ঢাকা ০২:১২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬, ৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ:
গোপালগঞ্জে গেস্ট হাউসে অভিযান, ১১ মামলায় কারাদণ্ড ও জরিমানা। সাবেক আইজিপির প্রভাব খাটিয়ে এসআই আজাদের ‘আলাদিনের চেরাগ’। হাঁসের বাচ্চা ফেরত দেওয়াকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, প্রাণ গেল এক ব্যক্তির। প্রধানমন্ত্রীর সহকারী (রাজনৈতিক) পদে সচিব পদমর্যাদায় চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পেলেন রাশেদ খান। তজুমদ্দিনে নারীকে উত্যক্তসহ একাধিক অভিযোগে প্রধান শিক্ষক শোকজ। টানা বৃষ্টিতে ঠাকুরগাঁওয়ে নদীভাঙনে সর্বস্ব হারানোর শঙ্কায় দিন কাটছে নদীপাড়ের বাসিন্দাদের। জাতীয় স্কার্ফ ও থ্রি বিডে ভূষিত হিলির কৃতি সন্তান মহিদুল ইসলাম। নেসকোর প্রধান কার্যালয় রাজশাহীতেই রাখার দাবিতে মানববন্ধন। প্রেমের টানে সুদূর চীন থেকে এসে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করে বিয়ে করলেন চীনা তরুণ! বিএনপিকে সঙ্গে নিয়েই উন্নয়ন করতে হবে’—কানাইঘাটে এমপি শাম্মী আক্তার।

পাবনা গণপূর্তে কোটি টাকার বিল বিতর্ক: নির্বাহী প্রকৌশলী রাশেদ কবিরকে ঘিরে : দুর্নীতির অভিযোগ, দেশত্যাগের শঙ্কা।

পাবনা গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. রাশেদ কবিরকে ঘিরে একের পর এক অনিয়ম, আর্থিক অসঙ্গতি ও দুর্নীতির অভিযোগ সামনে আসছে। অভিযোগ উঠেছে, দায়িত্ব পালনকালে বিভিন্ন প্রকল্পে অগ্রিম বিল প্রদান, দরপত্র প্রক্রিয়ায় অনিয়ম এবং সরকারি অর্থ ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতার ঘাটতি রয়েছে। একই সঙ্গে তার বিরুদ্ধে বিপুল সম্পদ অর্জনের অভিযোগও উঠেছে। এ কারণে তাকে ঘিরে প্রশাসনিক মহলে নানা আলোচনা চলছে।

অভিযোগকারীদের দাবি, রাশেদ কবির এর আগে ঢাকা গণপূর্ত বিভাগের ধানমন্ডি সাবডিভিশনে উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে ধানমন্ডি ৩২ নম্বর এলাকার বিভিন্ন কাজের বিল প্রদান প্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। ওই সময়ের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. শাহ আলম ফারুক চৌধুরীর সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। পরবর্তীতে শাহ আলম ফারুক চৌধুরীর দেশত্যাগের বিষয়টি নিয়েও বিভিন্ন মহলে আলোচনা হয়।

অভিযোগ রয়েছে, বর্তমান কর্মস্থল পাবনা গণপূর্ত বিভাগে দায়িত্ব নেওয়ার পর রাশেদ কবিরের বিরুদ্ধে বিভিন্ন প্রকল্পে আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। যদিও এসব অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক তদন্ত বা সিদ্ধান্ত এখনো পাওয়া যায়নি।

 

চাকরিচ্যুত প্রকৌশলীকে ১৮ লাখ টাকার বেশি বেতন-ভাতা প্রদান নিয়ে প্রশ্ন :

