ঢাকা ০৮:৫৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬, ১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ:
কুমিল্লা দাউদকান্দি থানা পুলিশের পৃথক অভিযানে ১১০ কেজি গাঁজা উদ্ধার, মাদক কারবারিসহ গ্রেপ্তার-৫। বীরগঞ্জে বাসাবাড়ী- ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা ও মহিলাদের লাঞ্ছিত করার প্রতিবাদে মানববন্ধন। হাওরে ব্যবহৃত চায়না দুয়ারি জাল” বন্ধের দাবিতে মামদনেনববন্ধন। রথযাত্রা: ইতিহাস, সনাতন সংস্কৃতির ধারাবাহিকতা, আধ্যাত্মিক দর্শন ও মানবমুক্তির চিরন্তন বার্তা। হরিদাস চন্দ্র তরুণী দাসকে ঘিরে বিতর্ক: আইনের শাসন, ধর্মীয় স্বাধীনতা ও রাজনৈতিক প্রজ্ঞার কঠিন পরীক্ষা। কিশোরগঞ্জ মিঠামইন উপজেলা বিএনপি সভাপতি জাহাঙ্গীরকে কুপিয়ে হত্যা। সিলেটে জামায়াত সমর্থিত ১৭ সরকারি আইনজীবীর একযোগে পদত্যাগ। রুদ্ধশ্বাস নাটকীয়তায় ফাইনালে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা। উত্তরায় বাসের চাপায় দুই সাংবাদিক নিহত, নিরাপদ সড়কের দাবি সহকর্মীদের। আর্জেন্টিনার বিজয়ে ভোররাত থেকেই ঠাকুরগাঁও চৌরাস্তায় সমর্থকদের আনন্দ-উল্লাস।

অনলাইন সার ব্যবস্থাপনা ঠেকাতে সিন্ডিকেটের অপতৎপরতা ।

  • সারাক্ষণ ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০২:২৫:৩৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • ২৭৪ জন সংবাদটি পড়েছেন

 

 

বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কপোরেশন (বিসিআইসি) অনলাইন স্যার ব্যবস্থাপনা বাধাপ্রাপ্ত করতে তৎপরতা চালাচ্ছে একটি মহল।

সার দুর্নীতিতে জড়িত একটি মহল অযোগ্য সফটওয়্যার ফার্মগুলোকে ব্যবহার করে স্বচ্ছ প্রক্রিয়াকে থামিয়ে দিতে চক্রান্তে লিপ্ত হয়েছে।

মূলত তারা এক ঢিলে দুইটি পাখি মারতে চায়। একদিকে সফটওয়্যার বাজারের স্বনামধন্য কোম্পানি ডাইনামিক সলিউশন ইনোভেটরস (ডিএসআই) এর সুনাম ক্ষুণ্ন করা অপরদিকে বিসিআইসি’র যাবতীয় অনলাইন সিস্টেম-কে বাধাগ্রস্থ করে থামিয়ে দেয়ার অপচেষ্টা।

এ খাত সংশ্লিষ্টরা মনে করেন, বিসিআইসি’র অনলাইন ফার্টিলাইলাজ ম্যানেজম্যান্ট সিস্টেম বাস্তবায়িত হলে সারের হিসাবে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা তৈরি হবে। দেশের সার বিষয়ে তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্ত গ্রহণে সরকারের সহায়ক হবে।

গত ১৩ এপ্রিল বিসিআইসি’র অনলাইন ফার্টিলাইলাজ ম্যানেজম্যান্ট সিস্টেমের ইওআই আহ্বান করে এরপর ৩০ এপ্রিল ১২টি প্রতিষ্ঠান আগ্রহব্যক্তকরণ প্রস্তাব জমা দেয়। সূক্ষ্ম যাচাই-বাছাই শেষে প্রায় ২ মাস ১৫ দিন পর গত জুলাই মাসে সংক্ষিপ্ত তালিকাভূক্ত প্রতিষ্ঠানের তালিকা প্রকাশ করে বিসিআইসি প্রথম ধাপের কাজ সমাপ্ত করেছে। পিপিআর-২০০৮ এর নিয়ম মেনে সম্পূর্ণ প্রক্রিয়া অগ্রসর হচ্ছে।

