ঢাকা ০৬:৩০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ:
কালিয়াকৈরে দেশি বিদেশি বিভিন্ন ফলের দাম অস্বাভাবিক বেড়ে চরম ভোগান্তিতে নিম্নবিত্ত পরিবার সরকারি চাল জব্দের ঘটনায় ১৬ দিনেও ব্যবস্থা নেই আর কত গণমাধ্যম কর্মীদের প্রাণ এভাবে অকালে ঝরে যাবে, কোথায় আছে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা আওয়ামী লীগ নেতার সন্তান প্রকৌশলী রেজা তৈমূর মালিক গণপূর্তের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে রাজনীতির ঊর্ধ্বে সম্প্রীতির বন্ধন: মহামানব গণেশ পাগল সেবাশ্রমে নতুন কমিটি, নতুন প্রত্যাশা। ফতুল্লা ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডে ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহ শুরু, সহযোগিতার আহ্বান রুহুল আমিন শিকদারের সাবেক বিতর্কিত ফ্যাসিস্ট প্রতিমন্ত্রী গণপূর্তের শরিফ আহমেদের আস্থাভাজন রাশেদ আহমেদ এখন গুরুত্বপূর্ণ দপ্তর আজিমপুর ডিভিশনে নবীনগরে পুকুরে ডুবে আড়াই বছরের শিশুর মৃত্যু ডিএমডি ও তাঁর মাকে নিয়ে ফেসবুকে মিথ্যা তথ্য প্রচারের অভিযোগ, হুমকির ঘটনায় জিডি কুমিল্লায় জামায়াতের দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, গাড়ি ভাঙচুর-ককটেল বিস্ফোরণ

নৌপরিবহন অধিদপ্তরের ইঞ্জিনিয়ার আবুল বাশারের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ।

 

 

তার বর্তমান পদ ইঞ্জিনিয়ার এন্ড শিপ সার্ভেয়ার এন্ড এক্সজামিনার হওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় যোগ্যতা না থাকা সত্ত্বেও তৎকালীন ফ্যাসিস্ট আওয়ামী সরকারের রাষ্ট্রপতি আব্দুল হামিদ বাংলাদেশ পাবলিক সার্ভিস কমিশনের চেয়ারম্যানকে নিজে ফোন করে চাপ প্রয়োগের মাধ্যমেতার নিয়োগ চূড়ান্ত করেন।

তার যে প্রয়োজনীয় যোগ্যতা নাই তা তার cdc (continuous discharge certificate) যাচাই করলেই প্রমাণ মিলবে।

 

সরকারি চাকুরীজীবী হয়ে তিনি পুরোপুরি মদ ও নারীতে আসক্ত। অনিয়ম দুর্নীতি ও ক্ষমতাও অপব্যবহারের মাধ্যমে অর্জিত অবৈধ টাকা এসব অনৈতিক কর্মকাণ্ডে ব্যয় করেন।

তিনি বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের প্রত্যক্ষ আর্থিক যোগানদাতা ও সহযোগী।অধিদপ্তরের সকলেই জানেন যে তার পিতা ফ্যাসিস্ট আওয়ামী সরকারের রাষ্ট্রপতি আব্দুল হামিদের একান্ত আস্থাভাজন।

জি এম ডিএসএস প্রজেক্ট এর পিডি হওয়ার পর তিনি এতটাই বেপরোয়া হন যে, প্রোজেক্টের বেশিরভাগ টাকা আত্মসাৎ করে দায়সারা কাজ করেছেন। ইতোমধ্যে দুর্নীতি দমন কমিশন তার অনিয়ম, দুর্নীতি, ক্ষমতার অপব্যবহার এবং সরকারি কাজ না করে সেই অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ অনুসন্ধান করছে।

অধিদপ্তরে যোগদানের পর তিনি নামে বেনামে বিপুল পরিমাণ জ্ঞাত আয় বহির্ভূত অবৈধ সম্পদ অর্জন করে নিজেকে দুর্নীতির বর পুত্রে পরিণত করেছেন।

পরীক্ষায় অনিয়ম ও দুর্নীতি সংক্রান্ত গঠিত মন্ত্রণালয়ের কমিটিকে ম্যানেজ করে তার পক্ষে প্রতিবেদন আনার চেষ্টা করছে।

তিনি অধিদপ্তরের পরীক্ষা পদ্ধতিকে এতটাই কলঙ্কিত ও কলুষিত করেছেন যে, কথিত আছে তিনি টাকা পেলে অধিদপ্তরকে বিক্রি করে দিতে দ্বিধা বোধ করবেন না।

বিগত ফ্যাসিস্ট আওয়ামী সরকারের সময় তিনি শেখ মুজিবুর রহমানের আত্মজীবনী লিখে নিজেকে ছাত্রলীগের ক্যাডার হিসেবে পরিচয় এবং জাহির করতেন।

তার বিষয়ে মেরিটাইম সেক্টর এর সকলেই অবগত যে অভ্যন্তরীণ ও বিদেশগামী জাহাজে কর্মরত ইঞ্জিনিয়ারদের সকল ধরনের পরীক্ষার ক্ষেত্রে তিনি টাকা ছাড়া কাউকেই পাস করান না।

বর্তমান সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তার সরকারি ইশতেহারে সুস্পষ্টভাবে ঘোষনা করেছেন যে, সকল ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হবে। কিন্তু আবুল বাশারের মতো একজন আপদ মস্তক দুর্নীতি পরায়ণ ঘুষখোর ইঞ্জিনিয়ারকে অধিদপ্তরে রেখে সরকারের এই ইশতেহার বাস্তবায়ন করা আদৌ সম্ভব নয়।

