ঢাকা ০১:২৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ:
ফ্যাস্টিট হাসিনা সরকারের দোসর আবু সাঈদ মোল্লা এখন পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের উপসচিব হলেন কিভাবে? কর্মকর্তাদের মধ্যে চাঁপা ক্ষোভ। বিএসএফের গুলিতে রক্তাক্ত হলো সীমান্ত। রাস্তার অভাবে বন্যা মৌসুমে কবরস্থানে লাশ দাফন করতে যেতে হয় নৌকায়। গাজীপুরে গ্রাম আদালত সক্রিয়করণ প্রকল্পের অগ্রগতি পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত। ঠাকুরগাঁওয়ে কলাবাগান থেকে দুই মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার। সাতকানিয়ায় জোরপূর্বক কৃষিজমি কর্তন, থানায় অভিযোগ। ভুল চিকিৎসায় রোগীর মৃত্যুর অভিযোগে হাসপাতাল ভাঙচুর। ভুয়া “প্রাচীন পিলার-কয়েন” বাণিজ্যে শত কোটি টাকার প্রতারণা : কৃষকলীগ নেতা মাকসুদ–সোহেল সিন্ডিকেটের ভয়ঙ্কর জাল-জালিয়াতি!  গীতার আলোয় আলোকিত মাদারীপুর গড়তে বর্ষবরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে মাদারীপুর -২ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য জনাব জাহান্দার আলী মিয়া। টেকেরহাটে নববর্ষে ব্যবসায়ীদের ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা ইউসিবি ব্যাংকের

সিরাজদিখানে আওয়ামী লীগের দোষর এখন বিএনপি নেতা, দল-বদলের রাজনীতিতে প্রশ্নবিদ্ধ ইকবাল হোসেন তালুকদার।

মুন্সিগঞ্জের সিরাজদিখান উপজেলার মধ্যপাড়া ইউনিয়নে রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের জন্ম দিয়েছে, আওয়ামী লীগের সক্রিয় নেতা হিসেবে পরিচিত ইকবাল হোসেন তালুকদারের হঠাৎ বিএনপি নেতায় রূপ নেওয়া। স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন আওয়ামী লীগের সুবিধাভোগী ও দোষর হিসেবে পরিচিত এই ব্যক্তি এখন নিজেকে বিএনপির নেতা হিসেবে পরিচয় দিচ্ছেন।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ইকবাল হোসেন তালুকদার (পিতা-মৃত মোছলেম তালুকদার) মধ্যপাড়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সদস্য পদে দায়িত্ব পালন করেছেন। এ সংক্রান্ত একটি স্বাক্ষরিত কাগজপত্র বর্তমানে এলাকাবাসীর হাতে রয়েছে, যেখানে স্পষ্টভাবে তার নাম, পদবি ও স্বাক্ষর সংযুক্ত রয়েছে।

স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে ইকবাল হোসেন দলীয় প্রভাব খাটিয়ে বিভিন্ন সুবিধা গ্রহণ করেছেন এবং এলাকায় একক প্রভাব বিস্তার করেছেন। অথচ রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে তিনি কৌশলে দল পরিবর্তন করে বর্তমানে বিএনপির ছত্রচ্ছায়ায় নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করার চেষ্টা করছেন।

মধ্যপাড়া ইউনিয়নের একাধিক বাসিন্দা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “যারা দিনের পর দিন আওয়ামী লীগের নাম ভাঙিয়ে সুবিধা নিয়েছে, তারাই এখন নতুন পরিচয়ে বিএনপি নেতা সেজেছে। এতে রাজনীতির আদর্শ ও নৈতিকতা প্রশ্নবিদ্ধ হচ্ছে।”

অন্যদিকে বিএনপির তৃণমূল পর্যায়ের নেতাকর্মীদের মাঝেও বিষয়টি নিয়ে অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তাদের মতে, অতীতে আওয়ামী লীগের গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকা ব্যক্তিদের যাচাই-বাছাই ছাড়াই দলে জায়গা দিলে বিএনপির ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হতে পারে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, এ ধরনের সুবিধাবাদী দলবদল স্থানীয় রাজনীতিকে কলুষিত করে এবং ত্যাগী নেতাকর্মীদের মনোবল ভেঙে দেয়। তারা সংশ্লিষ্ট রাজনৈতিক দলগুলোর কাছে স্পষ্ট অবস্থান ও সাংগঠনিক তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।

