ঢাকা ০২:২১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬, ২৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ:
প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে অভিযোগ: ফ্যাসিবাদের দোসর মোঃ শহীদ আতাহার হোসেন এর গ্রাসে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তর! গোয়েন্দা সংস্থার পদক্ষেপ জরুরী, সরকারকে বেকায়দায় ফেলতে আমলা ও গুপ্ত সিন্ডিকেটের নানামুখি চক্রান্ত! মাকে কাঁধে করে ছেলের ভিক্ষাবৃত্তি। কুমিল্লার লাকসামের সোহান হত্যা মামলায় মিজানুর রহমানের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড। গাজীপুরের কালিয়াকৈরে পার্কিং করা গাড়িতে আগুন। সরকারি রাস্তা দখল করে পাকা ভবন নির্মাণের অভিযোগ, এলাকাবাসীর ক্ষোভ। উচ্ছেদ নয়, আগে পুনর্বাসন: মিটফোর্ড সুইপার কলোনির সংকট রাষ্ট্রের মানবিকতা, ন্যায়বিচার ও সংবিধানের পরীক্ষা। রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলার ক্ষুদে সংগীতশিল্পী অনুশ্রী রায়ের স্বপ্ন পূরণ করলেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। রাজস্ব ঘাটতি ৮৮ হাজার কোটি টাকা:  এনবিআর এর ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আহসান হাবিবের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে অভিযোগ। সরকারের বিরুদ্ধে ভয়ংকর ষড়যন্ত্র:  মন্ত্রিসভা থেকে বাদ পড়তে পারেন বিতর্কিত স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ও চুক্তিভিত্তিক সচিব!

১৮০ দিনের কর্মসূচির বাস্তবায়নে নৌপরিবহন অধিদপ্তরে নতুন গতি। কমডোর শফিউল বারীর নেতৃত্বে ৮০ শতাংশ কার্যক্রম অটোমেশন, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতায় বড় পরিবর্তন। ডিজিটাল সেবায় রূপান্তর, লাইটার ভেসেল ব্যবস্থাপনায় শৃঙ্খলা এবং জনবান্ধব প্রশাসনের নতুন দিগন্ত।

সরকারের ঘোষিত ১৮০ দিনের কর্মসূচির অন্যতম লক্ষ্য ছিল রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোতে দক্ষতা বৃদ্ধি, সুশাসন প্রতিষ্ঠা, জনসেবার মান উন্নয়ন এবং প্রযুক্তিনির্ভর প্রশাসন গড়ে তোলা। এই লক্ষ্য বাস্তবায়নে নৌপরিবহন অধিদপ্তর গ্রহণ করেছে একাধিক কার্যকর উদ্যোগ। মহাপরিচালক কমডোর শফিউল বারীর গতিশীল নেতৃত্বে অধিদপ্তরের দীর্ঘদিনের প্রচলিত কার্যক্রমে এসেছে আধুনিক ব্যবস্থাপনার ছোঁয়া। অটোমেশন, ডিজিটাল সেবা, দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং জবাবদিহিমূলক প্রশাসনের মাধ্যমে নৌপরিবহন অধিদপ্তর এগিয়ে যাচ্ছে নতুন পথে।

 

নৌপরিবহন অধিদপ্তর দেশের নৌ নিরাপত্তা, নৌযান নিবন্ধন, জরিপ ও পরিদর্শন, নাবিকদের প্রশিক্ষণ ও সনদায়ন এবং আন্তর্জাতিক মেরিটাইম মানদণ্ড বাস্তবায়নের দায়িত্ব পালন করে থাকে। বর্তমান নেতৃত্বে অধিদপ্তরের প্রধান লক্ষ্য হচ্ছে— “দ্রুত, স্বচ্ছ ও প্রযুক্তিনির্ভর সেবা জনগণের কাছে পৌঁছে দেওয়া।”

 

অটোমেশনে পরিবর্তনের বড় অধ্যায়

 

নৌপরিবহন অধিদপ্তরের কার্যক্রম আধুনিকায়নের অন্যতম বড় পদক্ষেপ হলো ব্যাপক অটোমেশন কার্যক্রম। বর্তমানে অধিদপ্তরের প্রায় ৮০ শতাংশ কার্যক্রম অটোমেশনের আওতায় আনার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। এর ফলে সেবা প্রদানের ক্ষেত্রে সময় কমছে, কমছে মানুষের ভোগান্তি এবং বৃদ্ধি পাচ্ছে প্রশাসনিক স্বচ্ছতা।

