ঢাকা ০৪:৩৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ:
ভিয়েতনামী খাটো জাতের নারকেল চাষে ডুমুরিয়ায় বিপ্লব: আড়াই বছরেই ফলন, বছরে মিলছে ৩৫০ নারকেল। কুড়িগ্রাম ভূরুঙ্গামারী সোনাহাট স্থলবন্দরে মাদক বিরোধী মানববন্ধন।  কুমিল্লা দাউদ কান্দিতে পৃথক অভিযানে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনের সদস্যসহ ৩ আসামি গ্রেপ্তার। বরগুনা জেলার পাথরঘাটায় হত্যা মামলার দীর্ঘদিনের পলাতক অভিযুক্ত আল আমিন’কে র‌্যাব-৮, সিপিসি-১, পটুয়াখালী ক্যাম্প কর্তৃক গ্রেফতার। বিদেশি সিগারেটসহ চোরাকারবারি গ্রেপ্তার, ৩০ কার্টুন সিগারেট উদ্ধার। কালীগঞ্জ পৌর এলাকায় বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে নির্মিত রাস্তায় নিম্ন মানের নির্মান সামগ্রী। ১৭ বছর যাবত যুবলীগ নেতা সাঈদ মীরের দখলে মাগুরা জেলা বাস মিনিবাস মালিক মালিক গ্রুপের কর্তৃত্ব! জেলা প্রশাসকের হস্তক্ষেপ কামনা। ভাইরাল গান, ভাইরাল বিতর্ক: একজন শিক্ষকের সাংস্কৃতিক স্বাধীনতা নাকি পেশাগত দায়বদ্ধতার প্রশ্ন? বিয়ের আশ্বাসে সুন্দরী নারীর দেহভোগ: অতিরিক্ত ডিআইজি জহিরুলের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা। মাগুরার সাবেক এসপি জহিরুলের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা।

খুলনা জেলা দাকোপে জমি দখলের অভিযোগ: বৈধ মালিককে অস্ত্রের মুখে উচ্ছেদ, প্রশাসনের হস্তক্ষেপ দাবি।

খুলনার দাকোপ উপজেলার চালনা বাজার এলাকায় বৈধভাবে ক্রয়কৃত জমি ও বসতভিটা জোরপূর্বক দখলের অভিযোগ উঠেছে একটি প্রভাবশালী চক্রের বিরুদ্ধে। ভুক্তভোগী পরিবারের দাবি, দলিল, নামজারি ও খাজনা পরিশোধের সকল বৈধ কাগজপত্র থাকা সত্ত্বেও তারা নিজেদের সম্পত্তিতে প্রবেশ করতে পারছেন না। জমিতে গেলে দেশীয় অস্ত্র দেখিয়ে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হচ্ছে।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, চালনা বাজারের বাসিন্দা অমল কৃষ্ণ রায় ২০১৯ ও ২০২০ সালে বৈধ রেজিস্ট্রি দলিলের মাধ্যমে ৯৩ শতাংশ জমি ক্রয় করেন এবং পরবর্তীতে নামজারি সম্পন্ন করে নিয়মিত খাজনা পরিশোধ করে ভোগদখলে ছিলেন। জমিতে তিনি ফলদ ও বনজ গাছের বাগানও গড়ে তোলেন।

পরবর্তীতে পূর্ব মালিক কমলেশ চন্দ্র প্রামাণিকের মৃত্যুর পর মানবিক কারণে তার স্ত্রী মলিনা বিশ্বাস ও সন্তানদের একটি লিখিত ভাড়াটিয়া চুক্তির মাধ্যমে সেখানে সাময়িকভাবে বসবাসের সুযোগ দেন। কিন্তু চুক্তির মেয়াদ শেষ হলেও তারা ভাড়া পরিশোধ না করে উল্টো জমি ও বাড়ির দখল ছেড়ে দিতে অস্বীকৃতি জানান বলে অভিযোগ রয়েছে।

ভুক্তভোগী পরিবারের দাবি, স্থানীয় কিছু ভূমিদস্যু ও প্রভাবশালী ব্যক্তির মদদে তারা অবৈধভাবে সম্পত্তি দখল করে রেখেছেন। জমিতে প্রবেশ বা বাগান পরিচর্যা করতে গেলে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলার ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং খুন-জখমের হুমকি দেওয়া হচ্ছে।

