ঢাকা ১১:০৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬, ৪ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ:
নারায়ণগঞ্জকে আধুনিক, পরিবেশবান্ধব ও আন্তর্জাতিক মানের মেগাসিটি হিসেবে গড়ে তুলতে বৈশ্বিক অবকাঠামো নির্মাণ প্রতিষ্ঠান” চায়না হারবার ইঞ্জিনিয়ারিং” কোম্পানির সঙ্গে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত। সিলেটে নেমে এমপিদের কেন সংসদে যেতে বললেন প্রধানমন্ত্রী । মানুষ এখন স্থিতিশীলতা চায়, শান্তি ও কর্মসংস্থান চায়: মৌলভীবাজারে প্রধানমন্ত্রী। চট্টগ্রামে শিশু আয়াত হত্যা মামলায় আবীরের মৃত্যুদণ্ড, বাকলিয়ার শিশু ধর্ষন মামলার রায়ও আজ। দিনাজপুর বীরগঞ্জে প্রায় ৫ কেজি গাজা ও ৬০০ পিস ইয়াবাসহ কুখ্যাত মাদক বিক্রতা হাশেম গ্রেফতার. বগুড়ার ‘ফেন্সী রিমন’ এখন সাংবাদিক পরিচয়ে করছে নানা অপকর্ম। ষড়যন্ত্রমূলক মামলায় আসামিদের জামিন পুলিশের প্রশ্নবিদ্ধ তদন্ত । উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রায় বদলে যাচ্ছে ঝালকাঠি-১ আসন সহিংসতা ও নাশকতার মামলায় আওয়ামীলীগ নেতা আফজাল গ্রেপ্তার। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট ও ধর্মীয় নিপীড়নের প্রতিবাদে বাংলাদেশ পূজা উদযাপন ফ্রন্ট কেন্দ্রীয় কমিটির পক্ষ থেকে সংবাদ সম্মেলন।

স্বেচ্ছায় রাজশাহী প্রেসক্লাব থেকে অব্যাহতি নিলেন রেজাউল-শামসুল।

রাজশাহী প্রেসক্লাবের কার্যনির্বাহী সদস্যপদ ও সাধারণ সদস্যপদ থেকে স্বেচ্ছায় অব্যাহতি নিয়েছেন রাজশাহী বরেন্দ্র প্রেসক্লাবের সভাপতি মো. রেজাউল করিম ও সাধারণ সম্পাদক শামসুল ইসলাম।

শনিবার (৪ এপ্রিল) এক লিখিত পত্রের মাধ্যমে তাঁরা এই সিদ্ধান্তের কথা জানান।লিখিত পত্রে রেজাউল করিম উল্লেখ করেন, গত ৩০ মার্চ রাজশাহী প্রেসক্লাবের পক্ষ থেকে তাঁকে একটি কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়। নোটিশে অভিযোগ করা হয়েছিল, তিনি একটি মানববন্ধন থেকে প্রেসক্লাবের বিরুদ্ধে ‘সম্মানহানিকর’ বক্তব্য দিয়েছেন। তবে এই অভিযোগের পক্ষে কোনো সুনির্দিষ্ট প্রমাণ নেই বলে দাবি করেন তিনি।

রেজাউল করিম বলেন, একজন নাগরিক হিসেবে মানববন্ধন করা ও দাবি উপস্থাপন করা তাঁর সাংবিধানিক ও নৈতিক অধিকার। তাঁর ওপর সংঘটিত হামলার প্রতিবাদে আয়োজিত ওই মানববন্ধনে কেবল ন্যায়বিচার, সুষ্ঠু তদন্ত এবং দোষীদের শাস্তির দাবি জানানো হয়েছিল। সেখানে প্রেসক্লাবের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়—এমন কোনো বক্তব্য দেওয়া হয়নি বলে তিনি পত্রে উল্লেখ করেন।

চিঠিতে রেজাউল করিম প্রশ্ন তোলেন, তাঁর ওপর হামলার ঘটনায় প্রেসক্লাবের অবস্থান কী এবং সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে কি না। একই সঙ্গে, অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক দাপ্তরিক পদক্ষেপ না নেওয়া এবং সামাজিক মাধ্যমে তাঁদের পরিচয় বহাল রাখাকে গঠনতন্ত্রবিরোধী বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

পত্রে অভিযোগ করেন, প্রেসক্লাবের বর্তমান কার্যক্রমে গঠনতন্ত্রের যথাযথ অনুসরণ নেই এবং একপাক্ষিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে নীতিগত অবস্থান থেকে তিনি কার্যনির্বাহী সদস্য ও সাধারণ সদস্যপদ থেকে অব্যাহতি নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। পত্র প্রাপ্তির পর থেকে রাজশাহী প্রেসক্লাবের সঙ্গে তাঁর কোনো সাংগঠনিক সম্পর্ক থাকবে না বলেও তিনি জানান।

যোগাযোগ করা হলে রাজশাহী বরেন্দ্র প্রেসক্লাবের সভাপতি রেজাউল করিম বলেন, “আমি একজন সচেতন নাগরিক হিসেবে মানববন্ধনে অংশ নিয়ে আমার ওপর সন্ত্রাসী হামলার বিচার দাবি করেছি। সেখানে কোনোভাবেই প্রেসক্লাবের সম্মানহানিকর বক্তব্য দেইনি। নোটিশটি সম্পূর্ণ উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও একপাক্ষিক বলে আমার কাছে প্রতীয়মান হয়েছে।”