দপ্তরসংশ্লিষ্ট নথি অনুযায়ী, পাবনা গণপূর্ত বিভাগের উপ-সহকারী প্রকৌশলী (সিভিল) মো. শাহীন উদ্দিন ও মো. ফজলে হক অসদাচরণের অভিযোগে দীর্ঘদিন সাময়িক বরখাস্ত ছিলেন। পরবর্তীতে ২০২৫ সালের ৪ সেপ্টেম্বর গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের পৃথক আদেশে তাদের বাধ্যতামূলক অবসর দেওয়া হয়। এরপর শাহীন উদ্দিন বকেয়া বেতন-ভাতার আবেদন করলে পাবনা গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. রাশেদ কবির তা সুপারিশসহ জেলা অ্যাকাউন্টস অ্যান্ড ফিন্যান্স অফিসে পাঠান। ওই সুপারিশের ভিত্তিতে ২০২৫ সালের ২ নভেম্বর শাহীন উদ্দিনকে ১৮ লাখ ৮১ হাজার ৪২ টাকা পরিশোধ করা হয়। পরবর্তীতে বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন উঠলে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনার ভিত্তিতে ওই অর্থ সরকারি কোষাগারে ফেরত দেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে চিঠি দেওয়া হয়।

 

পাবনা মেডিকেল কলেজ প্রকল্পে অগ্রিম বিলের অভিযোগ : পাবনা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল স্থাপন প্রকল্পের রিমেইনিং ওয়ার্কের দরপত্র এবং বিল পরিশোধ নিয়েও অভিযোগ উঠেছে।

অভিযোগ রয়েছে, ২০২৪-২৫ অর্থবছরের শেষ দিকে প্রকল্পের একটি কাজে ৬০ থেকে ৭০ কোটি টাকার বিল কাজের অগ্রগতির সঙ্গে সামঞ্জস্য না রেখে পরিশোধ করা হয়েছে অভিযোগকারীদের দাবি, বাস্তবে কাজ সম্পন্ন হওয়ার আগেই সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানকে অগ্রিম অর্থ প্রদান করা হয়। এ বিষয়ে তথ্য অধিকার আইনে তথ্য চাওয়া হলেও দীর্ঘ সময় অতিবাহিত হওয়ার পরও প্রয়োজনীয় তথ্য সরবরাহ করা হয়নি বলে অভিযোগ রয়েছে। বুয়েটের অধ্যাপক এ কে এম আক্তার হোসেন গণমাধ্যমকে বলেন, ৬০ থেকে ৭০ কোটি টাকার একটি ভবন নির্মাণ কাজের বিল অগ্রিম পরিশোধ করা হলে একটি জেলা শহরে বাস্তবায়ন করতে সময়ের বিষয়টি অবশ্যই বিবেচনায় নিতে হবে।

 

দরপত্র প্রক্রিয়া নিয়েও উঠেছে প্রশ্ন : ২০২৫-২৬ অর্থবছরে গণপূর্ত বিভাগের মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষণ কাজের দরপত্র প্রক্রিয়া নিয়েও অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগকারীদের দাবি, প্রধান প্রকৌশলীর নির্দেশনা অমান্য করে কিছু কাজ এলটিএম পদ্ধতির পরিবর্তে ওটিএম পদ্ধতিতে দরপত্র আহ্বান করা হয়েছে। এতে পছন্দের ঠিকাদারদের কাজ পাইয়ে দেওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে বলেও অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, কয়েকটি দরপত্রের আইডি নম্বর— Id No: 1297074

Id No: 1396658

Id No: 1295473

Id No: 1295309

Id No: 1286844

Id No: 1283767

Id No: 1286240

এসব কাজের দরপত্র খোলা, মূল্যায়ন ও বিল পরিশোধের সময়সীমা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন সংশ্লিষ্টরা। অভিযোগ রয়েছে, জুন মাসে অল্প সময়ের ব্যবধানে কয়েকটি বড় অঙ্কের বিল পরিশোধ করা হয়েছে। এ ছাড়া পাবনা নার্সিং ট্রেনিং ইনস্টিটিউটের সমাপ্ত কাজের পর পুনরায় ‘রিমেইনিং ওয়ার্ক’ দেখিয়ে সরকারি অর্থ ব্যয়ের অভিযোগও উঠেছে।

 

তদন্ত দাবি, বক্তব্য মেলেনি রাশেদ কবিরের :

অভিযোগকারীদের দাবি, এসব অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত হলে প্রকল্পের বাস্তব অগ্রগতি, বিল পরিশোধের যৌক্তিকতা এবং দরপত্র প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা স্পষ্ট হবে।