 

অধিদপ্তরে চালু হয়েছে পিএমআইএস, ডিএমএস ও এএমএস ব্যবস্থা। এসব ব্যবস্থার মাধ্যমে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের তথ্য ব্যবস্থাপনা, নথি সংরক্ষণ এবং সম্পদ ব্যবস্থাপনা ডিজিটাল পদ্ধতিতে পরিচালিত হচ্ছে। এতে সিদ্ধান্ত গ্রহণ আরও দ্রুত ও কার্যকর হচ্ছে।

 

একই সঙ্গে নাবিকদের জন্য ডিজিটাল আইডি কার্ড, সার্ভিস বুক ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম এবং ই-সনদ ব্যবস্থা চালুর ফলে সেবাগ্রহীতারা ঘরে বসেই প্রয়োজনীয় তথ্য ও সেবা পাওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন।

 

লাইটার ভেসেল ব্যবস্থাপনায় শৃঙ্খলা

 

নৌপথে পণ্য পরিবহন ব্যবস্থাকে আরও সুশৃঙ্খল ও স্বচ্ছ করতে লাইটার ভেসেল ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে লাইটার জাহাজ পরিচালনা, বরাদ্দ ও ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত হবে এবং দীর্ঘদিনের বিভিন্ন জটিলতা কমবে।

 

বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, নৌ বাণিজ্যের গতি বাড়াতে এবং বন্দরকেন্দ্রিক পণ্য পরিবহন ব্যবস্থাকে আরও কার্যকর করতে এই ধরনের প্রযুক্তিনির্ভর ব্যবস্থাপনা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

 

নৌ নিরাপত্তা ও আইন প্রয়োগে কঠোর অবস্থান

নৌ নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নিয়মিত পরিদর্শন ও আইন প্রয়োগ কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে অধিদপ্তরের পরিদর্শকরা ৯ হাজার ৮০০টি নৌযান পরিদর্শন করেন। নৌ আইন লঙ্ঘনের ঘটনায় ৩ হাজার ১২০টি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

এ ছাড়া নদীবন্দর এলাকায় ৪৮টি মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে প্রায় ৬৫ দশমিক ৬০ লাখ টাকা জরিমানা সরকারি কোষাগারে জমা করা হয়েছে।

আন্তর্জাতিক মেরিটাইম অঙ্গনে বাংলাদেশের অগ্রগতি

কমডোর শফিউল বারীর নেতৃত্বে নৌপরিবহন অধিদপ্তর আন্তর্জাতিক সহযোগিতা ও স্বীকৃতি অর্জনের ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের মধ্যে মেরিটাইম শিক্ষা ও সনদায়নের পারস্পরিক স্বীকৃতি চুক্তির ফলে বাংলাদেশি নাবিকদের আন্তর্জাতিক কর্মসংস্থানের সুযোগ বৃদ্ধি পেয়েছে।

এ ছাড়া ২০২৪ সালের আংটাগ রিপোর্ট অনুযায়ী প্রথমবারের মতো বাংলাদেশ জাহাজ মালিকদের তালিকায় ৩৫তম অবস্থানে উঠে এসেছে, যা দেশের নৌ খাতের সক্ষমতার আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি।

স্বচ্ছতা ও জনবান্ধব সেবার নতুন সংস্কৃতি

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, কমডোর শফিউল বারীর নেতৃত্বে নৌপরিবহন অধিদপ্তরে সবচেয়ে বড় পরিবর্তন এসেছে কাজের সংস্কৃতিতে। প্রযুক্তির ব্যবহার, নিয়মিত মনিটরিং, দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং দায়িত্বশীল প্রশাসনের কারণে প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রমে গতি এসেছে।

আগামী দিনে মেরিটাইম সিঙ্গেল উইন্ডো, ডস ই আর পি, ই-এস আই ডি, মেরিন কোর্ট ম্যানেজমেন্টে সিস্টেম এবং সমন্বিত নৌযান ডাটাবেজ বাস্তবায়নের মাধ্যমে একটি পূর্ণাঙ্গ স্মার্ট মেরিটাইম প্রশাসন গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে।

 

