ঢাকা ১১:৩৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৯ জুন ২০২৬, ২৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ:
শুধু মাদারীপুর নয় ফরিদপুর-১ আসনেরও দায়িত্ব পেলেন হেলেন জেরিন খান, বিএনপি নেতাকর্মীদের মধ্যে উচ্ছ্বাস ও আনন্দের বন্যা। স্কুল ফিডিং (মিড ডে মিল) প্রকল্পে অনিয়ম ও নিম্নমানের পচা খাবার সরবরাহের অভিযোগে দুইজনকে গ্রেফতার করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। সোনারগাঁও থানা পুলিশ কর্তৃক নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনের ১ জন আসামি গ্রেফতার। রাজৈরে দুই মাদক সেবীকে তিন মাসের কারাদণ্ড। “আরাফ বাংলাদেশ” মানবিক সংগঠনের ১১ সদস্য বিশিষ্ট পরিচালনা পর্ষদ গঠিত।  মাগুরা পৌরসভার প্রশাসকের বিরুদ্ধে স্বেচ্ছাচারিতার অভিযোগ, বদলী হলেও মাগুরা ছাড়ছেন না। দ্রুত অপসারণের দাবী। শরীয়তপুরে প্রধান শিক্ষক সুজিত কর্মকারের ওপর বর্বরোচিত হামলা। হত্যা মামলার প্রধান আসামি ও ৩ জন পেশাদার মাদক কারবারী সহ চারজন গ্রেপ্তার। চেয়ারম্যান,এমডি জেলে, নিয়োগপত্র ছাড়াই আইডি কার্ড বিতরণ, মোহনা টিভিতে হচ্ছে কী? মাদারীপুরের রাজৈরে নবাগত জেলা প্রশাসকের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত।

প্রায় সাড়ে পাঁচশো কোটি টাকা আত্মসাৎ। আতিউর-বারাকাতসহ ২৬ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট অনুমোদন।

  • সারাক্ষণ ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৭:৫০:২৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ অক্টোবর ২০২৫
  • ২০১ জন সংবাদটি পড়েছেন

এননটেক্স গ্রুপের নামে প্রায় ৫৩১ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ড. আতিউর রহমান, অর্থনীতিবিদ ড. আবুল বারাকাতসহ ২৬ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট অনুমোদন দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

সোমবার (২০ অক্টোবর) দুদকের প্রধান কার্যালয়ে ওই চার্জশিট অনুমোদন দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন সংস্থাটির মহাপরিচালক মো. আক্তার হোসেন। শিগগিরই আদালতে চার্জশিট দাখিল করা হবে।

গত ২০ ফেব্রুয়ারি দুদকের ঢাকা সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে সংস্থাটির উপ-পরিচালক মো. নাজমুল হুসাইন বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন।

তদন্তে আসামিরা হলেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ড. আতিউর রহমান, সাবেক ডেপুটি গভর্নর-২ আবু হেনা মোহাম্মদ রাজী হাসান, জনতা ব্যাংক পিএলসির সাবেক চেয়ারম্যান ড. আবুল বারাকাত, সাবেক পরিচালক ড. জামাল উদ্দিন আহমেদ, মো. ইমদাদুল হক, নাগিবুল ইসলাম দীপু, ড. আর. এম. দেবনাথ, মো. আবু নাসের, মিসেস সঙ্গীতা আহমেদ এবং সাবেক পরিচালক অধ্যাপক ড. নিতাই চন্দ্র নাথ।

এছাড়া আসামি করা হয়েছে, জনতা ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও আব্দুছ ছালাম আজাদ, সাবেক উপ-মহাব্যবস্থাপক আজমুল হক, সাবেক এজিএম অজয় কুমার ঘোষ, জনতা ভবন কর্পোরেট শাখার সাবেক ম্যানেজার (শিল্পঋণ-১) মো. গোলাম আজম, ব্যাংকের নির্বাহী প্রকৌশলী (এসএমই বিভাগ) মো. শাহজাহান, এসইও মো. এমদাদুল হক, সাবেক ডিএমডি মো. গোলাম ফারুক ও সাবেক উপব্যবস্থাপনা পরিচালক ওমর ফারুককে।