তাদের কেউ কেউ আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন, অতীতে আলোচিত কয়েকজন প্রকৌশলীর মতো রাশেদ কবিরও দেশত্যাগ করতে পারেন। তবে দেশত্যাগের আশঙ্কার বিষয়ে কোনো সরকারি নিষেধাজ্ঞা বা সিদ্ধান্তের তথ্য পাওয়া যায়নি।

অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানতে পাবনা গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. রাশেদ কবিরের সঙ্গে একাধিকবার মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। ফলে তার বক্তব্য প্রতিবেদনটিতে যুক্ত করা সম্ভব হয়নি। (প্রকাশিত অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্ত ও অভিযুক্ত ব্যক্তির বক্তব্যই চূড়ান্ত সত্যতা নির্ধারণ করবে।

Tag :
About Author Information

GOURANGA BOSE

জনপ্রিয় সংবাদ

গোপালগঞ্জে গেস্ট হাউসে অভিযান, ১১ মামলায় কারাদণ্ড ও জরিমানা।

পাবনা গণপূর্তে কোটি টাকার বিল বিতর্ক: নির্বাহী প্রকৌশলী রাশেদ কবিরকে ঘিরে : দুর্নীতির অভিযোগ, দেশত্যাগের শঙ্কা।

আপডেট সময় : ০৩:৩২:২৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬

পাবনা গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. রাশেদ কবিরকে ঘিরে একের পর এক অনিয়ম, আর্থিক অসঙ্গতি ও দুর্নীতির অভিযোগ সামনে আসছে। অভিযোগ উঠেছে, দায়িত্ব পালনকালে বিভিন্ন প্রকল্পে অগ্রিম বিল প্রদান, দরপত্র প্রক্রিয়ায় অনিয়ম এবং সরকারি অর্থ ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতার ঘাটতি রয়েছে। একই সঙ্গে তার বিরুদ্ধে বিপুল সম্পদ অর্জনের অভিযোগও উঠেছে। এ কারণে তাকে ঘিরে প্রশাসনিক মহলে নানা আলোচনা চলছে।

অভিযোগকারীদের দাবি, রাশেদ কবির এর আগে ঢাকা গণপূর্ত বিভাগের ধানমন্ডি সাবডিভিশনে উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে ধানমন্ডি ৩২ নম্বর এলাকার বিভিন্ন কাজের বিল প্রদান প্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। ওই সময়ের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. শাহ আলম ফারুক চৌধুরীর সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। পরবর্তীতে শাহ আলম ফারুক চৌধুরীর দেশত্যাগের বিষয়টি নিয়েও বিভিন্ন মহলে আলোচনা হয়।

অভিযোগ রয়েছে, বর্তমান কর্মস্থল পাবনা গণপূর্ত বিভাগে দায়িত্ব নেওয়ার পর রাশেদ কবিরের বিরুদ্ধে বিভিন্ন প্রকল্পে আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। যদিও এসব অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক তদন্ত বা সিদ্ধান্ত এখনো পাওয়া যায়নি।

 

চাকরিচ্যুত প্রকৌশলীকে ১৮ লাখ টাকার বেশি বেতন-ভাতা প্রদান নিয়ে প্রশ্ন :

দপ্তরসংশ্লিষ্ট নথি অনুযায়ী, পাবনা গণপূর্ত বিভাগের উপ-সহকারী প্রকৌশলী (সিভিল) মো. শাহীন উদ্দিন ও মো. ফজলে হক অসদাচরণের অভিযোগে দীর্ঘদিন সাময়িক বরখাস্ত ছিলেন। পরবর্তীতে ২০২৫ সালের ৪ সেপ্টেম্বর গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের পৃথক আদেশে তাদের বাধ্যতামূলক অবসর দেওয়া হয়। এরপর শাহীন উদ্দিন বকেয়া বেতন-ভাতার আবেদন করলে পাবনা গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. রাশেদ কবির তা সুপারিশসহ জেলা অ্যাকাউন্টস অ্যান্ড ফিন্যান্স অফিসে পাঠান। ওই সুপারিশের ভিত্তিতে ২০২৫ সালের ২ নভেম্বর শাহীন উদ্দিনকে ১৮ লাখ ৮১ হাজার ৪২ টাকা পরিশোধ করা হয়। পরবর্তীতে বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন উঠলে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনার ভিত্তিতে ওই অর্থ সরকারি কোষাগারে ফেরত দেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে চিঠি দেওয়া হয়।

