ঢাকা ০৫:২১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬, ১১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ:
নারায়ণগঞ্জ উন্নয়ন কমিটির চেয়ারম্যান মনোনীত হওয়ায় মাশুকুল ইসলাম রাজীবকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। ‎ জাতীয় সংলাপে বৈষম্য বিলোপ আইন প্রণয়নে অবিলম্বে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান। বিআরটিসিতে ‘প্রাইজ পোস্টিং’ সিন্ডিকেটের অভিযোগ। সাবেক প্রভাবশালী বলয়ের সদস্য জামিল হোসেনের উত্থান, বদলি-বাণিজ্য ও ঠিকাদার নির্যাতনের অভিযোগে নতুন প্রশ্ন ?  ওসমানীনগরে ডিবির বিশেষ অভিযানে গাঁজা ও ইয়াবাসহ নারী মাদক ব্যবসায়ী আটক। ডুমুরিয়ায় বিদ্যুৎস্পৃষ্টে চিংড়ি ঘের শ্রমিকের মর্মান্তিক মৃত্যু। শারজাহ আমিরাত জুড়ে ড্রোন খাত নিয়ন্ত্রণের জন্য একটি নতুন আইন চালু করেছে। কালীগঞ্জে নিষিদ্ধ আ.লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালনের চেষ্টা: সাবেক মেয়র বিজুকে আটকের পর পুলিশের কাছ থেকে ছিনিয়ে নিল পরিবারের মহিলা ও নেতাকর্মীরা। সংবাদ প্রকাশ করেছি, অপরাধ করিনি, অপপ্রচারের বিরুদ্ধে সাংবাদিকের প্রতিবাদ। ভারতে মসজিদ ভাঙচুর ও মুসলিম নিপীড়ন বন্ধের আহ্বান: ধর্মীয় স্বাধীনতা ও মানবাধিকার রক্ষার দাবি ইয়ারুল ইসলামের। টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে নবম শ্রেণির শিক্ষার্থীর হাতে শিক্ষিকা লাঞ্ছিত।

নীলফামারীতে চিকিৎসকের স্ত্রীর সঙ্গে যুবদল নেতার পরকীয়ার অভিযোগ।

নীলফামারী সদর উপজেলার পলাশবাড়ী ইউনিয়নে এক চিকিৎসকের স্ত্রীর সঙ্গে স্থানীয় এক যুবদল নেতার অনৈতিক সম্পর্কের অভিযোগকে কেন্দ্র করে এলাকায় চাঞ্চল্যকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। অভিযুক্ত ব্যক্তি হলেন পলাশবাড়ী ইউনিয়ন যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবুল কাসেম।

স্থানীয় সূত্র ও ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যদের অভিযোগ অনুযায়ী, গত ৩ মার্চ মঙ্গলবার দিবাগত রাত আনুমানিক ১১টা ৪০ মিনিটের দিকে চিকিৎসক আব্দুল মজিদের বাড়িতে আবুল কাসেমকে দেখতে পাওয়া যায়। এ সময় বিষয়টি জানতে পেরে মজিদের মা ও পরিবারের সদস্যরা বিষয়টি মজিদের বড় ভাই হারুন অর রশিদকে জানান।

হারুন অর রশিদ জানান, খবর পাওয়ার পর তিনি দ্রুত ছোট ভাই মজিদের বাড়িতে যান। তবে তিনি সেখানে পৌঁছানোর আগেই কৌশলে আবুল কাসেম পালিয়ে যান। পরে মজিদের স্ত্রীকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তিনি স্বীকার করেন যে আবুল কাসেমের সঙ্গে তার দীর্ঘদিনের সম্পর্ক রয়েছে। তিনি আরও জানান, তার ব্যবহৃত একটি স্বর্ণের চেইনও কাসেম নিয়ে গেছেন।

এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, কিছুদিন আগেও হঠাৎ করে মজিদের স্ত্রী নিখোঁজ হয়ে গিয়েছিলেন। তখন বিষয়টি নিয়ে নিখোঁজ সংবাদেরও প্রচার হয়েছিল। এলাকাবাসীর অনেকের সন্দেহ, ওই সময় আবুল কাসেমই তাকে আত্মগোপনে থাকতে সহায়তা করেছিলেন।

এলাকার প্রবীণ নারীসহ অনেক বাসিন্দা এ ধরনের অবৈধ সম্পর্কের কারণে দুটি পরিবার ভাঙনের মুখে পড়েছে বলে মন্তব্য করেছেন। পাশাপাশি এ ঘটনায় এলাকার সামাজিক পরিবেশ ও সুনাম ক্ষুণ্ণ হচ্ছে বলেও তারা উদ্বেগ প্রকাশ করেন।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত যুবদল নেতা আবুল কাসেমের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া গেছে।

