ঢাকা ০৮:৪৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৫ মে ২০২৬, ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ:
পঞ্চগড়ের কৃতী সন্তান খুকৃবি শিক্ষার্থী মারুফের বিস্ময়কর উদ্ভাবন : CGPA Tracker App  বিআইডব্লিউটিএর আরিফ উদ্দিনের অবৈধ সিন্ডিকেট, হাজার কোটি টাকার লুটপাটের মহোৎসব। অবৈধ দখল-বাণিজ্য ও ক্ষমতার অপব্যবহারের ভয়াবহ চিত্র। আদিতমারীতে নারীকে গণধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ, এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য। আমতলীতে এতিম মাদরাসা শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ, পাষণ্ড খালু গ্রেপ্তার। বাস ও অ্যাম্বুলেন্সের মুখোমুখি সংঘর্ষে পাঁচজন নিহত। নিহতের চারজন একই পরিবারের। চট্টগ্রামের বায়েজীদে দেয়াল ধসে শিশুমৃত্যু: অবৈধ পলিথিন কারখানা ঘিরে ক্ষোভ ও আতঙ্ক। হয়রানি মামলার অভিযোগে,ভুক্তভোগীর সংবাদ সম্মেলন।। বাঁশখালীর শীলকূপে পুলিশের বিশেষ অভিযানে মাদক ও জুয়ার সাথে জড়িত ১৩ জন আটক। ঠাকুরগাঁওয়ে আন্তর্জাতিক গুম সপ্তাহ পালিত// ন্যায়বিচার,ক্ষতিপূরণ এবং পুনরাবৃত্তিহীনতার নিশ্চয়তা নিশ্চিত সহ ৫ দফা দাবিতে মানববন্ধন। নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানা পুলিশ কর্তৃক নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনের ৬ জন গ্রেফতার।

চট্টগ্রাম বন্দরের এলাকায় মজুতদারীর বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স,  ৭২ ঘণ্টার বেশি কোনো লাইটার বা কোস্টার জাহাজ থাকতে পারবেন।

জ্বালানি ও ভোজ্য তেলসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের কৃত্রিম সংকট প্রতিরোধ এবং বাজারে মূল্য স্থিতিশীল রাখতে চট্টগ্রাম বন্দর এলাকায় ৭২ ঘণ্টার বেশি কোনো পণ্যবাহী লাইটারেজ ও কোস্টার জাহাজকে অবস্থান করতে না দেওয়ার সিদ্ধান্ত কঠোরভাবে কার্যকর করা হচ্ছে।

এ লক্ষ্যে কোস্ট গার্ড, নৌবাহিনী, চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ এবং সমুদ্র পরিবহন অধিদপ্তর যৌথভাবে অভিযান চালিয়ে সংশ্লিষ্টদের সতর্ক করেছে। গতকাল বুধবার কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, যে কোনো ধরনের মজুতদারীর বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি গ্রহণ করা হয়েছে।

কোস্ট গার্ড সূত্রে জানা গেছে, বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটকে কেন্দ্র করে কিছু অসাধু ব্যবসায়ী জ্বালানি ও ভোজ্য তেলসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যপণ্যের কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করতে বহির্নোঙরসহ চট্টগ্রাম বন্দর এলাকায় বিভিন্ন লাইটারেজ ও কোস্টার জাহাজে বিপুল পরিমাণ পণ্য অবৈধভাবে মজুত করে রেখেছে—এমন তথ্য গোপন সূত্রে পাওয়া যায়।

এর প্রেক্ষিতে কোস্ট গার্ড বেইস চট্টগ্রাম, বাংলাদেশ নৌবাহিনী, নৌ পরিবহন অধিদপ্তর এবং চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সমন্বয়ে গতকাল দুপুর ১২টা থেকে বহির্নোঙরসহ বন্দরের বিভিন্ন স্থানে অবস্থানকারী লাইটারেজ ও কোস্টার জাহাজে অভিযান পরিচালনা করা হয়।