সরকারের ১৮০ দিনের কর্মসূচির মূল দর্শন—দক্ষতা, স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও জনসেবার মানোন্নয়ন—বাস্তবায়নে নৌপরিবহন অধিদপ্তরের বর্তমান উদ্যোগগুলো একটি গুরুত্বপূর্ণ উদাহরণ হয়ে উঠছে। কমডোর শফিউল বারীর নেতৃত্বে প্রযুক্তিনির্ভর ও আধুনিক নৌ প্রশাসনের এই অগ্রযাত্রা বাংলাদেশের নৌপরিবহন খাতে দীর্ঘমেয়াদি ইতিবাচক পরিবর্তন আনবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন।

Tag :
About Author Information

GOURANGA BOSE

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে অভিযোগ: ফ্যাসিবাদের দোসর মোঃ শহীদ আতাহার হোসেন এর গ্রাসে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তর!

১৮০ দিনের কর্মসূচির বাস্তবায়নে নৌপরিবহন অধিদপ্তরে নতুন গতি। কমডোর শফিউল বারীর নেতৃত্বে ৮০ শতাংশ কার্যক্রম অটোমেশন, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতায় বড় পরিবর্তন। ডিজিটাল সেবায় রূপান্তর, লাইটার ভেসেল ব্যবস্থাপনায় শৃঙ্খলা এবং জনবান্ধব প্রশাসনের নতুন দিগন্ত।

আপডেট সময় : ০৩:১৫:৫১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬

সরকারের ঘোষিত ১৮০ দিনের কর্মসূচির অন্যতম লক্ষ্য ছিল রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোতে দক্ষতা বৃদ্ধি, সুশাসন প্রতিষ্ঠা, জনসেবার মান উন্নয়ন এবং প্রযুক্তিনির্ভর প্রশাসন গড়ে তোলা। এই লক্ষ্য বাস্তবায়নে নৌপরিবহন অধিদপ্তর গ্রহণ করেছে একাধিক কার্যকর উদ্যোগ। মহাপরিচালক কমডোর শফিউল বারীর গতিশীল নেতৃত্বে অধিদপ্তরের দীর্ঘদিনের প্রচলিত কার্যক্রমে এসেছে আধুনিক ব্যবস্থাপনার ছোঁয়া। অটোমেশন, ডিজিটাল সেবা, দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং জবাবদিহিমূলক প্রশাসনের মাধ্যমে নৌপরিবহন অধিদপ্তর এগিয়ে যাচ্ছে নতুন পথে।

 

নৌপরিবহন অধিদপ্তর দেশের নৌ নিরাপত্তা, নৌযান নিবন্ধন, জরিপ ও পরিদর্শন, নাবিকদের প্রশিক্ষণ ও সনদায়ন এবং আন্তর্জাতিক মেরিটাইম মানদণ্ড বাস্তবায়নের দায়িত্ব পালন করে থাকে। বর্তমান নেতৃত্বে অধিদপ্তরের প্রধান লক্ষ্য হচ্ছে— “দ্রুত, স্বচ্ছ ও প্রযুক্তিনির্ভর সেবা জনগণের কাছে পৌঁছে দেওয়া।”

 

অটোমেশনে পরিবর্তনের বড় অধ্যায়

 

নৌপরিবহন অধিদপ্তরের কার্যক্রম আধুনিকায়নের অন্যতম বড় পদক্ষেপ হলো ব্যাপক অটোমেশন কার্যক্রম। বর্তমানে অধিদপ্তরের প্রায় ৮০ শতাংশ কার্যক্রম অটোমেশনের আওতায় আনার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। এর ফলে সেবা প্রদানের ক্ষেত্রে সময় কমছে, কমছে মানুষের ভোগান্তি এবং বৃদ্ধি পাচ্ছে প্রশাসনিক স্বচ্ছতা।

 

অধিদপ্তরে চালু হয়েছে পিএমআইএস, ডিএমএস ও এএমএস ব্যবস্থা। এসব ব্যবস্থার মাধ্যমে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের তথ্য ব্যবস্থাপনা, নথি সংরক্ষণ এবং সম্পদ ব্যবস্থাপনা ডিজিটাল পদ্ধতিতে পরিচালিত হচ্ছে। এতে সিদ্ধান্ত গ্রহণ আরও দ্রুত ও কার্যকর হচ্ছে।

