ঢাকা ১১:৪৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৭ মে ২০২৬, ৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ:
কঠোর নজরদারিতে চট্টগ্রাম বন্দরে দস্যুতা শূন্যে, ফিরছে আন্তর্জাতিক আস্থা। রাজশাহীর বাঘায় সালিশি সিদ্ধান্ত অমান্য করার প্রতিবাদে ভুক্তভোগীর মানববন্ধন। দুর্নীতির অভিযোগ আফাআউস প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মমতাজুলকে অপসারণ,ভারপ্রাপ্ত মামুন উর রশিদ। চাঁপাইনবাবগঞ্জে বিস্ফোরক ও হেরোইনসহ ৩ জন গ্রেপ্তার। আরসিবি গ্যালারিতে শেহনাজ গিল: পাডিক্কালের সঙ্গে প্রেমের গুঞ্জন তুঙ্গে। রাসিক প্রশাসক এর সাথে রাজশাহী প্রেসক্লাবের মতবিনিময় সভা। সিলেট ও জগন্নাথপুরে যুবলীগ নেতা শিবলুর ত্রাসের রাজত্ব গ্রেপ্তার না হওয়ায় জনমনে আতঙ্ক। নতুন নেতৃত্বের খোঁজে বিএনপি। মাগুরায় শিক্ষক নামের কলংক, ছাত্রীদের কু-প্রস্তাব ও ইভটিজিং করেন বাংলা বিভাগের শিক্ষক!  মতুয়া বহুজন সমাজ ঐক্য জোটের মাদারীপুর জেলা কমিটি গঠনের লক্ষ্যে প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত।

মাগুরায় শিক্ষক নামের কলংক, ছাত্রীদের কু-প্রস্তাব ও ইভটিজিং করেন বাংলা বিভাগের শিক্ষক! 

মাগুরার সরকারি হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজের বাংলা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ও একাদশ শ্রেণির শ্রেণি শিক্ষকের বিরুদ্ধে এক ছাত্রীকে অশালীন ও কু-প্রস্তাব দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় কলেজজুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

অভিযোগকারী সিনহা হক কলেজটির মানবিক বিভাগের একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী।

গত ৩০ এপ্রিল কলেজ অধ্যক্ষ বরাবর দেওয়া লিখিত অভিযোগে তিনি উল্লেখ করেন,বাংলা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান মো. দেলোয়ার হোসেন খান শ্রেণি কার্যক্রমের সুযোগ নিয়ে বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ সরাসরি তাকে অশালীন ও কুরুচিপূর্ণ প্রস্তাব দিয়ে আসছেন। অভিযোগের সঙ্গে কিছু প্রমাণও সংযুক্ত করা হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।

লিখিত অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, এর আগেও একই শিক্ষকের বিরুদ্ধে অনুরূপ অভিযোগ উঠেছিল। তবে অজ্ঞাত কারণে তখন কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। এতে শিক্ষার্থীদের মধ্যে আতঙ্ক ও ক্ষোভ তৈরি হয়েছে।

অভিযোগপত্রে সিনহা হক বলেন,ঘটনার পর থেকে আমি মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছি। অন্যান্য শিক্ষার্থীরাও আতঙ্কের মধ্যে রয়েছে। এর সুষ্ঠু বিচার না হলে স্বাভাবিক জীবনে ফেরা কঠিন হয়ে পড়বে।

এ বিষয়ে সরকারি হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজের অধ্যক্ষ বলেন, “আমি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

বিষয়ে জানতে চাইলে অভিযুক্ত শিক্ষক মো. দেলোয়ার হোসেন খান বলেন,আমার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা,বানোয়াট ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। আমাকে সামাজিকভাবে হেয় করার জন্য একটি মহল অপপ্রচার চালাচ্ছে।

মাগুরা জেলা শিক্ষা অফিসার বলেন,শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ ধরনের অভিযোগ অত্যন্ত স্পর্শকাতর। কলেজ প্রশাসনের তদন্ত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এ বিষয়ে মাগুরা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের এক কর্মকর্তা বলেন,ভুক্তভোগী পক্ষ আইনগত সহায়তা চাইলে অথবা লিখিত অভিযোগ পেলে বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। সচেতন মহল দ্রুত ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

Tag :
About Author Information

GOURANGA BOSE

জনপ্রিয় সংবাদ

কঠোর নজরদারিতে চট্টগ্রাম বন্দরে দস্যুতা শূন্যে, ফিরছে আন্তর্জাতিক আস্থা।

মাগুরায় শিক্ষক নামের কলংক, ছাত্রীদের কু-প্রস্তাব ও ইভটিজিং করেন বাংলা বিভাগের শিক্ষক! 

আপডেট সময় : ১২:৪৯:০৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৬ মে ২০২৬

মাগুরার সরকারি হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজের বাংলা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ও একাদশ শ্রেণির শ্রেণি শিক্ষকের বিরুদ্ধে এক ছাত্রীকে অশালীন ও কু-প্রস্তাব দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় কলেজজুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

অভিযোগকারী সিনহা হক কলেজটির মানবিক বিভাগের একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী।

গত ৩০ এপ্রিল কলেজ অধ্যক্ষ বরাবর দেওয়া লিখিত অভিযোগে তিনি উল্লেখ করেন,বাংলা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান মো. দেলোয়ার হোসেন খান শ্রেণি কার্যক্রমের সুযোগ নিয়ে বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ সরাসরি তাকে অশালীন ও কুরুচিপূর্ণ প্রস্তাব দিয়ে আসছেন। অভিযোগের সঙ্গে কিছু প্রমাণও সংযুক্ত করা হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।

লিখিত অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, এর আগেও একই শিক্ষকের বিরুদ্ধে অনুরূপ অভিযোগ উঠেছিল। তবে অজ্ঞাত কারণে তখন কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। এতে শিক্ষার্থীদের মধ্যে আতঙ্ক ও ক্ষোভ তৈরি হয়েছে।

অভিযোগপত্রে সিনহা হক বলেন,ঘটনার পর থেকে আমি মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছি। অন্যান্য শিক্ষার্থীরাও আতঙ্কের মধ্যে রয়েছে। এর সুষ্ঠু বিচার না হলে স্বাভাবিক জীবনে ফেরা কঠিন হয়ে পড়বে।

এ বিষয়ে সরকারি হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজের অধ্যক্ষ বলেন, “আমি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

বিষয়ে জানতে চাইলে অভিযুক্ত শিক্ষক মো. দেলোয়ার হোসেন খান বলেন,আমার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা,বানোয়াট ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। আমাকে সামাজিকভাবে হেয় করার জন্য একটি মহল অপপ্রচার চালাচ্ছে।

মাগুরা জেলা শিক্ষা অফিসার বলেন,শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ ধরনের অভিযোগ অত্যন্ত স্পর্শকাতর। কলেজ প্রশাসনের তদন্ত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এ বিষয়ে মাগুরা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের এক কর্মকর্তা বলেন,ভুক্তভোগী পক্ষ আইনগত সহায়তা চাইলে অথবা লিখিত অভিযোগ পেলে বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। সচেতন মহল দ্রুত ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।