বর্তমানে পটুয়াখালি বাউফলের (স্থানীয় সরকার মন্ত্রনালয়ের ইঞ্জিনিয়ার (LGED) উপ-প্রকৌশলী, মোঃ আরজুরুল হক মেধায় সরকারি চাকুরির ক্ষমতা ও অবৈধ কাঁচা টাকার অপব্যবহার করে অসহায় দরিদ্র কমবয়সী সুন্দরী নারীদের সাথে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে শারীরিক সম্পর্ক করেন এবং সরকারি চাকুরি করে ফ্যাসিবাদী হাসিনার আমলে প্রচুর অবৈধ টাকার পাহাড় ও সম্পদ তৈরি করেন। সরকারি পোষ্ট ও অবৈধ টাকার জোরে আজ তিনি তিনটা বিয়ে করেছে।
ইতিমধ্যে তথাকথিত তার ২য় স্ত্রী গ্রামের অসহায় মেয়ে অল্প বয়সী ১৮ বছরের তরুরীকে সরকারি অফিসার পূর্বের ১ম স্ত্রী বাচ্চা প্রসবে মারা গেছে এ বলে সম্পর্ক করে পরে তার সাথে অবাধে শারীরিক মেলামেশা করে বাচ্চা নেন। পরবর্তীতে তরুনীর সতীত্ব ও বাচ্চা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন। ঠিক মতো ভোরণ পোষন ও টাকা পয়সা দেন না। এমন কতো সুন্দরী অসহায় তরুনীর ইজ্জত ও জীবন নষ্ট করেছে এই ইঞ্জিনিয়ার এবং অপকর্ম লুকাতে অবৈধ কাঁচা টাকা ঢালতেও দ্বিধা করেন নাই।
বাউফল উপজেলা নির্বাহী অফিসার সালেহ আহামেদের কাছে প্রতিকার বিচার সমাধান চাইলে তিনিও আজ অন্ধ ও নিরব।
পটুয়াখালির (LGED) এর নির্বাহী প্রকৌশলী হোসেন আলী মীর এবং (LGED) বর্তমান চিফ ইঞ্জিনিয়ার এর দৃষ্টি আকর্শন করেও দোলা ইসলাম তানিয়া কোন লাভ হয়নি।
বাধ্য জয়ে ২য় স্ত্রী তানিয়া তার ভেরিফাইড ফেইজবুক Dola Islam Tania এই আইডি থেকে একাধিক বার পোষ্ট এবং লাইভে এসে এই ইঞ্জিনিয়ার মুখোস উন্মোচন করেছেন।
তিনি প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষন করছেন।
এই ধরনের নারী লোভী অসৎ ইঞ্জিনিয়াদের কারনে আজ (LGED) কলংকিত হয়ে পড়ছে।
নিজস্ব প্রতিবেদক 


















