ঢাকা ০৫:০০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬, ২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ:
মাননীয় সংসদ সদস্য ৩২-গাইবান্ধা ৪- গোবিন্দগঞ্জ ড. মোহাম্মদ শামীম কায়সার লিংকন কে সম্প্রসারিত মন্ত্রিসভায় মন্ত্রী হিসাবে দেখতে চান গাইবান্ধাবাসী। গণপূর্তের প্রধান প্রকৌশলীকে ঘিরে পাল্টাপাল্টি অভিযোগ: ‘তথ্য সন্ত্রাস’ নাকি অনিয়মের অনুসন্ধান? নেপথ্যে কি পদ দখলের সমীকরণ ? কক্সবাজারে বিজিবির পৃথক ৪ অভিযানে ২ লাখ ৭ হাজার ৭১৫ পিস ইয়াবা উদ্ধার, আটক ৭। সিলেটে অটোরিকশায় তুলে নিয়ে অন্যত্র নারীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ, প্রধান আসামি গ্রেফতার। কুমিল্লা দাউদকান্দি থানা পুলিশের পৃথক অভিযানে ১১০ কেজি গাঁজা উদ্ধার, মাদক কারবারিসহ গ্রেপ্তার-৫। বীরগঞ্জে বাসাবাড়ী- ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা ও মহিলাদের লাঞ্ছিত করার প্রতিবাদে মানববন্ধন। হাওরে ব্যবহৃত চায়না দুয়ারি জাল” বন্ধের দাবিতে মামদনেনববন্ধন। রথযাত্রা: ইতিহাস, সনাতন সংস্কৃতির ধারাবাহিকতা, আধ্যাত্মিক দর্শন ও মানবমুক্তির চিরন্তন বার্তা। হরিদাস চন্দ্র তরুণী দাসকে ঘিরে বিতর্ক: আইনের শাসন, ধর্মীয় স্বাধীনতা ও রাজনৈতিক প্রজ্ঞার কঠিন পরীক্ষা। কিশোরগঞ্জ মিঠামইন উপজেলা বিএনপি সভাপতি জাহাঙ্গীরকে কুপিয়ে হত্যা।

মাগুরায় জামায়াত নেতা বি এম এরশাদ উল্লাহ ওহিদ গংদের কীর্তিকলাপ প্রসঙ্গে এড.মমতাজ বেগমের অভিযোগ।

 

মাগুরায় জামায়াত নেতা বিএম এরশাদ উল্লাহ ওহিদ গং কোর্টের আদেশ অমান্য করে বিল্ডিং তৈরি করে যাচ্ছেন এবং ১৮ ইঞ্চি ছাদবর্ধিত করে প্রায় আমার বিল্ডিংয়ের সঙ্গে লাগিয়ে দিয়েছেন। পাঁচিলের সঙ্গে এক ইঞ্চিও না ছেড়েও পাচিল তৈরি করে যাচ্ছেন।

এখনো কোর্টের নিষেধাজ্ঞা আদেশ বহাল আছে। গত সাড়ে তিন বছর কাজ বন্ধ থাকার পর তারা এ কার্যক্রম শুরু করছেন। কোনভাবে তাদেরকে থামানো যাচ্ছে না বা কেউ কোন পদক্ষেপ নিচ্ছেন না।

আমি ছয় সাত মাস ধরে প্রচন্ড অসুস্থ্য। কোর্ট থেকে আবারো নতুন করে আদেশ দিয়েছে কিন্তু বারবার থানায় যেয়েও কোন লাভ হয়নি। এখন আমি কোর্টে যেতে পারছিনা অসুস্থতার কারণে। বাধ্য হয়ে আমাকে চেয়ে চেয়ে এগুলো দেখতে হচ্ছে।

আমার বাড়ির পাঁচিল দেওয়া হয়েছে ৯২ সালে অর্থাৎ রায় ৩৪ বছর আগে। আর এই জায়গাটা আমার আব্বার কেনা তার থেকেও ১৫ বছর আগে। আমার জায়গার পরিমাণ ৭ শতক। পৌর বিধির অনুসারে ছেড়ে দিয়ে আমার পাঁচিল এর মধ্যে মোট জায়গা ছিল ৪. ৭৪ শতাংশ। এখন আবার নতুন করে পৌরসভার ড্রেন করতে গিয়ে নতুন করে ভাঙা লাগছে। এটা তো রাস্তার প্রয়োজনে লাগবেই। এ রাস্তাগুলো মালিকানা সম্পত্তিতে হচ্ছে। সরকার থেকে কোন অনুদান আমরা কখনোই নেইনি। বিএম এরশাদ উল্লাহ ওহিদ যে জায়গায় কিনেছে আমার বাড়ির পাঁচিলের সাথে। দলিলে একটা রাস্তা উল্লেখ আছে। সেই রাস্তার ওইপাশে বিএমএরশাদ উল্লাহ ওহীদের জায়গা।

তার মোট জায়গা ১২ শতক। সে পর্চা তৈরি করছে ১৫ শতক। আর প্ল্যান পাস করেছে ১৪ শতকের উপর। যার কারণে কোর্ট থেকে তাকে পরপর দুইবার নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে।

বিএম এরশাদ উল্লাহ ওহিদ সহ আরো ৪-৫ জন এখানে দশ তালা একটা হাইরাইজ বিল্ডিং তৈরি করছেন যা তৈরি করতে গেলে আইনত কমপক্ষে ৫ ফুট ১০ ইঞ্চি সাইট থেকে জমি ছাড়া লাগে। কিন্তু সে মাত্র ৩ ফুট ছেড়েছে । তার উপর কার্নিস ১৮ ইঞ্চি বর্ধিত করে আমার বিল্ডিংয়ের সঙ্গে প্রায় লাগিয়ে দিয়েছেন।

