ঢাকা ০১:২০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ:
মাগুরায় শালিখা উপজেলা নির্বাহী অফিসার বনি আমিন সহ ৪ জনের নামে সাংবাদিকের মামলা দায়ের! অসীম ক্ষমতাধর মাসুদুল ইসলাম একসাথে পাঁচ পদের দায়িত্বে।  বিআইডব্লিউটিএ’ র বিতর্কিত কর্মকাণ্ড। দেশের জ্বালানী ও অর্থনীতি সংকটেও বিআইডব্লিউটিএতে বিলাসী বনভোজনের নামে অর্থ ও জ্বালানি অপচয়ে মনোরঞ্জন।  বর্ণাঢ্য আয়োজনে শ্রীপুর সাংবাদিক সমিতির ফ্যামিলি ডে ও বাংলা নববর্ষ উদযাপন। “যোগ্যদের স্বীকৃতি দিতে পেরে গর্বিত”—মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন স্বাধীনতা পদক–২০২৬ ও সাহিত্য সম্মাননা প্রদান। চট্টগ্রাম নগরীর বাকলিয়া রসুলবাগ ‘চাক্তাই ডাইভারশন খালটি’ সংস্কার জরুরী। আমতলীতে জ্বালানি সংকট তীব্র আকারে, বিপাকে ভাড়ায় চালিত মোটরসাইকেল চালকরা। বাংলাদেশ সনাতন ধর্ম সুরক্ষা পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক বর্ধিত সভা অনুষ্টিত। অবসর নিতে চান মির্জা ফখরুল, মহাসচিব পদে ‘পরিবর্তনের’ ইঙ্গিত। ফ্যাস্টিট হাসিনা সরকারের দোসর আবু সাঈদ মোল্লা এখন পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের উপসচিব হলেন কিভাবে? কর্মকর্তাদের মধ্যে চাঁপা ক্ষোভ।

চিরিরবন্দরে পরিবেশবিরোধী ইউক্যালিপটাস ও আকাশমণি গাছের বিরুদ্ধে প্রশাসনের কঠোর অভিযান

  • সারাক্ষণ ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ১২:১৬:২৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ জুলাই ২০২৫
  • ১৬৭ জন সংবাদটি পড়েছেন

পরিবেশের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর হিসেবে চিহ্নিত ইউক্যালিপটাস ও আকাশমণি গাছের চারা উৎপাদন ও বিক্রির বিরুদ্ধে দিনাজপুরের চিরিরবন্দর উপজেলায় অভিযান চালিয়েছে প্রশাসন। এতে ছয়টি নার্সারিতে উৎপাদিত ২৫ হাজারের বেশি চারা ধ্বংস করা হয়েছে।

বুধবার (৯ জুলাই) চিরিরবন্দর উপজেলার নশরতপুর, ইসফপুর ও আব্দুলপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন নার্সারিতে এই অভিযান পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফাতেহা তুজ জোহরা। অভিযানে সহযোগিতা করেন উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ জোহরা সুলতানা, উপজেলা উদ্ভিদ সংরক্ষণ কর্মকর্তা দিনেশ চন্দ্র এবং অন্যান্য কৃষি কর্মকর্তারা।

সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে চারা উৎপাদন ও বাজারজাত করায় তামান্না নার্সারি, এম আর ভিলেজ নার্সারি, মৌসুমী নার্সারি, জাহাঙ্গীর নার্সারি, মিম নার্সারি ও ভাই ভাই নার্সারিতে অভিযান চালিয়ে এসব গাছের চারা ধ্বংস করা হয়।

নার্সারি মালিকরা দাবি করেন, এসব চারা উৎপাদনে তাদের বিপুল পরিমাণ টাকা বিনিয়োগ হয়েছে। হঠাৎ করে ধ্বংস করায় তারা আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন এবং ক্ষতিপূরণ নিয়ে তারা উদ্বিগ্ন।

উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ জোহরা সুলতানা বলেন, ইউক্যালিপটাস গাছ অত্যধিক পানি শোষণ করে এবং মাটির উর্বরতা ধ্বংস করে। একইভাবে আকাশমণিও পরিবেশের জন্য উপকারী নয়। তাই সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী চারা ধ্বংস করা হয়েছে।

তিনি আরও জানান, সরকার এসব নার্সারি মালিকদের ক্ষতিপূরণের বিষয়টি বিবেচনা করবে।

ইউএনও ফাতেহা তুজ জোহরা বলেন, পরিবেশ রক্ষায় প্রশাসনের এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। জনসচেতনতা বৃদ্ধির জন্য ধারাবাহিক পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

Tag :
About Author Information

GOURANGA BOSE

জনপ্রিয় সংবাদ

মাগুরায় শালিখা উপজেলা নির্বাহী অফিসার বনি আমিন সহ ৪ জনের নামে সাংবাদিকের মামলা দায়ের!

চিরিরবন্দরে পরিবেশবিরোধী ইউক্যালিপটাস ও আকাশমণি গাছের বিরুদ্ধে প্রশাসনের কঠোর অভিযান

আপডেট সময় : ১২:১৬:২৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ জুলাই ২০২৫

পরিবেশের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর হিসেবে চিহ্নিত ইউক্যালিপটাস ও আকাশমণি গাছের চারা উৎপাদন ও বিক্রির বিরুদ্ধে দিনাজপুরের চিরিরবন্দর উপজেলায় অভিযান চালিয়েছে প্রশাসন। এতে ছয়টি নার্সারিতে উৎপাদিত ২৫ হাজারের বেশি চারা ধ্বংস করা হয়েছে।

বুধবার (৯ জুলাই) চিরিরবন্দর উপজেলার নশরতপুর, ইসফপুর ও আব্দুলপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন নার্সারিতে এই অভিযান পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফাতেহা তুজ জোহরা। অভিযানে সহযোগিতা করেন উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ জোহরা সুলতানা, উপজেলা উদ্ভিদ সংরক্ষণ কর্মকর্তা দিনেশ চন্দ্র এবং অন্যান্য কৃষি কর্মকর্তারা।

সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে চারা উৎপাদন ও বাজারজাত করায় তামান্না নার্সারি, এম আর ভিলেজ নার্সারি, মৌসুমী নার্সারি, জাহাঙ্গীর নার্সারি, মিম নার্সারি ও ভাই ভাই নার্সারিতে অভিযান চালিয়ে এসব গাছের চারা ধ্বংস করা হয়।

নার্সারি মালিকরা দাবি করেন, এসব চারা উৎপাদনে তাদের বিপুল পরিমাণ টাকা বিনিয়োগ হয়েছে। হঠাৎ করে ধ্বংস করায় তারা আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন এবং ক্ষতিপূরণ নিয়ে তারা উদ্বিগ্ন।

উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ জোহরা সুলতানা বলেন, ইউক্যালিপটাস গাছ অত্যধিক পানি শোষণ করে এবং মাটির উর্বরতা ধ্বংস করে। একইভাবে আকাশমণিও পরিবেশের জন্য উপকারী নয়। তাই সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী চারা ধ্বংস করা হয়েছে।

তিনি আরও জানান, সরকার এসব নার্সারি মালিকদের ক্ষতিপূরণের বিষয়টি বিবেচনা করবে।

ইউএনও ফাতেহা তুজ জোহরা বলেন, পরিবেশ রক্ষায় প্রশাসনের এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। জনসচেতনতা বৃদ্ধির জন্য ধারাবাহিক পদক্ষেপ নেওয়া হবে।