সুতরাং বর্তমান সরকারের ইশতেহার বাস্তবায়ন করার লক্ষ্যে ফ্যাসিস্ট আওয়ামী সরকারের অর্থ যোগান দাতা এবং ঘুষখোর দুর্নীতি পরায়ণ ইঞ্জিনিয়ারকে অতি দ্রুত অপসারণ করে তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ও আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বিনীত ভবে অনুরোধ জানাচ্ছি।

Tag :
About Author Information

GOURANGA BOSE

জনপ্রিয় সংবাদ

কালিয়াকৈরে দেশি বিদেশি বিভিন্ন ফলের দাম অস্বাভাবিক বেড়ে চরম ভোগান্তিতে নিম্নবিত্ত পরিবার

নৌপরিবহন অধিদপ্তরের ইঞ্জিনিয়ার আবুল বাশারের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ।

আপডেট সময় : ১১:৫১:৫৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ মার্চ ২০২৬

 

 

তার বর্তমান পদ ইঞ্জিনিয়ার এন্ড শিপ সার্ভেয়ার এন্ড এক্সজামিনার হওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় যোগ্যতা না থাকা সত্ত্বেও তৎকালীন ফ্যাসিস্ট আওয়ামী সরকারের রাষ্ট্রপতি আব্দুল হামিদ বাংলাদেশ পাবলিক সার্ভিস কমিশনের চেয়ারম্যানকে নিজে ফোন করে চাপ প্রয়োগের মাধ্যমেতার নিয়োগ চূড়ান্ত করেন।

তার যে প্রয়োজনীয় যোগ্যতা নাই তা তার cdc (continuous discharge certificate) যাচাই করলেই প্রমাণ মিলবে।

 

সরকারি চাকুরীজীবী হয়ে তিনি পুরোপুরি মদ ও নারীতে আসক্ত। অনিয়ম দুর্নীতি ও ক্ষমতাও অপব্যবহারের মাধ্যমে অর্জিত অবৈধ টাকা এসব অনৈতিক কর্মকাণ্ডে ব্যয় করেন।

তিনি বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের প্রত্যক্ষ আর্থিক যোগানদাতা ও সহযোগী।অধিদপ্তরের সকলেই জানেন যে তার পিতা ফ্যাসিস্ট আওয়ামী সরকারের রাষ্ট্রপতি আব্দুল হামিদের একান্ত আস্থাভাজন।

জি এম ডিএসএস প্রজেক্ট এর পিডি হওয়ার পর তিনি এতটাই বেপরোয়া হন যে, প্রোজেক্টের বেশিরভাগ টাকা আত্মসাৎ করে দায়সারা কাজ করেছেন। ইতোমধ্যে দুর্নীতি দমন কমিশন তার অনিয়ম, দুর্নীতি, ক্ষমতার অপব্যবহার এবং সরকারি কাজ না করে সেই অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ অনুসন্ধান করছে।

অধিদপ্তরে যোগদানের পর তিনি নামে বেনামে বিপুল পরিমাণ জ্ঞাত আয় বহির্ভূত অবৈধ সম্পদ অর্জন করে নিজেকে দুর্নীতির বর পুত্রে পরিণত করেছেন।

পরীক্ষায় অনিয়ম ও দুর্নীতি সংক্রান্ত গঠিত মন্ত্রণালয়ের কমিটিকে ম্যানেজ করে তার পক্ষে প্রতিবেদন আনার চেষ্টা করছে।

তিনি অধিদপ্তরের পরীক্ষা পদ্ধতিকে এতটাই কলঙ্কিত ও কলুষিত করেছেন যে, কথিত আছে তিনি টাকা পেলে অধিদপ্তরকে বিক্রি করে দিতে দ্বিধা বোধ করবেন না।

বিগত ফ্যাসিস্ট আওয়ামী সরকারের সময় তিনি শেখ মুজিবুর রহমানের আত্মজীবনী লিখে নিজেকে ছাত্রলীগের ক্যাডার হিসেবে পরিচয় এবং জাহির করতেন।

তার বিষয়ে মেরিটাইম সেক্টর এর সকলেই অবগত যে অভ্যন্তরীণ ও বিদেশগামী জাহাজে কর্মরত ইঞ্জিনিয়ারদের সকল ধরনের পরীক্ষার ক্ষেত্রে তিনি টাকা ছাড়া কাউকেই পাস করান না।

বর্তমান সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তার সরকারি ইশতেহারে সুস্পষ্টভাবে ঘোষনা করেছেন যে, সকল ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হবে। কিন্তু আবুল বাশারের মতো একজন আপদ মস্তক দুর্নীতি পরায়ণ ঘুষখোর ইঞ্জিনিয়ারকে অধিদপ্তরে রেখে সরকারের এই ইশতেহার বাস্তবায়ন করা আদৌ সম্ভব নয়।

সুতরাং বর্তমান সরকারের ইশতেহার বাস্তবায়ন করার লক্ষ্যে ফ্যাসিস্ট আওয়ামী সরকারের অর্থ যোগান দাতা এবং ঘুষখোর দুর্নীতি পরায়ণ ইঞ্জিনিয়ারকে অতি দ্রুত অপসারণ করে তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ও আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বিনীত ভবে অনুরোধ জানাচ্ছি।