আমি ২৭ বছর ধরে সরকারি চাকরি করেছি। পরবর্তীতে স্বেচ্ছায় রিটায়ার্ড করে ২০১৬ সাল থেকে মাগুরায় ওকালতি করে যাচ্ছি। আমার অর্জিত সিংহভাগ টাকায়ই বাড়ির মধ্যে দেওয়া।

এখন পর্যন্ত আমি পুরাবাড়ি কমপ্লিট করতে পারিনি। অর্থাৎ আড়াই তলা বাড়ি আমার। (আমি১৯৮৯ সাল থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত চাকরি করেছি।)

আমি মাগুরাবাসীর কাছে এই জবর দখল ও বেআইনি কর্মকান্ডের বিচার চাই।

 

Tag :
About Author Information

GOURANGA BOSE

জনপ্রিয় সংবাদ

মাননীয় সংসদ সদস্য ৩২-গাইবান্ধা ৪- গোবিন্দগঞ্জ ড. মোহাম্মদ শামীম কায়সার লিংকন কে সম্প্রসারিত মন্ত্রিসভায় মন্ত্রী হিসাবে দেখতে চান গাইবান্ধাবাসী।

মাগুরায় জামায়াত নেতা বি এম এরশাদ উল্লাহ ওহিদ গংদের কীর্তিকলাপ প্রসঙ্গে এড.মমতাজ বেগমের অভিযোগ।

আপডেট সময় : ০৬:৫৩:৩৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬

 

মাগুরায় জামায়াত নেতা বিএম এরশাদ উল্লাহ ওহিদ গং কোর্টের আদেশ অমান্য করে বিল্ডিং তৈরি করে যাচ্ছেন এবং ১৮ ইঞ্চি ছাদবর্ধিত করে প্রায় আমার বিল্ডিংয়ের সঙ্গে লাগিয়ে দিয়েছেন। পাঁচিলের সঙ্গে এক ইঞ্চিও না ছেড়েও পাচিল তৈরি করে যাচ্ছেন।

এখনো কোর্টের নিষেধাজ্ঞা আদেশ বহাল আছে। গত সাড়ে তিন বছর কাজ বন্ধ থাকার পর তারা এ কার্যক্রম শুরু করছেন। কোনভাবে তাদেরকে থামানো যাচ্ছে না বা কেউ কোন পদক্ষেপ নিচ্ছেন না।

আমি ছয় সাত মাস ধরে প্রচন্ড অসুস্থ্য। কোর্ট থেকে আবারো নতুন করে আদেশ দিয়েছে কিন্তু বারবার থানায় যেয়েও কোন লাভ হয়নি। এখন আমি কোর্টে যেতে পারছিনা অসুস্থতার কারণে। বাধ্য হয়ে আমাকে চেয়ে চেয়ে এগুলো দেখতে হচ্ছে।

আমার বাড়ির পাঁচিল দেওয়া হয়েছে ৯২ সালে অর্থাৎ রায় ৩৪ বছর আগে। আর এই জায়গাটা আমার আব্বার কেনা তার থেকেও ১৫ বছর আগে। আমার জায়গার পরিমাণ ৭ শতক। পৌর বিধির অনুসারে ছেড়ে দিয়ে আমার পাঁচিল এর মধ্যে মোট জায়গা ছিল ৪. ৭৪ শতাংশ। এখন আবার নতুন করে পৌরসভার ড্রেন করতে গিয়ে নতুন করে ভাঙা লাগছে। এটা তো রাস্তার প্রয়োজনে লাগবেই। এ রাস্তাগুলো মালিকানা সম্পত্তিতে হচ্ছে। সরকার থেকে কোন অনুদান আমরা কখনোই নেইনি। বিএম এরশাদ উল্লাহ ওহিদ যে জায়গায় কিনেছে আমার বাড়ির পাঁচিলের সাথে। দলিলে একটা রাস্তা উল্লেখ আছে। সেই রাস্তার ওইপাশে বিএমএরশাদ উল্লাহ ওহীদের জায়গা।

তার মোট জায়গা ১২ শতক। সে পর্চা তৈরি করছে ১৫ শতক। আর প্ল্যান পাস করেছে ১৪ শতকের উপর। যার কারণে কোর্ট থেকে তাকে পরপর দুইবার নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে।

বিএম এরশাদ উল্লাহ ওহিদ সহ আরো ৪-৫ জন এখানে দশ তালা একটা হাইরাইজ বিল্ডিং তৈরি করছেন যা তৈরি করতে গেলে আইনত কমপক্ষে ৫ ফুট ১০ ইঞ্চি সাইট থেকে জমি ছাড়া লাগে। কিন্তু সে মাত্র ৩ ফুট ছেড়েছে । তার উপর কার্নিস ১৮ ইঞ্চি বর্ধিত করে আমার বিল্ডিংয়ের সঙ্গে প্রায় লাগিয়ে দিয়েছেন।

আমি ২৭ বছর ধরে সরকারি চাকরি করেছি। পরবর্তীতে স্বেচ্ছায় রিটায়ার্ড করে ২০১৬ সাল থেকে মাগুরায় ওকালতি করে যাচ্ছি। আমার অর্জিত সিংহভাগ টাকায়ই বাড়ির মধ্যে দেওয়া।

এখন পর্যন্ত আমি পুরাবাড়ি কমপ্লিট করতে পারিনি। অর্থাৎ আড়াই তলা বাড়ি আমার। (আমি১৯৮৯ সাল থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত চাকরি করেছি।)

আমি মাগুরাবাসীর কাছে এই জবর দখল ও বেআইনি কর্মকান্ডের বিচার চাই।