ঢাকা ০৯:৫০ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ:
চার শিক্ষাব্যবস্থা, চার বাংলাদেশ: রাষ্ট্রের নীরব আত্মবিভাজন। রাষ্ট্রপতির আগমন ঘিরে নতুন সাজে ঠাকুরগাঁও, রাঙিয়ে তোলা হয়েছে শহর। শ্রীকৃষ্ণের আবির্ভাব: দুষ্টের দমন, শিষ্টের পালন ও সমকালীন পৃথিবীতে কৃষ্ণের প্রাসঙ্গিকতা। ভাঙ্গার আলগীর ঝালডাঙ্গা বিলে শতাধিক নৌকার মহারণ, সেরা রাজৈরের ‘বৈতরণী’। শ্রীকৃষ্ণের আবির্ভাবের বার্তা: অশুভের বিরুদ্ধে শুভবোধের জাগরণ- অপর্ণা রায় দাস। প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা: প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরে আউট সোর্সিং এর কাজ শতভাগ আওয়ামী প্রতিষ্ঠানের দখলে! এনআরবিসি ব্যাংকে চিহ্নিত লুটেরা চক্রের অপতৎপরতা! শাহজালাল ইসলামী ব্যাংকের বরিশাল শাখার ম্যানেজার হিসেবে যোগ দিলেন আবুল কালাম আজাদ নজরুল বর্ষ ও আমাদের সাংস্কৃতিক উন্নয়ন: বিদ্রোহী কবির প্রাসঙ্গিকতা ও উত্তরাধিকার। যেভাবে বিএনপির প্রতিষ্ঠা , সংকটের ধ্বংসস্তূপ থেকে বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের রাজনৈতিক অভিযাত্রা।

বন্যার্তদের পাশে কক্সবাজার জেলা পুলিশ, চকরিয়া-পেকুয়ার দুর্গত এলাকায় ত্রাণ বিতরণ।

 

টানা ৬ থেকে ৭ দিনের ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে সৃষ্ট জলাবদ্ধতায় বিপর্যস্ত কক্সবাজারের চকরিয়া ও পেকুয়া উপজেলার বন্যাদুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে কক্সবাজার জেলা পুলিশ। দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত ও পানিবন্দি পরিবারের মাঝে জরুরি খাদ্যসামগ্রী ও মানবিক সহায়তা পৌঁছে দিয়েছে জেলা পুলিশের একটি বিশেষ দল।

শনিবার (১২ জুলাই) চকরিয়া উপজেলার কৈয়ারবিল, বরইতলী ও টইটং ইউনিয়ন এবং পেকুয়া সদর ইউনিয়নের নন্দীরপাড়াসহ বিভিন্ন দুর্গত এলাকায় এই ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রম পরিচালিত হয়। এতে নেতৃত্ব দেন কক্সবাজারের পুলিশ সুপার এ.এন.এম. সাজেদুর রহমান। তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) মোহাম্মদ সামীম কবীরসহ জেলা পুলিশের অন্যান্য কর্মকর্তারা।

ত্রাণ বিতরণের পাশাপাশি পুলিশ কর্মকর্তারা দুর্গত পরিবারের সদস্যদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে তাদের খোঁজখবর নেন, দুর্ভোগের কথা শোনেন এবং প্রয়োজনীয় সহায়তার আশ্বাস দেন। পরে খাদ্যসামগ্রী ও অন্যান্য জরুরি ত্রাণসামগ্রী তাদের হাতে তুলে দেওয়া হয়।

এ সময় পুলিশ সুপার এ.এন.এম. সাজেদুর রহমান বলেন, “দুর্যোগের সময় মানুষের পাশে দাঁড়ানো বাংলাদেশ পুলিশের নৈতিক ও মানবিক দায়িত্ব। বন্যাদুর্গত মানুষের জন্য জেলা পুলিশের সহায়তা কার্যক্রম পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত অব্যাহত থাকবে।”

টানা বৃষ্টিতে চকরিয়া ও পেকুয়ার বিস্তীর্ণ এলাকা এখনো পানিতে তলিয়ে রয়েছে। অনেক পরিবার পানিবন্দি হয়ে দুর্বিষহ জীবনযাপন করছে। এমন সংকটময় সময়ে কক্সবাজার জেলা পুলিশের মানবিক উদ্যোগ দুর্গত মানুষের মাঝে স্বস্তি এনে দিয়েছে। জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বন্যাদুর্গত মানুষের সহায়তায় তাদের মাঠপর্যায়ের কার্যক্রম চলমান থাকবে।

Tag :
About Author Information

GOURANGA BOSE

জনপ্রিয় সংবাদ

চার শিক্ষাব্যবস্থা, চার বাংলাদেশ: রাষ্ট্রের নীরব আত্মবিভাজন।

বন্যার্তদের পাশে কক্সবাজার জেলা পুলিশ, চকরিয়া-পেকুয়ার দুর্গত এলাকায় ত্রাণ বিতরণ।

আপডেট সময় : ০৬:৫২:০৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬

 

টানা ৬ থেকে ৭ দিনের ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে সৃষ্ট জলাবদ্ধতায় বিপর্যস্ত কক্সবাজারের চকরিয়া ও পেকুয়া উপজেলার বন্যাদুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে কক্সবাজার জেলা পুলিশ। দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত ও পানিবন্দি পরিবারের মাঝে জরুরি খাদ্যসামগ্রী ও মানবিক সহায়তা পৌঁছে দিয়েছে জেলা পুলিশের একটি বিশেষ দল।

শনিবার (১২ জুলাই) চকরিয়া উপজেলার কৈয়ারবিল, বরইতলী ও টইটং ইউনিয়ন এবং পেকুয়া সদর ইউনিয়নের নন্দীরপাড়াসহ বিভিন্ন দুর্গত এলাকায় এই ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রম পরিচালিত হয়। এতে নেতৃত্ব দেন কক্সবাজারের পুলিশ সুপার এ.এন.এম. সাজেদুর রহমান। তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) মোহাম্মদ সামীম কবীরসহ জেলা পুলিশের অন্যান্য কর্মকর্তারা।

ত্রাণ বিতরণের পাশাপাশি পুলিশ কর্মকর্তারা দুর্গত পরিবারের সদস্যদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে তাদের খোঁজখবর নেন, দুর্ভোগের কথা শোনেন এবং প্রয়োজনীয় সহায়তার আশ্বাস দেন। পরে খাদ্যসামগ্রী ও অন্যান্য জরুরি ত্রাণসামগ্রী তাদের হাতে তুলে দেওয়া হয়।

এ সময় পুলিশ সুপার এ.এন.এম. সাজেদুর রহমান বলেন, “দুর্যোগের সময় মানুষের পাশে দাঁড়ানো বাংলাদেশ পুলিশের নৈতিক ও মানবিক দায়িত্ব। বন্যাদুর্গত মানুষের জন্য জেলা পুলিশের সহায়তা কার্যক্রম পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত অব্যাহত থাকবে।”

টানা বৃষ্টিতে চকরিয়া ও পেকুয়ার বিস্তীর্ণ এলাকা এখনো পানিতে তলিয়ে রয়েছে। অনেক পরিবার পানিবন্দি হয়ে দুর্বিষহ জীবনযাপন করছে। এমন সংকটময় সময়ে কক্সবাজার জেলা পুলিশের মানবিক উদ্যোগ দুর্গত মানুষের মাঝে স্বস্তি এনে দিয়েছে। জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বন্যাদুর্গত মানুষের সহায়তায় তাদের মাঠপর্যায়ের কার্যক্রম চলমান থাকবে।