অন্যদিকে পলাশবাড়ী ইউনিয়ন যুবদলের সাবেক সভাপতি হাবিবুর রহমান বলেন, “ঘটনাটি নিয়ে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা চলছে। আমিও বিষয়টি শুনেছি। যদি অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হয়, তাহলে দলের পক্ষ থেকে এর দায় নেওয়া হবে না। বরং তার বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানানো হবে।”

এদিকে চিকিৎসক আব্দুল মজিদের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, “আমি বিষয়টি নিয়ে আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার প্রস্তুতি নিয়েছি।” তবে তিনি একই সঙ্গে সাংবাদিকদের অনুরোধ করেন বিষয়টি সংবাদ আকারে প্রকাশ না করতে এবং বিস্তারিত জানতে তার অফিসে যোগাযোগ করতে।

এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে পুরো এলাকায় ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনার ঝড় উঠেছে।

Tag :
About Author Information

GOURANGA BOSE

জনপ্রিয় সংবাদ

নারায়ণগঞ্জ উন্নয়ন কমিটির চেয়ারম্যান মনোনীত হওয়ায় মাশুকুল ইসলাম রাজীবকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। ‎

নীলফামারীতে চিকিৎসকের স্ত্রীর সঙ্গে যুবদল নেতার পরকীয়ার অভিযোগ।

আপডেট সময় : ০৮:০১:৫০ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ মার্চ ২০২৬

নীলফামারী সদর উপজেলার পলাশবাড়ী ইউনিয়নে এক চিকিৎসকের স্ত্রীর সঙ্গে স্থানীয় এক যুবদল নেতার অনৈতিক সম্পর্কের অভিযোগকে কেন্দ্র করে এলাকায় চাঞ্চল্যকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। অভিযুক্ত ব্যক্তি হলেন পলাশবাড়ী ইউনিয়ন যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবুল কাসেম।

স্থানীয় সূত্র ও ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যদের অভিযোগ অনুযায়ী, গত ৩ মার্চ মঙ্গলবার দিবাগত রাত আনুমানিক ১১টা ৪০ মিনিটের দিকে চিকিৎসক আব্দুল মজিদের বাড়িতে আবুল কাসেমকে দেখতে পাওয়া যায়। এ সময় বিষয়টি জানতে পেরে মজিদের মা ও পরিবারের সদস্যরা বিষয়টি মজিদের বড় ভাই হারুন অর রশিদকে জানান।

হারুন অর রশিদ জানান, খবর পাওয়ার পর তিনি দ্রুত ছোট ভাই মজিদের বাড়িতে যান। তবে তিনি সেখানে পৌঁছানোর আগেই কৌশলে আবুল কাসেম পালিয়ে যান। পরে মজিদের স্ত্রীকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তিনি স্বীকার করেন যে আবুল কাসেমের সঙ্গে তার দীর্ঘদিনের সম্পর্ক রয়েছে। তিনি আরও জানান, তার ব্যবহৃত একটি স্বর্ণের চেইনও কাসেম নিয়ে গেছেন।

এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, কিছুদিন আগেও হঠাৎ করে মজিদের স্ত্রী নিখোঁজ হয়ে গিয়েছিলেন। তখন বিষয়টি নিয়ে নিখোঁজ সংবাদেরও প্রচার হয়েছিল। এলাকাবাসীর অনেকের সন্দেহ, ওই সময় আবুল কাসেমই তাকে আত্মগোপনে থাকতে সহায়তা করেছিলেন।

এলাকার প্রবীণ নারীসহ অনেক বাসিন্দা এ ধরনের অবৈধ সম্পর্কের কারণে দুটি পরিবার ভাঙনের মুখে পড়েছে বলে মন্তব্য করেছেন। পাশাপাশি এ ঘটনায় এলাকার সামাজিক পরিবেশ ও সুনাম ক্ষুণ্ণ হচ্ছে বলেও তারা উদ্বেগ প্রকাশ করেন।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত যুবদল নেতা আবুল কাসেমের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া গেছে।

অন্যদিকে পলাশবাড়ী ইউনিয়ন যুবদলের সাবেক সভাপতি হাবিবুর রহমান বলেন, “ঘটনাটি নিয়ে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা চলছে। আমিও বিষয়টি শুনেছি। যদি অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হয়, তাহলে দলের পক্ষ থেকে এর দায় নেওয়া হবে না। বরং তার বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানানো হবে।”

এদিকে চিকিৎসক আব্দুল মজিদের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, “আমি বিষয়টি নিয়ে আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার প্রস্তুতি নিয়েছি।” তবে তিনি একই সঙ্গে সাংবাদিকদের অনুরোধ করেন বিষয়টি সংবাদ আকারে প্রকাশ না করতে এবং বিস্তারিত জানতে তার অফিসে যোগাযোগ করতে।

এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে পুরো এলাকায় ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনার ঝড় উঠেছে।