আইন বিশেষজ্ঞদের মতে, অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হলে এটি অবৈধ দখল, ফৌজদারি ভয়ভীতি প্রদর্শন, অপরাধমূলক অনুপ্রবেশ এবং সম্পত্তি আত্মসাতের চেষ্টার আওতায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ। এ ধরনের ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি আদালতে দখল পুনরুদ্ধার মামলা, উচ্ছেদ মামলা এবং ফৌজদারি অভিযোগ দায়ের করতে পারেন।

এ ঘটনায় ভুক্তভোগী পরিবার প্রশাসন, আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছে, যাতে বৈধ মালিক তার সম্পত্তির দখল ফিরে পান এবং দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।

Tag :
About Author Information

GOURANGA BOSE

জনপ্রিয় সংবাদ

ভিয়েতনামী খাটো জাতের নারকেল চাষে ডুমুরিয়ায় বিপ্লব: আড়াই বছরেই ফলন, বছরে মিলছে ৩৫০ নারকেল।

খুলনা জেলা দাকোপে জমি দখলের অভিযোগ: বৈধ মালিককে অস্ত্রের মুখে উচ্ছেদ, প্রশাসনের হস্তক্ষেপ দাবি।

আপডেট সময় : ১২:০১:২৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ জুন ২০২৬

খুলনার দাকোপ উপজেলার চালনা বাজার এলাকায় বৈধভাবে ক্রয়কৃত জমি ও বসতভিটা জোরপূর্বক দখলের অভিযোগ উঠেছে একটি প্রভাবশালী চক্রের বিরুদ্ধে। ভুক্তভোগী পরিবারের দাবি, দলিল, নামজারি ও খাজনা পরিশোধের সকল বৈধ কাগজপত্র থাকা সত্ত্বেও তারা নিজেদের সম্পত্তিতে প্রবেশ করতে পারছেন না। জমিতে গেলে দেশীয় অস্ত্র দেখিয়ে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হচ্ছে।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, চালনা বাজারের বাসিন্দা অমল কৃষ্ণ রায় ২০১৯ ও ২০২০ সালে বৈধ রেজিস্ট্রি দলিলের মাধ্যমে ৯৩ শতাংশ জমি ক্রয় করেন এবং পরবর্তীতে নামজারি সম্পন্ন করে নিয়মিত খাজনা পরিশোধ করে ভোগদখলে ছিলেন। জমিতে তিনি ফলদ ও বনজ গাছের বাগানও গড়ে তোলেন।

পরবর্তীতে পূর্ব মালিক কমলেশ চন্দ্র প্রামাণিকের মৃত্যুর পর মানবিক কারণে তার স্ত্রী মলিনা বিশ্বাস ও সন্তানদের একটি লিখিত ভাড়াটিয়া চুক্তির মাধ্যমে সেখানে সাময়িকভাবে বসবাসের সুযোগ দেন। কিন্তু চুক্তির মেয়াদ শেষ হলেও তারা ভাড়া পরিশোধ না করে উল্টো জমি ও বাড়ির দখল ছেড়ে দিতে অস্বীকৃতি জানান বলে অভিযোগ রয়েছে।

ভুক্তভোগী পরিবারের দাবি, স্থানীয় কিছু ভূমিদস্যু ও প্রভাবশালী ব্যক্তির মদদে তারা অবৈধভাবে সম্পত্তি দখল করে রেখেছেন। জমিতে প্রবেশ বা বাগান পরিচর্যা করতে গেলে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলার ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং খুন-জখমের হুমকি দেওয়া হচ্ছে।

আইন বিশেষজ্ঞদের মতে, অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হলে এটি অবৈধ দখল, ফৌজদারি ভয়ভীতি প্রদর্শন, অপরাধমূলক অনুপ্রবেশ এবং সম্পত্তি আত্মসাতের চেষ্টার আওতায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ। এ ধরনের ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি আদালতে দখল পুনরুদ্ধার মামলা, উচ্ছেদ মামলা এবং ফৌজদারি অভিযোগ দায়ের করতে পারেন।

এ ঘটনায় ভুক্তভোগী পরিবার প্রশাসন, আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছে, যাতে বৈধ মালিক তার সম্পত্তির দখল ফিরে পান এবং দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।