 

একই সঙ্গে নাবিকদের জন্য ডিজিটাল আইডি কার্ড, সার্ভিস বুক ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম এবং ই-সনদ ব্যবস্থা চালুর ফলে সেবাগ্রহীতারা ঘরে বসেই প্রয়োজনীয় তথ্য ও সেবা পাওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন।

 

লাইটার ভেসেল ব্যবস্থাপনায় শৃঙ্খলা

 

নৌপথে পণ্য পরিবহন ব্যবস্থাকে আরও সুশৃঙ্খল ও স্বচ্ছ করতে লাইটার ভেসেল ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে লাইটার জাহাজ পরিচালনা, বরাদ্দ ও ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত হবে এবং দীর্ঘদিনের বিভিন্ন জটিলতা কমবে।

 

বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, নৌ বাণিজ্যের গতি বাড়াতে এবং বন্দরকেন্দ্রিক পণ্য পরিবহন ব্যবস্থাকে আরও কার্যকর করতে এই ধরনের প্রযুক্তিনির্ভর ব্যবস্থাপনা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

 

নৌ নিরাপত্তা ও আইন প্রয়োগে কঠোর অবস্থান

নৌ নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নিয়মিত পরিদর্শন ও আইন প্রয়োগ কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে অধিদপ্তরের পরিদর্শকরা ৯ হাজার ৮০০টি নৌযান পরিদর্শন করেন। নৌ আইন লঙ্ঘনের ঘটনায় ৩ হাজার ১২০টি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

এ ছাড়া নদীবন্দর এলাকায় ৪৮টি মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে প্রায় ৬৫ দশমিক ৬০ লাখ টাকা জরিমানা সরকারি কোষাগারে জমা করা হয়েছে।

আন্তর্জাতিক মেরিটাইম অঙ্গনে বাংলাদেশের অগ্রগতি

কমডোর শফিউল বারীর নেতৃত্বে নৌপরিবহন অধিদপ্তর আন্তর্জাতিক সহযোগিতা ও স্বীকৃতি অর্জনের ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের মধ্যে মেরিটাইম শিক্ষা ও সনদায়নের পারস্পরিক স্বীকৃতি চুক্তির ফলে বাংলাদেশি নাবিকদের আন্তর্জাতিক কর্মসংস্থানের সুযোগ বৃদ্ধি পেয়েছে।

এ ছাড়া ২০২৪ সালের আংটাগ রিপোর্ট অনুযায়ী প্রথমবারের মতো বাংলাদেশ জাহাজ মালিকদের তালিকায় ৩৫তম অবস্থানে উঠে এসেছে, যা দেশের নৌ খাতের সক্ষমতার আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি।

স্বচ্ছতা ও জনবান্ধব সেবার নতুন সংস্কৃতি

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, কমডোর শফিউল বারীর নেতৃত্বে নৌপরিবহন অধিদপ্তরে সবচেয়ে বড় পরিবর্তন এসেছে কাজের সংস্কৃতিতে। প্রযুক্তির ব্যবহার, নিয়মিত মনিটরিং, দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং দায়িত্বশীল প্রশাসনের কারণে প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রমে গতি এসেছে।

আগামী দিনে মেরিটাইম সিঙ্গেল উইন্ডো, ডস ই আর পি, ই-এস আই ডি, মেরিন কোর্ট ম্যানেজমেন্টে সিস্টেম এবং সমন্বিত নৌযান ডাটাবেজ বাস্তবায়নের মাধ্যমে একটি পূর্ণাঙ্গ স্মার্ট মেরিটাইম প্রশাসন গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে।

 

সরকারের ১৮০ দিনের কর্মসূচির মূল দর্শন—দক্ষতা, স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও জনসেবার মানোন্নয়ন—বাস্তবায়নে নৌপরিবহন অধিদপ্তরের বর্তমান উদ্যোগগুলো একটি গুরুত্বপূর্ণ উদাহরণ হয়ে উঠছে। কমডোর শফিউল বারীর নেতৃত্বে প্রযুক্তিনির্ভর ও আধুনিক নৌ প্রশাসনের এই অগ্রযাত্রা বাংলাদেশের নৌপরিবহন খাতে দীর্ঘমেয়াদি ইতিবাচক পরিবর্তন আনবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন।