ঢাকা ০৬:০৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ:
চার শিক্ষাব্যবস্থা, চার বাংলাদেশ: রাষ্ট্রের নীরব আত্মবিভাজন। রাষ্ট্রপতির আগমন ঘিরে নতুন সাজে ঠাকুরগাঁও, রাঙিয়ে তোলা হয়েছে শহর। শ্রীকৃষ্ণের আবির্ভাব: দুষ্টের দমন, শিষ্টের পালন ও সমকালীন পৃথিবীতে কৃষ্ণের প্রাসঙ্গিকতা। ভাঙ্গার আলগীর ঝালডাঙ্গা বিলে শতাধিক নৌকার মহারণ, সেরা রাজৈরের ‘বৈতরণী’। শ্রীকৃষ্ণের আবির্ভাবের বার্তা: অশুভের বিরুদ্ধে শুভবোধের জাগরণ- অপর্ণা রায় দাস। প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা: প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরে আউট সোর্সিং এর কাজ শতভাগ আওয়ামী প্রতিষ্ঠানের দখলে! এনআরবিসি ব্যাংকে চিহ্নিত লুটেরা চক্রের অপতৎপরতা! শাহজালাল ইসলামী ব্যাংকের বরিশাল শাখার ম্যানেজার হিসেবে যোগ দিলেন আবুল কালাম আজাদ নজরুল বর্ষ ও আমাদের সাংস্কৃতিক উন্নয়ন: বিদ্রোহী কবির প্রাসঙ্গিকতা ও উত্তরাধিকার। যেভাবে বিএনপির প্রতিষ্ঠা , সংকটের ধ্বংসস্তূপ থেকে বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের রাজনৈতিক অভিযাত্রা।

চীন দেশী যুবকের সাথে টিকটকে পরিচয়ের সুবাদে প্রেম অতঃপর বিয়ে

  • মোঃ আলী শেখ
  • আপডেট সময় : ১১:৪৯:৪৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৩০ জুলাই ২০২৫
  • ৪০৩ জন সংবাদটি পড়েছেন

ভাষা, সংস্কৃতি আর হাজার মাইল দূরের ব্যবধান-সবকিছুকেই হার মানিয়েছে ভালোবাসা। ধর্ম, জাতি কিংবা জাতীয়তার পার্থক্যও থামাতে পারেনি দুজন মানুষের হৃদয়ের টান। এমনই এক ব্যতিক্রমী প্রেমের গল্প রচিত হয়েছে মাদারীপুর সদর উপজেলার পাচখোলা ইউনিয়নের মহিষেরচর এলাকায়।

সুদূর চীন থেকে বাংলাদেশে ছুটে আসা শিতিয়ানজি নামের এক চীনা যুবকের সঙ্গে সম্প্রতি মাদারীপুরের মেয়ে সুমাইয়া আক্তারের সঙ্গে মুসলিম রীতিতে বিয়ে হয়।

প্রেমের টানে সুদূর চীন থেকে বাংলাদেশে ছুটে এসেছেন শিতিয়ানজি নামের এক চীনা যুবক। মাদারীপুরের সুমাইয়া আক্তারের সঙ্গে মুসলিম রীতিতে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন তিনি।

জানা গেছে, চার মাস আগে টিকটকের মাধ্যমে পরিচয় হয় সুমাইয়া ও শিতিয়ানজির, পরে তারা নিয়মিত যোগাযোগ রাখতে শুরু করেন উইচ্যাটে। বন্ধুত্ব থেকে সম্পর্ক গড়ায় প্রেমে। অবশেষে ২৪ জুলাই বাংলাদেশে আসে শিতিয়ানজি, পরে (২৭ জুলাই) আদালতে নোটারি পাবলিকের মাধ্যমে বিয়ের রেজিস্ট্রি সম্পন্ন করে এবং মুসলিম শরিয়াত অনুযায়ী সুমাইয়াকে বিয়ে করেন শিতিয়ানজি। সুমাইয়া আক্তার মাদারীপুর সরকারি মহিলা কলেজের অনার্স প্রথম বর্ষের ছাত্রী এবং উপজেলার মহিষেরচর গ্রামের সাইদুর রহমানের মেয়ে।

সুমাইয়া আক্তার বলেন, শিতিয়ানজি আমাকে প্রচন্ড ভালোবাসেন। সেই ভালোবাসার টানেই তিনি চীন থেকে বাংলাদেশে এসেছেন। সুমাইয়া জানান, ভালোবাসার টানে তিনি চীনা ভাষাও শিখেছেন। ভবিষ্যতে স্বামীর সঙ্গে চীনে যাওয়ার ইচ্ছাও প্রকাশ করেন তিনি। বিয়ে নিয়ে স্থানীয়দের মাঝেও দেখা গেছে ব্যাপক কৌতূহল ও উৎসাহ।