এ বিষয়ে ইকবাল হোসেন তালুকদারের প্রতিবেদক কে বলেন আমি দীর্ঘ ১৭ বছর বিএনপির রাজনীতির করে আসছি, আওয়ামীলীগের রাজনীতির সাথে আমার কোন সংযোগ নাই, আমার নামে আওয়ামীলীগের সদস্য ফরম রয়েছে আমি জানি না। এরকম ফরম বনানো যায়, কেউ আমার নামে ফরম বানিয়ে অনলাইনে দিয়েছে।

এলাকাবাসী ও রাজনৈতিক সচেতন মহল দ্রুত বিষয়টির সুষ্ঠু তদন্ত এবং প্রকৃত রাজনৈতিক পরিচয় জনসমক্ষে স্পষ্ট করার দাবি জানিয়েছেন।

Tag :
About Author Information

GOURANGA BOSE

জনপ্রিয় সংবাদ

ফ্যাস্টিট হাসিনা সরকারের দোসর আবু সাঈদ মোল্লা এখন পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের উপসচিব হলেন কিভাবে? কর্মকর্তাদের মধ্যে চাঁপা ক্ষোভ।

সিরাজদিখানে আওয়ামী লীগের দোষর এখন বিএনপি নেতা, দল-বদলের রাজনীতিতে প্রশ্নবিদ্ধ ইকবাল হোসেন তালুকদার।

আপডেট সময় : ০৫:০১:২৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬

মুন্সিগঞ্জের সিরাজদিখান উপজেলার মধ্যপাড়া ইউনিয়নে রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের জন্ম দিয়েছে, আওয়ামী লীগের সক্রিয় নেতা হিসেবে পরিচিত ইকবাল হোসেন তালুকদারের হঠাৎ বিএনপি নেতায় রূপ নেওয়া। স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন আওয়ামী লীগের সুবিধাভোগী ও দোষর হিসেবে পরিচিত এই ব্যক্তি এখন নিজেকে বিএনপির নেতা হিসেবে পরিচয় দিচ্ছেন।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ইকবাল হোসেন তালুকদার (পিতা-মৃত মোছলেম তালুকদার) মধ্যপাড়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সদস্য পদে দায়িত্ব পালন করেছেন। এ সংক্রান্ত একটি স্বাক্ষরিত কাগজপত্র বর্তমানে এলাকাবাসীর হাতে রয়েছে, যেখানে স্পষ্টভাবে তার নাম, পদবি ও স্বাক্ষর সংযুক্ত রয়েছে।

স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে ইকবাল হোসেন দলীয় প্রভাব খাটিয়ে বিভিন্ন সুবিধা গ্রহণ করেছেন এবং এলাকায় একক প্রভাব বিস্তার করেছেন। অথচ রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে তিনি কৌশলে দল পরিবর্তন করে বর্তমানে বিএনপির ছত্রচ্ছায়ায় নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করার চেষ্টা করছেন।

মধ্যপাড়া ইউনিয়নের একাধিক বাসিন্দা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “যারা দিনের পর দিন আওয়ামী লীগের নাম ভাঙিয়ে সুবিধা নিয়েছে, তারাই এখন নতুন পরিচয়ে বিএনপি নেতা সেজেছে। এতে রাজনীতির আদর্শ ও নৈতিকতা প্রশ্নবিদ্ধ হচ্ছে।”

অন্যদিকে বিএনপির তৃণমূল পর্যায়ের নেতাকর্মীদের মাঝেও বিষয়টি নিয়ে অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তাদের মতে, অতীতে আওয়ামী লীগের গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকা ব্যক্তিদের যাচাই-বাছাই ছাড়াই দলে জায়গা দিলে বিএনপির ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হতে পারে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, এ ধরনের সুবিধাবাদী দলবদল স্থানীয় রাজনীতিকে কলুষিত করে এবং ত্যাগী নেতাকর্মীদের মনোবল ভেঙে দেয়। তারা সংশ্লিষ্ট রাজনৈতিক দলগুলোর কাছে স্পষ্ট অবস্থান ও সাংগঠনিক তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।

এ বিষয়ে ইকবাল হোসেন তালুকদারের প্রতিবেদক কে বলেন আমি দীর্ঘ ১৭ বছর বিএনপির রাজনীতির করে আসছি, আওয়ামীলীগের রাজনীতির সাথে আমার কোন সংযোগ নাই, আমার নামে আওয়ামীলীগের সদস্য ফরম রয়েছে আমি জানি না। এরকম ফরম বনানো যায়, কেউ আমার নামে ফরম বানিয়ে অনলাইনে দিয়েছে।

এলাকাবাসী ও রাজনৈতিক সচেতন মহল দ্রুত বিষয়টির সুষ্ঠু তদন্ত এবং প্রকৃত রাজনৈতিক পরিচয় জনসমক্ষে স্পষ্ট করার দাবি জানিয়েছেন।