ঢাকা ০৫:৫৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ:
১৭ বছর যাবত যুবলীগ নেতা সাঈদ মীরের দখলে মাগুরা জেলা বাস মিনিবাস মালিক মালিক গ্রুপের কর্তৃত্ব! জেলা প্রশাসকের হস্তক্ষেপ কামনা। ভাইরাল গান, ভাইরাল বিতর্ক: একজন শিক্ষকের সাংস্কৃতিক স্বাধীনতা নাকি পেশাগত দায়বদ্ধতার প্রশ্ন? বিয়ের আশ্বাসে সুন্দরী নারীর দেহভোগ: অতিরিক্ত ডিআইজি জহিরুলের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা। মাগুরার সাবেক এসপি জহিরুলের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা। রাজৈর ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ মরিয়ম মুজাহিদার রিটে হাইকোর্টের আদেশ শিক্ষা অধিদপ্তরের সাবেক দুই মহা-পরিচালককে তলব। শিক্ষার পরিবেশ উন্নয়নে হাড়িভাসা ইউপির উদ্যোগ, ১৭ বিদ্যালয়ে ফ্লোর ম্যাট প্রদান। ডুমুরিয়ার আন্দুলিয়ায় বিনামূল্যে চক্ষু সেবা ছানি রোগী বাছাই। ঠাকুরগাঁওয়ে সারের সিন্ডিকেটের অভিযোগ, নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে অতিরিক্ত দামে বিক্রির দাবি। ফতুল্লায় শামীম ওসমানের আস্থাভাজন আওয়ামীলীগ নেতা রাজ্জাক গ্রেফতারে জনমনে স্বস্তি। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের কাঁধে দুর্নীতির ভুত: চার মাস ধরে আটকে রাখা হয়েছে রাজশাহী মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় প্রকল্পের টেন্ডারের ফাইল!

১৭ বছর যাবত যুবলীগ নেতা সাঈদ মীরের দখলে মাগুরা জেলা বাস মিনিবাস মালিক মালিক গ্রুপের কর্তৃত্ব! জেলা প্রশাসকের হস্তক্ষেপ কামনা।

  • নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ০৪:৩৬:৪১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬
  • ১৯৬ জন সংবাদটি পড়েছেন

১৭ বছর যাবত মাগুরা জেলা বাস মিনিবাস মালিক গ্রুপের কর্তৃত্ব নিজের নিয়ন্ত্রণে রেখে কয়েক কোটি টাকা পকেটে তুলেছেন সভাপতি মীর আবু সাঈদ।

তার অবৈধ নিয়ন্ত্রণ থেকে সংগঠনটি উদ্ধারের জন্য মাগুরা জেলা প্রশাসক ও মাগুরা _১ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব মনোয়ার হোসেন খানের কাছে লিখিত আবেদন করেছেন সদস্যরা।

তাদের অভিযোগ সুত্রের বর্ণনা মতে-

আমাদের সমিতিটি প্রায় ১৭ বছর বর্তমান সভাপতি মীর আবু সাইদ (সাইদ মীর) নানা কুটকৌশল প্রয়োগ করে (নামে মাত্র নির্বাচন করে) কুক্ষিগত করে রেখেছেন।

তিনি আমাদের কোন প্রশ্নের উত্তর দেন না। সংগঠনের আয়-ব্যয় হিসাব চাইলে তিনি মারমুখি আচরণ করেন এবং পেশিশক্তি ব্যবহার করেন। তিনি সংগঠনের গঠনতন্ত্রের কোন ধার ধারেন না। তিনি সংগঠনের তহবীলের টাকায় কেনা জমি নিজের নামে রেজিষ্ট্রি করে নিয়েছেন। কেউ কোন প্রতিবাদ করলে তিনি আমাদের গাড়ির ট্রিপ বন্ধ করে দেন।

