ঢাকা ০৬:৫১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ:
নির্বাচন কমিশনের সতর্কবার্তা। সাবধান থাকার পরামর্শ। স্বৈরাচারের দোসরেরা ভোট বানচালের চেষ্টা করবে, তবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী প্রস্তুত: প্রধান উপদেষ্টা প্রতি বছর বিলম্বে পাঠ্যবই ছাপার নেপথ্যে  ৫ হাজার কোটি টাকার গাইড বাণিজ্য ! নিরপরাধ আ. লীগ নেতাকর্মীদের গ্রেপ্তার করা হলে থানা ঘেরাওয়ের হুঁশিয়ারি বিএনপি নেতা হারুনের। মুক্তচিন্তা, মুক্তিযুদ্ধ ও অসাম্প্রদায়িক চেতনার ঘোর বিরোধী দাপুটে তিন বুদ্ধিজীবী। ইয়াবাসহ সুমন নামে এক মাদক কারবারি ডিবির হাতে গ্রেফতার। সনাতন ধর্মাবলম্বী নেতৃবৃন্দের সাথে মাদারীপুর জেলা প্রশাসকের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত। খুলনা গণপূর্তে দুর্নীতির অদৃশ্য সাম্রাজ্য : উপসহকারী প্রকৌশলী মিজানুরের সাত বছরের অপ্রতিরোধ্য সিন্ডিকেট ! তিনিই স্বঘোষিত সম্রাট! শিক্ষার্থীদের মাঝে দেশ ফাউন্ডেশনের শিক্ষা প্রণোদনা বিতরণ। জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ–২০২৬ উপলক্ষে উপজেলা পর্যায়ের প্রতিযোগিতায় ১৫টি বিভাগে প্রথম স্থান অধিকার করে সবার শীর্ষে শহীদ সরদার সাজাহান গার্লস স্কুল এন্ড কলেজ।

খুলনায় দরপত্র সিন্ডিকেটের নেতৃত্বে বিএনপি নেতা

  • খুলনা ব্যুরো
  • আপডেট সময় : ০৫:৫০:২২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ জুলাই ২০২৫
  • ২৪৪ জন সংবাদটি পড়েছেন
10

খুলনায় পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের কোটি টাকার পণ্যের নিলাম দরপত্র বিএনপি নেতার নেতৃত্বে সিন্ডিকেট করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। দরপত্রে ৪১০ ব্যবসায়ী অংশ নেন। তবে বিএনপি নেতার হস্তক্ষেপে জমা দেন মাত্র ১৪ জন। নিলামের কার্যাদেশ পাওয়া ব্যক্তির কাছ থেকে মুনাফার একটি অংশ নিয়ে অন্য ব্যবসায়ীদের মধ্যে ভাগ করে দেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয়। তবে পুরো টাকাই বিএনপির দুই নেতা আত্মসাৎ করেছেন বলে ব্যবসায়ীদের অভিযোগ।

বুধবার রাতে নিলামে অংশ নেওয়া ব্যবসায়ীরা মহানগর বিএনপির কার্যালয়ে লিখিতভাবে অভিযোগ করেছেন। এ সিন্ডিকেটের পেছনে খানজাহান আলী থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবু সাঈদ হাওলাদার আব্বাস ও থানা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মোল্লা সোহাগ আছেন বলে ব্যবসায়ীরা জানান। তবে বিএনপির এ দুই নেতা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, ৫৫ ধরনের পুরাতন মালপত্র বিক্রির জন্য নিলাম বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয় গত ২২ জুন। প্রায় কোটি টাকার নিলামে অংশ নিতে ৪১০ ব্যবসায়ী দরপত্র কেনেন।
অভিযোগে ব্যবসায়ীরা বলেন, নির্ধারিত দিনে শিডিউল জমা দিতে গেলে স্থানীয় বিএনপি নেতারা বাধা দেন। তাদের পরামর্শে আবু সাঈদ আব্বাসের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, ওখানে পাঁচ সদস্যের কমিটি করে দিয়েছি, তারা যেভাবে বলেন সেভাবেই কাজ করেন।

ব্যবসায়ীরা উল্লেখ করেন, ওই কমিটি ব্যবসায়ী সুভাষ দত্তকে কাজটি পাইয়ে দেয়। পরে নিলাম নিয়ে ব্যবসায়ীরা নিজেদের মধ্যে দ্বিতীয় ডাক ওঠান। তখন সুভাষ দত্ত কাজটি ৪৩ লাখ ৭৩ হাজার টাকা অতিরিক্ত দিয়ে কিনে নেন।