 

পাবনা মেডিকেল কলেজ প্রকল্পে অগ্রিম বিলের অভিযোগ : পাবনা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল স্থাপন প্রকল্পের রিমেইনিং ওয়ার্কের দরপত্র এবং বিল পরিশোধ নিয়েও অভিযোগ উঠেছে।

অভিযোগ রয়েছে, ২০২৪-২৫ অর্থবছরের শেষ দিকে প্রকল্পের একটি কাজে ৬০ থেকে ৭০ কোটি টাকার বিল কাজের অগ্রগতির সঙ্গে সামঞ্জস্য না রেখে পরিশোধ করা হয়েছে অভিযোগকারীদের দাবি, বাস্তবে কাজ সম্পন্ন হওয়ার আগেই সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানকে অগ্রিম অর্থ প্রদান করা হয়। এ বিষয়ে তথ্য অধিকার আইনে তথ্য চাওয়া হলেও দীর্ঘ সময় অতিবাহিত হওয়ার পরও প্রয়োজনীয় তথ্য সরবরাহ করা হয়নি বলে অভিযোগ রয়েছে। বুয়েটের অধ্যাপক এ কে এম আক্তার হোসেন গণমাধ্যমকে বলেন, ৬০ থেকে ৭০ কোটি টাকার একটি ভবন নির্মাণ কাজের বিল অগ্রিম পরিশোধ করা হলে একটি জেলা শহরে বাস্তবায়ন করতে সময়ের বিষয়টি অবশ্যই বিবেচনায় নিতে হবে।

 

দরপত্র প্রক্রিয়া নিয়েও উঠেছে প্রশ্ন : ২০২৫-২৬ অর্থবছরে গণপূর্ত বিভাগের মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষণ কাজের দরপত্র প্রক্রিয়া নিয়েও অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগকারীদের দাবি, প্রধান প্রকৌশলীর নির্দেশনা অমান্য করে কিছু কাজ এলটিএম পদ্ধতির পরিবর্তে ওটিএম পদ্ধতিতে দরপত্র আহ্বান করা হয়েছে। এতে পছন্দের ঠিকাদারদের কাজ পাইয়ে দেওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে বলেও অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, কয়েকটি দরপত্রের আইডি নম্বর— Id No: 1297074

Id No: 1396658

Id No: 1295473

Id No: 1295309

Id No: 1286844

Id No: 1283767

Id No: 1286240

এসব কাজের দরপত্র খোলা, মূল্যায়ন ও বিল পরিশোধের সময়সীমা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন সংশ্লিষ্টরা। অভিযোগ রয়েছে, জুন মাসে অল্প সময়ের ব্যবধানে কয়েকটি বড় অঙ্কের বিল পরিশোধ করা হয়েছে। এ ছাড়া পাবনা নার্সিং ট্রেনিং ইনস্টিটিউটের সমাপ্ত কাজের পর পুনরায় ‘রিমেইনিং ওয়ার্ক’ দেখিয়ে সরকারি অর্থ ব্যয়ের অভিযোগও উঠেছে।

 

তদন্ত দাবি, বক্তব্য মেলেনি রাশেদ কবিরের :

অভিযোগকারীদের দাবি, এসব অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত হলে প্রকল্পের বাস্তব অগ্রগতি, বিল পরিশোধের যৌক্তিকতা এবং দরপত্র প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা স্পষ্ট হবে।

তাদের কেউ কেউ আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন, অতীতে আলোচিত কয়েকজন প্রকৌশলীর মতো রাশেদ কবিরও দেশত্যাগ করতে পারেন। তবে দেশত্যাগের আশঙ্কার বিষয়ে কোনো সরকারি নিষেধাজ্ঞা বা সিদ্ধান্তের তথ্য পাওয়া যায়নি।

অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানতে পাবনা গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. রাশেদ কবিরের সঙ্গে একাধিকবার মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। ফলে তার বক্তব্য প্রতিবেদনটিতে যুক্ত করা সম্ভব হয়নি। (প্রকাশিত অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্ত ও অভিযুক্ত ব্যক্তির বক্তব্যই চূড়ান্ত সত্যতা নির্ধারণ করবে।