জানা যায়, একটি মহল গুজব ছড়ানোর চেষ্টা করেছে যে, বিসিআইসি’র প্রকাশিত দরপত্রে এমন শর্ত দেয়া হয়েছে যে মাত্র একটি প্রতিষ্ঠান অংশ নিতে পারবে। কিন্তু বাস্তবে গুজব মিথ্যা প্রমাণিত হয়েছে। কেননা এই শর্তেই দেশের ১২টি প্রতিষ্ঠান আগ্রহব্যক্তকরণ প্রস্তাব বিসিআইসিতে জমা দিয়েছে। এর মধ্যে ০৭টি কোম্পানিই Capability Maturity Model Integration (CMMI) লেভেল-৩ ধারী প্রতিষ্ঠান। CMMI Level 3 সনদকে সফটওয়্যার ডেভলপমেন্ট ফার্মসমূহের সক্ষমতার অন্যতম মানদন্ড হিসেবে বিবেচনা করা হয়। সরকারি প্রতিষ্ঠানসমূহের ও বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের বিগত দিনের ইওআই এর শর্ত বিশ্লেষণ করে দেখা যায় বিসিআইসি তাদের কাজের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ শর্ত দিয়েই ইওআই আহ্বান করেছে। সুতরাং পিপিআর-২০০৮ বিধি-৯০ অনুসারে প্রকাশিত ইওআই এ বিসিআইসি’র পক্ষ থেকে কোন কঠিন শর্ত দেয়ার বিষয়টি প্রমাণিত হয়নি।

বিসিআইসি’র অনলাইন ফার্টিলাইলাজ ম্যানেজম্যান্ট সিস্টেম তৈরিতে সাত সদস্যের কমিটি প্রায় ৬ মাস ধরে কাজ করেছে। সংগৃহীত টার্মস ও রেফারেন্স বিশ্লেষণ করলে দেখা যায় এটি একটি জটিল সফটওয়্যার। এরূপ সফটওয়্যার তৈরিতে একটি ফার্মের যে সকল যোগ্যতা থাকা উচিৎ সে ধরণের শর্তই দেয়া হয়েছে। অপরদিকে পেমেন্ট কন্ডিশন কঠিন করা হয়েছে। অর্থাৎ কাজ না করে টাকা নেয়ার কোন সুযোগ বিসিআইসিতে নেই।

বিসিআইসি’র অনলাইন ফার্টিলাইলাজ ম্যানেজম্যান্ট সিস্টেমের দ্বিতীয় ধাপের কাজ শুরু হয়েছে গত ১৭ জুলাই। দ্বিতীয় ধাপে সংক্ষিপ্ত তালিকাভূক্ত ফার্মসমূহের কাছে আরএফপি ডকুমেন্টস প্রেরণ করা হয়েছে। গত ২৯ জুলাই প্রি-প্রপোজাল মিটিং অনুষ্ঠিত হয়ে গণতান্ত্রিক উপায়ে কার্যবিবরণী তৈরি করে সংশ্লিষ্ট সকলকে প্রেরণ করা হয়েছে এবং বিসিআইসি’র ওয়বসাইটে কার্যবিবরণী প্রকাশ করা হয়েছে। বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও সংস্থা এবং অধিদপ্তর বিসিআইসির মত একই পদ্ধতিতে সফটওয়্যার তৈরির ইওআই ইতোপূর্বে আহ্বান করেছে।

 

পিপিআর-২০০৮ এর বিধি ১১৮(৩) এর উল্লেখ মতে উন্মুক্তকরণ কমিটি বিসিআইসি কর্তৃপক্ষের নিকট আর্থিক প্রস্তাব সীলগালা অবস্থায় সাথে সাথে জমা প্রদান করেছে। বর্তমানে প্রস্তাবসমূহের কারিগরি মূল্যায়ন কার্যক্রম চলমান রয়েছে। মূল্যায়ন কমিটিতে ৭ জন সদস্য। এর মধ্যে শিল্প মন্ত্রণালয়, তথ্য ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় এবং বুয়েটের শিক্ষক প্রতিনিধি রয়েছেন। প্রত্যেক সদস্য পৃথক পৃথক ভাবে মূল্যায়ন করে কারিগরি প্রস্তাবের নম্বর প্রদান করলে পরে এটার গড় করা হবে। গড় নম্বর ৮০ তে রূপান্তর করে ফার্মসমূহের উপস্থিতিতে তা ঘোষণা করা হবে। ঐ দিনই গোপনীয় দাপ্তরিক প্রাক্কলিত ব্যয় সীলগালা খাম থেকে প্রথম উন্মুক্ত করলে সবাই জানতে পারবে। এর পর ফার্মসমূহের দাখিলকৃত আর্থিক প্রস্তাবসমূহ সীলগালা খাম থেকে খুলে সকলের সামনে ঘোষণা করা হবে। ভ্যাট ও ট্যাক্স ব্যতীত যে ফার্ম সবচেয়ে কম টাকা প্রস্তাব করবে সেই সর্বোচ্চ আর্থিক নম্বর অর্জন করবে। এর পর কারিগরি প্রস্তাবের নম্বর ও আর্থিক প্রস্তাবের নম্বর যোগ করে মেধাস্থান নির্ধারিত হবে। সঠিক প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হলে যোগসাজসের কোন সুযোগ নেই। এ বিষয়ে প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী এবং টিকে থাকা প্রতিষ্ঠানসমূহের কোন অভিযোগ নেই।

বিষয়টি নিয়ে বিসিআইসি’র ঊর্ধ্বতন মহাব্যবস্থাপক ও আইসিটি বিভাগীয় প্রধান মো. দেলোয়ার হোসেন বলেন, বিসিআইসি’র অনলাইন ফার্টিলাইলাজ ম্যানেজম্যান্ট সিস্টেম বাস্তবায়িত হলে সারের হিসাবে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা তৈরি হবে। দেশের সার বিষয়ে তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্ত গ্রহণে সরকারের সহায়ক হবে। পিপিআর এর সম্পূর্ণ বিধি মেনে পরামর্শক প্রতিষ্ঠান নিয়োগের কার্যক্রম চলমান রয়েছে। এখনো পর্যন্ত প্রক্রিয়ায় কোন ভুল পাওয়া যায়নি।

Tag :
About Author Information

GOURANGA BOSE

জনপ্রিয় সংবাদ

কুমিল্লা দাউদকান্দি থানা পুলিশের পৃথক অভিযানে ১১০ কেজি গাঁজা উদ্ধার, মাদক কারবারিসহ গ্রেপ্তার-৫।

অনলাইন সার ব্যবস্থাপনা ঠেকাতে সিন্ডিকেটের অপতৎপরতা ।

আপডেট সময় : ০২:২৫:৩৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫

 

 

বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কপোরেশন (বিসিআইসি) অনলাইন স্যার ব্যবস্থাপনা বাধাপ্রাপ্ত করতে তৎপরতা চালাচ্ছে একটি মহল।

সার দুর্নীতিতে জড়িত একটি মহল অযোগ্য সফটওয়্যার ফার্মগুলোকে ব্যবহার করে স্বচ্ছ প্রক্রিয়াকে থামিয়ে দিতে চক্রান্তে লিপ্ত হয়েছে।

মূলত তারা এক ঢিলে দুইটি পাখি মারতে চায়। একদিকে সফটওয়্যার বাজারের স্বনামধন্য কোম্পানি ডাইনামিক সলিউশন ইনোভেটরস (ডিএসআই) এর সুনাম ক্ষুণ্ন করা অপরদিকে বিসিআইসি’র যাবতীয় অনলাইন সিস্টেম-কে বাধাগ্রস্থ করে থামিয়ে দেয়ার অপচেষ্টা।

এ খাত সংশ্লিষ্টরা মনে করেন, বিসিআইসি’র অনলাইন ফার্টিলাইলাজ ম্যানেজম্যান্ট সিস্টেম বাস্তবায়িত হলে সারের হিসাবে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা তৈরি হবে। দেশের সার বিষয়ে তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্ত গ্রহণে সরকারের সহায়ক হবে।

গত ১৩ এপ্রিল বিসিআইসি’র অনলাইন ফার্টিলাইলাজ ম্যানেজম্যান্ট সিস্টেমের ইওআই আহ্বান করে এরপর ৩০ এপ্রিল ১২টি প্রতিষ্ঠান আগ্রহব্যক্তকরণ প্রস্তাব জমা দেয়। সূক্ষ্ম যাচাই-বাছাই শেষে প্রায় ২ মাস ১৫ দিন পর গত জুলাই মাসে সংক্ষিপ্ত তালিকাভূক্ত প্রতিষ্ঠানের তালিকা প্রকাশ করে বিসিআইসি প্রথম ধাপের কাজ সমাপ্ত করেছে। পিপিআর-২০০৮ এর নিয়ম মেনে সম্পূর্ণ প্রক্রিয়া অগ্রসর হচ্ছে।

জানা যায়, একটি মহল গুজব ছড়ানোর চেষ্টা করেছে যে, বিসিআইসি’র প্রকাশিত দরপত্রে এমন শর্ত দেয়া হয়েছে যে মাত্র একটি প্রতিষ্ঠান অংশ নিতে পারবে। কিন্তু বাস্তবে গুজব মিথ্যা প্রমাণিত হয়েছে। কেননা এই শর্তেই দেশের ১২টি প্রতিষ্ঠান আগ্রহব্যক্তকরণ প্রস্তাব বিসিআইসিতে জমা দিয়েছে। এর মধ্যে ০৭টি কোম্পানিই Capability Maturity Model Integration (CMMI) লেভেল-৩ ধারী প্রতিষ্ঠান। CMMI Level 3 সনদকে সফটওয়্যার ডেভলপমেন্ট ফার্মসমূহের সক্ষমতার অন্যতম মানদন্ড হিসেবে বিবেচনা করা হয়। সরকারি প্রতিষ্ঠানসমূহের ও বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের বিগত দিনের ইওআই এর শর্ত বিশ্লেষণ করে দেখা যায় বিসিআইসি তাদের কাজের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ শর্ত দিয়েই ইওআই আহ্বান করেছে। সুতরাং পিপিআর-২০০৮ বিধি-৯০ অনুসারে প্রকাশিত ইওআই এ বিসিআইসি’র পক্ষ থেকে কোন কঠিন শর্ত দেয়ার বিষয়টি প্রমাণিত হয়নি।

বিসিআইসি’র অনলাইন ফার্টিলাইলাজ ম্যানেজম্যান্ট সিস্টেম তৈরিতে সাত সদস্যের কমিটি প্রায় ৬ মাস ধরে কাজ করেছে। সংগৃহীত টার্মস ও রেফারেন্স বিশ্লেষণ করলে দেখা যায় এটি একটি জটিল সফটওয়্যার। এরূপ সফটওয়্যার তৈরিতে একটি ফার্মের যে সকল যোগ্যতা থাকা উচিৎ সে ধরণের শর্তই দেয়া হয়েছে। অপরদিকে পেমেন্ট কন্ডিশন কঠিন করা হয়েছে। অর্থাৎ কাজ না করে টাকা নেয়ার কোন সুযোগ বিসিআইসিতে নেই।

বিসিআইসি’র অনলাইন ফার্টিলাইলাজ ম্যানেজম্যান্ট সিস্টেমের দ্বিতীয় ধাপের কাজ শুরু হয়েছে গত ১৭ জুলাই। দ্বিতীয় ধাপে সংক্ষিপ্ত তালিকাভূক্ত ফার্মসমূহের কাছে আরএফপি ডকুমেন্টস প্রেরণ করা হয়েছে। গত ২৯ জুলাই প্রি-প্রপোজাল মিটিং অনুষ্ঠিত হয়ে গণতান্ত্রিক উপায়ে কার্যবিবরণী তৈরি করে সংশ্লিষ্ট সকলকে প্রেরণ করা হয়েছে এবং বিসিআইসি’র ওয়বসাইটে কার্যবিবরণী প্রকাশ করা হয়েছে। বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও সংস্থা এবং অধিদপ্তর বিসিআইসির মত একই পদ্ধতিতে সফটওয়্যার তৈরির ইওআই ইতোপূর্বে আহ্বান করেছে।

 

পিপিআর-২০০৮ এর বিধি ১১৮(৩) এর উল্লেখ মতে উন্মুক্তকরণ কমিটি বিসিআইসি কর্তৃপক্ষের নিকট আর্থিক প্রস্তাব সীলগালা অবস্থায় সাথে সাথে জমা প্রদান করেছে। বর্তমানে প্রস্তাবসমূহের কারিগরি মূল্যায়ন কার্যক্রম চলমান রয়েছে। মূল্যায়ন কমিটিতে ৭ জন সদস্য। এর মধ্যে শিল্প মন্ত্রণালয়, তথ্য ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় এবং বুয়েটের শিক্ষক প্রতিনিধি রয়েছেন। প্রত্যেক সদস্য পৃথক পৃথক ভাবে মূল্যায়ন করে কারিগরি প্রস্তাবের নম্বর প্রদান করলে পরে এটার গড় করা হবে। গড় নম্বর ৮০ তে রূপান্তর করে ফার্মসমূহের উপস্থিতিতে তা ঘোষণা করা হবে। ঐ দিনই গোপনীয় দাপ্তরিক প্রাক্কলিত ব্যয় সীলগালা খাম থেকে প্রথম উন্মুক্ত করলে সবাই জানতে পারবে। এর পর ফার্মসমূহের দাখিলকৃত আর্থিক প্রস্তাবসমূহ সীলগালা খাম থেকে খুলে সকলের সামনে ঘোষণা করা হবে। ভ্যাট ও ট্যাক্স ব্যতীত যে ফার্ম সবচেয়ে কম টাকা প্রস্তাব করবে সেই সর্বোচ্চ আর্থিক নম্বর অর্জন করবে। এর পর কারিগরি প্রস্তাবের নম্বর ও আর্থিক প্রস্তাবের নম্বর যোগ করে মেধাস্থান নির্ধারিত হবে। সঠিক প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হলে যোগসাজসের কোন সুযোগ নেই। এ বিষয়ে প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী এবং টিকে থাকা প্রতিষ্ঠানসমূহের কোন অভিযোগ নেই।

বিষয়টি নিয়ে বিসিআইসি’র ঊর্ধ্বতন মহাব্যবস্থাপক ও আইসিটি বিভাগীয় প্রধান মো. দেলোয়ার হোসেন বলেন, বিসিআইসি’র অনলাইন ফার্টিলাইলাজ ম্যানেজম্যান্ট সিস্টেম বাস্তবায়িত হলে সারের হিসাবে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা তৈরি হবে। দেশের সার বিষয়ে তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্ত গ্রহণে সরকারের সহায়ক হবে। পিপিআর এর সম্পূর্ণ বিধি মেনে পরামর্শক প্রতিষ্ঠান নিয়োগের কার্যক্রম চলমান রয়েছে। এখনো পর্যন্ত প্রক্রিয়ায় কোন ভুল পাওয়া যায়নি।