সিন্ডিকেট করে কাজ পাওয়ার কথা স্বীকার করেছেন স্থানীয় ব্যবসায়ী সুভাষ দত্ত। তিনি বলেন, কার্যাদেশের ৪০ লাখসহ মোট ৮০ লাখ টাকা আমি দিয়ে দিয়েছি।

বিএনপি নেতা আবু সাঈদ হাওলাদার আব্বাস বলেন, আমি সিন্ডিকেটের বিষয়ে কিছু জানি না। কেউ আমার নাম ব্যবহার করলে সেই দায় আমার না।

মোল্লা সোহাগ হোসেন বলেন, কোনো দরপত্রে আমি যাই না। আমার নাম কীভাবে এলো, জানি না।

এ ব্যাপারে পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী আবু সাঈদ বলেন, নির্ধারিত সময়ে ১৪টি শিডিউল জমা পড়েছে। এর মধ্যে সর্বোচ্চ দরদাতাকে নিলাম দেওয়া হয়েছে।

Tag :
About Author Information

GOURANGA BOSE

জনপ্রিয় সংবাদ

নির্বাচন কমিশনের সতর্কবার্তা। সাবধান থাকার পরামর্শ।

খুলনায় দরপত্র সিন্ডিকেটের নেতৃত্বে বিএনপি নেতা

আপডেট সময় : ০৫:৫০:২২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ জুলাই ২০২৫
10

খুলনায় পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের কোটি টাকার পণ্যের নিলাম দরপত্র বিএনপি নেতার নেতৃত্বে সিন্ডিকেট করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। দরপত্রে ৪১০ ব্যবসায়ী অংশ নেন। তবে বিএনপি নেতার হস্তক্ষেপে জমা দেন মাত্র ১৪ জন। নিলামের কার্যাদেশ পাওয়া ব্যক্তির কাছ থেকে মুনাফার একটি অংশ নিয়ে অন্য ব্যবসায়ীদের মধ্যে ভাগ করে দেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয়। তবে পুরো টাকাই বিএনপির দুই নেতা আত্মসাৎ করেছেন বলে ব্যবসায়ীদের অভিযোগ।

বুধবার রাতে নিলামে অংশ নেওয়া ব্যবসায়ীরা মহানগর বিএনপির কার্যালয়ে লিখিতভাবে অভিযোগ করেছেন। এ সিন্ডিকেটের পেছনে খানজাহান আলী থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবু সাঈদ হাওলাদার আব্বাস ও থানা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মোল্লা সোহাগ আছেন বলে ব্যবসায়ীরা জানান। তবে বিএনপির এ দুই নেতা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, ৫৫ ধরনের পুরাতন মালপত্র বিক্রির জন্য নিলাম বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয় গত ২২ জুন। প্রায় কোটি টাকার নিলামে অংশ নিতে ৪১০ ব্যবসায়ী দরপত্র কেনেন।
অভিযোগে ব্যবসায়ীরা বলেন, নির্ধারিত দিনে শিডিউল জমা দিতে গেলে স্থানীয় বিএনপি নেতারা বাধা দেন। তাদের পরামর্শে আবু সাঈদ আব্বাসের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, ওখানে পাঁচ সদস্যের কমিটি করে দিয়েছি, তারা যেভাবে বলেন সেভাবেই কাজ করেন।

ব্যবসায়ীরা উল্লেখ করেন, ওই কমিটি ব্যবসায়ী সুভাষ দত্তকে কাজটি পাইয়ে দেয়। পরে নিলাম নিয়ে ব্যবসায়ীরা নিজেদের মধ্যে দ্বিতীয় ডাক ওঠান। তখন সুভাষ দত্ত কাজটি ৪৩ লাখ ৭৩ হাজার টাকা অতিরিক্ত দিয়ে কিনে নেন।

সিন্ডিকেট করে কাজ পাওয়ার কথা স্বীকার করেছেন স্থানীয় ব্যবসায়ী সুভাষ দত্ত। তিনি বলেন, কার্যাদেশের ৪০ লাখসহ মোট ৮০ লাখ টাকা আমি দিয়ে দিয়েছি।

বিএনপি নেতা আবু সাঈদ হাওলাদার আব্বাস বলেন, আমি সিন্ডিকেটের বিষয়ে কিছু জানি না। কেউ আমার নাম ব্যবহার করলে সেই দায় আমার না।

মোল্লা সোহাগ হোসেন বলেন, কোনো দরপত্রে আমি যাই না। আমার নাম কীভাবে এলো, জানি না।

এ ব্যাপারে পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী আবু সাঈদ বলেন, নির্ধারিত সময়ে ১৪টি শিডিউল জমা পড়েছে। এর মধ্যে সর্বোচ্চ দরদাতাকে নিলাম দেওয়া হয়েছে।