ঢাকা ০৩:১৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ:
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে মহিলা সংরক্ষিত আসনে এমপি মনোনীত হলেন হেলেন জেরিন খান। মাগুরায় শালিখা উপজেলা নির্বাহী অফিসার বনি আমিন সহ ৪ জনের নামে সাংবাদিকের মামলা দায়ের! অসীম ক্ষমতাধর মাসুদুল ইসলাম একসাথে পাঁচ পদের দায়িত্বে।  বিআইডব্লিউটিএ’ র বিতর্কিত কর্মকাণ্ড। দেশের জ্বালানী ও অর্থনীতি সংকটেও বিআইডব্লিউটিএতে বিলাসী বনভোজনের নামে অর্থ ও জ্বালানি অপচয়ে মনোরঞ্জন।  বর্ণাঢ্য আয়োজনে শ্রীপুর সাংবাদিক সমিতির ফ্যামিলি ডে ও বাংলা নববর্ষ উদযাপন। “যোগ্যদের স্বীকৃতি দিতে পেরে গর্বিত”—মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন স্বাধীনতা পদক–২০২৬ ও সাহিত্য সম্মাননা প্রদান। চট্টগ্রাম নগরীর বাকলিয়া রসুলবাগ ‘চাক্তাই ডাইভারশন খালটি’ সংস্কার জরুরী। আমতলীতে জ্বালানি সংকট তীব্র আকারে, বিপাকে ভাড়ায় চালিত মোটরসাইকেল চালকরা। বাংলাদেশ সনাতন ধর্ম সুরক্ষা পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক বর্ধিত সভা অনুষ্টিত। অবসর নিতে চান মির্জা ফখরুল, মহাসচিব পদে ‘পরিবর্তনের’ ইঙ্গিত।

১০ বছর ধরে অকার্যকর সংযোগ সেতু, দুর্ভোগে হরষপুর–কাশিমনগরের মানুষ।

  • সারাক্ষণ ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৭:০৩:০৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৬
  • ১৮২ জন সংবাদটি পড়েছেন

হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার ২ নম্বর চৌমুহনী ইউনিয়নে একটি গুরুত্বপূর্ণ সংযোগ সেতু নির্মাণের প্রায় ১০ বছর পার হলেও আজ পর্যন্ত সেটি কোনো কাজে আসেনি। এই সেতু দিয়ে এখনো কোনো গাড়ি, মানুষ এমনকি গবাদিপশুও চলাচল করেনি। ফলে সেতুটি এলাকার মানুষের জন্য উপকারের বদলে দুর্ভোগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

হরষপুর রেলওয়ের ৩২ নম্বর ব্রিজের দুই পাশে প্রায় ৪ কিলোমিটার রাস্তা তৈরি করা হলেও হাসিনাবাদ–জামালপুর সংযোগ সেতুটি সংযোগ না থাকায় চলাচল বন্ধ রয়েছে। রেল ব্রিজের পাশেই থাকা এই কালভার্টটি আজও ব্যবহার করা যাচ্ছে না।

হরষপুর থেকে কাশিমনগর খুব কাছের এলাকা হলেও সেতু না থাকায় স্থানীয় মানুষকে ৪ কিলোমিটারের পথ যেতে ১০ থেকে ১৫ কিলোমিটার ঘুরে যেতে হয়। এতে সময় বেশি লাগে এবং অতিরিক্ত খরচও হচ্ছে।

বর্ষাকালে নালায় পানি বেড়ে গেলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়। তখন অনেক মানুষ জীবনের ঝুঁকি নিয়ে রেল ব্রিজের ওপর কাঠের তক্তা চেপে পারাপার হন। প্রায় ১৫০ ফুট লম্বা এই ব্রিজ পার হতে একজন সুস্থ মানুষেরও ৮ থেকে ১০ মিনিট সময় লাগে। এ সময় হঠাৎ ট্রেন চলে এলে বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা থাকে। দুর্বল মানুষদের পক্ষে এই পথ পার হওয়া প্রায় অসম্ভব।