এছাড়া সংগঠনের গঠনতন্ত্রের ধারা উপধারা লঙ্গন করে অসংখ্য তুয়া ভোটার তৈরী করেছেন। এসব ভোটারদের কোন গাড়ি নেই-নেই কোন গাড়ির মালিকানা। অথচ তারা সদস্য হিসাবে অন্তরভূক্ত রয়েছেন। তিনি মাগুরা জেলা বাস মিনিবাস মালিকগ্রুপের সভাপতি হিসাবে প্রতি মাসে বিপুল পরিমান টাকা আত্মসাৎ করেছেন। কিন্তু মালিকগ্রুপের ব্যাংক হিসাবে টাকা জমা দেয় নাই। তিনি এতটাই প্রভাবশালী যে, মালিকগ্রুপের সাধারণ সম্পাদক সহ অন্যান্য কর্মকর্তাদের সম্মান দিয়ে কথাও বলেন না। তাদের সাথে প্রভুত্বের মত আচরণ করেন।

আমরা দীর্ঘ দিন ধরে তার কাছে সংগঠনের হিসাব চেয়ে আসছি। কিন্তু তিনি কোন হিসাব দেন না। স্বৈরাচারী কায়দায় ক্ষমতা কুক্ষিগত করে তার ইচ্ছা খুশি মত সংগঠন পরিচালনা করে আসছেন। রাজনৈতিক মতাদর্শে তিনি নিষিদ্ধ আওয়ামী যুবলীগের একজন সশস্ত্র ক্যাডার। বিগত দুই দশকে তার নামে একাধিক হত্যা সহ অসংখ্য মামলা দায়ের হয়। তার মধ্যে চাঁদাবাজী, বোমাবাজী, অস্ত্র মামলাও রয়েছে। তার পোষা সন্ত্রাসী বাহিনীর ভয়ে আমরা কেউ প্রতিবাদ করার সাহস পাই নাই। তিনি বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রাণলয়ের ক্রসফায়ারের তালিকা ভুক্ত আসামী ছিলেন।

 

এমতাবস্থায়, সংগঠনটির মেয়াদ ১ বছর উত্তীর্ণ হয়ে বৈধতা হারিয়েছে। তাই সংগঠনটিকে রাহুমুক্ত করে একটি সুষ্ঠু ধারায় ফিরিয়ে আনা ও সুন্দর নির্বাচন অনুষ্ঠিত করা একান্ত প্রয়োজন।

সে কারনে নিম্ন লিখিত সুস্পষ্ট প্রস্তাবনা সমূহ আপনার সদয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রণীত হলো। ১.অনতিবিলম্বে প্রকৃত বাস মিনিবাস মালিকদের একটি পূর্ণাঙ্গ, হালনাগাদ ভোটার তালিকা প্রস্তুতের নিমিত্তে এবং একটি সফল স্বচ্ছ অবাধ সুষ্ঠু এবং গনতন্ত্রিত্রিক পন্থায় নির্বাচন অনুষ্ঠিত করার জন্য আপনার প্রশাসনের প্রতিনিধি এবং মালিক সমিতির সাধারণ সদস্যদের সমন্বয়ে একটি আহবায়ক কমিটি গঠন করা প্রয়োজন।

এ বিষয়ে কথা বলার জন্য সভাপতি সাঈদ মীরের মোবাইল ফোনে কল দিলেও তিনি কল রিসিভ করেননি।

Tag :
About Author Information

GOURANGA BOSE

জনপ্রিয় সংবাদ

১৭ বছর যাবত যুবলীগ নেতা সাঈদ মীরের দখলে মাগুরা জেলা বাস মিনিবাস মালিক মালিক গ্রুপের কর্তৃত্ব! জেলা প্রশাসকের হস্তক্ষেপ কামনা।

১৭ বছর যাবত যুবলীগ নেতা সাঈদ মীরের দখলে মাগুরা জেলা বাস মিনিবাস মালিক মালিক গ্রুপের কর্তৃত্ব! জেলা প্রশাসকের হস্তক্ষেপ কামনা।

আপডেট সময় : ০৪:৩৬:৪১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬

১৭ বছর যাবত মাগুরা জেলা বাস মিনিবাস মালিক গ্রুপের কর্তৃত্ব নিজের নিয়ন্ত্রণে রেখে কয়েক কোটি টাকা পকেটে তুলেছেন সভাপতি মীর আবু সাঈদ।

তার অবৈধ নিয়ন্ত্রণ থেকে সংগঠনটি উদ্ধারের জন্য মাগুরা জেলা প্রশাসক ও মাগুরা _১ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব মনোয়ার হোসেন খানের কাছে লিখিত আবেদন করেছেন সদস্যরা।

