ঢাকা ০৪:৩৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬, ১১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ:
৭১-এর শরণার্থী ইতিহাসের বৃহত্তম মানবিক ট্র্যাজেডি, গণহত্যার মুখে ঘর ছাড়ে দেশের প্রতি সাতজন মানুষের একজন। নারায়ণগঞ্জ উন্নয়ন কমিটির চেয়ারম্যান মনোনীত হওয়ায় মাশুকুল ইসলাম রাজীবকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। ‎ জাতীয় সংলাপে বৈষম্য বিলোপ আইন প্রণয়নে অবিলম্বে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান। বিআরটিসিতে ‘প্রাইজ পোস্টিং’ সিন্ডিকেটের অভিযোগ। সাবেক প্রভাবশালী বলয়ের সদস্য জামিল হোসেনের উত্থান, বদলি-বাণিজ্য ও ঠিকাদার নির্যাতনের অভিযোগে নতুন প্রশ্ন ?  ওসমানীনগরে ডিবির বিশেষ অভিযানে গাঁজা ও ইয়াবাসহ নারী মাদক ব্যবসায়ী আটক। ডুমুরিয়ায় বিদ্যুৎস্পৃষ্টে চিংড়ি ঘের শ্রমিকের মর্মান্তিক মৃত্যু। শারজাহ আমিরাত জুড়ে ড্রোন খাত নিয়ন্ত্রণের জন্য একটি নতুন আইন চালু করেছে। কালীগঞ্জে নিষিদ্ধ আ.লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালনের চেষ্টা: সাবেক মেয়র বিজুকে আটকের পর পুলিশের কাছ থেকে ছিনিয়ে নিল পরিবারের মহিলা ও নেতাকর্মীরা। সংবাদ প্রকাশ করেছি, অপরাধ করিনি, অপপ্রচারের বিরুদ্ধে সাংবাদিকের প্রতিবাদ। ভারতে মসজিদ ভাঙচুর ও মুসলিম নিপীড়ন বন্ধের আহ্বান: ধর্মীয় স্বাধীনতা ও মানবাধিকার রক্ষার দাবি ইয়ারুল ইসলামের।

প্রতারণার অভিনব কৌশল, নিজেকে বহুরূপে উপস্থাপন। আসলে তিনি কে?

  • সারাক্ষণ ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ১২:৫৯:০৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬
  • ১০৬ জন সংবাদটি পড়েছেন

তিনি কখনো টিভি উপস্থাপক,কখনো আইনজীবি,কখনো বিশেষ প্রতিবেদক আবার কখনো জনদরদী।বাংলাদেশ এখন ভদ্রবেশী প্রতারকদের দেশ। এই দেশটিতে খুব সহজেই সাধারণ মানুষকে বোকা বানানো যায়। হাতিয়ে নেওয়া যায় ধন-সম্পদ,ইজ্জত,মান-সম্মান। আবার পোষাকী ছদ্মাবরণে ধোকা দেওয়া যায় সরকারী কর্মকর্তা-কর্মচারি এমন কি আইন শৃংক্ষলা রক্ষাকারী বাহিনীকেও।এখন আদালত পাড়া বা বিচারালয়েও প্রতারকদের সরব উপস্থিতি লক্ষ্যনীয়।

এই সব প্রতারকরা জনগণকে ধোঁকা দিয়ে বোকা বানিয়ে হাতিয়ে নিচ্ছে কাড়ি কাড়ি টাকা,জমা-জমি এমন কি বাড়ী-গাড়ি পর্যন্ত। এরা ঝোঁক বুঝে কোপ মেরে থাকে। তারা স্থানাভেদে পরিচয় বদলীয়ে প্রতারণা করে থাকে।

কখনো গোয়েন্দা কর্মকর্তা,কখনো দুদক কর্মকর্তা,কখনো আইনজীবি,কখনো সাংবাদিক,কখনো বেসরকারী কোম্পানীর মালিক,কখনো ব্যাংক কর্মকর্তা,কখনো মন্ত্রীর এপিএস,কখনো সচিবের আত্মীয় ইত্যাদি পরিচয়ে এরা সর্বত্র বিরাজ করছে। এদের প্রতারণার ফাঁদে পড়ে নি:স-রিক্ত হচ্ছে সাধারন মানুষ।

