২৭মে,২৬ তারিখে রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সময় চাঁদাবাজরা ফুটপাত ব্যবসায়ীদের উপর চাঁদা দাবি করলে রাজশাহী মহানগর যুবদলের বোয়ালিয়া থানা পশ্চিমের যুগ্ম আহ্বায়ক মেহেদী হাসান তুলিপ চাঁদাবাজদের চাঁদা তুলতে বাধা দেয় এবং তার দোকানের ওপর
দলীয় ব্যানার ঝুলানোর সময় সন্ত্রাসীদের অস্ত্রের আঘাতে মেহেদী হাসান তুলিপ (৫০) নামের একজন ব্যবসায়ী গুরুতর আহত হয়েছে। আহত মেহেদী হাসান তুলিপ রাজশাহী নগরীর বড় কুঠি পাড়ার মৃত রেফাতুল্লাহর মেজ ছেলে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায় ২৭ মে রাজশাহী মহানগরীর সাহেব বাজার জিরো পয়েন্ট এলাকার কাপড় ব্যবসায়ী মেহেদী হাসান তুলিপ দলীয় ব্যনার ঝুলানোর কার্যক্রম করছিলেন, এ সময় পুর্ব শত্রুতার জের ধরে থাকা একদল অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী দেশীয় অস্ত্র নিয়ে তার উপর অতর্কিত হামলা করেন। এ সময় সন্ত্রাসীদের আঘাতে রক্তাক্ত অবস্থায় মেহেদী হাসান তুলিপ জ্ঞান হারিয়ে ফেললে স্থানীয়রা তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন।
রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসক জানান আহত মেহেদী হাসান তুলিপের মাথায় ২৭ টি সেলাই ও শরীরে বিভিন্ন জায়গায় হাতুড়ি দিয়ে মারার চিহ্ন পাওয়া গেছে । শরীরে প্রচুর রক্তক্ষরন হয়ার কারনে আহত তুলিপের অবস্থা অবনতি হয়েছে। তার অবস্থা এখন পর্যন্ত আশংকা জনক। আহত মেহেদী হাসান তুলিপের স্ত্রী সেলিনা জানান বেশ কিছুদিন ধরেই চাঁদাবাজরা বিভিন্নভাবে তার উপর হুমকি ধামকি চালাচ্ছিল কিন্তু ঈদের আগের দিন এভাবে তার উপর হামলা করবে এটা আমরা কখনো ভাবিনি। তিনি বলেন হেলাল, শান্ত,সৌরভ,আলম,রোহান,পিয়াস নামের ব্যক্তিরা এই হামলার সাথে জড়িত।
অপর দিকে সাহেব বাজারের মত ব্যস্ততম জায়গায় কিভাবে এমন প্রকাশ্যে সন্ত্রাসী হামলা এবং চাঁদাবাজির ঘটনা ঘটলো এই বিষয় নিয়ে বিভিন্ন মহলে আলোচনা সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। প্রশ্ন উঠেছে একজন ব্যবসায়ী যদি জনসম্মুখে প্রকাশ্যে ফিল্মি স্টাইলে হামলার স্বীকার হন সেখানে সাধারণ পথচারীদের কত টুকু নিরাপত্তা রয়েছে। রাতেই বিএনপির নেতা কর্মীরা ছুটে যান রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রাতেই ছুটেযান রাজশাহী মহানগর যুবদলের সদস্য সচিব সিটিকর্পোরেশনের মেয়র প্রাত্থী রফিকুল ইসলাম রবি।
হাসপাতালে গিয়ে তিনি সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে বলেন হামলার ঘটনা শুনেই আমি হাসপাতালে ছুটে এসেছি। ঘটনা অত্যন্ত নেক্কার জনক। তিনি বলেন অবশ্যই কোন অন্যায়কারি সন্ত্রাসী চাঁদাবাজ মাদক বিক্রেতা ছাড় পাবেনা। জানতে চাইলে বোয়ালিয়া মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মুঠো ফোনে বলেন হামলার ঘটনা লোক মুখে জানতে পেরেছি তবে অভিযোগ এলেই আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
তুলিপের স্ত্রী সেলিনা বেগম বলেন বৃহস্পতিবার রাতেই বোয়ালিয়া মডেল থানায় এজাহার দায়ের করা হয়েছে।তিনি বলেন আমার স্বামীর উপর যারা নির্মম ভাবে হামলা করেছে তাদের যেন সর্বোচ্চ শাস্তির আওতায় আনা হয়।
রাজশাহী প্রতিনিধি 