তাদের অভিযোগ সুত্রের বর্ণনা মতে-

আমাদের সমিতিটি প্রায় ১৭ বছর বর্তমান সভাপতি মীর আবু সাইদ (সাইদ মীর) নানা কুটকৌশল প্রয়োগ করে (নামে মাত্র নির্বাচন করে) কুক্ষিগত করে রেখেছেন।

তিনি আমাদের কোন প্রশ্নের উত্তর দেন না। সংগঠনের আয়-ব্যয় হিসাব চাইলে তিনি মারমুখি আচরণ করেন এবং পেশিশক্তি ব্যবহার করেন। তিনি সংগঠনের গঠনতন্ত্রের কোন ধার ধারেন না। তিনি সংগঠনের তহবীলের টাকায় কেনা জমি নিজের নামে রেজিষ্ট্রি করে নিয়েছেন। কেউ কোন প্রতিবাদ করলে তিনি আমাদের গাড়ির ট্রিপ বন্ধ করে দেন।

এছাড়া সংগঠনের গঠনতন্ত্রের ধারা উপধারা লঙ্গন করে অসংখ্য তুয়া ভোটার তৈরী করেছেন। এসব ভোটারদের কোন গাড়ি নেই-নেই কোন গাড়ির মালিকানা। অথচ তারা সদস্য হিসাবে অন্তরভূক্ত রয়েছেন। তিনি মাগুরা জেলা বাস মিনিবাস মালিকগ্রুপের সভাপতি হিসাবে প্রতি মাসে বিপুল পরিমান টাকা আত্মসাৎ করেছেন। কিন্তু মালিকগ্রুপের ব্যাংক হিসাবে টাকা জমা দেয় নাই। তিনি এতটাই প্রভাবশালী যে, মালিকগ্রুপের সাধারণ সম্পাদক সহ অন্যান্য কর্মকর্তাদের সম্মান দিয়ে কথাও বলেন না। তাদের সাথে প্রভুত্বের মত আচরণ করেন।

আমরা দীর্ঘ দিন ধরে তার কাছে সংগঠনের হিসাব চেয়ে আসছি। কিন্তু তিনি কোন হিসাব দেন না। স্বৈরাচারী কায়দায় ক্ষমতা কুক্ষিগত করে তার ইচ্ছা খুশি মত সংগঠন পরিচালনা করে আসছেন। রাজনৈতিক মতাদর্শে তিনি নিষিদ্ধ আওয়ামী যুবলীগের একজন সশস্ত্র ক্যাডার। বিগত দুই দশকে তার নামে একাধিক হত্যা সহ অসংখ্য মামলা দায়ের হয়। তার মধ্যে চাঁদাবাজী, বোমাবাজী, অস্ত্র মামলাও রয়েছে। তার পোষা সন্ত্রাসী বাহিনীর ভয়ে আমরা কেউ প্রতিবাদ করার সাহস পাই নাই। তিনি বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রাণলয়ের ক্রসফায়ারের তালিকা ভুক্ত আসামী ছিলেন।

 

এমতাবস্থায়, সংগঠনটির মেয়াদ ১ বছর উত্তীর্ণ হয়ে বৈধতা হারিয়েছে। তাই সংগঠনটিকে রাহুমুক্ত করে একটি সুষ্ঠু ধারায় ফিরিয়ে আনা ও সুন্দর নির্বাচন অনুষ্ঠিত করা একান্ত প্রয়োজন।

সে কারনে নিম্ন লিখিত সুস্পষ্ট প্রস্তাবনা সমূহ আপনার সদয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রণীত হলো। ১.অনতিবিলম্বে প্রকৃত বাস মিনিবাস মালিকদের একটি পূর্ণাঙ্গ, হালনাগাদ ভোটার তালিকা প্রস্তুতের নিমিত্তে এবং একটি সফল স্বচ্ছ অবাধ সুষ্ঠু এবং গনতন্ত্রিত্রিক পন্থায় নির্বাচন অনুষ্ঠিত করার জন্য আপনার প্রশাসনের প্রতিনিধি এবং মালিক সমিতির সাধারণ সদস্যদের সমন্বয়ে একটি আহবায়ক কমিটি গঠন করা প্রয়োজন।

এ বিষয়ে কথা বলার জন্য সভাপতি সাঈদ মীরের মোবাইল ফোনে কল দিলেও তিনি কল রিসিভ করেননি।