আসামি করা হয়েছে এননটেক্স গ্রুপের চেয়ারম্যান মো. ইউনুছ বাদল ও মেসার্স সুপ্রভ স্পিনিং লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আনোয়ার হোসেনকেও।

অন্যদিকে তদন্তে আসামি হয়েছেন- জনতা ব্যাংকের ডিজিএম কে. এম. সারওয়ার রশীদ, জনতা ভবন কর্পোরেট শাখার সাবেক শাখা ব্যবস্থাপক আহমেদ শাহনূর হোসেন, ইনভেস্টমেন্ট কর্পোরেশন অব বাংলাদেশের এমডি মো. ইফতিখার-উজ-জামান, জনতা ব্যাংকের সাবেক উপব্যবস্থাপনা পরিচালক এ. কে. এম. আশরাফ উদ্দিন খান, সাবেক ডিএমডি মো. গোলাম সারোয়ার এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক নির্বাহী পরিচালক মো. নওশাদ আলী চৌধুরী।

তবে মামলায় আসামি হলেও চার্জশিট থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে, তাদের মধ্যে আছেন- মেসার্স সুপ্রভ স্পিনিং লিমিটেডের পরিচালক মো. আবু তালহা, জনতা ব্যাংকের সাবেক উপ-মহাব্যবস্থাপক মো. আব্দুল জব্বার ও বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক সহকারী পরিচালক মোছা. ইসমত আরা বেগম।

তদন্ত প্রতিবেদন সূত্রে জানা গেছে, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে প্রতারণা ও জালজালিয়াতির মাধ্যমে মিথ্যা রেকর্ড তৈরি করে জনতা ব্যাংক পিএলসির ভবন শাখা থেকে প্রায় ৫৩১ কোটি ৪৪ লাখ টাকা আত্মসাত করেছেন। যা সুদ-আসলে প্রায় ১,১৩০ কোটি ১৯ লাখ টাকায় দাঁড়িয়েছে। যদিও এজাহারে আত্মসাতের পরিমাণ ছিল ২৯৭ কোটি ৩৮ লাখ ৮৭ হাজার ২৯৬ টাকা।

আসামিদের বিরুদ্ধে ঋণের অর্থ সংশ্লিষ্ট ব্যাংক কর্মকর্তাদের যোগসাজশে জালজালিয়াতি ও মানি লন্ডারিংয়ের মাধ্যমে আত্মসাতের অভিযোগ আনা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধি ৪০৯/৪২০/৪৬৭/৪৬৮/৪৭১/১০৯ ধারাসহ দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭-এর ৫(২) ধারায় চার্জশিট দাখিলের সুপারিশ করা হয়েছে।

Tag :
About Author Information

GOURANGA BOSE

জনপ্রিয় সংবাদ

শুধু মাদারীপুর নয় ফরিদপুর-১ আসনেরও দায়িত্ব পেলেন হেলেন জেরিন খান, বিএনপি নেতাকর্মীদের মধ্যে উচ্ছ্বাস ও আনন্দের বন্যা।

প্রায় সাড়ে পাঁচশো কোটি টাকা আত্মসাৎ। আতিউর-বারাকাতসহ ২৬ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট অনুমোদন।

আপডেট সময় : ০৭:৫০:২৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ অক্টোবর ২০২৫

এননটেক্স গ্রুপের নামে প্রায় ৫৩১ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ড. আতিউর রহমান, অর্থনীতিবিদ ড. আবুল বারাকাতসহ ২৬ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট অনুমোদন দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

সোমবার (২০ অক্টোবর) দুদকের প্রধান কার্যালয়ে ওই চার্জশিট অনুমোদন দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন সংস্থাটির মহাপরিচালক মো. আক্তার হোসেন। শিগগিরই আদালতে চার্জশিট দাখিল করা হবে।

গত ২০ ফেব্রুয়ারি দুদকের ঢাকা সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে সংস্থাটির উপ-পরিচালক মো. নাজমুল হুসাইন বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন।