জনগণের সচেতনতা ও আইন শৃংক্ষলা রক্ষাকারী বাহিনীর পদক্ষেপে মাঝে মধ্যে ২/৪ ধরা পড়লেও বেশিরভাগই থেকে যাচ্ছে অধরা। তবে কি এদের হাত থেকে মুক্তির উপায় নেই? এই প্রশ্নটির উত্তর মেলা অতি আবশ্যিক হলেও সেটি থেকে যাচ্ছে অবহেলা আর উদাসীনতায়।

 

ছবির এই ব্যাক্তির নাম: মোহাম্মদ ওয়ালিউল্লাহ (৪৪), পিতা- মো. বদিউজ্জামান, মাতা- মোছা. আফুজা খাতুন। বর্তমান ঠিকানা: ১৪৯, ডা. হিরন মার্কেট, আশকোনা, হাজী ক্যাম্প, দক্ষিণখান, ঢাকা- ১২৩০। তিনি কিছুদিন আগেও মোহনা টিভিতে চাকুরী করতেন। সেখানে ক্ষমতার অপব্যবহার করে ঘটিয়েছেন নানা কেচ্ছা কেলেংকারী। আর্থিক অনিয়ম দুর্নীতিও করেছেন। ফলে মোহনা টিভি কর্তৃপক্ষ তাকে চাকুরীচ্যুত করে স্বসম্মানে বিদায় দিয়েছেন।

এরপর থেকে তিনি আয়কর আইনজীবি হিসাবে আবির্ভুত হয়েছেন। এই পরিচয়ে ভিজিটিং কার্ড ছাপিয়ে বিতরণ করছেন মক্কেল ধরার জন্য। এ দিকে স্বামী পরিত্যাক্ত এক নারীকে বিয়ের প্রলোভন দিয়ে অবৈধ মেলামেশা ও অর্থ কড়িও হাতিয়ে নিয়েছেন মোটা দাগে। এখন ও নারীকে নানাভাবে ব্ল্যাকমেলিং করার চেষ্টা করছেন। এ কারণে ওই নারী মোহাম্মদ ওয়ালিউল্লাহ’র বিরুদ্ধে থানায় জিডি করতে বাধ্য হয়েছেন।

জানাগেছে, মোহাম্মদ ওয়ালিউল্লাহ বিবাহিত । শ্বশুর বাড়ীতে নাকি ঘর জামাই থাকেন। তার শ্বশুর বাড়ীর লোকেজন নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের রাজনীতি করেন। যে কারণে তার ২ শ্যালক এখন পলাতক। এই ঘর জামাই ভদ্রলোক মোহনা টিভিতে চাকুরীর সুবাদে প্রতারণা পেশাকে বেশ ভালোই রপ্ত করেছেন। তার সম্পর্কে বিস্তারিত প্রতিবেদন তৈরি করা হচ্ছে। শীঘ্রই তার “অপকর্মনামা” বিশ্ববাসীর সামনে তুলে ধরা হবে।

Tag :
About Author Information

GOURANGA BOSE

জনপ্রিয় সংবাদ

৭১-এর শরণার্থী ইতিহাসের বৃহত্তম মানবিক ট্র্যাজেডি, গণহত্যার মুখে ঘর ছাড়ে দেশের প্রতি সাতজন মানুষের একজন।

প্রতারণার অভিনব কৌশল, নিজেকে বহুরূপে উপস্থাপন। আসলে তিনি কে?

আপডেট সময় : ১২:৫৯:০৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬

তিনি কখনো টিভি উপস্থাপক,কখনো আইনজীবি,কখনো বিশেষ প্রতিবেদক আবার কখনো জনদরদী।বাংলাদেশ এখন ভদ্রবেশী প্রতারকদের দেশ। এই দেশটিতে খুব সহজেই সাধারণ মানুষকে বোকা বানানো যায়। হাতিয়ে নেওয়া যায় ধন-সম্পদ,ইজ্জত,মান-সম্মান। আবার পোষাকী ছদ্মাবরণে ধোকা দেওয়া যায় সরকারী কর্মকর্তা-কর্মচারি এমন কি আইন শৃংক্ষলা রক্ষাকারী বাহিনীকেও।এখন আদালত পাড়া বা বিচারালয়েও প্রতারকদের সরব উপস্থিতি লক্ষ্যনীয়।

