ঢাকা ১০:৪০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬, ৩১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ:
কালকিনিতে ককটেল বিস্ফোরণে মাদ্রাসার ৬ শিক্ষার্থী আহত, একজন ঢাকায় প্রেরণ। ফেল করেছে শিক্ষার্থী, নাকি ফেল করেছে আমাদের শিক্ষা-ব্যবস্থা? ১৫ আগস্ট: গণতন্ত্রের আপসহীন কণ্ঠ বেগম খালেদা জিয়া। হিলিতে মাদক নিয়ন্ত্রনে পুলিশের সাঁড়াশি অভিযান, ৭ মাসে ৪৫২ জন আটক, খুশি সচেতন মহল। নারায়ণগঞ্জে পুলিশের জালে বানারীপাড়ার যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি। নারায়ণগঞ্জে পুলিশের জালে বানারীপাড়ার যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি। যশোরের বাঘারপাড়ায় পুকুরে ডুবে তিন শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু, শোকে স্তব্ধ গ্রাম। রূপগঞ্জে দেবরের হামলায় ভাবী নিহত গ্রেফতার ৩। ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহকারী নিয়োগ পেলেন ইউপি সদস্য। ১৭ দেশে ২৫ বার ভ্রমণ, ১৭ বছর পেকুতে—গণপূর্ত প্রকৌশলী কাজী ফিরোজকে ঘিরে প্রশ্নের পাহাড়।

প্রবাসের স্বপ্ন ভাঙ্গলো আনোয়ারার হারুন সিকদারের। অবশেষে লাশ হয়ে ফিরলেন স্বদেশে।

পরিবারের মুখে হাসি ফোটাতে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে প্রবাসে পাড়ি জমিয়েছিলেন চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলার সন্তান হারুন সিকদার। কিন্তু ভাগ্যের নির্মম পরিহাস—স্বপ্ন পূরণের আগেই নিথর দেহ হয়ে দেশে ফিরতে হলো তাকে।

জানা যায়, জীবিকার তাগিদে সৌদি আরবে গিয়ে একটি পাঁচতলা ভবনের নির্মাণ শ্রমিক হিসেবে কাজ করছিলেন হারুন। কর্মস্থলে একটি চতুর্মুখী সিঁড়িতে কাজ করার সময় অসাবধানতাবশত নিচে পড়ে গুরুতর আহত হন তিনি। সহকর্মীরা দ্রুত তাকে স্থানীয় একটি মেডিকেল কেন্দ্রে নিয়ে গেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় টানা ১১ দিন মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করেন। অবশেষে সোমবার রাতে তার মৃত্যু হয়।

নিহত হারুন সিকদার চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলার বরুমচড়া ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা। তিনি রহমত আলী সিকদারের নতুন বাড়ির মো. নাগু মিয়ার ছেলে।

মঙ্গলবার তার মরদেহ দেশে পৌঁছালে স্বজনদের আহাজারিতে এলাকাজুড়ে শোকের ছায়া নেমে আসে। পরিবারের সদস্যদের কান্নায় ভারী হয়ে ওঠে পরিবেশ।

প্রবাস জীবন যে কতটা অনিশ্চিত ও ঝুঁকিপূর্ণ—হারুন সিকদারের এই মৃত্যু যেন তারই এক নির্মম উদাহরণ। স্বপ্ন দেখেছিলেন পরিবারের সুখের জন্য, কিন্তু শেষ পর্যন্ত তিনি নিজেই হয়ে গেলেন সেই স্বপ্নভঙ্গের বেদনাময় গল্প।

Tag :
About Author Information

GOURANGA BOSE

জনপ্রিয় সংবাদ

কালকিনিতে ককটেল বিস্ফোরণে মাদ্রাসার ৬ শিক্ষার্থী আহত, একজন ঢাকায় প্রেরণ।

প্রবাসের স্বপ্ন ভাঙ্গলো আনোয়ারার হারুন সিকদারের। অবশেষে লাশ হয়ে ফিরলেন স্বদেশে।

আপডেট সময় : ০২:২০:৫৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬

পরিবারের মুখে হাসি ফোটাতে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে প্রবাসে পাড়ি জমিয়েছিলেন চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলার সন্তান হারুন সিকদার। কিন্তু ভাগ্যের নির্মম পরিহাস—স্বপ্ন পূরণের আগেই নিথর দেহ হয়ে দেশে ফিরতে হলো তাকে।

জানা যায়, জীবিকার তাগিদে সৌদি আরবে গিয়ে একটি পাঁচতলা ভবনের নির্মাণ শ্রমিক হিসেবে কাজ করছিলেন হারুন। কর্মস্থলে একটি চতুর্মুখী সিঁড়িতে কাজ করার সময় অসাবধানতাবশত নিচে পড়ে গুরুতর আহত হন তিনি। সহকর্মীরা দ্রুত তাকে স্থানীয় একটি মেডিকেল কেন্দ্রে নিয়ে গেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় টানা ১১ দিন মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করেন। অবশেষে সোমবার রাতে তার মৃত্যু হয়।

নিহত হারুন সিকদার চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলার বরুমচড়া ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা। তিনি রহমত আলী সিকদারের নতুন বাড়ির মো. নাগু মিয়ার ছেলে।

মঙ্গলবার তার মরদেহ দেশে পৌঁছালে স্বজনদের আহাজারিতে এলাকাজুড়ে শোকের ছায়া নেমে আসে। পরিবারের সদস্যদের কান্নায় ভারী হয়ে ওঠে পরিবেশ।

প্রবাস জীবন যে কতটা অনিশ্চিত ও ঝুঁকিপূর্ণ—হারুন সিকদারের এই মৃত্যু যেন তারই এক নির্মম উদাহরণ। স্বপ্ন দেখেছিলেন পরিবারের সুখের জন্য, কিন্তু শেষ পর্যন্ত তিনি নিজেই হয়ে গেলেন সেই স্বপ্নভঙ্গের বেদনাময় গল্প।