ঢাকা ০৫:৫১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ:
গণপূর্ত অধিদপ্তরে ই/এম প্রকৌশলী পদে পদায়নের লটারি নিয়ে বৈষম্যের অভিযোগ, স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন যুবলীগ নিখিলের পার্টনার রাশেদ আহসান: এবার বাগিয়ে নিচ্ছেন চারশত কোটির আজিমপুর প্রকল্প কালিয়াকৈরে দেশি বিদেশি বিভিন্ন ফলের দাম অস্বাভাবিক বেড়ে চরম ভোগান্তিতে নিম্নবিত্ত পরিবার সরকারি চাল জব্দের ঘটনায় ১৬ দিনেও ব্যবস্থা নেই আর কত গণমাধ্যম কর্মীদের প্রাণ এভাবে অকালে ঝরে যাবে, কোথায় আছে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা আওয়ামী লীগ নেতার সন্তান প্রকৌশলী রেজা তৈমূর মালিক গণপূর্তের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে রাজনীতির ঊর্ধ্বে সম্প্রীতির বন্ধন: মহামানব গণেশ পাগল সেবাশ্রমে নতুন কমিটি, নতুন প্রত্যাশা। ফতুল্লা ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডে ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহ শুরু, সহযোগিতার আহ্বান রুহুল আমিন শিকদারের সাবেক বিতর্কিত ফ্যাসিস্ট প্রতিমন্ত্রী গণপূর্তের শরিফ আহমেদের আস্থাভাজন রাশেদ আহমেদ এখন গুরুত্বপূর্ণ দপ্তর আজিমপুর ডিভিশনে নবীনগরে পুকুরে ডুবে আড়াই বছরের শিশুর মৃত্যু

ঝালকাঠিতে জমি নিয়ে বিরোধ, বিভ্রান্তিকর প্রচারণার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন।

ঝালকাঠির নলছিটিতে জমি নিয়ে বিরোধ, অবৈধ দখলের অভিযোগ ও গণমাধ্যমে বিভ্রান্তিকর প্রচারণার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছেন উজ্জ্বল নারায়ণ চ্যাটার্জী। তিনি নলছিটি উপজেলার নাচন মহল গ্রামের দুলাল চন্দ্র চ্যাটার্জীর ছেলে।

 

রোববার (৩০ আগস্ট) বিকেলে রিপোর্টার্স ক্লাব ঝালকাঠির হলরুমে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে তিনি দাবি করেন, নাচন মহল মৌজার এসএ ২৩০ নম্বর খতিয়ানের ৪২১, ৪৩৫, ৪৩৬, ৪৪৯, ৪৭৩ ও ৫৭০ নম্বর দাগের মোট ৩ একর ৭ শতক জমি তাদের পারিবারিক মালিকানাধীন। পরবর্তীতে সম্পত্তিটি অর্পিত সম্পত্তি হিসেবে গেজেটভুক্ত হলেও ২০১৪ সালে আইনানুগ প্রক্রিয়ায় তা অবমুক্ত করা হয়।

 

উজ্জ্বল নারায়ণ চ্যাটার্জীর দাবি, অবমুক্তির পর বিএস জরিপে সম্পত্তির ১ একর ৪৬ শতক ১/১ নম্বর খতিয়ানে তার নামে রেকর্ডভুক্ত হয় এবং নিয়মিত খাজনাও পরিশোধ করা হয়েছে। পরবর্তীতে ওই খতিয়ানের ২৮৯ ও ৩০৫ নম্বর দাগের মোট ৮ শতক জমি বৈধ রেজিস্ট্রি দলিলের মাধ্যমে আয়নাল হক তালুকদারের কাছে বিক্রি করেন তিনি।

 

তিনি বলেন, জমিতে একটি পুরনো পরিত্যক্ত ঘর রয়েছে। সন্তোষ বিশ্বাস নামে এক ব্যক্তি সেখানে বসবাস করলেও পরে ভারতে চলে যান। তার ভাই সুনীল বিশ্বাস ওরফে কুট্টি বিশ্বাস প্রায় তিন বছর আগে ওই ঘরে তালা দিয়ে দখল প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করেন এবং ১৯৮৪ সালের একটি কথিত সাফ-কবলা দলিলের ভিত্তিতে জমির মালিকানা দাবি করেন। তবে ওই দাবির স্বপক্ষে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র উপস্থাপন করা হয়নি বলে দাবি করেন তিনি।

 

উজ্জ্বল নারায়ণ চ্যাটার্জী আরও বলেন, গত ২১ আগস্ট আয়নাল হক তালুকদার বৈধভাবে ক্রয় করা জমির পরিত্যক্ত ঘরে প্রবেশ করে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করেন। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে তাকে ‘ভূমিদস্যু’ হিসেবে প্রচার করা হচ্ছে, যা বিভ্রান্তিকর ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেন তিনি।

 

সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, “এই ঘটনাকে কোনোভাবেই হিন্দু-মুসলিম বিরোধ হিসেবে দেখতে চাই না। দলিল, সরকারি রেকর্ড ও আইনের ভিত্তিতে প্রকৃত মালিকানা নির্ধারণ হোক।”

 

তিনি সংশ্লিষ্ট প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছে জমির সব দলিল ও সরকারি রেকর্ড নিরপেক্ষভাবে যাচাই এবং ১৯৮৪ সালের কথিত দলিলের মূল কপি, রেজিস্ট্রি তথ্য ও আইনগত বৈধতা পরীক্ষা করার দাবি জানান। পাশাপাশি কোনো পক্ষ বেআইনিভাবে দখলের চেষ্টা করলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

Tag :
About Author Information

GOURANGA BOSE

জনপ্রিয় সংবাদ

গণপূর্ত অধিদপ্তরে ই/এম প্রকৌশলী পদে পদায়নের লটারি নিয়ে বৈষম্যের অভিযোগ, স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন

ঝালকাঠিতে জমি নিয়ে বিরোধ, বিভ্রান্তিকর প্রচারণার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন।

আপডেট সময় : ০৮:৪০:১৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬

ঝালকাঠির নলছিটিতে জমি নিয়ে বিরোধ, অবৈধ দখলের অভিযোগ ও গণমাধ্যমে বিভ্রান্তিকর প্রচারণার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছেন উজ্জ্বল নারায়ণ চ্যাটার্জী। তিনি নলছিটি উপজেলার নাচন মহল গ্রামের দুলাল চন্দ্র চ্যাটার্জীর ছেলে।

 

রোববার (৩০ আগস্ট) বিকেলে রিপোর্টার্স ক্লাব ঝালকাঠির হলরুমে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে তিনি দাবি করেন, নাচন মহল মৌজার এসএ ২৩০ নম্বর খতিয়ানের ৪২১, ৪৩৫, ৪৩৬, ৪৪৯, ৪৭৩ ও ৫৭০ নম্বর দাগের মোট ৩ একর ৭ শতক জমি তাদের পারিবারিক মালিকানাধীন। পরবর্তীতে সম্পত্তিটি অর্পিত সম্পত্তি হিসেবে গেজেটভুক্ত হলেও ২০১৪ সালে আইনানুগ প্রক্রিয়ায় তা অবমুক্ত করা হয়।

 

উজ্জ্বল নারায়ণ চ্যাটার্জীর দাবি, অবমুক্তির পর বিএস জরিপে সম্পত্তির ১ একর ৪৬ শতক ১/১ নম্বর খতিয়ানে তার নামে রেকর্ডভুক্ত হয় এবং নিয়মিত খাজনাও পরিশোধ করা হয়েছে। পরবর্তীতে ওই খতিয়ানের ২৮৯ ও ৩০৫ নম্বর দাগের মোট ৮ শতক জমি বৈধ রেজিস্ট্রি দলিলের মাধ্যমে আয়নাল হক তালুকদারের কাছে বিক্রি করেন তিনি।

 

তিনি বলেন, জমিতে একটি পুরনো পরিত্যক্ত ঘর রয়েছে। সন্তোষ বিশ্বাস নামে এক ব্যক্তি সেখানে বসবাস করলেও পরে ভারতে চলে যান। তার ভাই সুনীল বিশ্বাস ওরফে কুট্টি বিশ্বাস প্রায় তিন বছর আগে ওই ঘরে তালা দিয়ে দখল প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করেন এবং ১৯৮৪ সালের একটি কথিত সাফ-কবলা দলিলের ভিত্তিতে জমির মালিকানা দাবি করেন। তবে ওই দাবির স্বপক্ষে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র উপস্থাপন করা হয়নি বলে দাবি করেন তিনি।

 

উজ্জ্বল নারায়ণ চ্যাটার্জী আরও বলেন, গত ২১ আগস্ট আয়নাল হক তালুকদার বৈধভাবে ক্রয় করা জমির পরিত্যক্ত ঘরে প্রবেশ করে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করেন। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে তাকে ‘ভূমিদস্যু’ হিসেবে প্রচার করা হচ্ছে, যা বিভ্রান্তিকর ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেন তিনি।

 

সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, “এই ঘটনাকে কোনোভাবেই হিন্দু-মুসলিম বিরোধ হিসেবে দেখতে চাই না। দলিল, সরকারি রেকর্ড ও আইনের ভিত্তিতে প্রকৃত মালিকানা নির্ধারণ হোক।”

 

তিনি সংশ্লিষ্ট প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছে জমির সব দলিল ও সরকারি রেকর্ড নিরপেক্ষভাবে যাচাই এবং ১৯৮৪ সালের কথিত দলিলের মূল কপি, রেজিস্ট্রি তথ্য ও আইনগত বৈধতা পরীক্ষা করার দাবি জানান। পাশাপাশি কোনো পক্ষ বেআইনিভাবে দখলের চেষ্টা করলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।