ঢাকা ০৮:৪৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ:
চার শিক্ষাব্যবস্থা, চার বাংলাদেশ: রাষ্ট্রের নীরব আত্মবিভাজন। রাষ্ট্রপতির আগমন ঘিরে নতুন সাজে ঠাকুরগাঁও, রাঙিয়ে তোলা হয়েছে শহর। শ্রীকৃষ্ণের আবির্ভাব: দুষ্টের দমন, শিষ্টের পালন ও সমকালীন পৃথিবীতে কৃষ্ণের প্রাসঙ্গিকতা। ভাঙ্গার আলগীর ঝালডাঙ্গা বিলে শতাধিক নৌকার মহারণ, সেরা রাজৈরের ‘বৈতরণী’। শ্রীকৃষ্ণের আবির্ভাবের বার্তা: অশুভের বিরুদ্ধে শুভবোধের জাগরণ- অপর্ণা রায় দাস। প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা: প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরে আউট সোর্সিং এর কাজ শতভাগ আওয়ামী প্রতিষ্ঠানের দখলে! এনআরবিসি ব্যাংকে চিহ্নিত লুটেরা চক্রের অপতৎপরতা! শাহজালাল ইসলামী ব্যাংকের বরিশাল শাখার ম্যানেজার হিসেবে যোগ দিলেন আবুল কালাম আজাদ নজরুল বর্ষ ও আমাদের সাংস্কৃতিক উন্নয়ন: বিদ্রোহী কবির প্রাসঙ্গিকতা ও উত্তরাধিকার। যেভাবে বিএনপির প্রতিষ্ঠা , সংকটের ধ্বংসস্তূপ থেকে বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের রাজনৈতিক অভিযাত্রা।

রাজস্ব ঘাটতি ৮৮ হাজার কোটি টাকা:  এনবিআর এর ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আহসান হাবিবের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে অভিযোগ।

  • নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ০৭:১২:৪০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ অগাস্ট ২০২৬
  • ৯০ জন সংবাদটি পড়েছেন

দেশ ও সরকারের উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়নে রাজস্ব আহরণের বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সে ক্ষেত্রে জাতীয় রাজস্ব আহরণে এনবিআর এর ভরপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আহসান হাবিব চরম ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছেন। জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের ইতিহাসে একজন জুনিয়র কর্মকর্তাকে এনবিআর চেয়ারম্যান পদে পদায়নে শীর্ষ কর্মকর্তাদের মাঝে বৈষম্যমূলক মনোভাব সৃষ্টি হয়েছে।

বর্তমানে কর্মরত কাস্টমস্ এবং আয়কর বিভাগে প্রায় ১১জন এনবিআর সদস্য- এ গ্রেডে কর্মরত। কাজেই একজন জুনিয়র কর্মকর্তার অধীনে অন্যান্য সিনিয়র কর্মকর্তাদের দায়িত্ব পালন অত্যন্ত দুরভিসন্ধিমূলক আচরণ বটে। এনবিআর এর ইতিহাসে এ ধরনের ঘটনা নেই বললেই চলে। এনবিআর এর প্রশাসন সাধারণত প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ কর আহরণে কার্য্যক্রম অব্যাহত রেখে সরকারের উন্নয়ন চালিকা শক্তি দৃঢ় করার কথা- কিন্তু বর্তমান এনবিআর চেয়ারম্যানের প্রশাসনিক ভাবে পরোক্ষ কিংবা প্রত্যক্ষ কর আহরণে কোন দক্ষতা বা কার্য্যক্রম প্রতিফলিত হয় নাই। বরং বিগত দিনে তার কার্য্যকলাপ সম্পূর্ণ দুর্নীতি ও অনিয়মে ভরপুর ছিলো।

 

দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সকল দেশই রাজস্ব আহরণ কার্যক্রম দিনদিন উন্নতির দিকে চলমান, অথচ- এনবিআর প্রশাসনের ব্যর্থতার কারণে বাংলাদেশে রাজস্ব আহরণ ধীরগতিতে চলছে। তথ্য অনুযায়ী প্রায় ৮৮ হাজার কোটি

টাকা ঘাটতি রয়েছে। এমনকি রাজস্ব আহরণের জোরালো কোন পদক্ষেপ নেই। বর্তমান এনবিআর এর চেয়ারম্যানের ব্যর্থতাগুলো হলোঃ ক) অধঃস্তন কর্মকর্তাদের সাথে সৌজন্যমূলক আচরণে ব্যর্থতা। খ) কাস্টমস্ ও আয়কর বিভাগে রাজস্ব আহরণে ধীরগতি হওয়ায় দুর্বল প্রশাসন চলমান প্রক্রিয়া অব্যাহত। গ) এনবিআর সদস্য ও কমিশনারদের মাঝে রাজস্ব আহরণে দিকনির্দেশনাকে অবহেলিত ভাবে দেখা। ঘ) রাজস্ব আহরণে- এনবিআর এর তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহারে অত্যন্ত দুর্বলতা পরিলক্ষিত হয়।