স্থানীয়রা বলেন, তারা দীর্ঘদিন ধরে উন্নয়ন থেকে বঞ্চিত। ২০১০ সালে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর হরষপুর থেকে কাশিমনগর পর্যন্ত আধা-পাকা রাস্তা তৈরি হলেও সংযোগ সেতু না থাকায় সেই রাস্তার পুরো সুবিধা তারা পাচ্ছেন না।

এ বিষয়ে মাধবপুর উপজেলা প্রকৌশলী রেজাউন নবী বলেন,

“বিষয়টি আমাদের নজরে আছে। সেতুটি মেরামত করে চালু করার জন্য আমরা কাজ করছি।”

এলাকাবাসীর দাবি, দ্রুত সেতুটি চালু করা হলে দীর্ঘদিনের ভোগান্তি থেকে তারা মুক্তি পাবেন।

Tag :
About Author Information

GOURANGA BOSE

জনপ্রিয় সংবাদ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে মহিলা সংরক্ষিত আসনে এমপি মনোনীত হলেন হেলেন জেরিন খান।

১০ বছর ধরে অকার্যকর সংযোগ সেতু, দুর্ভোগে হরষপুর–কাশিমনগরের মানুষ।

আপডেট সময় : ০৭:০৩:০৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৬

হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার ২ নম্বর চৌমুহনী ইউনিয়নে একটি গুরুত্বপূর্ণ সংযোগ সেতু নির্মাণের প্রায় ১০ বছর পার হলেও আজ পর্যন্ত সেটি কোনো কাজে আসেনি। এই সেতু দিয়ে এখনো কোনো গাড়ি, মানুষ এমনকি গবাদিপশুও চলাচল করেনি। ফলে সেতুটি এলাকার মানুষের জন্য উপকারের বদলে দুর্ভোগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

হরষপুর রেলওয়ের ৩২ নম্বর ব্রিজের দুই পাশে প্রায় ৪ কিলোমিটার রাস্তা তৈরি করা হলেও হাসিনাবাদ–জামালপুর সংযোগ সেতুটি সংযোগ না থাকায় চলাচল বন্ধ রয়েছে। রেল ব্রিজের পাশেই থাকা এই কালভার্টটি আজও ব্যবহার করা যাচ্ছে না।

হরষপুর থেকে কাশিমনগর খুব কাছের এলাকা হলেও সেতু না থাকায় স্থানীয় মানুষকে ৪ কিলোমিটারের পথ যেতে ১০ থেকে ১৫ কিলোমিটার ঘুরে যেতে হয়। এতে সময় বেশি লাগে এবং অতিরিক্ত খরচও হচ্ছে।

বর্ষাকালে নালায় পানি বেড়ে গেলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়। তখন অনেক মানুষ জীবনের ঝুঁকি নিয়ে রেল ব্রিজের ওপর কাঠের তক্তা চেপে পারাপার হন। প্রায় ১৫০ ফুট লম্বা এই ব্রিজ পার হতে একজন সুস্থ মানুষেরও ৮ থেকে ১০ মিনিট সময় লাগে। এ সময় হঠাৎ ট্রেন চলে এলে বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা থাকে। দুর্বল মানুষদের পক্ষে এই পথ পার হওয়া প্রায় অসম্ভব।

স্থানীয়রা বলেন, তারা দীর্ঘদিন ধরে উন্নয়ন থেকে বঞ্চিত। ২০১০ সালে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর হরষপুর থেকে কাশিমনগর পর্যন্ত আধা-পাকা রাস্তা তৈরি হলেও সংযোগ সেতু না থাকায় সেই রাস্তার পুরো সুবিধা তারা পাচ্ছেন না।

এ বিষয়ে মাধবপুর উপজেলা প্রকৌশলী রেজাউন নবী বলেন,

“বিষয়টি আমাদের নজরে আছে। সেতুটি মেরামত করে চালু করার জন্য আমরা কাজ করছি।”

এলাকাবাসীর দাবি, দ্রুত সেতুটি চালু করা হলে দীর্ঘদিনের ভোগান্তি থেকে তারা মুক্তি পাবেন।