্ত পরিমাণে অকটেন, পেট্রল ও ডিজেল মজুত রয়েছে। আতঙ্কিত হয়ে অতিরিক্ত তেল সংগ্রহ করার প্রয়োজন নেই। স্বাভাবিকভাবে জ্বালানি সংগ্রহ করলে পরিস্থিতি দ্রুত স্বাভাবিক হয়ে যাবে।’

জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারাও জানিয়েছেন, বাজারে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টিকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অতিরিক্ত মজুদ বা কালোবাজারির প্রমাণ পাওয়া গেলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে প্রশাসনের পাশাপাশি জ্বালানি সরবরাহকারী সংস্থাগুলোও সরবরাহ বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।