চীনা নাগরীক শিতিয়ানজি বলেন, আমি সুমাইয়াকে ভালবেসে চীন থেকে এসেছি, সুমাইয়া অনেক ভাল মেয়ে। বাংলাদেশের পরিবেশ আমার খুব ভাল লেগেছে, তবে এদেশে গরম অনেক বেশি। আর ভবিষ্যতে সুমাইয়াকে আমি চীনে নিয়ে যাবো।

  1. নেটিজেনরা অনেকেই এ বিয়েকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন।এখন দেখার পালা ভিনদেশী কপোত কপোতীর দাম্পত্য জীবন কেমন কাটে! এ নিয়ে নেটিজেনরা করেছেন অবিমিশ্র মন্তব্য ।তবে আমাদের আশা নব দম্পতির আগামীর জীবন কাটুক রঙ তুলির আঁচড়ে আঁকা স্বপ্নময় রঙিন দুনিয়ার মতো।
Tag :
About Author Information

GOURANGA BOSE

জনপ্রিয় সংবাদ

চার শিক্ষাব্যবস্থা, চার বাংলাদেশ: রাষ্ট্রের নীরব আত্মবিভাজন।

চীন দেশী যুবকের সাথে টিকটকে পরিচয়ের সুবাদে প্রেম অতঃপর বিয়ে

আপডেট সময় : ১১:৪৯:৪৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৩০ জুলাই ২০২৫

ভাষা, সংস্কৃতি আর হাজার মাইল দূরের ব্যবধান-সবকিছুকেই হার মানিয়েছে ভালোবাসা। ধর্ম, জাতি কিংবা জাতীয়তার পার্থক্যও থামাতে পারেনি দুজন মানুষের হৃদয়ের টান। এমনই এক ব্যতিক্রমী প্রেমের গল্প রচিত হয়েছে মাদারীপুর সদর উপজেলার পাচখোলা ইউনিয়নের মহিষেরচর এলাকায়।

সুদূর চীন থেকে বাংলাদেশে ছুটে আসা শিতিয়ানজি নামের এক চীনা যুবকের সঙ্গে সম্প্রতি মাদারীপুরের মেয়ে সুমাইয়া আক্তারের সঙ্গে মুসলিম রীতিতে বিয়ে হয়।

প্রেমের টানে সুদূর চীন থেকে বাংলাদেশে ছুটে এসেছেন শিতিয়ানজি নামের এক চীনা যুবক। মাদারীপুরের সুমাইয়া আক্তারের সঙ্গে মুসলিম রীতিতে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন তিনি।

জানা গেছে, চার মাস আগে টিকটকের মাধ্যমে পরিচয় হয় সুমাইয়া ও শিতিয়ানজির, পরে তারা নিয়মিত যোগাযোগ রাখতে শুরু করেন উইচ্যাটে। বন্ধুত্ব থেকে সম্পর্ক গড়ায় প্রেমে। অবশেষে ২৪ জুলাই বাংলাদেশে আসে শিতিয়ানজি, পরে (২৭ জুলাই) আদালতে নোটারি পাবলিকের মাধ্যমে বিয়ের রেজিস্ট্রি সম্পন্ন করে এবং মুসলিম শরিয়াত অনুযায়ী সুমাইয়াকে বিয়ে করেন শিতিয়ানজি। সুমাইয়া আক্তার মাদারীপুর সরকারি মহিলা কলেজের অনার্স প্রথম বর্ষের ছাত্রী এবং উপজেলার মহিষেরচর গ্রামের সাইদুর রহমানের মেয়ে।

সুমাইয়া আক্তার বলেন, শিতিয়ানজি আমাকে প্রচন্ড ভালোবাসেন। সেই ভালোবাসার টানেই তিনি চীন থেকে বাংলাদেশে এসেছেন। সুমাইয়া জানান, ভালোবাসার টানে তিনি চীনা ভাষাও শিখেছেন। ভবিষ্যতে স্বামীর সঙ্গে চীনে যাওয়ার ইচ্ছাও প্রকাশ করেন তিনি। বিয়ে নিয়ে স্থানীয়দের মাঝেও দেখা গেছে ব্যাপক কৌতূহল ও উৎসাহ।

চীনা নাগরীক শিতিয়ানজি বলেন, আমি সুমাইয়াকে ভালবেসে চীন থেকে এসেছি, সুমাইয়া অনেক ভাল মেয়ে। বাংলাদেশের পরিবেশ আমার খুব ভাল লেগেছে, তবে এদেশে গরম অনেক বেশি। আর ভবিষ্যতে সুমাইয়াকে আমি চীনে নিয়ে যাবো।

  1. নেটিজেনরা অনেকেই এ বিয়েকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন।এখন দেখার পালা ভিনদেশী কপোত কপোতীর দাম্পত্য জীবন কেমন কাটে! এ নিয়ে নেটিজেনরা করেছেন অবিমিশ্র মন্তব্য ।তবে আমাদের আশা নব দম্পতির আগামীর জীবন কাটুক রঙ তুলির আঁচড়ে আঁকা স্বপ্নময় রঙিন দুনিয়ার মতো।