তদন্তে আসামিরা হলেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ড. আতিউর রহমান, সাবেক ডেপুটি গভর্নর-২ আবু হেনা মোহাম্মদ রাজী হাসান, জনতা ব্যাংক পিএলসির সাবেক চেয়ারম্যান ড. আবুল বারাকাত, সাবেক পরিচালক ড. জামাল উদ্দিন আহমেদ, মো. ইমদাদুল হক, নাগিবুল ইসলাম দীপু, ড. আর. এম. দেবনাথ, মো. আবু নাসের, মিসেস সঙ্গীতা আহমেদ এবং সাবেক পরিচালক অধ্যাপক ড. নিতাই চন্দ্র নাথ।

এছাড়া আসামি করা হয়েছে, জনতা ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও আব্দুছ ছালাম আজাদ, সাবেক উপ-মহাব্যবস্থাপক আজমুল হক, সাবেক এজিএম অজয় কুমার ঘোষ, জনতা ভবন কর্পোরেট শাখার সাবেক ম্যানেজার (শিল্পঋণ-১) মো. গোলাম আজম, ব্যাংকের নির্বাহী প্রকৌশলী (এসএমই বিভাগ) মো. শাহজাহান, এসইও মো. এমদাদুল হক, সাবেক ডিএমডি মো. গোলাম ফারুক ও সাবেক উপব্যবস্থাপনা পরিচালক ওমর ফারুককে।

আসামি করা হয়েছে এননটেক্স গ্রুপের চেয়ারম্যান মো. ইউনুছ বাদল ও মেসার্স সুপ্রভ স্পিনিং লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আনোয়ার হোসেনকেও।

অন্যদিকে তদন্তে আসামি হয়েছেন- জনতা ব্যাংকের ডিজিএম কে. এম. সারওয়ার রশীদ, জনতা ভবন কর্পোরেট শাখার সাবেক শাখা ব্যবস্থাপক আহমেদ শাহনূর হোসেন, ইনভেস্টমেন্ট কর্পোরেশন অব বাংলাদেশের এমডি মো. ইফতিখার-উজ-জামান, জনতা ব্যাংকের সাবেক উপব্যবস্থাপনা পরিচালক এ. কে. এম. আশরাফ উদ্দিন খান, সাবেক ডিএমডি মো. গোলাম সারোয়ার এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক নির্বাহী পরিচালক মো. নওশাদ আলী চৌধুরী।

তবে মামলায় আসামি হলেও চার্জশিট থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে, তাদের মধ্যে আছেন- মেসার্স সুপ্রভ স্পিনিং লিমিটেডের পরিচালক মো. আবু তালহা, জনতা ব্যাংকের সাবেক উপ-মহাব্যবস্থাপক মো. আব্দুল জব্বার ও বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক সহকারী পরিচালক মোছা. ইসমত আরা বেগম।

তদন্ত প্রতিবেদন সূত্রে জানা গেছে, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে প্রতারণা ও জালজালিয়াতির মাধ্যমে মিথ্যা রেকর্ড তৈরি করে জনতা ব্যাংক পিএলসির ভবন শাখা থেকে প্রায় ৫৩১ কোটি ৪৪ লাখ টাকা আত্মসাত করেছেন। যা সুদ-আসলে প্রায় ১,১৩০ কোটি ১৯ লাখ টাকায় দাঁড়িয়েছে। যদিও এজাহারে আত্মসাতের পরিমাণ ছিল ২৯৭ কোটি ৩৮ লাখ ৮৭ হাজার ২৯৬ টাকা।

আসামিদের বিরুদ্ধে ঋণের অর্থ সংশ্লিষ্ট ব্যাংক কর্মকর্তাদের যোগসাজশে জালজালিয়াতি ও মানি লন্ডারিংয়ের মাধ্যমে আত্মসাতের অভিযোগ আনা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধি ৪০৯/৪২০/৪৬৭/৪৬৮/৪৭১/১০৯ ধারাসহ দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭-এর ৫(২) ধারায় চার্জশিট দাখিলের সুপারিশ করা হয়েছে।