কোস্ট গার্ড জানায়, বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে এবং কৃত্রিম সংকট প্রতিরোধে চট্টগ্রাম বন্দর ও বহির্নোঙর এলাকায় সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা ও গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। একই সঙ্গে বন্দরের নির্দেশনা অনুযায়ী ৭২ ঘণ্টার বেশি কোনো লাইটার বা কোস্টার জাহাজকে নোঙর এলাকায় অবস্থান করতে না দেওয়া, জ্বালানি ও ভোজ্য তেলবাহী জাহাজ দ্রুত গন্তব্যে পাঠানো এবং আইন অমান্যকারী জাহাজের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হবে।

এ সময় কোস্ট গার্ড জাহাজ বিসিজিএস ‘জয় বাংলা’-এর নেভিগেটিং কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট নাফিস ফুয়াদ বসনিয়া ব্রিফিং প্রদান করেন।

কোস্ট গার্ড জানিয়েছে, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা এবং বাজারে স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

Tag :
About Author Information

GOURANGA BOSE

জনপ্রিয় সংবাদ

পঞ্চগড়ের কৃতী সন্তান খুকৃবি শিক্ষার্থী মারুফের বিস্ময়কর উদ্ভাবন : CGPA Tracker App 

চট্টগ্রাম বন্দরের এলাকায় মজুতদারীর বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স,  ৭২ ঘণ্টার বেশি কোনো লাইটার বা কোস্টার জাহাজ থাকতে পারবেন।

আপডেট সময় : ০৬:৫৪:৪৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল ২০২৬

জ্বালানি ও ভোজ্য তেলসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের কৃত্রিম সংকট প্রতিরোধ এবং বাজারে মূল্য স্থিতিশীল রাখতে চট্টগ্রাম বন্দর এলাকায় ৭২ ঘণ্টার বেশি কোনো পণ্যবাহী লাইটারেজ ও কোস্টার জাহাজকে অবস্থান করতে না দেওয়ার সিদ্ধান্ত কঠোরভাবে কার্যকর করা হচ্ছে।

এ লক্ষ্যে কোস্ট গার্ড, নৌবাহিনী, চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ এবং সমুদ্র পরিবহন অধিদপ্তর যৌথভাবে অভিযান চালিয়ে সংশ্লিষ্টদের সতর্ক করেছে। গতকাল বুধবার কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, যে কোনো ধরনের মজুতদারীর বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি গ্রহণ করা হয়েছে।

কোস্ট গার্ড সূত্রে জানা গেছে, বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটকে কেন্দ্র করে কিছু অসাধু ব্যবসায়ী জ্বালানি ও ভোজ্য তেলসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যপণ্যের কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করতে বহির্নোঙরসহ চট্টগ্রাম বন্দর এলাকায় বিভিন্ন লাইটারেজ ও কোস্টার জাহাজে বিপুল পরিমাণ পণ্য অবৈধভাবে মজুত করে রেখেছে—এমন তথ্য গোপন সূত্রে পাওয়া যায়।

এর প্রেক্ষিতে কোস্ট গার্ড বেইস চট্টগ্রাম, বাংলাদেশ নৌবাহিনী, নৌ পরিবহন অধিদপ্তর এবং চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সমন্বয়ে গতকাল দুপুর ১২টা থেকে বহির্নোঙরসহ বন্দরের বিভিন্ন স্থানে অবস্থানকারী লাইটারেজ ও কোস্টার জাহাজে অভিযান পরিচালনা করা হয়।

কোস্ট গার্ড জানায়, বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে এবং কৃত্রিম সংকট প্রতিরোধে চট্টগ্রাম বন্দর ও বহির্নোঙর এলাকায় সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা ও গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। একই সঙ্গে বন্দরের নির্দেশনা অনুযায়ী ৭২ ঘণ্টার বেশি কোনো লাইটার বা কোস্টার জাহাজকে নোঙর এলাকায় অবস্থান করতে না দেওয়া, জ্বালানি ও ভোজ্য তেলবাহী জাহাজ দ্রুত গন্তব্যে পাঠানো এবং আইন অমান্যকারী জাহাজের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হবে।

এ সময় কোস্ট গার্ড জাহাজ বিসিজিএস ‘জয় বাংলা’-এর নেভিগেটিং কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট নাফিস ফুয়াদ বসনিয়া ব্রিফিং প্রদান করেন।

কোস্ট গার্ড জানিয়েছে, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা এবং বাজারে স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।