এই সব প্রতারকরা জনগণকে ধোঁকা দিয়ে বোকা বানিয়ে হাতিয়ে নিচ্ছে কাড়ি কাড়ি টাকা,জমা-জমি এমন কি বাড়ী-গাড়ি পর্যন্ত। এরা ঝোঁক বুঝে কোপ মেরে থাকে। তারা স্থানাভেদে পরিচয় বদলীয়ে প্রতারণা করে থাকে।

কখনো গোয়েন্দা কর্মকর্তা,কখনো দুদক কর্মকর্তা,কখনো আইনজীবি,কখনো সাংবাদিক,কখনো বেসরকারী কোম্পানীর মালিক,কখনো ব্যাংক কর্মকর্তা,কখনো মন্ত্রীর এপিএস,কখনো সচিবের আত্মীয় ইত্যাদি পরিচয়ে এরা সর্বত্র বিরাজ করছে। এদের প্রতারণার ফাঁদে পড়ে নি:স-রিক্ত হচ্ছে সাধারন মানুষ।

জনগণের সচেতনতা ও আইন শৃংক্ষলা রক্ষাকারী বাহিনীর পদক্ষেপে মাঝে মধ্যে ২/৪ ধরা পড়লেও বেশিরভাগই থেকে যাচ্ছে অধরা। তবে কি এদের হাত থেকে মুক্তির উপায় নেই? এই প্রশ্নটির উত্তর মেলা অতি আবশ্যিক হলেও সেটি থেকে যাচ্ছে অবহেলা আর উদাসীনতায়।

 

ছবির এই ব্যাক্তির নাম: মোহাম্মদ ওয়ালিউল্লাহ (৪৪), পিতা- মো. বদিউজ্জামান, মাতা- মোছা. আফুজা খাতুন। বর্তমান ঠিকানা: ১৪৯, ডা. হিরন মার্কেট, আশকোনা, হাজী ক্যাম্প, দক্ষিণখান, ঢাকা- ১২৩০। তিনি কিছুদিন আগেও মোহনা টিভিতে চাকুরী করতেন। সেখানে ক্ষমতার অপব্যবহার করে ঘটিয়েছেন নানা কেচ্ছা কেলেংকারী। আর্থিক অনিয়ম দুর্নীতিও করেছেন। ফলে মোহনা টিভি কর্তৃপক্ষ তাকে চাকুরীচ্যুত করে স্বসম্মানে বিদায় দিয়েছেন।

এরপর থেকে তিনি আয়কর আইনজীবি হিসাবে আবির্ভুত হয়েছেন। এই পরিচয়ে ভিজিটিং কার্ড ছাপিয়ে বিতরণ করছেন মক্কেল ধরার জন্য। এ দিকে স্বামী পরিত্যাক্ত এক নারীকে বিয়ের প্রলোভন দিয়ে অবৈধ মেলামেশা ও অর্থ কড়িও হাতিয়ে নিয়েছেন মোটা দাগে। এখন ও নারীকে নানাভাবে ব্ল্যাকমেলিং করার চেষ্টা করছেন। এ কারণে ওই নারী মোহাম্মদ ওয়ালিউল্লাহ’র বিরুদ্ধে থানায় জিডি করতে বাধ্য হয়েছেন।

জানাগেছে, মোহাম্মদ ওয়ালিউল্লাহ বিবাহিত । শ্বশুর বাড়ীতে নাকি ঘর জামাই থাকেন। তার শ্বশুর বাড়ীর লোকেজন নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের রাজনীতি করেন। যে কারণে তার ২ শ্যালক এখন পলাতক। এই ঘর জামাই ভদ্রলোক মোহনা টিভিতে চাকুরীর সুবাদে প্রতারণা পেশাকে বেশ ভালোই রপ্ত করেছেন। তার সম্পর্কে বিস্তারিত প্রতিবেদন তৈরি করা হচ্ছে। শীঘ্রই তার “অপকর্মনামা” বিশ্ববাসীর সামনে তুলে ধরা হবে।