 

দেশের চলমান রাজস্ব আহরণ কার্য্যক্রমকে বেগবান করার লক্ষ্যে-অনতিবিলম্বে বর্তমানে এনবিআর চেয়ারম্যান আহসান হাবিবকে অপসারন করতঃ একজন অভিজ্ঞ, দক্ষ তথা সিনিয়র কর্মকর্তাকে এনবিআর চেয়ারম্যানের পদে পদায়নে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহনের আবেদন জানিয়েছেন বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টের আইনজীবি ব্যারিস্টার সৈয়দ আল-কায়সার।

Tag :
About Author Information

GOURANGA BOSE

জনপ্রিয় সংবাদ

চার শিক্ষাব্যবস্থা, চার বাংলাদেশ: রাষ্ট্রের নীরব আত্মবিভাজন।

রাজস্ব ঘাটতি ৮৮ হাজার কোটি টাকা:  এনবিআর এর ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আহসান হাবিবের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে অভিযোগ।

আপডেট সময় : ০৭:১২:৪০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ অগাস্ট ২০২৬

দেশ ও সরকারের উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়নে রাজস্ব আহরণের বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সে ক্ষেত্রে জাতীয় রাজস্ব আহরণে এনবিআর এর ভরপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আহসান হাবিব চরম ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছেন। জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের ইতিহাসে একজন জুনিয়র কর্মকর্তাকে এনবিআর চেয়ারম্যান পদে পদায়নে শীর্ষ কর্মকর্তাদের মাঝে বৈষম্যমূলক মনোভাব সৃষ্টি হয়েছে।

বর্তমানে কর্মরত কাস্টমস্ এবং আয়কর বিভাগে প্রায় ১১জন এনবিআর সদস্য- এ গ্রেডে কর্মরত। কাজেই একজন জুনিয়র কর্মকর্তার অধীনে অন্যান্য সিনিয়র কর্মকর্তাদের দায়িত্ব পালন অত্যন্ত দুরভিসন্ধিমূলক আচরণ বটে। এনবিআর এর ইতিহাসে এ ধরনের ঘটনা নেই বললেই চলে। এনবিআর এর প্রশাসন সাধারণত প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ কর আহরণে কার্য্যক্রম অব্যাহত রেখে সরকারের উন্নয়ন চালিকা শক্তি দৃঢ় করার কথা- কিন্তু বর্তমান এনবিআর চেয়ারম্যানের প্রশাসনিক ভাবে পরোক্ষ কিংবা প্রত্যক্ষ কর আহরণে কোন দক্ষতা বা কার্য্যক্রম প্রতিফলিত হয় নাই। বরং বিগত দিনে তার কার্য্যকলাপ সম্পূর্ণ দুর্নীতি ও অনিয়মে ভরপুর ছিলো।

 

দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সকল দেশই রাজস্ব আহরণ কার্যক্রম দিনদিন উন্নতির দিকে চলমান, অথচ- এনবিআর প্রশাসনের ব্যর্থতার কারণে বাংলাদেশে রাজস্ব আহরণ ধীরগতিতে চলছে। তথ্য অনুযায়ী প্রায় ৮৮ হাজার কোটি

টাকা ঘাটতি রয়েছে। এমনকি রাজস্ব আহরণের জোরালো কোন পদক্ষেপ নেই। বর্তমান এনবিআর এর চেয়ারম্যানের ব্যর্থতাগুলো হলোঃ ক) অধঃস্তন কর্মকর্তাদের সাথে সৌজন্যমূলক আচরণে ব্যর্থতা। খ) কাস্টমস্ ও আয়কর বিভাগে রাজস্ব আহরণে ধীরগতি হওয়ায় দুর্বল প্রশাসন চলমান প্রক্রিয়া অব্যাহত। গ) এনবিআর সদস্য ও কমিশনারদের মাঝে রাজস্ব আহরণে দিকনির্দেশনাকে অবহেলিত ভাবে দেখা। ঘ) রাজস্ব আহরণে- এনবিআর এর তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহারে অত্যন্ত দুর্বলতা পরিলক্ষিত হয়।

 

দেশের চলমান রাজস্ব আহরণ কার্য্যক্রমকে বেগবান করার লক্ষ্যে-অনতিবিলম্বে বর্তমানে এনবিআর চেয়ারম্যান আহসান হাবিবকে অপসারন করতঃ একজন অভিজ্ঞ, দক্ষ তথা সিনিয়র কর্মকর্তাকে এনবিআর চেয়ারম্যানের পদে পদায়নে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহনের আবেদন জানিয়েছেন বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টের আইনজীবি ব্যারিস্টার সৈয়দ আল-কায়সার।