তিনি আরও বলেন, “আমার ওপর হামলার ঘটনায় ন্যায়বিচার চাওয়াই যদি অপরাধ হয়, তাহলে বিষয়টি অত্যন্ত দুঃখজনক। বরং প্রশ্ন হচ্ছে—সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে দৃশ্যমান ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে কি না। তাদের বিরুদ্ধে কার্যকর পদক্ষেপ না নিয়ে উল্টো আমাকে নোটিশ দেওয়া হয়েছে।”

উল্লেখ্য, মো. রেজাউল করিম বর্তমানে রাজশাহী বরেন্দ্র প্রেসক্লাবের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তাঁর সঙ্গে একই সিদ্ধান্তে একাত্মতা প্রকাশ করে পদত্যাগ করেছেন সাধারণ সম্পাদক শামসুল ইসলামও।

Tag :
About Author Information

GOURANGA BOSE

জনপ্রিয় সংবাদ

নারায়ণগঞ্জকে আধুনিক, পরিবেশবান্ধব ও আন্তর্জাতিক মানের মেগাসিটি হিসেবে গড়ে তুলতে বৈশ্বিক অবকাঠামো নির্মাণ প্রতিষ্ঠান” চায়না হারবার ইঞ্জিনিয়ারিং” কোম্পানির সঙ্গে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত।

স্বেচ্ছায় রাজশাহী প্রেসক্লাব থেকে অব্যাহতি নিলেন রেজাউল-শামসুল।

আপডেট সময় : ০৩:২৪:৫৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ এপ্রিল ২০২৬

রাজশাহী প্রেসক্লাবের কার্যনির্বাহী সদস্যপদ ও সাধারণ সদস্যপদ থেকে স্বেচ্ছায় অব্যাহতি নিয়েছেন রাজশাহী বরেন্দ্র প্রেসক্লাবের সভাপতি মো. রেজাউল করিম ও সাধারণ সম্পাদক শামসুল ইসলাম।

শনিবার (৪ এপ্রিল) এক লিখিত পত্রের মাধ্যমে তাঁরা এই সিদ্ধান্তের কথা জানান।লিখিত পত্রে রেজাউল করিম উল্লেখ করেন, গত ৩০ মার্চ রাজশাহী প্রেসক্লাবের পক্ষ থেকে তাঁকে একটি কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়। নোটিশে অভিযোগ করা হয়েছিল, তিনি একটি মানববন্ধন থেকে প্রেসক্লাবের বিরুদ্ধে ‘সম্মানহানিকর’ বক্তব্য দিয়েছেন। তবে এই অভিযোগের পক্ষে কোনো সুনির্দিষ্ট প্রমাণ নেই বলে দাবি করেন তিনি।

রেজাউল করিম বলেন, একজন নাগরিক হিসেবে মানববন্ধন করা ও দাবি উপস্থাপন করা তাঁর সাংবিধানিক ও নৈতিক অধিকার। তাঁর ওপর সংঘটিত হামলার প্রতিবাদে আয়োজিত ওই মানববন্ধনে কেবল ন্যায়বিচার, সুষ্ঠু তদন্ত এবং দোষীদের শাস্তির দাবি জানানো হয়েছিল। সেখানে প্রেসক্লাবের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়—এমন কোনো বক্তব্য দেওয়া হয়নি বলে তিনি পত্রে উল্লেখ করেন।

চিঠিতে রেজাউল করিম প্রশ্ন তোলেন, তাঁর ওপর হামলার ঘটনায় প্রেসক্লাবের অবস্থান কী এবং সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে কি না। একই সঙ্গে, অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক দাপ্তরিক পদক্ষেপ না নেওয়া এবং সামাজিক মাধ্যমে তাঁদের পরিচয় বহাল রাখাকে গঠনতন্ত্রবিরোধী বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

পত্রে অভিযোগ করেন, প্রেসক্লাবের বর্তমান কার্যক্রমে গঠনতন্ত্রের যথাযথ অনুসরণ নেই এবং একপাক্ষিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে নীতিগত অবস্থান থেকে তিনি কার্যনির্বাহী সদস্য ও সাধারণ সদস্যপদ থেকে অব্যাহতি নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। পত্র প্রাপ্তির পর থেকে রাজশাহী প্রেসক্লাবের সঙ্গে তাঁর কোনো সাংগঠনিক সম্পর্ক থাকবে না বলেও তিনি জানান।

যোগাযোগ করা হলে রাজশাহী বরেন্দ্র প্রেসক্লাবের সভাপতি রেজাউল করিম বলেন, “আমি একজন সচেতন নাগরিক হিসেবে মানববন্ধনে অংশ নিয়ে আমার ওপর সন্ত্রাসী হামলার বিচার দাবি করেছি। সেখানে কোনোভাবেই প্রেসক্লাবের সম্মানহানিকর বক্তব্য দেইনি। নোটিশটি সম্পূর্ণ উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও একপাক্ষিক বলে আমার কাছে প্রতীয়মান হয়েছে।”

তিনি আরও বলেন, “আমার ওপর হামলার ঘটনায় ন্যায়বিচার চাওয়াই যদি অপরাধ হয়, তাহলে বিষয়টি অত্যন্ত দুঃখজনক। বরং প্রশ্ন হচ্ছে—সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে দৃশ্যমান ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে কি না। তাদের বিরুদ্ধে কার্যকর পদক্ষেপ না নিয়ে উল্টো আমাকে নোটিশ দেওয়া হয়েছে।”

উল্লেখ্য, মো. রেজাউল করিম বর্তমানে রাজশাহী বরেন্দ্র প্রেসক্লাবের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তাঁর সঙ্গে একই সিদ্ধান্তে একাত্মতা প্রকাশ করে পদত্যাগ করেছেন সাধারণ সম্পাদক শামসুল ইসলামও।